বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৬ পি.এম
একটি জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সেই পথের প্রতিটি বাঁকে জমে থাকে অভিজ্ঞতার গল্প, ত্যাগের স্মৃতি আর পরিবার-সমাজের জন্য রেখে যাওয়া নীরব অবদান। একসময় যাঁদের হাত ধরে সন্তানরা হাঁটতে শেখে, যাঁদের ঘাম ও মমতায় গড়ে ওঠে একটি পরিবার; সময়ের স্রোতে তাঁরাই একদিন বয়সের এই ভারে ধীর হয়ে আসেন। তবে বয়স তাঁদের অবদানকে ছোট করে না; বরং জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞাই হয়ে ওঠে পরবর্তী প্রজন্মের সবচেয়ে বড় সম্পদ।
এই মানবিক উপলব্ধিকে সামনে রেখে “দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে পালিত হয়েছে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও দায়িত্ববোধের বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টায় জেলা সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) ও ডায়াবেটিক হাসপাতালের বিপরীত এলাকা থেকে র্যালিটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে প্রবীণ ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র্যালি থেকে প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) ডা. মো. আতাউল সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি প্রবীণদের পাশে প্রশাসনের থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘প্রবীণদের কল্যাণে সরকার বিভিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে প্রবীণদের প্রতি দায়িত্ববোধ কেবল রাষ্ট্র বা প্রশাসনের নয়; এর শুরু হতে হবে পরিবার থেকেই। ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের শেখাতে হবে; বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কীভাবে সম্মানের সঙ্গে কথা বলতে হয়, কীভাবে তাঁদের প্রয়োজন ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতে হয়।’
জেলা প্রশাসকের ভাষায়, কাউকে সম্মান করে সম্বোধন করাও এক ধরনের সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিক শিক্ষা। সেই শিক্ষা পরিবারে গড়ে উঠলে প্রবীণদের প্রতি অবহেলা অনেকটাই কমে আসবে এবং প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মের সম্পর্ক আরও মানবিক হয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রবীণদের জন্য সমাজ, রাষ্ট্র ও প্রশাসন রয়েছে। তাই কোনো প্রবীণ নাগরিক নিজেকে কখনো একা ভাববেন না। সন্তানরা যথাযথভাবে দেখাশোনা না করলে প্রবীণরা সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জেলা প্রশাসকের এই বক্তব্যে যেন উঠে আসে বয়সের ভারে নত হয়ে পড়া মানুষগুলোর প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের এক মানবিক অঙ্গীকার। পরিবারে অবহেলার শিকার কোনো প্রবীণকে একা পড়ে থাকতে হবে না; প্রশাসন তার পাশে দাঁড়াবে, এমন আশ্বাস দেন তিনি।
প্রবীণদের দৈনন্দিন সেবার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার ব্যাংকগুলোতে প্রবীণদের জন্য পৃথক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা চালুর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবায় ইনডোর ও আউটডোরে পৃথকভাবে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও আশার কথা শোনান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, প্রবীণদের জন্য হেলথ কার্ড চালুর বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। তবে প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার চিন্তা সরকার অনেক আগেই গ্রহণ করেছে এবং সে অনুযায়ী কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি প্রবীণদের জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে সমাজের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, একটি সমাজ কতটা মানবিক, তা শুধু তার উন্নয়ন কিংবা অবকাঠামো দিয়ে নয়; সেই সমাজ তার প্রবীণ মানুষদের কতটা সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদা দিতে পারে, তার মধ্য দিয়েও প্রকাশ পায়।
আলোচনা সভায় জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও প্রতিষ্ঠান) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান স্বাগত বক্তব্য দেন। আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রল্লব কুমার দেবনাথ, জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ উদ্দীন ভূঞা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মেহের উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য এস এম হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আতিয়া রহমান এবং প্রফেসর আব্দুল গণি।
বক্তারা বলেন, প্রবীণরা কোনোভাবেই পরিবার বা সমাজের বোঝা নন। তাঁদের দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, মূল্যবোধ ও ত্যাগ পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ। তাই তাঁদের প্রতি সহানুভূতির চেয়ে বেশি প্রয়োজন সম্মান, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা। এ জন্য পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
দিবসটির আয়োজন যেন শেষ পর্যন্ত একটি সহজ অথচ গভীর সত্যই মনে করিয়ে দিল; বয়স মানুষের জীবনের একটি সংখ্যা মাত্র, মর্যাদার মাপকাঠি নয়। যে হাত একদিন সন্তানকে ধরে হাঁটতে শিখিয়েছে, যে মানুষটি নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে পরিবারকে দাঁড় করিয়েছেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সেই মানুষটির হাত শক্ত করে ধরে রাখাই একটি মানবিক সমাজের পরিচয়।
সভায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, প্রবীণ ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রমের সময় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. শাম্মী আরা নিপাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল আলিম বছিরের স্বাক্ষরিত একটি নোটিশে তাঁকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. শাম্মী আরা নিপা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের দপ্তরপ্রধানের রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, মেডিকেল সেন্টার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সচল থাকার কথা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই তিনি একক সিদ্ধান্তে গত ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নোটিশে এই ঘটনাকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অমান্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২১ বছর বয়সে পদার্পণ উপলক্ষে বিলাসবহুল পার্টি বা লাস ভেগাসে ভ্রমণের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন মিরিয়াম হারেগোট। এই তরুণী তার বিশেষ দিনটিকে আরও অর্থবহ করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে গৃহহীনদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার ও চালু করেছেন।
মিরিয়াম মানবিক এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, "মানুষকে মানবিকতার ছোঁয়া দিতে পেরে দারুণ লাগছে, কারণ বর্তমান বিশ্বে এর বড্ড অভাব। আপনি নিজে সমাজে যে পরিবর্তন দেখতে চান, সেই পরিবর্তনের সূচনা আপনার নিজেকে দিয়েই করা উচিত।"
আশ্রয়কেন্দ্র চালুর পরপরই মিরিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন ‘দ্য প্যাক প্রজেক্ট’ (P.A.C.K. - People Advocating Community Kinship) নামের একটি সংগঠন।
সাউথ সেন্ট্রাল লস অ্যাঞ্জেলেসের তরুণ, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি মূলত গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের খাদ্য, বাসস্থান এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তাদের এই প্রজেক্টের আওতায় ‘ফিড দ্য হোমিস’ (Feed The Homies) নামের একটি মাসিক উদ্যোগের মাধ্যমে স্কিড রো এলাকায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে গরম খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
সমাজ পরিবর্তনের জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদবি, বড় তহবিল বা অনুমোদনের অপেক্ষা না করে মিরিয়াম যেভাবে নিজেই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র উৎপাদনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক কারখানাগুলোকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে। মস্কোর পক্ষ থেকে এই বিষয়টি জানিয়ে একটি কঠোর সতর্কতা পাঠানো হয়েছে।
পোল্যান্ডে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত এক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই সতর্কতা প্রদান করেন। তিনি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন যে, ইউক্রেনের ভূখণ্ডের বাইরে অস্ত্র তৈরি হলেই তা নিরাপদ—এমন কোনো ধারণা রাখা উচিত নয়।
জাখারোভা বলেন, "ইউরোপের যেসব দেশে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র উৎপাদিত হচ্ছে, সেসব কারখানা রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত কারখানাগুলো কিয়েভ সরকারের জন্য অস্ত্র তৈরি করে নিরাপদ থাকবে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। যারা তা ভাবছেন, তারা চরম ভুল করছেন।"
এই সতর্কবার্তার ফলে কিয়েভকে পশ্চিমা বিশ্বের অব্যাহত সামরিক সহায়তার প্রেক্ষিতে ক্রেমলিনের কঠোর অবস্থান ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর উদ্বেগকে আরও বৃদ্ধি করতে পারে বলেও মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহেশ ভাটের স্ত্রী এবং আলিয়া ভাটের মা—এই দুটি পরিচয় থাকা সত্ত্বেও অভিনয়জীবনে এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী সোনি রাজদান। তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের আগে যেমন অভিনয়ে সংগ্রাম করতে হয়েছিল, বিয়ের পরেও সেই বাস্তবতা পরিবর্তিত হয়নি। আলিয়ার মা হওয়ার পরও তিনি নিজেকে একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দেখেন।
সম্প্রতি গালাট্টা প্লাসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সোনি তার অভিনয়জীবন, ক্যারিয়ারের শুরুর সময়ের বাধা এবং কাজ পাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেন।
মহেশ ভাটের স্ত্রী এবং আলিয়া ভাটের মা হওয়ার বাইরে তিনি নিজেকে কিভাবে দেখেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সোনি বলেন, তিনি একজন সংগ্রামী অভিনেত্রী ছিলেন এবং বিয়ের পরও সেই পরিচয় পরিবর্তিত হয়নি। আলিয়ার মা হওয়ার পরও তিনি একজন অভিনেত্রী হিসেবেই নিজেকে চিহ্নিত করেন। অভিনয়কে তিনি অত্যন্ত ভালোবাসেন বলেও জানান।
সোনি জানান, তার ক্যারিয়ারের পথ খুব একটা সহজ ছিল না। তার বিশ্বাস, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার চেহারার ধরন কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছিল।
সোনি বলেন, তার চেহারা হয়তো সে সময়কার প্রচলিত ভারতীয় সৌন্দর্যের ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই ছিল না। তবে তিনি মনে করেন, অভিনয়ের প্রতিভার অভাব ছিল না। তার মতে, যদি আজ তিনি ২৫ বছর বয়সী হতেন, তাহলে চেহারার এই বিষয়টি হয়তো এতটা বাধা হয়ে দাঁড়াত না।
অভিনয়ে আসার আগে থিয়েটারের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিলেন সোনি। প্রথমদিকে তার ইচ্ছা ছিল মঞ্চেই অভিনয় করে ক্যারিয়ার গড়ার। কিন্তু থিয়েটার থেকে আয় করা কঠিন হওয়ায় পরে চলচ্চিত্রে আসতে বাধ্য হন।
সোনির ভাষায়, তিনি সবসময় ভেবেছিলেন থিয়েটার অভিনেত্রী হিসেবেই থাকবেন। পরে তিনি বুঝতে পারেন, থিয়েটার থেকে আয় করা সহজ নয়। তখনই তাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে চলচ্চিত্রে আসার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তবে সোনি শুধু পর্দায় আকর্ষণীয় উপস্থিতির জন্য পরিচিত হতে চাননি। তিনি অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিতে চেয়েছেন। ‘গ্ল্যাম ডল’ হিসেবে নয়, একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দর্শকের কাছে পরিচিত হতে চেয়েছেন সোনি।
সম্প্রতি ‘শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান’ সিরিজে তাকে দেখা গেছে। সিরিজটি নেটফ্লিক্সে প্রচারিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ