বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০৫ পি.এম
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল বড়ুয়া মিলন দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক পদত্যাগপত্রে তিনি এ ঘোষণা দেন। পদত্যাগপত্রে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন, কেন্দ্রীয় কমিটিকে পাশ কাটিয়ে একক সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, দলীয় অর্থনৈতিক বিষয়ে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনা না করার মতো একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে।
নির্মল বড়ুয়া মিলনের অভিযোগ, দুই কংগ্রেসের মধ্যবর্তী সময়ে দলের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব কেন্দ্রীয় কমিটির হাতে থাকার কথা থাকলেও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক কেন্দ্রীয় কমিটিকে পাশ কাটিয়ে একাধিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। একইভাবে কেন্দ্রীয় কমিটি সমগ্রভাবে দলের প্রতিনিধিত্ব ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার কথা থাকলেও একক সিদ্ধান্তে দল পরিচালনার অভিযোগও করেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে দলটির গঠনতন্ত্রের ১৯ ধারার বিভিন্ন উপধারার উল্লেখ করে নির্মল বড়ুয়া মিলন দাবি করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে দলীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদ দীর্ঘদিন শূন্য রাখার বিষয়টিও তিনি প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ‘কালের দাবি’ পত্রিকার দায়িত্ব থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন নির্মল বড়ুয়া মিলন। তার দাবি, ২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পত্রিকার ওয়েবসাইট উন্নয়নের কথা বলে তাকে কোনো কিছু না জানিয়ে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ওয়েবসাইট এবং ‘জনগণতন্ত্র’ পত্রিকার ওয়েবসাইটসহ তিনটি ওয়েবসাইটের ইন্টারনেট বিল তিনি দীর্ঘ আট বছর নিজ খরচে বহন করেছেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাসে এক হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ হিসেবে তার পাওনা ৯৬ হাজার টাকা বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়েও পদত্যাগপত্রে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেছেন নির্মল বড়ুয়া মিলন। তার অভিযোগ, এসব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে যথাযথ আলোচনা করা হয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় ও জোটগত সিদ্ধান্তের বাইরে এককভাবে আসন পরিবর্তন, নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে উপস্থাপন না করা এবং বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও দলীয় কাঠামো অনুসরণ না করার অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পদত্যাগপত্রে উল্লিখিত দাবিগুলোর স্বতন্ত্র যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
পদত্যাগপত্রে তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বিএনপি ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক এবং জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ছাড়াই অংশ নেওয়া হয়েছে।
নির্মল বড়ুয়া মিলনের ভাষ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর দলটির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তার মনে হয়েছে, দলটির সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরিচালনায় সীমিতসংখ্যক ব্যক্তির প্রভাব অত্যধিক। তিনি দাবি করেন, এতে মফস্বলের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং শ্রমিক শ্রেণির নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না।
পদত্যাগপত্রের শেষাংশে নির্মল বড়ুয়া মিলন বলেন, তিনি বৈষম্যের শিকার শ্রমিক শ্রেণি ও মুক্তিকামী মানুষের রাজনীতির পক্ষে থাকবেন। তবে ‘বামপন্থী’ ও ‘বিপ্লবী’ শব্দ ব্যবহার করে দলীয় নেতা-কর্মী ও জনগণকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতির সঙ্গে তিনি আর যুক্ত থাকতে চান না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলায় কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিয়ে হামলা, সংঘর্ষ ও মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাজিবুল হাসানের আদালতে জামিনের আবেদন করেন আসামিরা। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পূর্বধলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মো. জয়নাল আবেদীনও রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম।
কী অভিযোগ মামলায়
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের জটিয়াবর গ্রামের বাসিন্দা ও ৭ নম্বর আগিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি মো. উমর শরীফ গত ২৫ মে রাতে পূর্বধলা থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, ২০ মে বিকেলে পূর্বধলা উপজেলা পরিষদে অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাটের ইজারা কার্যক্রম শেষে মোটরসাইকেলে করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ফিরছিলেন উমর শরীফ। বিকেল তিনটার দিকে আগিয়া বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল লোক তাঁর পথরোধ করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
মামলায় জয়নাল আবেদীনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজুয়ানুর রহমান রনি, পূর্বধলা সদর ইউনিয়ন উপজেলা জামায়াতের সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম বাবুলসহ মোট ৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার সময় উমর শরীফের সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। তাঁর ব্যবহৃত টিভিএস স্ট্রাইকার মোটরসাইকেলে পেট্রোল বোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। আহত উমর শরীফকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
‘মিথ্যা মামলা’, বলছে জামায়াত
মামলাটিকে মিথ্যা দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। নেত্রকোনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, তাঁরা মামলাটি আইনিভাবে মোকাবিলা করবেন। দ্রুত মামলা প্রত্যাহার ও নেতাকর্মীদের মুক্তির প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্বের বিষয়টি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বোরো ফসলের ঐতিহ্যবাহী জনপদ সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বরামের হাওর। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হাওরটি দিরাই উপজেলার তাড়ল ও সরমঙ্গল ইউনিয়নজুড়ে বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ২ হাজার ৮০০ হেক্টর, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার ৯১৮ একর জমি।
বছরের পর বছর এই বিশাল হাওরকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য কৃষক পরিবারের জীবন-জীবিকা। বোরো মৌসুমে হাওরজুড়ে যখন সোনালি ধানের সমারোহ দেখা দেয়, তখন কৃষকের চোখে ফুটে ওঠে নতুন স্বপ্ন। সংসারের খরচ, সন্তানের পড়াশোনা, ঋণ পরিশোধ এবং সারা বছরের খাদ্যের নিশ্চয়তা—সবকিছুই নির্ভর করে এই ফসলের ওপর।
কিন্তু ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল সেই স্বপ্নে নেমে আসে বড় আঘাত। টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় বরামের হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকার পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে যায়। সেদিন সরেজমিনে বরাম হাওরে পাকা ধান ডুবে যাওয়ার চিত্রও উঠে আসে।
অনেক কৃষক শেষ মুহূর্তে নৌকা ও পানিতে নেমে পাকা ধান কাটার চেষ্টা করেন। কিন্তু জমিতে পানি থাকায় হারভেস্টার মেশিন নামানো সম্ভব হয়নি, পাশাপাশি দেখা দেয় শ্রমিক সংকট। ফলে চোখের সামনে পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে যেতে দেখে অ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাটে পাওনা পারিশ্রমিকের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মো. শাহীন (৪৪) নামে এক সাবেক যুবদল নেতাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন মাসুদের বিরুদ্ধে। তিনি চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারের বাশার হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার শাহীন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং অমরপুর গ্রামের মৃত সাহাব উদ্দিন মেম্বারের ছেলে।
ভুক্তভোগী শাহীন অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন মাসুদ চাপরাশিরহাট হাইস্কুলের পশ্চিম পাশে একটি জায়গা ক্রয় করেন। পরে দলীয় লোকজন নিয়ে ওই জায়গা মাপ দিয়ে দখলে নেয়। ওই সময় তিনি সেখানে কাজ করেন। এরপর তিনি ঢাকায় চলে যান। ফিরে এসে কাজের পারিশ্রমিক চাইলে মাসুদ একাধিকবার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু টাকা না পাওয়ায় তিনি মাসুদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেন।
শাহীন অভিযোগ করে আরও বলেন, একাধিকবার ফোন দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার রাতে চাপরাশিরহাট বাজারের বাশার হোটেলের সামনে মাসুদ তার লোকজন নিয়ে আমার ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে বেধড়ক পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। আমরা গরিব মানুষ। তার বিরুদ্ধে আইনগত কী ব্যবস্থা নেব, তাও বুঝতে পারছি না।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন মাসুদ। তিনি বলেন, শাহীন তাকে আঁচড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এতে বাজারে থাকা লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে শাহীনকে মারধর করেন। এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। জায়গা মাপার সময় শাহীন আমিনের সঙ্গে গিয়ে ফিতা ধরেছিলেন। আমিন তাকে মজুরি দিয়েছেন। পরে তিনিও শাহীনকে কিছু টাকা দেন। তবে শাহীন তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করছেন।
চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জহির উদ্দিন বলেন, পাওনা টাকা পাওয়ার বিষয়টি তাকে জানিয়েছিলেন শাহীন। তিনি বলেন, হয়তো তিনি (মাসুদ) ভুলে গেছেন। তুমি টাকা চাইলে দিয়ে দেবেন। পরে তিনি শাহীনের ওপর হামলার ঘটনা শুনেছেন।
এ বিষয়ে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। তবে তারা রাজনৈতিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগের প্রতিবাদে ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি মুক্তিযুদ্ধের পজন্মে ত্রিশাল উপজেলা শাখা।।
বুধবার ত্রিশাল পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিলটি। পরে মিছিলটি শেষ হলে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ত্রিশাল-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন এমপির দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ত্রিশাল উপজেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ১২টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে ও প্রতিবাদ সমাবেশে নেত্ত্বত দেন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ত্রিশাল উপজেলা শাখার সাবেক আহবায়ক আহসান হাবীব কাঞ্চন সরকার।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুব নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার সদস্য মো. হিজবুল ইসলাম বাশার, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু সাইদ শেখ, সদস্য জুয়েল মিয়া, আশরাফুল আলম, মামুনুর রশিদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ত্রিশাল উপজেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান কামালসহ আরও অনেকে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারা দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বক্তারা দেশের সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সমাবেশে বক্তারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার কথা বলেন।
এস এম মাসুদ রানা
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
তারিখ : ৩০/৯/২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ