বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩০ পি.এম
নোয়াখালীর কবিরহাটে পাওনা পারিশ্রমিকের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মো. শাহীন (৪৪) নামে এক সাবেক যুবদল নেতাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন মাসুদের বিরুদ্ধে। তিনি চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারের বাশার হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার শাহীন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং অমরপুর গ্রামের মৃত সাহাব উদ্দিন মেম্বারের ছেলে।
ভুক্তভোগী শাহীন অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন মাসুদ চাপরাশিরহাট হাইস্কুলের পশ্চিম পাশে একটি জায়গা ক্রয় করেন। পরে দলীয় লোকজন নিয়ে ওই জায়গা মাপ দিয়ে দখলে নেয়। ওই সময় তিনি সেখানে কাজ করেন। এরপর তিনি ঢাকায় চলে যান। ফিরে এসে কাজের পারিশ্রমিক চাইলে মাসুদ একাধিকবার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু টাকা না পাওয়ায় তিনি মাসুদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেন।
শাহীন অভিযোগ করে আরও বলেন, একাধিকবার ফোন দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার রাতে চাপরাশিরহাট বাজারের বাশার হোটেলের সামনে মাসুদ তার লোকজন নিয়ে আমার ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে বেধড়ক পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। আমরা গরিব মানুষ। তার বিরুদ্ধে আইনগত কী ব্যবস্থা নেব, তাও বুঝতে পারছি না।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন মাসুদ। তিনি বলেন, শাহীন তাকে আঁচড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এতে বাজারে থাকা লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে শাহীনকে মারধর করেন। এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। জায়গা মাপার সময় শাহীন আমিনের সঙ্গে গিয়ে ফিতা ধরেছিলেন। আমিন তাকে মজুরি দিয়েছেন। পরে তিনিও শাহীনকে কিছু টাকা দেন। তবে শাহীন তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করছেন।
চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জহির উদ্দিন বলেন, পাওনা টাকা পাওয়ার বিষয়টি তাকে জানিয়েছিলেন শাহীন। তিনি বলেন, হয়তো তিনি (মাসুদ) ভুলে গেছেন। তুমি টাকা চাইলে দিয়ে দেবেন। পরে তিনি শাহীনের ওপর হামলার ঘটনা শুনেছেন।
এ বিষয়ে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। তবে তারা রাজনৈতিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগের প্রতিবাদে ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি মুক্তিযুদ্ধের পজন্মে ত্রিশাল উপজেলা শাখা।।
বুধবার ত্রিশাল পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিলটি। পরে মিছিলটি শেষ হলে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ত্রিশাল-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন এমপির দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ত্রিশাল উপজেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ১২টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে ও প্রতিবাদ সমাবেশে নেত্ত্বত দেন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ত্রিশাল উপজেলা শাখার সাবেক আহবায়ক আহসান হাবীব কাঞ্চন সরকার।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুব নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার সদস্য মো. হিজবুল ইসলাম বাশার, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু সাইদ শেখ, সদস্য জুয়েল মিয়া, আশরাফুল আলম, মামুনুর রশিদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে ত্রিশাল উপজেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান কামালসহ আরও অনেকে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারা দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বক্তারা দেশের সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সমাবেশে বক্তারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার কথা বলেন।
এস এম মাসুদ রানা
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
তারিখ : ৩০/৯/২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের একটি প্রধান শিল্পগোষ্ঠী এসআর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং চীনের পুয়াং ক্লিনওয়ে কেমিক্যাল লি., কানাডার কিংস প্যাসিফিক এন্টারপ্রাইজেস লি. ও জার্মানির স্টেনব্যাচ ক্লোরিন জিএমবিএইচ-এর মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) জন্য একটি যৌথ বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি আধুনিক ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান এসআর প্যাসিফিক ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লি.
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রকল্পের আওতায় এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উৎপাদিত ক্লোরিন কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। কারখানায় উৎপাদিত ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড-এর সম্পূর্ণ পরিমাণ বিদেশে রপ্তানির উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত প্ল্যান্ট স্থাপনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ রব্বানী এবং পুয়াং কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিনকে ওয়াং উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই অনুষ্ঠানে এসআর গ্রুপের প্রধান কৌশলগত উপদেষ্টা মেহবুব চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ যৌথ বিনিয়োগ বাংলাদেশের রাসায়নিক শিল্পে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণ করবে। পাশাপাশি এটি প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
এছাড়া, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামালের ব্যবহার বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রাসায়নিক পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। তিনি জানান, ২০২৫ সালের কিছু অনিয়মের অভিযোগের কারণে সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী’ পদ বাতিল করা হয়েছে।
শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত ৩১ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ কারণে সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় যে, তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক মন্তব্য কিংবা প্রতিক্রিয়া না দেখানো উচিত। শুধু রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শিবিরের তৎকালীন সভাপতি ও বর্তমান রাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ আম্মারের বিরুদ্ধে ওঠে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অভিযোগের বিষয়টি শাখার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আলোচনা করা হয়। সভায় তার বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ আমলে নিয়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের এক দমকলকর্মী আদালতে নিজের মামলা পরিচালনার জন্য চ্যাটজিপিটির সহায়তা গ্রহণ করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি সাবেক প্রেমিকার কাছ থেকে ৪০ হাজার পাউন্ড সফলভাবে ফেরত পেয়েছেন।
৪০ বছর বয়সী ক্রেইগ টিচেনার ২০১৯ সালের নভেম্বরে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারলাইনস’ লটারি স্ক্র্যাচকার্ডে ২ লাখ পাউন্ড জিতেছিলেন। ২০২২ সালে তিনি তার তৎকালীন প্রেমিকা হিদার ডগলাসকে ৪০ হাজার পাউন্ড প্রদান করেন।
ডগলাস একজন সাইকিয়াট্রিক নার্স। তার আর্থিক বিষয়ে জ্ঞান থাকায় টিচেনার আশা করেছিলেন যে, তিনি ওই অর্থ তার পক্ষে বিনিয়োগ করবেন।
আদালতে জানানো হয়, তাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল যে, টাকাটি প্রিমিয়াম বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফা তারা ভাগ করে নেবেন।
পরে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর টিচেনার তার দেওয়া ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত চান। কিন্তু ডগলাস টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।
টিচেনার প্রথমে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তাদের চাওয়া আইনজীবী ফি তার জন্য সামর্থ্যের বাইরে ছিল। এরপর তিনি আইনি সহায়তার জন্য চ্যাটজিপিটির সাহায্য নেন।
চ্যাটজিপিটি তাকে প্রয়োজনীয় ফর্ম পূরণ এবং আদালতে নিজেই কীভাবে মামলা পরিচালনা করবেন, সে বিষয়ে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। সেই সহায়তা নিয়ে টিচেনার সেন্ট্রাল লন্ডন কাউন্টি কোর্টে নিজেই মামলা পরিচালনা করেন।
আদালতে টিচেনার বলেন, নিজে মামলা পরিচালনা করা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে আইনজীবী নিয়োগের সামর্থ্য তার ছিল না। তিনি জানান, "চ্যাটজিপিটির সহায়তা ছাড়া আমি হয়তো মামলায় জয়ী হতে পারতাম না।"
অন্যদিকে, ডগলাসের দাবি ছিল যে, ৪০ হাজার পাউন্ড তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। এমনকি আদালতে নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্টও জমা দেননি। শেষ পর্যন্ত আদালত টিচেনারের পক্ষে রায় দেন এবং ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত পাওয়ার পথ খুলে যায়। এদিকে, ডগলাসের অভিযোগ ছিল যে, টিচেনার তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করেছিলেন।
সূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ