ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজায় ইসরাইলি হামলা ‘অযৌক্তিক’: এড শিরান


গাজায় ইসরাইলি হামলা ‘অযৌক্তিক’: এড শিরান

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান মন্তব্য করেছেন যে এটি ‘বিপর্যয়কর, অযৌক্তিক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ’। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় একটি কনসার্টের শুরুতেই এ কথা বলেন। খবরটি আল জাজিরা থেকে জানা যায়।

এড শিরানের এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় মার্কিন র‍্যাপার ম্যাকলমোরকে বাদ দেওয়ার পর প্রথম কনসার্ট। ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দেওয়ার কারণ ছিল ফিলিস্তিনের পক্ষে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেওয়া। শিরান জানিয়েছেন, স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ ম্যাকলমোরকে পারফর্ম করার অনুমতি না দেওয়ায় তাকে সফরে রাখা সম্ভব হয়নি।

ম্যাকলমোরের প্রতি সংহতি জানিয়ে শিরানের সফরের উদ্বোধনী শিল্পী এবং তার নিজস্ব ব্যান্ডের সদস্যরাও সফর থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

আরও পড়ুন: জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী

ফিলাডেলফিয়ার কনসার্টে এড শিরান উল্লেখ করেন, তিনি চান তার গান ‘বিভাজনের নয়, ঐক্যের; রাজনীতির নয়, মানবতার’ কথা বলুক।

এছাড়া, তিনি হামাসের নেতৃত্বে ৭ অক্টোবরের হামলার নিন্দা জানান। তিনি পশ্চিম তীরে চলমান ‘পদ্ধতিগত অবিচারের’ সমালোচনা করতেও পিছপা হননি।

গাজার পরিস্থিতি নিয়ে শিরান বলেন, ‘ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতা এবং বেসামরিক মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের প্রাণহানি দেখে আমার হৃদয় ভেঙে গেছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা বুঝতে আমি বিভিন্ন পক্ষের মানুষের সঙ্গে কথা বলছি।’

আরও পড়ুন: নেপালে পর্বতজয়ের পর ৫০০০ ফুট নিচে পড়ে জার্মান পর্বতারোহীর মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চ্যাম্পিয়নদের মাঠে শেষ আর্সেনালের অপরাজেয় যাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


চ্যাম্পিয়নদের মাঠে শেষ আর্সেনালের অপরাজেয় যাত্রা

আমেরিকান এক্সপ্রেস স্টেডিয়াম— এই স্থানটি যেন প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের জন্য একটি বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে।

প্রথমবারের মতো হলে বিষয়টিকে ঝড়ের মতো বলা যেতে পারে, দ্বিতীয়বার হলে তাকে কাকতাল বলা হয়, কিন্তু তৃতীয়বারও যদি একই ঘটনা ঘটে, তাহলে সেটিকে ‘ঐতিহ্য’ ছাড়া আর কিছু বলা সম্ভব নয়। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি এই মাঠে পরাজিত হয়েছিল, গত মৌসুমে শিরোপাধারী লিভারপুলও একই পরিণতির শিকার হয়েছিল, এবার আর্সেনালও সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলো।

ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের মাঠে তারা ৩-০ গোলে পরাজিত হয়। এর ফলে প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ে দলটির জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা।

এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় মিকেল আর্তেতার দল সাতটি ম্যাচে জয়লাভ করেছিল। দুর্দান্ত ফর্ম নিয়ে তারা সাউথ কোস্টে খেলতে এসেছিল। কিন্তু ব্রাইটন সফরে গিয়ে তাদের অপরাজেয় যাত্রা শেষ হয়ে গেল।

ব্রাইটন এই মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। তাদের হয়ে গোল করেন পাসকাল গ্রস, চারালাম্পোস কস্তুলাস এবং চেমা আন্দ্রেস। সাধারণত আর্সেনালের রক্ষণভাগ শক্তিশালী থাকে, কিন্তু এই ম্যাচে তারা তিনবার গোল হজম করে।

সপ্তাহের মাঝামাঝি লিগ কাপে ব্রাইটন একটি বড় কীর্তি গড়েছে। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও তারা জয়লাভ করে। গত পঞ্চাশ বছরে এমন ঘটনা আর কোনো দল ঘটায়নি। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই তারা আর্সেনালের বিপক্ষে মাঠে নামে।

ফাবিয়ান হুরজেলারের দল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে। ৩১ মিনিটে গ্রস প্রথম গোলটি করেন। তার জোরালো শট পোস্টের ভেতরের দিকে লেগে জালে প্রবেশ করে।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে আর্সেনাল আবার একটি ভুল করে। বক্সের ধারে অনেক জায়গা ছেড়ে দেয় তারা। সেই সুযোগে কস্তুলাস সঠিক জায়গায় শট নিয়ে ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিবর্তে আর্সেনাল আরও পিছিয়ে পড়ে। ৬০ মিনিটে গ্রসের কর্নার থেকে হেড করে গোল করেন আন্দ্রেস। ছয় গজ বক্সের ভেতর তাকে অনেকটা ফাঁকা পাওয়া যায়। এই মৌসুমে লিগের পাঁচ ম্যাচে এটি ব্রাইটনের ষোড়শ গোল।

২০২৩ সালের এপ্রিলের পর যেকোনো প্রতিযোগিতায় আর্সেনালের এটি সবচেয়ে বড় পরাজয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারি বৃষ্টিতে ডুবল রাজধানী, দুর্ভোগে নগরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ এম


ভারি বৃষ্টিতে ডুবল রাজধানী, দুর্ভোগে নগরবাসী

রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে ভারী বর্ষণের ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে রামপুরাসহ বিভিন্ন স্থানে দমকা বাতাসের সঙ্গে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। এ সময় বজ্রপাতও ঘটে এবং বাতাসের তীব্রতা কমলেও বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকে।

বৃষ্টির কারণে মুগদা, খিলগাঁও, সবুজবাগ, গোড়ান, মানিকনগর, তালতলা, মতিঝিল, মালিবাগ, আরামবাগ, গুলিস্তান ও পল্টনসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নগরবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে।

খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগ, মুগদা ও গোড়ানের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। মানিকনগরের ব্যবসায়িক এলাকার অনেক দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হন। আরামবাগ মোড় থেকে ফকিরাপুল ও কাকরাইল সড়কের বিভিন্ন অংশে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়। মালিবাগে প্রধান সড়ক ও ফুটপাত ছাপিয়ে বিভিন্ন দোকানে পানি ঢুকে পড়ে।

জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা ও গণপরিবহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হন।

মতিঝিলের রিকশাচালক মোতালেব হোসেন বলেন, "পানি এত বেশি যে প্যাডেল মারা যায় না। আবার কোথাও সড়কে গর্ত রয়েছে কি না, সেটিও বোঝা যায় না।"

গোড়ান এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ বলেন, "এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও রিকশা পাইনি। পেলেও স্বাভাবিক ভাড়ার দ্বিগুণের বেশি চাওয়া হয়েছে।"

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নালা-নর্দমা ও পাইপলাইনে জমে থাকা ময়লা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি ঘটে।

গোড়ান রোডের বাসিন্দা তানজিল হোসেন বলেন, "ছোটবেলা থেকেই এ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখে আসছি। বড় বড় পাইপ বসানো হলেও সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। প্লাস্টিক, পলিথিনসহ বিভিন্ন বর্জ্য পাইপে জমে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করছে।"

আরেক বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, "নতুন ড্রেন নির্মাণ করেই অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্ব শেষ করা হয়। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় এবং খোলা ডাস্টবিনের বর্জ্য পাইপলাইনে জমে থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।"

স্থানীয়রা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিয়ায় সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১১ সেনা সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


সিরিয়ায় সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১১ সেনা সদস্য

সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ জোর প্রদেশের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে ১১ জন সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এ তথ্য জানায় দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবরটি প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, নিহত সেনাদের মরদেহ নিয়ে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জোর শহরে একটি শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। বিস্ফোরণের একদিন পর এই শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানায়, দেইর আজ জোরের পশ্চিমাঞ্চলীয় আইয়াশ শহরের সিরিয়ান আরব আর্মির একটি অবস্থানের ভেতরে অস্ত্রের গুদামে এই বিস্ফোরণ ঘটে।

প্রাদেশিক সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে আরও ৯ সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। তবে বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

সিরিয়ার কোনো সামরিক স্থাপনায় এটি দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় বিস্ফোরণের ঘটনা।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আল ইখবারিয়ার প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, শনিবার দেইর আজ জোর শহরের ন্যাশনাল হাসপাতালের বাইরে শোকাহত মানুষজন জড়ো হয়েছেন। সেখানে সিরিয়ার পতাকায় মোড়ানো নিহত সেনাদের মরদেহ শোকযাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আল ইখবারিয়া জানায়, ওই স্থাপনায় ভারী গোলাবারুদ পরিবহণের সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশের সারমাদায় অস্থায়ী অস্ত্র ও যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ সংরক্ষণাগারে বিস্ফোরণের ফলে ১৪ সেনা নিহত হন। ওই ঘটনায় ১০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক আহত হন।

সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ওই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। সংরক্ষণাগারটিতে গৃহযুদ্ধের সময় পড়ে থাকা অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করে রাখা হয়েছিল, যা পরে নিয়ম অনুযায়ী অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

এছাড়া ১ সেপ্টেম্বর ইদলিবের বিনিশে গোলাবারুদ বহনকারী একটি গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যাতে পাঁচজন নিহত ও কয়েকজন আহত হন বলে জানিয়েছে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

এক দশকের বেশি সময় ধরে চলমান গৃহযুদ্ধের ফলে সিরিয়ায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলাকালীন দেশটিতে এ ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা প্রায়ই ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি ১৭ বছরেও যা পারেননি, তাই করে দেখালেন রাফিনিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


মেসি ১৭ বছরেও যা পারেননি, তাই করে দেখালেন রাফিনিয়া

২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন রাফিনিয়া, যিনি বার্সেলোনার হয়ে খেলছেন। শনিবার সেভিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচে ফিরে আসে বার্সেলোনা। এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে দলকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে তার গোলসংখ্যা বর্তমানে ১২টি।

স্প্যানিশ পরিসংখ্যানবিদ মিস্টারচিপের তথ্য অনুযায়ী, লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে অন্তত ১২ গোল করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা মাত্র সাতজন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই কীর্তি গড়েছেন মাত্র একজন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১৩ গোল করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই মৌসুমে তিনি ৩৫ ম্যাচে মোট ৪৮ গোল করেছিলেন। তবে এটি সর্বোচ্চ রেকর্ড নয়। সেই রেকর্ড রিয়াল ওভিয়েদোর এস্তেবান এচেভাররিয়ার দখলে, যিনি ১৯৪৩-৪৪ মৌসুমে ১৪ গোল করেছিলেন।

রোনালদোর তিন বছর পর লিওনেল মেসি বার্সেলোনার হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১১ গোল করেছিলেন। বর্তমানে রাফিনিয়া সেই সংখ্যাও অতিক্রম করেছেন।

গতকাল রাফিনিয়া তার প্রথম গোলটি করেছেন ডান পায়ে। আন্দ্রেস ক্রিশ্চিয়ানসেনের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে তিনি এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জড়ান জালে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লামিন ইয়ামালের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে এগিয়ে দেন বার্সাকে। এরপর ৬৯ মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো বলে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন, বাম পায়ের আলতো চিপে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন রাফিনিয়া।

একটি গোল ডান পায়ে, একটি হেডে, এবং একটি বাম পায়ে— ফুটবলের ভাষায় এর নাম ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিক’; রাফিনিয়া গত রাতে সে কীর্তিটাই গড়েছেন। কাজটি কতটা দুরূহ, তার আন্দাজ মেলে একটি তথ্যে। বার্সেলোনায় ১৭ বছর খেলেও এই কীর্তি নেই লিওনেল মেসির, রাফিনিয়া সে নজিরটাই গড়ে দিলেন!

রাফিনিয়া আরও বহুভাবে মেসিকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এই মৌসুমে কোচ হানসি ফ্লিক তাকে ফলস নাইন ভূমিকায় খেলাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় এই ভূমিকায় খেলে তিনি দারুণ সফল, ৭ ম্যাচে ১২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্টই তার প্রমাণ!

গেল মৌসুমটা চোট ও অসুস্থতার কারণে ভালো কাটেনি তার। বিশ্বকাপ থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন এই কারণে। যে কারণে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকাতেও জায়গা পাননি তিনি।

নিজেকে নতুন করে প্রমাণের তাগিদও হয়তো কাজ করছে রাফিনিয়ার মধ্যে। আর মাঠে ঠিক সেটাই করে দেখাচ্ছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%