১১:৩৪ পি.এম
বাংলাদেশ, তুরস্কের সঙ্গে বিদ্যমান সুসম্পর্ককে পরবর্তী ধাপে উন্নীত করার উদ্দেশ্যে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘২+২ বৈঠক’ আয়োজনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এক্ষেত্রে পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বৈঠক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে করার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায়, নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এই গণসংযোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, শনিবার (৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্পর্ককে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দিকেই দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের নিয়ে প্রতিবছর ‘২+২ বৈঠক’ আয়োজন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বৈঠক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
এছাড়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুযায়ী বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অধীনে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সফরের শেষ দিনের কার্যক্রম ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয়সমূহ পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা, এবং পরস্পর স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়।
এই সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি নিকট ভবিষ্যতে দুই পক্ষের জন্য সুবিধাজনক সময়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান।
এদিকে, উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, এদিন রাতে ঢাকা ত্যাগ করেন হাকান ফিদান। ঢাকা ছাড়ার পূর্বে তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
বিদায়ী বার্তায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব হলো এমন দুটি জাতির বন্ধুত্ব, যারা সাধারণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে কঠিন সময়ে সংহতি প্রদর্শন করে। আমরা এই বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে থাকব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন