মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৮ এম
সংসার, সম্পর্ক ও জীবনের টানাপোড়েনে মানবেতিহাসে সম্পর্কের নানা রূপ দেখা যায়। কর্মক্ষমতা ও সামাজিক সফলতার ওপর ভিত্তি করে মানুষের প্রতি পারিপার্শ্বিক আচরণের পরিবর্তন এক নিত্যদিনের বাস্তবতা। সম্প্রতি পারিবারিক জীবনের এই কঠোর বাস্তবতা ও মায়ের চিরন্তন ত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গভীর বার্তা ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উঠে আসে জীবনের এক নির্মম সমীকরণ। পুরুষ যতক্ষণ উপার্জনক্ষম থাকেন এবং পরিবারে আর্থিক যোগান দিতে পারেন, ততক্ষণ সংসারের সম্পর্কগুলোতে এক ধরনের প্রতিশ্রুতি ও অনুগত্য বজায় থাকে। কিন্তু সময়ের ঘূর্ণাবর্তে মানুষের আয়-রোজগার কমে গেলে বা শারীরিক অক্ষমতা চলে এলে অনেক সময় স্ত্রী কিংবা সন্তানসহ কাছের মানুষের আচরণে ব্যবধান দেখা যায়। সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণেও দেখা যায়, বিপদে পড়ে স্বামী অসহায় বা অক্ষম হয়ে পড়লে কিছু ক্ষেত্রে বৈবাহিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জীবনসঙ্গী মুখ ফিরিয়ে নিতেও দ্বিধা করেন না।
তবে অন্যান্য সম্পর্কের সঙ্গে মায়ের সম্পর্কের পার্থক্য এখানেই স্পষ্ট হয়। মায়ের ভালোবাসা কোনো আর্থিক দেনাপাওনা বা উপার্জনের পরিমাপকের ওপর নির্ভর করে না। সন্তান জীবনের যে পর্যায়ই থাকুক না কেন, মায়ের কাছে সে চিরকালই সেই স্নেহের ছোট সন্তান। সন্তানের বিপদে অশ্রুপাত করা এবং তাঁর মঙ্গল কামনায় নিরন্তর প্রার্থনা করাই মায়ের সহজাত ধর্ম।
সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক জীবনে প্রতিটি সম্পর্কের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে। স্ত্রীকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি কোনো অবস্থাতেই সাময়িক প্ররোচনা বা সম্পর্কের মোহে পড়ে জন্মদাত্রী মাকে কষ্ট দেওয়া উচিত নয়। কারণ, জীবনে কোনো বিপর্যয় ঘটলে কিংবা অকালমৃত্যু হলে অন্য যেকোনো সম্পর্কের মানুষ হয়তো একসময় নিজের পথ গুছিয়ে নেয়, কিন্তু মায়ের বুক খালি হলে সেই শূন্যতা ও অশ্রু চিরকাল থেকে যায়।
তাই পারিবারিক টানাপোড়েনের মাঝেও মায়ের নিঃস্বার্থ অবস্থান ও ভালোবাসাকে সবার ওপরে স্থান দেওয়া প্রতিটি সন্তানের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী শহরের মাস্টারপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ফেনী মডেল থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ফেনীর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ফেনী মডেল থানার এসআই মোতাহের হোসেন, এসআই মোনেম শাহরিয়া চৌধুরী, এএসআই অনুপ কুমার বিশ্বাসসহ পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, ফেনী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়া এলাকার মমতাজুল হক চৌধুরী ম্যানসনের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে আকবর হোসেন সানি চৌধুরী (২৭) ও খোরশেদ আলম (৩৬) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানান, পলাতক আসামি সোহেল প্রকাশ কালু (৪০) ও রহমান হোসেন (৪৫)-এর সহযোগিতায় বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদক সংগ্রহ করা হয়েছিল। পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফেনী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সদর থানা এলাকার বিভিন্ন মাদক স্পটে নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা, ভাষা, পরিবেশ এবং স্থানীয় জনগণের টেকসই উন্নয়নকে সমর্থন করার পাশাপাশি গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন ইউনেস্কোর বর্তমান হেড অব অফিস ও কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. সুজান ভাইজ।
তিনি গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব পরিদর্শনকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। মতবিনিময়ের সময় পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, ভাষা, পরিবেশ, বন নির্ভর জনগণের জীবন-জীবিকা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ড. সুজান ভাইজ মন্তব্য করেন, "জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে।" তিনি উল্লেখ করেন, ইউএনডিপি ও ইউনিসেফের মতো সংস্থাগুলো স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাজ করছে। যদিও ইউনেস্কোর মূল কাজের ক্ষেত্র শিক্ষা ও ভাষা, স্থানীয় জনগণের টেকসই এবং দুর্যোগ-সহনশীল উন্নয়নের জন্য কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বন নির্ভর স্থানীয় জনগণের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহায়তার জন্য বিভিন্ন কমিউনিটি গ্রুপ এবং বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাঙ্গামাটির সাংবাদিকতা প্রসঙ্গে ড. সুজান ভাইজ মন্তব্য করেন, "এ অঞ্চলে গণমাধ্যমের বিকাশ ঘটেছে।" তিনি জানান, জেলা শহরের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও অনেক সাংবাদিক কাজ করছেন। স্থানীয় বাস্তবতা ও মানুষের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ উদ্যোগকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও অবকাঠামো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে ইউনেস্কোর এবং বাংলাদেশ প্রেস ইনিষ্টিটিউট- পিআইবি’র প্রশিক্ষণ কর্মশালার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি কীভাবে আরও এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে।
মতবিনিময় সভায় রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে উন্নয়ন সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
এ সময় বাংলাদেশ প্রেস ইনিষ্টিটিউট-পিআইবি’র প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুণ, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ ইলিয়াস, সিনিয়র সহ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহম্মেদসহ প্রেস ক্লাবের সদস্য ও ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ নানা কারণে দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু যদি তীব্র যানজট অতিক্রম করে গিয়ে দেখা যায় যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে সবকিছু বিফলে যাবে।
এ কারণে, মঙ্গলবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জানা প্রয়োজন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান হওয়ার আশা নিয়ে দিনভর শোডাউনে অংশ নিয়েছিলেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির নেতা সাইফুল ইসলাম খোকন। তিনি নির্বাচনী মাঠে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, “বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না।”
কিন্তু আকস্মিক অসুস্থতায় মধ্যরাতেই চিরদিনের জন্য বিদায় নেন খোকন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। খোকনের মেঝ ছেলে সাঈদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত সাইফুল ইসলাম খোকন ছিলেন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি।
গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন তিনি।
জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিনের মতো গতকাল সোমবারও নিজের নির্বাচনী এলাকা উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী ব্যাপক শোডাউন করেন সাইফুল ইসলাম খোকন। দিনভর প্রচারণা শেষে সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে অনুষ্ঠিত পথসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। সেখানে তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, বর্তমান এমপি তাকেই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করবেন।
কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান তিনি।
এ সময় রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।
শুহিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তফা আহমেদ বলেন, তার খুব ইচ্ছে ছিল, এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। আমাদেরকে সাথে নিয়ে তিনি সোমবার পুরো ইউনিয়নে শোডাউনসহ গণসংযোগ করেছেন। আর রাত দেড়টায় ফোন আসে তিনি আর নেই। তার এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের জানান, সাইফুল ইসলাম খোকন উপজেলা বিএনপির এক পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এমপি আতিকুল আলম শাওন সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে খোকন ভাইকে মনোনয়ন দিতেন। এমন ভরসা থেকেই তিনি শোডাউনে গিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে গর্বের সাথে বলেছিলেন, “আমি বেঁচে থাকতে কেউ নির্বাচন থেকে সরাতে পারবেন না।” এমন কথা বলার পরপর তার মৃত্যুতে আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি।
কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন জানান, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ