রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৭ এম
২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন রাফিনিয়া, যিনি বার্সেলোনার হয়ে খেলছেন। শনিবার সেভিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচে ফিরে আসে বার্সেলোনা। এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে দলকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে তার গোলসংখ্যা বর্তমানে ১২টি।
স্প্যানিশ পরিসংখ্যানবিদ মিস্টারচিপের তথ্য অনুযায়ী, লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে অন্তত ১২ গোল করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা মাত্র সাতজন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই কীর্তি গড়েছেন মাত্র একজন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১৩ গোল করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই মৌসুমে তিনি ৩৫ ম্যাচে মোট ৪৮ গোল করেছিলেন। তবে এটি সর্বোচ্চ রেকর্ড নয়। সেই রেকর্ড রিয়াল ওভিয়েদোর এস্তেবান এচেভাররিয়ার দখলে, যিনি ১৯৪৩-৪৪ মৌসুমে ১৪ গোল করেছিলেন।
রোনালদোর তিন বছর পর লিওনেল মেসি বার্সেলোনার হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১১ গোল করেছিলেন। বর্তমানে রাফিনিয়া সেই সংখ্যাও অতিক্রম করেছেন।
গতকাল রাফিনিয়া তার প্রথম গোলটি করেছেন ডান পায়ে। আন্দ্রেস ক্রিশ্চিয়ানসেনের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে তিনি এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জড়ান জালে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লামিন ইয়ামালের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে এগিয়ে দেন বার্সাকে। এরপর ৬৯ মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো বলে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন, বাম পায়ের আলতো চিপে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন রাফিনিয়া।
একটি গোল ডান পায়ে, একটি হেডে, এবং একটি বাম পায়ে— ফুটবলের ভাষায় এর নাম ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিক’; রাফিনিয়া গত রাতে সে কীর্তিটাই গড়েছেন। কাজটি কতটা দুরূহ, তার আন্দাজ মেলে একটি তথ্যে। বার্সেলোনায় ১৭ বছর খেলেও এই কীর্তি নেই লিওনেল মেসির, রাফিনিয়া সে নজিরটাই গড়ে দিলেন!
রাফিনিয়া আরও বহুভাবে মেসিকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এই মৌসুমে কোচ হানসি ফ্লিক তাকে ফলস নাইন ভূমিকায় খেলাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় এই ভূমিকায় খেলে তিনি দারুণ সফল, ৭ ম্যাচে ১২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্টই তার প্রমাণ!
গেল মৌসুমটা চোট ও অসুস্থতার কারণে ভালো কাটেনি তার। বিশ্বকাপ থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন এই কারণে। যে কারণে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকাতেও জায়গা পাননি তিনি।
নিজেকে নতুন করে প্রমাণের তাগিদও হয়তো কাজ করছে রাফিনিয়ার মধ্যে। আর মাঠে ঠিক সেটাই করে দেখাচ্ছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়ার প্রধান পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে দেশটির পারমাণবিক পরীক্ষার পর ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৭ সালে সর্বশেষ পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পরও কয়েক বছর ধরে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সময়ের সঙ্গে এসব ভূমিকম্পের সংখ্যা ও মাত্রা দুটিই বাড়ছে।
নতুন এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। খবর এনডিটিভির
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার ছয়টি ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর স্থান মাউন্ট মানতাপ ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় ২ হাজার বছর ধরে উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পের ঘটনা ছিল না। তবে বিজ্ঞানীরা ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওই এলাকার ভূকম্পনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে ১ হাজার ৩৯৯টি ভূমিকম্প শনাক্ত করেছেন।
পারমাণবিক বিস্ফোরণের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্প সাধারণত পরীক্ষার কয়েক বছর পরও এভাবে বাড়তে থাকে না। সে কারণে গবেষণার ফলাফলকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
ওই এলাকায় প্রথম ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় ২০১৩ সালে, উত্তর কোরিয়ার তৃতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার পর। তবে পরবর্তী কয়েক বছরে ভূমিকম্পের সংখ্যা ছিল খুবই কম।
পরিস্থিতি বদলে যায় ২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার ষষ্ঠ ও সবচেয়ে বড় পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পর। গবেষণার লেখকেরা জানান, ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভূমিকম্পের প্রবণতা খুবই কম ছিল। কিন্তু ওই বছরের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিস্ফোরণের পর ভূমিকম্পের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
২০১৭ সালের পারমাণবিক পরীক্ষার সময় ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ওই বিস্ফোরণের ফলে একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার পাশাপাশি পাহাড়ের চূড়ার আকৃতিও প্রায় ৩ মিটার পরিবর্তিত হয়ে থাকতে পারে।
তবে পরবর্তী সময়ে যে ভূমিকম্পগুলো রেকর্ড হয়েছে, সেগুলোর মাত্রা খুব বেশি ছিল না। পুসান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কিম জানান, বেশির ভাগ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ২ থেকে ৩-এর মধ্যে। এগুলো অগভীর গভীরতায় ঘটেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা শুরুর আগে ওই এলাকায় ভূমিকম্পের প্রবণতা খুবই কম ছিল। গবেষক কিম বলেন, চীন ও কোরিয়ায় ২ হাজার বছরের বেশি সময়ের ঐতিহাসিক রেকর্ড রয়েছে। ওই এলাকায় ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে মাত্র একটি ভূমিকম্পের তথ্য পাওয়া গেছে।
গবেষকদের ধারণা, ভূমিকম্পের এই বৃদ্ধি ইঙ্গিত দিতে পারে যে ২০১৭ সালের পারমাণবিক বিস্ফোরণের পর মাউন্ট মানতাপের নিচের ভূস্তর আগের অবস্থায় ফিরে যায়নি।
কিমের মতে, ওই পরীক্ষার পর অন্তত দুটি পুরোনো ভূগর্ভস্থ চ্যুতি সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে। বিস্ফোরণের ফলে পাহাড়ের ভেতরে থাকা পুরোনো সুপ্ত ফাটলগুলো আবার সক্রিয় হয়েছে। পাশাপাশি বিস্ফোরণের কারণে তৈরি নতুন ফাটলগুলোতে পানি জমেছে। এতে ভূগর্ভে পানির চাপ বেড়ে পাথরের স্তরগুলো একে অপরের ওপর সরে যাচ্ছে এবং এর ফলেই একের পর এক ছোট ভূমিকম্প ঘটছে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় দূরপাল্লার বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে মেঘনা সেতুর ওপর মহাসড়কের মাঝপথে একটি বড় বাস বিকল হয়ে চাকা লক হয়ে যাওয়ার পর এই যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি বাস ভোরে মেঘনা সেতুর ওপর পৌঁছালে হঠাৎ করে বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় বাসটির চাকা লক হয়ে মহাসড়কের মাঝখানে আটকে যায়, যার ফলে ঢাকা অভিমুখী লেনে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ধীরে ধীরে যানজট মেঘনা সেতু এলাকা ছাড়িয়ে প্রায় ১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে যায়।
যানজটে আটকে পড়া বাসচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, "ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে যানজটে পড়েছি। ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে। কী কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, তা জানি না।"
ট্রাকচালক নাছির উদ্দীন জানান, "আনারপুরা এলাকার জেএমআই পাম্প থেকে যানজটে পড়েছি। সেখান থেকে ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আসতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগেছে।"
ভবেরচর হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "ভোর পৌনে ৬টার দিকে একটি বড় বাস মেঘনা সেতুর ওপর মহাসড়কের মাঝখানে বিকল হয়ে চাকা লক হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। রেকার দিয়ে বাসটি সরানোর চেষ্টা চলছে। যানজট নিরসনে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।"
পুলিশ জানিয়েছে, বিকল বাসটি দ্রুত সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে দীর্ঘ যানজটের কারণে মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার স্থলে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন দায়িত্ব পালন করছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের বটতলা বাজার এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এ ছাড়া উপজেলার বাতানিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী শাহজাহান খোকনের বাড়িতে আয়োজিত ভূরিভোজে ওসির অংশ নেওয়ার উভিযোগ উঠে।
ওসির দায়িত্বে থাকা সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ওসি প্রত্যাহারের পর চলে গেছে। তবে কি কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে তা জানিনা। বটতলা এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিলের ঘটনায় শনিবার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার বলেন, একজনের বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওসি আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলায় আয়োজিত ইসলামী জলসায় উপস্থিত হয়ে দোয়া চেয়েছেন ৮ নম্বর বিশকাকুনি ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও পূর্বধলা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক ছাত্রনেতা আবু বকর রানা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে পূর্বধলা উপজেলার সরিস্তলা বাজারে অনুষ্ঠিত মহা পবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ-২০২৭ উপলক্ষে দাওয়াতি পবিত্র আজিমুশশান ইসলামী জলসায় তিনি উপস্থিত হন।
এ সময় আবু বকর রানা আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮ নং বিশকাকুনি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে উপস্থিত মুসল্লি ও স্থানীয়দের কাছে দোয়া কামনা করেন।
আবু বকর রানা জানান, “আমি নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়নের অবকাঠামো ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে কঠোর দায়িত্ব পালন করব। পাশাপাশি ইউনিয়নের অন্যায়-অবিচার প্রতিহত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করব।”
তিনি আরও জানান , এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য। এ জন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
জলসায় উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও স্থানীয়রা তার বক্তব্য শোনেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ