বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:০০ এম
বাংলাদেশ চীন থেকে জে-১০সিই আধুনিক মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই যুদ্ধবিমানে রয়েছে দীর্ঘপাল্লার বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত রাডার এবং ডেল্টা-ক্যানার্ড ডানা প্রযুক্তি। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করছেন, আকাশযুদ্ধে দ্রুত গতিপথ পরিবর্তন এবং দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতার কারণে ভারতীয় তেজাস ও মার্কিন এফ-১৬-এর তুলনায় জে-১০সিইকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীন থেকে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে, যা সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
জে-১০সিই একটি মাঝারি ওজনের মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান।
ভারতের তেজাস একটি হালকা যুদ্ধবিমান হওয়ায়, অস্ত্র ও জ্বালানি বহনের সক্ষমতায় জে-১০সিই এগিয়ে রয়েছে। এতে ব্যবহৃত চীনের পিএল-১৫ বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ কিলোমিটারের বেশি।
এফ-১৬ বিশ্বের অন্যতম পরীক্ষিত যুদ্ধবিমান হলেও, জে-১০সিইতে রয়েছে ডেল্টা-ক্যানার্ড ডানা প্রযুক্তি, যা আকাশযুদ্ধে দ্রুত গতিপথ পরিবর্তনের সুযোগ দেয়।
এছাড়া, জে-১০সিইর পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এবং রাডার প্রযুক্তি এফ-১৬তে ব্যবহৃত এআইএম-১২০ডি ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে সুবিধাজনক বলে দাবি করা হচ্ছে। চীনা যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক এবং তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমানসহ সামরিক সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমআরসিএ (জে-১০সিই) ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার ক্ষেত্রে খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে চীনা জে-১০ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এই অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে চীনা প্রযুক্তির ব্যবহার থাকায়, জে-১০সিই যুক্ত হলে পাইলটদের প্রশিক্ষণ এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ফলস্বরূপ। এই পরিস্থিতিতে, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা ২১৫ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে অবস্থান করছে।
এই বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ৯৭ স্কোর নিয়ে তালিকার ১৮ নম্বরে রয়েছে। ঢাকা শহরের বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) প্রকাশিত সূচক থেকে এই তথ্য জানা যায়।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়, যার বায়ুমান স্কোর ১৭৩। এই স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। তালিকার তৃতীয় স্থানে কাতারের দোহা রয়েছে।
দোহা শহরের বায়ুমান স্কোর ১৫৭। এরপরের অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, পাকিস্তানের লাহোর, উগান্ডার কাম্পালা এবং ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার মতো শহরগুলো, যা দূষণের দিক থেকে উপরের দিকে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে সেটি ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সামরিক অভিযানে গুরুতর আহত হলেও এখনও বেঁচে আছেন। দীর্ঘ সময় ধরে জনসমক্ষে না আসার কারণে তার শারীরিক অবস্থা এবং ভাগ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যখন গুঞ্জন চরম আকার ধারণ করেছে, তখনই তিনি মার্কিন ভাষ্যকার গ্লেন বেককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, "তিনি মারা গেছেন বলে আমি মনে করি না। তবে তিনি খুব মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন—তার শরীরের বাম পাশ, হাত ও পা পুরোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।" ইরানের নেতৃত্ব তার অসুস্থতা বা মৃত্যুর খবর গোপন রাখছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প যোগ করেন, "তেহরান যদি ঘটনা লুকিয়ে থাকে তবে তারা একটি সুপরিকল্পিত প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।"
সাক্ষাৎকারে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, "গত রাতে আমরা ২২টি নৌকা ধ্বংস করেছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের নৌবাহিনী অবিশ্বাস্য কাজ করছে এবং চলমান এই সামরিক অভিযান এক বিশাল বিজয়ের দিকে এগোচ্ছে।"
এদিকে, মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য ও অবস্থান নিয়ে বাড়তে থাকা জল্পনা-কল্পনা খণ্ডন করতে তৎপর হয়ে উঠেছে ইরানি গণমাধ্যমগুলো। তবে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ‘আল আরাবিয়া’ এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানের ফার্স নিউজ বা মেহের নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত সুস্থ খামেনির ভিডিওটি পুরনো ও তারিখবিহীন একটি আর্কাইভ ফুটেজ, যা তিনি সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগেই ধারণ করেছিলেন। এর আগে ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছিল যে, সামরিক হামলায় খামেনি অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
তবে তেহরান এই সমস্ত দাবি সরাসরি খারিজ করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতা সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং নিয়মিত দীর্ঘ প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় তার পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতার পদ গ্রহণ করেন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি; তিনি কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট সদর উপজেলার জিতারপুর মোড়ের একটি আখক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি নিখোঁজ ইজিবাইকচালক ফরিদ হোসেনের (৪১) বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। কঙ্কালটি ফরিদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন ক্ষেতলাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল করিম।
এদিকে, র্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযানে এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সাগর হোসেনকে (২৭) বুধবার বিকেলে নওগাঁর আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
ফরিদের বাবা আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমার ছেলে ২০ আগস্ট সকালে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি।
আখক্ষেতে কঙ্কাল পাওয়ার খবর শুনে সেখানে গিয়ে পোশাক দেখে আমরা বুঝতে পারি, এটা আমার ছেলে ফরিদের। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ক্ষেতলাল উপজেলার হোপপীরহাট গ্রামের বাড়ি থেকে ইজিবাইক নিয়ে বের হন ফরিদ। এরপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরদিন তার বাবা আবদুল কুদ্দুস ক্ষেতলাল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার জয়পুরহাট সদর উপজেলার পাকার মাথা এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে ফরিদের ইজিবাইক উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রবিউল ও জাকির হোসেন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন ফরিদের বাবা বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন।
মামলায় হোপীরহাট গ্রামের সাগর হোসেনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরো তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা হওয়ার পরদিন গত মঙ্গলবার ভোরে জিতারপুর মোড়ের একটি আখক্ষেত থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করে পুলিশ। ফরিদের নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পেরে তার স্বজনেরাও সেখানে যান। কঙ্কালের সঙ্গে থাকা পোশাক দেখে তারা সেটি ফরিদের বলে শনাক্ত করেন। পরে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে কঙ্কালের ময়নাতদন্ত শেষে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই রাতেই পরিবারের সদস্যরা কঙ্কালটি দাফন করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিখোঁজ হওয়ার মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে একটি মরদেহ কঙ্কালে পরিণত হওয়ার কথা নয়। পুলিশের ধারণা, ফরিদকে হত্যার পর দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে মরদেহের অধিকাংশ অংশ নষ্ট করে ফেলা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ক্ষেতলাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল করিম বলেন, ‘কঙ্কালের সঙ্গে থাকা পোশাক দেখে ফরিদের মা-বাবা সেটি তাঁদের ছেলের বলে শনাক্ত করেছিলেন। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের পর কঙ্কালটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম বলেন, ‘ফরিদ হোসেন নিখোঁজের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সাগর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিভাবে দ্রুত সময় লাশটি কঙ্কালে পরিণত হয়েছে তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে রহস্য বের করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত শর্তাবলী অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম, সংখ্যা ও বেতন:
পেশ ইমাম (০১ জন): সর্বসাকুল্যে মাসিক সম্মানী ১৫,০০০ টাকা।
যোগ্যতা: দ্বিতীয় শ্রেণির কামিল ডিগ্রি/দাওরায়ে হাদিস পাস এবং কোনো প্রতিষ্ঠানে খতিব, মুফতি বা মুহাদ্দিস হিসেবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা। হাফেজ-ই-কুরআন ও ইলমে ক্বিরাআতের সনদপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
মুয়াজ্জিন (০১ জন): সর্বসাকুল্যে মাসিক সম্মানী ১০,০০০ টাকা।
যোগ্যতা: দ্বিতীয় শ্রেণির আলিম বা সমমানের কওমী শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র/মুয়াজ্জিন হিসেবে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা। হাফেজ-ই-কুরআন ও ক্বিরাআত সনদপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
খাদিম (০২ জন): সর্বসাকুল্যে মাসিক সম্মানী ৭,৫০০ টাকা।
যোগ্যতা: দ্বিতীয় শ্রেণির আলিম বা সমমানের কওমী শিক্ষাগত যোগ্যতা, শারীরিকভাবে সুস্থ-সক্ষম এবং খাদিম হিসেবে ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া ও শেষ সময়:
আবেদনকারীকে আবেদনপত্র আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে সরাসরি অথবা ডাকযোগে ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ’-এর কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
আবেদনের বিস্তারিত তথ্য, শর্তাবলী ও আবেদন ফরম উপজেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.gomostapur.chapainawabganj.gov.bd) এবং মডেল রিসোর্স সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, গোমস্তাপুর অফিসে পাওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ