বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৭ পি.এম
২১ বছর বয়সে পদার্পণ উপলক্ষে বিলাসবহুল পার্টি বা লাস ভেগাসে ভ্রমণের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন মিরিয়াম হারেগোট। এই তরুণী তার বিশেষ দিনটিকে আরও অর্থবহ করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে গৃহহীনদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার ও চালু করেছেন।
মিরিয়াম মানবিক এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, "মানুষকে মানবিকতার ছোঁয়া দিতে পেরে দারুণ লাগছে, কারণ বর্তমান বিশ্বে এর বড্ড অভাব। আপনি নিজে সমাজে যে পরিবর্তন দেখতে চান, সেই পরিবর্তনের সূচনা আপনার নিজেকে দিয়েই করা উচিত।"
আশ্রয়কেন্দ্র চালুর পরপরই মিরিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন ‘দ্য প্যাক প্রজেক্ট’ (P.A.C.K. - People Advocating Community Kinship) নামের একটি সংগঠন।
সাউথ সেন্ট্রাল লস অ্যাঞ্জেলেসের তরুণ, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি মূলত গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের খাদ্য, বাসস্থান এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তাদের এই প্রজেক্টের আওতায় ‘ফিড দ্য হোমিস’ (Feed The Homies) নামের একটি মাসিক উদ্যোগের মাধ্যমে স্কিড রো এলাকায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে গরম খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
সমাজ পরিবর্তনের জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদবি, বড় তহবিল বা অনুমোদনের অপেক্ষা না করে মিরিয়াম যেভাবে নিজেই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র উৎপাদনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক কারখানাগুলোকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে। মস্কোর পক্ষ থেকে এই বিষয়টি জানিয়ে একটি কঠোর সতর্কতা পাঠানো হয়েছে।
পোল্যান্ডে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত এক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই সতর্কতা প্রদান করেন। তিনি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন যে, ইউক্রেনের ভূখণ্ডের বাইরে অস্ত্র তৈরি হলেই তা নিরাপদ—এমন কোনো ধারণা রাখা উচিত নয়।
জাখারোভা বলেন, "ইউরোপের যেসব দেশে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র উৎপাদিত হচ্ছে, সেসব কারখানা রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত কারখানাগুলো কিয়েভ সরকারের জন্য অস্ত্র তৈরি করে নিরাপদ থাকবে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। যারা তা ভাবছেন, তারা চরম ভুল করছেন।"
এই সতর্কবার্তার ফলে কিয়েভকে পশ্চিমা বিশ্বের অব্যাহত সামরিক সহায়তার প্রেক্ষিতে ক্রেমলিনের কঠোর অবস্থান ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর উদ্বেগকে আরও বৃদ্ধি করতে পারে বলেও মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহেশ ভাটের স্ত্রী এবং আলিয়া ভাটের মা—এই দুটি পরিচয় থাকা সত্ত্বেও অভিনয়জীবনে এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী সোনি রাজদান। তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের আগে যেমন অভিনয়ে সংগ্রাম করতে হয়েছিল, বিয়ের পরেও সেই বাস্তবতা পরিবর্তিত হয়নি। আলিয়ার মা হওয়ার পরও তিনি নিজেকে একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দেখেন।
সম্প্রতি গালাট্টা প্লাসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সোনি তার অভিনয়জীবন, ক্যারিয়ারের শুরুর সময়ের বাধা এবং কাজ পাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেন।
মহেশ ভাটের স্ত্রী এবং আলিয়া ভাটের মা হওয়ার বাইরে তিনি নিজেকে কিভাবে দেখেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সোনি বলেন, তিনি একজন সংগ্রামী অভিনেত্রী ছিলেন এবং বিয়ের পরও সেই পরিচয় পরিবর্তিত হয়নি। আলিয়ার মা হওয়ার পরও তিনি একজন অভিনেত্রী হিসেবেই নিজেকে চিহ্নিত করেন। অভিনয়কে তিনি অত্যন্ত ভালোবাসেন বলেও জানান।
সোনি জানান, তার ক্যারিয়ারের পথ খুব একটা সহজ ছিল না। তার বিশ্বাস, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার চেহারার ধরন কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছিল।
সোনি বলেন, তার চেহারা হয়তো সে সময়কার প্রচলিত ভারতীয় সৌন্দর্যের ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই ছিল না। তবে তিনি মনে করেন, অভিনয়ের প্রতিভার অভাব ছিল না। তার মতে, যদি আজ তিনি ২৫ বছর বয়সী হতেন, তাহলে চেহারার এই বিষয়টি হয়তো এতটা বাধা হয়ে দাঁড়াত না।
অভিনয়ে আসার আগে থিয়েটারের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিলেন সোনি। প্রথমদিকে তার ইচ্ছা ছিল মঞ্চেই অভিনয় করে ক্যারিয়ার গড়ার। কিন্তু থিয়েটার থেকে আয় করা কঠিন হওয়ায় পরে চলচ্চিত্রে আসতে বাধ্য হন।
সোনির ভাষায়, তিনি সবসময় ভেবেছিলেন থিয়েটার অভিনেত্রী হিসেবেই থাকবেন। পরে তিনি বুঝতে পারেন, থিয়েটার থেকে আয় করা সহজ নয়। তখনই তাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে চলচ্চিত্রে আসার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তবে সোনি শুধু পর্দায় আকর্ষণীয় উপস্থিতির জন্য পরিচিত হতে চাননি। তিনি অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিতে চেয়েছেন। ‘গ্ল্যাম ডল’ হিসেবে নয়, একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দর্শকের কাছে পরিচিত হতে চেয়েছেন সোনি।
সম্প্রতি ‘শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান’ সিরিজে তাকে দেখা গেছে। সিরিজটি নেটফ্লিক্সে প্রচারিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজশাহী মহানগরীর বন্ধগেট, নতুন বিলসিমলা ও হড়গ্রাম রেলক্রসিংয়ে তিনটি ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, যিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) এর প্রশাসক।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি রাজশাহী মহানগরীর সমন্বিত নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। এ সময় তিনি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন।
প্রথমে, রাসিক প্রশাসক নগরীর বন্ধগেট রেলক্রসিংয়ে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এরপর তিনি নতুন বিলসিমলা রেলক্রসিংয়ে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার পরিদর্শন করেন। পরে তিনি হড়গ্রাম রেলক্রসিংয়ে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের কাজও পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান ইমন, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) নিলুফার ইয়াসমিন, সহকারী প্রকৌশলী আসিফুল হাবিব নিবিড়, সহকারী প্রকৌশলী সজিবুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ, সহকারী প্রকৌশলী সাকিব আরাফাত বিহগসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজারবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা কার্যক্রমে মাত্র দুটি ক্লাস সম্পন্ন হয়েছে। কিছু সময় পর তৃতীয় ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা ভবনে তালা ঝুলিয়ে বাড়িতে চলে যান।
এটি ঘটেছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দেউলবাড়ী ডুমুরিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশে একটি বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, শিক্ষকদের দায়িত্ব হল নির্ধারিত সময় পর্যন্ত পাঠদান করা। কোনো সামাজিক বা ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের কারণে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া উচিত নয়। আগাম ছুটি দেওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছে।
বিদ্যালয় বন্ধের এই ঘটনার পর দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবক এবং স্থানীয়রা।
বিদ্যালয়ের এক ছাত্র জানায়, স্কুল ১১টা ৪০ মিনিটে বন্ধ করে স্যাররা বাড়িতে চলে যান।
দেউলবাড়ী ডুমুরিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক আলাউদ্দিন আকন বলেন, ‘আমরা স্কুলে গিয়েছিলাম। পাশের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান থাকায় দুটি ক্লাস নেওয়া হয়। এরপর প্রধান শিক্ষক স্কুল ছুটি দিয়ে দেন।’
যখন শিক্ষকরা ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে যাবেন কিনা জানতে চাওয়া হয়, তখন তিনি বলেন, ‘কোনো শিক্ষকই অনুষ্ঠানে যাবেন না’ বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিতোষ মিত্রের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘কথা শুনতে পাচ্ছি না’ বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
নাজিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, ক্লাস চলাকালে এভাবে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার বা নির্ধারিত সময়ের আগে ছুটি দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সত্যতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ