ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিভোর্সের হার বাড়ার নেপথ্যে সোশ্যাল মিডিয়া


ডিভোর্সের হার বাড়ার নেপথ্যে সোশ্যাল মিডিয়া

সোশাল মিডিয়া বর্তমানে যোগাযোগের অন্যতম সেরা মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কর্মক্ষেত্রের কারণে স্বামী-স্ত্রী দুইজন আলাদা শহরে বাস করেন। ফলে তাদের মধ্যে কথোপকথনের সুযোগ কোথায়! অধিকাংশেরই ভরসা সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার অথবা হোয়াটসঅ্যাপ। আর সেই সোশ্যাল মিডিয়াতেই ঘটে ঝগড়া।

কিছু মানুষ যখন মন খারাপ করেন, তখন তা ফেসবুকে প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে অন্যদের সঙ্গে নিজের জীবনের তুলনা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতাই ডিভোর্সের হার বাড়াতে সহায়তা করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মৃতিতে কোনো ক্ষত টাটকা থাকলে, আপনি চাইলেও ক্ষমা করে এগিয়ে যেতে পারবেন না। বর্তমান প্রজন্মের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।

আরও পড়ুন: ‘পর্যটন মেলা, ২০২৬’ বৃহস্পতিবার শুরু, প্রযুক্তি ও টেকসই পর্যটন নিয়ে আলোচনা

এক আইনজীবী মন্তব্য করেছেন, ‘আজকাল কোনো কিছুই সত্যি সত্যি হারিয়ে যায় না। রাগের মাথায় পাঠানো একটি মেসেজ বহু বছর পরও খুঁজে পাওয়া যায়। বহু বছর আগে তোলা একটি ছবি হঠাৎ সামনে চলে আসতে পারে। যা আপনাকে আবার পুরনো সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। যে ক্ষত ভুলে আপনি এগিয়ে গিয়েছিলেন, তা নতুন করে ফিরে আসে। তবে আগে তর্কাতর্কি হলে সেই সময়েই তা মিটে যেত।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিভোর্সের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রভাবও রয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় এখন সবাই নিজের জীবনের প্রায় প্রতিটি মুহূর্ত তুলে ধরেন। কোথায় যাচ্ছেন, কোথায় খাচ্ছেন, কী পরছেন-সবকিছুই এখন জানার সুযোগ রয়েছে। অন্যদের জীবনের অত্যন্ত যত্নসহকারে সাজানো বা পরিমার্জিত রূপ প্রতিনিয়ত দেখার ফলে মানুষের মনে হতাশা তৈরি হয়। যা জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞদের কথায়, ‘ছবির আড়ালে আসলে কী ঘটছে তা না জেনেই দম্পতিরা নিজেদের সম্পর্কের তুলনা করতে শুরু করেন।’

এর ফলে নিজেদের দাম্পত্য নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। যা দুইজন মানুষকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে দেয়। এছাড়া সোশাল মিডিয়ায় বহু মানুষের সঙ্গে কথাবার্তার ফলে অনেকক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। যা মজবুত সম্পর্ককেও তাসের ঘরের মতো ভেঙে দিতে পারে নিমেষে।

আরও পড়ুন: ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, জনপ্রিয় হলো কিভাবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলা খেলে শরীরের জন্য উপকার: সকালের খাবারে যুক্ত করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ এম


কলা খেলে শরীরের জন্য উপকার: সকালের খাবারে যুক্ত করুন

কলা একটি ফল, যা বছরের প্রায় সব সময় সহজলভ্য। কোন সময়ে কলা খেলে শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকার হয়? এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। আসলে কলা খাওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ‘সেরা সময়’ নেই।

সকালে কলা খাওয়া কি ভালো?

সকালে কলা খেলে শরীরের শক্তি দ্রুত বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। কলায় বিদ্যমান কার্বোহাইড্রেট শরীরের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। তবে খালি পেটে কলা খেলে সকলের শরীরে একই প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। তাই এমন সমস্যা হলে কলার সঙ্গে বাদাম, দই বা অন্য কোনো প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।

শরীরচর্চার আগে কলা কেন খাওয়া হয়?

জিমে যাওয়ার আগে দ্রুত শক্তির প্রয়োজন হলে কলা একটি সুবিধাজনক স্ন্যাকস হতে পারে। ব্যায়ামের ৩০-৬০ মিনিট আগে কলা খেলে এর কার্বোহাইড্রেট শরীরকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া কলায় থাকা পটাশিয়াম পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে কলাকে সম্পূর্ণ প্রি-ওয়ার্কআউট খাবার হিসেবে ধরার প্রয়োজন নেই। দীর্ঘ বা অধিক পরিশ্রমের ব্যায়াম হলে কলার সঙ্গে কিছু বাদাম বা দইয়ের মতো প্রোটিনযুক্ত খাবার যুক্ত করা যেতে পারে।

ব্যায়ামের পরেও কলা খাওয়া যেতে পারে। ওয়ার্কআউটের পরে শরীরের শক্তির ভাণ্ডার পুনরায় পূরণ করতে কার্বোহাইড্রেটের প্রয়োজন হয়। সেই সময় কলা খাওয়া যেতে পারে। তবে পেশি পুনরুদ্ধারের জন্য শুধু কলার পরিবর্তে প্রোটিনযুক্ত খাবারের সঙ্গে এটি খেলে খাদ্যতালিকা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে।

রাতে কলা খাওয়া কি একেবারেই নিষেধ?

রাতে কলা খাওয়া নিয়ে অনেকের মনে ভয় রয়েছে। তবে সাধারণভাবে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক নিয়ম নেই যে রাতে কলা খাওয়া যাবে না। রাতের খাবারের পরে মিষ্টি কিছু খাওয়ার ইচ্ছা হলে পরিমাণ বুঝে একটি কলা খাওয়া যেতে পারে। তবে ভারী খাবারের পর কলা খেলে কিছু মানুষের পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে খাওয়া ভালো।

তাহলে কখন খাবেন?

কলা স্বাস্থ্যকর ফল হলেও শুধু কলার উপর নির্ভর না করে অন্যান্য ফল, সবজি, ডাল, সম্পূর্ণ শস্য ও প্রোটিনের মতো বিভিন্ন ধরনের খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যা থাকলে কলার পরিমাণ নিয়ে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদোকে ছাড়াই পর্তুগালের দাপুটে ৪-২ জয় ডেনমার্কের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ এম


রোনালদোকে ছাড়াই পর্তুগালের দাপুটে ৪-২ জয় ডেনমার্কের বিরুদ্ধে

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই জয় পেতে সক্ষম হয়েছে পর্তুগাল। আজ কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত নেশনস লিগের ম্যাচে ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে পরাজিত করেছে পর্তুগাল।

রোমাঞ্চকর এই ম্যাচে পর্তুগালের হয়ে গোল করেছেন জোয়াও কানসেলো, গনসালো রামোস, ভিটিনিয়া ও জোয়াও ফেলিক্স। অন্যদিকে, ডেনমার্কের হয়ে দুটি গোল করেছেন মিকেল ডামসগার্ড ও রাসমুস হইলুন্দ।

এই জয়ের ফলে নেশনস লিগে পর্তুগাল টানা তিন ম্যাচ জিতল। এর আগে তারা ওয়েলস ও নরওয়েকে পরাজিত করেছিল। ২০২৬-২৭ নেশনস লিগের লিগ পর্বে পর্তুগাল ‘এ৪’ গ্রুপে অংশগ্রহণ করছে।

কোপেনহেগেনের পারকেন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে।

১৩ মিনিটে গোল করে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন জোয়াও কানসেলো। তবে স্বাগতিক ডেনমার্ক বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে পারেনি। ২৩ মিনিটে মিকেল ডামসগার্ডের গোলে তারা সমতায় ফেরে। এক মিনিট পর গনসালো রামোস আবার পর্তুগালকে এগিয়ে নেন।

বিরতির পর স্বাগতিকরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। রাসমুস হইলুন্দ দারুণ এক চিপ শটে গোলরক্ষক দিয়েগো কোস্তার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে স্কোরলাইন ২-২ করেন।

বিরতির পর ম্যাচে ফের ডেনমার্ক। ৫৫ মিনিটের দিকে রাসমুস হইলুন্দের গোলে তারা আবারও সমতায় আসে। ৭০ মিনিটের পর ভিটিনিয়ার গোলে সফরকারীরা আবার এগিয়ে যায়।

শেষের দিকে ডেনমার্ক সমতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও উল্টো পর্তুগাল আবারও জালে বল পাঠায়। ৮৮ মিনিটে জোয়াও ফেলিক্সের গোলে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিষ্টির পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আজ থেকেই কার্যকর: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ এম


মিষ্টির পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আজ থেকেই কার্যকর: স্পিকার

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

স্পিকার জানিয়েছেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, পদত্যাগপত্র পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে। আইন অনুযায়ী, এই আসনে উপনির্বাচন আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের টানেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্পিকার হাফিজ।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “সংরক্ষিত নারী আসনের ২৩ নম্বর সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি আমার অফিসে এসে লিখিতভাবে চিঠি দিয়ে গেছেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী পত্রটি পাওয়ার পরই তার পদ শূন্য হয়ে গেছে। আমরা এটি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেব। আজ থেকেই এই পদত্যাগ কার্যকর হবে।”

পদত্যাগের কারণ উল্লেখ করা হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, “সংসদের বিধান হলো, এমপির যখন পদত্যাগ করেন তখন কোনো কারণ উল্লেখ করেন না।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তি ও সেবা দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


প্রযুক্তি ও সেবা দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রযুক্তি ও সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি উল্লেখ করেছেন, সাধারণ মানুষের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করা হবে মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের জন্য প্রযুক্তি এবং আর্থিক সেবা সহজলভ্য করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম ‘জিপে’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘জিপেতেই সমাধান’ প্রতিপাদ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে এই প্ল্যাটফর্মটি। এর লক্ষ্য হলো আর্থিক লেনদেনকে আরো সহজ, নিরাপদ এবং সবার জন্য সহজলভ্য করা।

সাবেক অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘জিপে’র উদ্দেশ্য হলো মানুষকে অর্থ বহনের ঝুঁকি ও ভয় থেকে মুক্তি দেওয়া। এখন আর হাতে টাকা বহন করার প্রয়োজন হবে না। নোট ও কাগজপত্র নিয়ে মানুষের যে দুশ্চিন্তা থাকে, তা অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে যে সার্ভিস নিয়ে যেতে পারব, সেখানেই সাফল্য। বড়লোকের বহু আয়োজন থাকে, কিন্তু গরিবের নেই। গরিবের জন্য যেন প্রযুক্তি থাকে, সার্ভিস থাকে, সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রযুক্তি ও সেবা পৌঁছে দিতে হবে।’

গ্রামীণ ব্যাংকের শুরুর দিনের কথা স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তখন দেশে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত ছিল। ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা এক শাখার সঙ্গে অন্য শাখার যোগাযোগেও নানা সমস্যা হতো। সেই পরিস্থিতি থেকে এখন গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করতে পারছেন। এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।

গ্রামীণফোনের শুরুর সময়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, গ্রামীণফোনের লক্ষ্য ছিল গ্রামের দরিদ্র মানুষের কাছে, বিশেষ করে নারীদের হাতে মোবাইল পৌঁছে দেওয়া। সেসময় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, গ্রামের নারীরা ফোন ব্যবহার করে কী করবেন। কিন্তু পরে দেখা গেছে, এই ফোন ব্যবহার করে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে আয়ও করতে পেরেছেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, তখন সারাবিশ্বে বড় শহর ও বড় ব্যবসাকেন্দ্রিক সেলুলার ফোনের ধারণা প্রচলিত ছিল। কিন্তু গ্রামীণফোনের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, গ্রামের দরিদ্র মানুষকে কেন্দ্র করেও ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব। এর ফলে গ্রামীণফোনকে ঘিরে বহু কোম্পানি শহরের বাইরে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে এবং গ্রামের মানুষের অংশগ্রহণে নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

‘জিপে’কে একটি সামাজিক ব্যবসা হিসেবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, সামাজিক ব্যবসার মূল লক্ষ্য হলো মানুষের সমস্যার সমাধান করা। ‘জিপে’ যে মুনাফা করবে, তা কোনো ব্যক্তি নেবেন না; বরং সেই অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণ করা হবে। অর্থাৎ সামাজিক ব্যবসার মধ্যেই এর সম্প্রসারণ ঘটবে।

অনুষ্ঠানে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল হাসান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। পরে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা দলের উপস্থিতিতে ‘জিপে’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

‘জিপে’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আহমদ আরমান সিদ্দিকী প্ল্যাটফর্মটির বিভিন্ন সুবিধা ও ফিচার তুলে ধরে বলেন, সবার জন্য লেনদেনের জটিলতা কমিয়ে তা সহজবোধ্য করাই তাদের লক্ষ্য। আর্থিক যেকোনো জটিলতায় ‘জিপেতেই সমাধান’ পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল প্রতিশ্রুতি।

অনুষ্ঠানে প্রফেসর ইউনূস গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির বিশেষত্ব হলো- এর একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। ‘তিন শূন্য’র পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি কাজ করছে।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘টাকা পে’ কার্ড তুলে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%