প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সামরিক অভিযানে গুরুতর আহত হলেও এখনও বেঁচে আছেন। দীর্ঘ সময় ধরে জনসমক্ষে না আসার কারণে তার শারীরিক অবস্থা এবং ভাগ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যখন গুঞ্জন চরম আকার ধারণ করেছে, তখনই তিনি মার্কিন ভাষ্যকার গ্লেন বেককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, "তিনি মারা গেছেন বলে আমি মনে করি না। তবে তিনি খুব মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন—তার শরীরের বাম পাশ, হাত ও পা পুরোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।" ইরানের নেতৃত্ব তার অসুস্থতা বা মৃত্যুর খবর গোপন রাখছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প যোগ করেন, "তেহরান যদি ঘটনা লুকিয়ে থাকে তবে তারা একটি সুপরিকল্পিত প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।"
সাক্ষাৎকারে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, "গত রাতে আমরা ২২টি নৌকা ধ্বংস করেছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের নৌবাহিনী অবিশ্বাস্য কাজ করছে এবং চলমান এই সামরিক অভিযান এক বিশাল বিজয়ের দিকে এগোচ্ছে।"
এদিকে, মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য ও অবস্থান নিয়ে বাড়তে থাকা জল্পনা-কল্পনা খণ্ডন করতে তৎপর হয়ে উঠেছে ইরানি গণমাধ্যমগুলো। তবে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ‘আল আরাবিয়া’ এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানের ফার্স নিউজ বা মেহের নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত সুস্থ খামেনির ভিডিওটি পুরনো ও তারিখবিহীন একটি আর্কাইভ ফুটেজ, যা তিনি সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগেই ধারণ করেছিলেন। এর আগে ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছিল যে, সামরিক হামলায় খামেনি অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
তবে তেহরান এই সমস্ত দাবি সরাসরি খারিজ করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতা সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং নিয়মিত দীর্ঘ প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় তার পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতার পদ গ্রহণ করেন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি; তিনি কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন