প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ চীন থেকে জে-১০সিই আধুনিক মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই যুদ্ধবিমানে রয়েছে দীর্ঘপাল্লার বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত রাডার এবং ডেল্টা-ক্যানার্ড ডানা প্রযুক্তি। সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করছেন, আকাশযুদ্ধে দ্রুত গতিপথ পরিবর্তন এবং দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতার কারণে ভারতীয় তেজাস ও মার্কিন এফ-১৬-এর তুলনায় জে-১০সিইকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীন থেকে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে, যা সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
জে-১০সিই একটি মাঝারি ওজনের মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান।
ভারতের তেজাস একটি হালকা যুদ্ধবিমান হওয়ায়, অস্ত্র ও জ্বালানি বহনের সক্ষমতায় জে-১০সিই এগিয়ে রয়েছে। এতে ব্যবহৃত চীনের পিএল-১৫ বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ কিলোমিটারের বেশি।
এফ-১৬ বিশ্বের অন্যতম পরীক্ষিত যুদ্ধবিমান হলেও, জে-১০সিইতে রয়েছে ডেল্টা-ক্যানার্ড ডানা প্রযুক্তি, যা আকাশযুদ্ধে দ্রুত গতিপথ পরিবর্তনের সুযোগ দেয়।
এছাড়া, জে-১০সিইর পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এবং রাডার প্রযুক্তি এফ-১৬তে ব্যবহৃত এআইএম-১২০ডি ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে সুবিধাজনক বলে দাবি করা হচ্ছে। চীনা যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক এবং তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমানসহ সামরিক সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমআরসিএ (জে-১০সিই) ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার ক্ষেত্রে খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে চীনা জে-১০ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এই অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে চীনা প্রযুক্তির ব্যবহার থাকায়, জে-১০সিই যুক্ত হলে পাইলটদের প্রশিক্ষণ এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন