মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৯ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান সিনিয়র সিটিজেন বা বয়স্ক যাত্রীদের প্রতি মানবিক আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়ে এই বার্তা দেন একটি ফেসবুক পোস্টে।
ফেসবুক পোস্টে নাকিবুর উল্লেখ করেন, আব্বু ২৪ অক্টোবর, দুপুরে মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওরাপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোক করে মুহূর্তের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পূর্বে তিনি অসুস্থতা অনুভব করে আশপাশের যাত্রীদের কাছে বসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নাকিবুরের অভিযোগ, কেউ তাকে বসতে দেয়নি।
তিনি আরও লিখেছেন, আমার বাবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে নিচে পড়ে যান। আল্লাহ তার মৃত্যুকে সহজ করে নিয়েছেন। তবে, সন্তান হিসেবে এই বিষয়টি মেনে নেয়া আমার জন্য কষ্টকর।
এনসিপির এই নেতা পোস্টে রাগ অভিমান না থাকার কথা জানিয়ে বলেন, আমি শুধু এটুকুই বলবো, চলতে ফিরতে বয়স্ক বা সিনিয়র সিটিজেন যখন যেখানে যে অবস্থাতেই পাবেন, তাদের সঙ্গে বন্ধু সুলভ আচরণ করুন। আপনি আজকে যাকে ইগনোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্যকারো বাবা।
পোস্টের শেষে তিনি তার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এছাড়া, উল্লেখ্য যে, নাকিবুর রহমানের বাবার নাম ড. মুহা. নজীবুর রহমান। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন। গত ২৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মেট্রোরেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উত্তরার একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসের গণহত্যার বিচারসহ একাধিক দাবির প্রেক্ষিতে আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের বহুপ্রত্যাশিত ‘ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া’ ঐতিহাসিক লংমার্চ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিকে ঐতিহাসিক জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার জন্য ঝিনাইদহ জুড়ে চলছে সর্বাত্মক প্রস্তুতি এবং ব্যাপক তৎপরতা।
লংমার্চের প্রস্তুতি পর্যালোচনা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ঝিনাইদহে পৌঁছান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন। পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও লংমার্চের লক্ষ্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
জামায়াত নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, "ছাত্র-জনতার ওপর চালানো জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করাই এই লংমার্চের প্রধানতম লক্ষ্য। গণদাবি আদায়ে রাজপথের এ লড়াইয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম মো. আবুবকর, জেলা নায়েবে আমির ও সম্ভাব্য পৌর মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল আলীম, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হাই, মাওলানা তাজুল ইসলাম, ছগির আহম্মেদসহ জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শনের পর নেতৃবৃন্দ জানান, ৩১ অক্টোবরের লংমার্চকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ চালানো হচ্ছে। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে চূড়ান্ত কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর রাজপথে সর্বস্তরের মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও অভূতপূর্ব সমাগম ঘটবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মর্যাদাপূর্ণ সংগীত প্রতিযোগিতা ‘ইউরোভিশন সং প্রতিযোগিতা ২০২৭’ (Eurovision Song Contest) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। ইসরায়েলের অংশগ্রহণ ঘিরে তীব্র ভূরাজনৈতিক বিতর্ক ও সংবেদনশীলতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডাচ পাবলিক ব্রডকাস্টার এনপিও (NPO) এই খবর নিশ্চিত করেছে।
এনপিও-এর মিডিয়া ডিরেক্টর জুরে বসমান এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমরা অনেক দিন ধরেই জানি যে ইসরায়েলের অংশগ্রহণ সমাজে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিচ্ছে এবং এটি সমাজে আলোচনা ও বিভাজনের সৃষ্টি করেছে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্রডকাস্টার বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করার পরই আগামী বছর প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পূর্বে, গত আগস্ট মাসে ডাচ ব্রডকাস্টার এভ্রোত্রোস (AVROTROS) প্রতিযোগিতাটি বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিল। তখন তারা জানায়, এই প্রতিযোগিতাটিকে আর ‘নিরপেক্ষ’ হিসেবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়। যদিও গত মাসে এনপিও সাময়িকভাবে দায়িত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের কথা বলেছিল, কিন্তু মঙ্গলবার তারা সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে।
এনপিও-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান জেট দে রানিতিজ এই সিদ্ধান্তে ভক্তরা হতাশ হতে পারেন বলে স্বীকার করেছেন। তবে তিনি জানান, প্রতিযোগিতার মূল অনুষ্ঠানটি ডাচ পাবলিক চ্যানেলে যথারীতি সম্প্রচার করা হবে। তিনি বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতির নানা সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রেখে আমরা সাময়িকভাবে এক ধাপ পিছিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে ২০২৬ সালের ইউরোভিশন প্রতিযোগিতাও বয়কট করেছিল নেদারল্যান্ডস। সেবার তাদের সঙ্গে আইসল্যান্ড, স্পেন, আয়ারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়াও প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে আয়ারল্যান্ড ও স্লোভেনিয়া অনুষ্ঠানটির সম্প্রচারও সম্পূর্ণ বর্জন করে। আয়োজক কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশ সশস্ত্র সংঘাতে জড়ালে বা ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার সংকটে পড়লে তাদের আয়োজক হওয়া থেকে বিরত রাখার বিধান থাকলেও বয়কট ও ক্ষোভ থামছে না। আয়ারল্যান্ড ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে যে তারা টানা দ্বিতীয় বছরের মতো আগামী বছরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে না।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই লাইভ টেলিভিশন সংগীত আসরটি ১৯৫৬ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। অতীতে এবিএ (ABBA) এবং সেলিন ডিয়নের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পেতে বড় ভূমিকা রেখেছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৮শ’ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জেলা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ভোমরা, কালিয়ানী, তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুড়িয়া বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লক্ষীদাড়ি শ্মশানঘাট এলাকা থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, তলুইগাছা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার শালবাগান এলাকা থেকে ভারতীয় ওষুধ এবং কালিয়ানী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মসজিদ মোড় এলাকা থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।
এছাড়া, কাকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার আমতলা এলাকা থেকে ভারতীয় ওষুধ এবং চান্দুড়িয়া বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার কাঁদপুর এলাকা থেকে ভারতীয় নেশাজাতীয় উইনকেরেক্স সিরাপ জব্দ করে।
জব্দকৃত মালামালের মোট বাজার মূল্য ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৮শ’ টাকা। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, ফলে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবির সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, জব্দকৃত মাদকদ্রব্যগুলো সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরি করে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের জন্য বিজিবি ষ্টোরে জমা রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধের জন্য ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বেড়ে গেছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা। মঙ্গলবার, তা বেড়ে প্রায় ১২৪ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে। ব্যাংকারদের মতে, মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ইস্টার্ন ব্যাংকে ডলারের স্পট বিক্রয়মূল্য ছিল ১২৪ টাকা ১৮ পয়সা এবং ক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ১৮ পয়সা। গত ১৫ অক্টোবর ব্যাংকটিতে ডলারের বিক্রয়মূল্য ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা এবং ক্রয়মূল্য ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। এর মানে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে উভয় ক্ষেত্রেই ডলারের দাম ৪৩ পয়সা বেড়ে গেছে।
সিটি ব্যাংক মঙ্গলবার প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৯০ পয়সায় কিনে ১২৪ টাকা ১০ পয়সায় বিক্রি করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকে ডলারের ক্রয়মূল্য ছিল ১২৩ টাকা ১৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা ১৩ পয়সা। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে ডলারের স্পট ক্রয়মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৯৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হার বেড়ে ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আগের দিন এ হার ছিল ১২৩ টাকা ৮৩ পয়সা। এক সপ্তাহ আগে এ হার ছিল ১২৩ টাকা ৪৫ পয়সা।
ব্যাংকারদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় মেটাতে বেশি ডলারের প্রয়োজন হচ্ছে। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির বিপরীতে সরকারি পর্যায়ে অর্থ পরিশোধের চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে ডলারের চাহিদা বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম বৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় বাড়ছে। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধে সরকারি পর্যায়ে অর্থের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং বিনিময় হারে সাময়িক ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, মাসের শুরুর দিকে প্রবাসী আয় বেশি এলেও শেষের দিকে তা কিছুটা কমে আসে। একই সময়ে আমদানি দায় পরিশোধের চাপ বাড়লে ডলারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে সাময়িক অসামঞ্জস্য তৈরি হয়। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি কোনো সংকট নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টে আমদানি দায় পরিশোধের পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র পেট্রোলিয়াম পণ্যের আমদানি দায় পরিশোধ দ্বিগুণ হয়ে ২৪৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে চলতি বছরের ১ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে ২৪৫ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২১৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৯ কোটি ডলার।
বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী চাপ থাকলেও দেশের রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১৬০ কোটি ডলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ