ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপালকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপালকে ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৫ লাখ ডলার দুর্যোগ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) এই ঘোষণা দেয়।

এই অর্থের মাধ্যমে বন্যাকবলিত মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য একজন দুর্যোগ সহায়তা বিষয়ক কর্মকর্তাকেও নেপালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জন্মদিনে জেরুজালেমে বিক্ষোভ, গাড়িবহরে বোতল নিক্ষেপ

একটি বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উল্লেখ করেছে, নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় নিহতদের পরিবার এবং স্বজনদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

বন্যায় নেপালের পার্বত্য সীমান্তবর্তী এলাকায় অন্তত ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিবেশী চীনেও অন্তত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, শত শত মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে ৪০০-এর বেশি পর্যটক ও যাত্রী রয়েছেন, যারা নেপাল ও বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন। নিখোঁজদের তালিকায় পুলিশ ও সেনাসদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লেন্দে নদীর আকস্মিক স্রোত ভুটে কোশি নদীর সঙ্গে মিশে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে, যার ফলে রাসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সূত্র:

আরও পড়ুন: কাতালোনিয়ায় ইসলামফোবিয়ার উত্থানে রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে

ইয়াহু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে র‍্যাবের অভিযানে হেরোইন উদ্ধার, গ্রেফতার ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


নাটোরে র‍্যাবের অভিযানে হেরোইন উদ্ধার, গ্রেফতার ২

নাটোরে বিশেষ কৌশল ব্যবহার করে হেরোইন বহনের সময় র‍্যাব কর্তৃক দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১০৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাটোর সদর থানাধীন পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বড়গাছা বড়মোড় থেকে ছোটমোড়গামী পাকা সড়কের পাশে আসাদ কম্পিউটার দোকানের সামনে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার আলিপুর মহিষালবাড়ী এলাকার মো. আকতারের ছেলে মো. সাকিবুর রহমান সাকিব (৩৮), অপরজন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর জোরপুকুরিয়া এলাকার বদিউজ্জামান আকন্দের ছেলে মো. মিন্টু আকন্দ (৪৩)।

র‍্যাব-৫, সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্পের সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সাকিবুর রহমান সাকিব পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে পায়ুপথ থেকে ১০৫ গ্রাম হেরোইন বের করে জব্দ করা হয়।

র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাকিবুর জানান, ‘রনি’ নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তিনি হেরোইন সংগ্রহ করে বিশেষ কৌশলে মিন্টু আকন্দের কাছে পৌঁছে দিতে নাটোরে এসেছিলেন।

আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার করা মাদকসহ তাদের নাটোর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্প নয়, হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা: ইউএসজিএস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ এম


ভূমিকম্প নয়, হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা: ইউএসজিএস

বুধবার সকালে অনুভূত হওয়া প্রাণঘাতী আকস্মিক বন্যার কম্পনটি ভূমিকম্পের কারণে নয়, বরং ভূমিধসের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বুধবার রাতের দিকে বিষয়টি পরিষ্কার করে জানায় যে, হিমবাহ ধসে পড়ার ফলে পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত নামার কারণে ওই কম্পন তৈরি হয়েছিল।

 

এর আগে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ইউএসজিএস জানায়, কাঠমান্ডুর উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্ত এলাকায় ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। পরে সংস্থাটি তাদের তথ্য সংশোধন করে জানায়, সেখানে কোনো ভূমিকম্প হয়নি। যে কম্পনটি রেকর্ড করা হয়েছিল, সেটি আসলে হিমবাহ ধসে পড়া এবং ধ্বংসাবশেষের প্রবাহের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল। ইউএসজিএস জানায়, এই ঘটনায় নদীর নিম্নাঞ্চলে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে।

 

প্রাথমিকভাবে প্ল্যানেট ল্যাবসের উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বরফ ও পাথরের বড় একটি ভূমিধসের ফলে লহেন্দে নদীতে হঠাৎ কাদা, পাথর ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত নামে। ঘটনাটি নেপাল-চীন সীমান্তের রাসুওয়াগাড়ি সীমান্ত চৌকি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ঘটে।

লহেন্দে নদী ভোতে কোশি নদীর একটি শাখা। এই নদীটি চীনের তিব্বত অঞ্চল থেকে নেপালে প্রবাহিত হয়েছে।

 

হিমবাহ ও পাথর ধসে নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ নামার পর ভোতে কোশি নদীতেও আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এই বন্যায় নেপালে ১৫৭ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভয়াবহ ওই ভূমিধসের শক্তি পরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য হিসেবে হিসাব করা হয়েছে। আকস্মিক বন্যার পর নেপালের রাসুওয়া, ধাদিং ও নুওয়াকোটসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ শুরু হয়েছে। নেপাল পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছে।

 

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে। তবে দুর্যোগের কয়েক ঘণ্টা পরেও শত শত মানুষের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অন্তত ৪০৩ জন পর্যটকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পর্যটন বোর্ড। কাদা ও পানির নিচে আটকে থাকা মানুষ এবং মরদেহ উদ্ধারে উদ্ধারকারীরা কাজ করছেন। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। সারা দিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দিতে দেখা গেছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বলেছেন, ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সরকারের সব ধরনের সম্পদ ব্যবহার করা হবে।

স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে ভোতে কোশি নদীতে হঠাৎ পানির ঢল নামে। তিব্বতের দিক থেকে বিপুল পরিমাণ পানি নেমে এসে নদীটি প্লাবিত করে। নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী রাসুওয়া ও ধাদিং জেলা এবং নুওয়াকোট জেলার বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানির সঙ্গে কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নেমে আসায় বহু বাড়িঘর, গাছপালা ও যানবাহন পানিতে ডুবে যায়। অনেক স্থাপনা ও যানবাহন কাদার নিচে চাপা পড়ে। নেপাল-তিব্বত সীমান্তের তিব্বত অংশের নিরাপত্তা ক্যামেরার ভিডিওতে দেখা গেছে, পাথর, কাদা ও পানির প্রবল স্রোত নেমে আসার আগে অনেক মানুষ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রবল স্রোত ভবন ও যানবাহন ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

এদিকে তিব্বতের গিরং এলাকায়ও এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, সেখানে তিনজন নিহত হয়েছেন এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে নিহতের সংখ্যা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। তিব্বত অংশেও উদ্ধারকাজ চলছে। সীমান্তের দুই পাশেই পানির প্রবল স্রোত, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের কারণে যোগাযোগ ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত নুওয়াকোট ও ধাদিং এলাকার অনেক বাসিন্দা নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে নেপালি সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের বাইরে জড়ো হয়েছেন। উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার পরিচালনার জন্য কেন্দ্রটি ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করতে সেখানে তালিকা তৈরি করছে পুলিশ। বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। ফলে পুলিশ সদস্যদের মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইটের আলো ব্যবহার করে নিখোঁজ ব্যক্তিদের নাম ও তথ্য লিখে রাখতে দেখা গেছে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে আটকে পড়া জীবিত মানুষদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বাড়িঘর, গাছপালা ও যানবাহন পানিতে ডুবে গেছে বা কাদার নিচে চাপা পড়েছে। একই সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারের কাজও চলছে। জীবিতদের উদ্ধার করে নিয়ে যেতে সারা দিন ওই এলাকার আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দিয়েছে। দুর্যোগের পর নেপালের বিভিন্ন এলাকায় এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিখোঁজ মানুষদের সন্ধান করা এবং দুর্গতদের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান সফরে কাতারের প্রধানমন্ত্রী, উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


ইরান সফরে কাতারের প্রধানমন্ত্রী, উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর অংশ হিসেবে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি আজ বৃহস্পতিবার তেহরান সফর করবেন।

 

তেহরানে তিনি ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যেখানে উত্তেজনা কমানোর উপায় এবং সংলাপের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি নিয়ে আলোচনা হবে। আজ আল-জাজিরার এক

 

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, কাতার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, আঞ্চলিক বিরোধ সমাধান এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো কূটনীতি।

আল-আনসারি আরও বলেন, বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হিসেবে থাকবে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা। পাশাপাশি, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় কাতারের পাশাপাশি পাকিস্তানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কাতার এর আগে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল হিসেবে কাজ করেছে এবং জুনে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক তৈরিতে সহায়তা করেছিল।

তবে হরমুজ প্রণালিসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে ঐ সমঝোতার বাস্তবায়ন আটকে গেছে।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক তেহরান সফরও এই কূটনৈতিক তৎপরতার একটি অংশ বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, যেখানে অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপ কমানোর বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং আঞ্চলিক প্রক্সিদের হামলা বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান ও ওমানও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, সম্ভাব্য একটি অস্থায়ী ব্যবস্থায় বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য ইরান ও ওমানের জলসীমা ব্যবহার করা হতে পারে।

 

তবে সামরিক জাহাজকে এই ব্যবস্থার বাইরে রাখার কথা রয়েছে।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি স্বাভাবিক করার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে জুনের সমঝোতায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি—বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার মতো বিষয়—বাস্তবায়ন করতে হবে।

কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে। ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশ ও প্রতিষ্ঠানের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে। ফলে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপও এখন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসার বিষয়ে তাড়াহুড়ো করছেন না বলে জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও সামরিক—দুই ধরনের চাপই কার্যকর হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, কাতারের প্রধানমন্ত্রীর তেহরান সফরকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক পথ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করা, অর্থনৈতিক চাপ কমানো এবং ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে সরাসরি বা পরোক্ষ সংলাপ পুনরায় শুরু করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জে-১০সিই যুদ্ধবিমানে যা আছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০০ এম


জে-১০সিই যুদ্ধবিমানে যা আছে

বাংলাদেশ চীন থেকে জে-১০সিই আধুনিক মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই যুদ্ধবিমানে রয়েছে দীর্ঘপাল্লার বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত রাডার এবং ডেল্টা-ক্যানার্ড ডানা প্রযুক্তি। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করছেন, আকাশযুদ্ধে দ্রুত গতিপথ পরিবর্তন এবং দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতার কারণে ভারতীয় তেজাস ও মার্কিন এফ-১৬-এর তুলনায় জে-১০সিইকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে।

 

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীন থেকে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে, যা সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

জে-১০সিই একটি মাঝারি ওজনের মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান।

 

ভারতের তেজাস একটি হালকা যুদ্ধবিমান হওয়ায়, অস্ত্র ও জ্বালানি বহনের সক্ষমতায় জে-১০সিই এগিয়ে রয়েছে। এতে ব্যবহৃত চীনের পিএল-১৫ বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ কিলোমিটারের বেশি।

এফ-১৬ বিশ্বের অন্যতম পরীক্ষিত যুদ্ধবিমান হলেও, জে-১০সিইতে রয়েছে ডেল্টা-ক্যানার্ড ডানা প্রযুক্তি, যা আকাশযুদ্ধে দ্রুত গতিপথ পরিবর্তনের সুযোগ দেয়।

 

এছাড়া, জে-১০সিইর পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এবং রাডার প্রযুক্তি এফ-১৬তে ব্যবহৃত এআইএম-১২০ডি ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে সুবিধাজনক বলে দাবি করা হচ্ছে। চীনা যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক এবং তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমানসহ সামরিক সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমআরসিএ (জে-১০সিই) ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার ক্ষেত্রে খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে চীনা জে-১০ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

এই অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে চীনা প্রযুক্তির ব্যবহার থাকায়, জে-১০সিই যুক্ত হলে পাইলটদের প্রশিক্ষণ এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%