প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সোশাল মিডিয়া বর্তমানে যোগাযোগের অন্যতম সেরা মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কর্মক্ষেত্রের কারণে স্বামী-স্ত্রী দুইজন আলাদা শহরে বাস করেন। ফলে তাদের মধ্যে কথোপকথনের সুযোগ কোথায়! অধিকাংশেরই ভরসা সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার অথবা হোয়াটসঅ্যাপ। আর সেই সোশ্যাল মিডিয়াতেই ঘটে ঝগড়া।
কিছু মানুষ যখন মন খারাপ করেন, তখন তা ফেসবুকে প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে অন্যদের সঙ্গে নিজের জীবনের তুলনা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতাই ডিভোর্সের হার বাড়াতে সহায়তা করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মৃতিতে কোনো ক্ষত টাটকা থাকলে, আপনি চাইলেও ক্ষমা করে এগিয়ে যেতে পারবেন না। বর্তমান প্রজন্মের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
এক আইনজীবী মন্তব্য করেছেন, ‘আজকাল কোনো কিছুই সত্যি সত্যি হারিয়ে যায় না। রাগের মাথায় পাঠানো একটি মেসেজ বহু বছর পরও খুঁজে পাওয়া যায়। বহু বছর আগে তোলা একটি ছবি হঠাৎ সামনে চলে আসতে পারে। যা আপনাকে আবার পুরনো সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। যে ক্ষত ভুলে আপনি এগিয়ে গিয়েছিলেন, তা নতুন করে ফিরে আসে। তবে আগে তর্কাতর্কি হলে সেই সময়েই তা মিটে যেত।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিভোর্সের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রভাবও রয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় এখন সবাই নিজের জীবনের প্রায় প্রতিটি মুহূর্ত তুলে ধরেন। কোথায় যাচ্ছেন, কোথায় খাচ্ছেন, কী পরছেন-সবকিছুই এখন জানার সুযোগ রয়েছে। অন্যদের জীবনের অত্যন্ত যত্নসহকারে সাজানো বা পরিমার্জিত রূপ প্রতিনিয়ত দেখার ফলে মানুষের মনে হতাশা তৈরি হয়। যা জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, ‘ছবির আড়ালে আসলে কী ঘটছে তা না জেনেই দম্পতিরা নিজেদের সম্পর্কের তুলনা করতে শুরু করেন।’
এর ফলে নিজেদের দাম্পত্য নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। যা দুইজন মানুষকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে দেয়। এছাড়া সোশাল মিডিয়ায় বহু মানুষের সঙ্গে কথাবার্তার ফলে অনেকক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। যা মজবুত সম্পর্ককেও তাসের ঘরের মতো ভেঙে দিতে পারে নিমেষে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন