প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন রাফিনিয়া, যিনি বার্সেলোনার হয়ে খেলছেন। শনিবার সেভিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচে ফিরে আসে বার্সেলোনা। এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে দলকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে তার গোলসংখ্যা বর্তমানে ১২টি।
স্প্যানিশ পরিসংখ্যানবিদ মিস্টারচিপের তথ্য অনুযায়ী, লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে অন্তত ১২ গোল করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা মাত্র সাতজন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই কীর্তি গড়েছেন মাত্র একজন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১৩ গোল করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই মৌসুমে তিনি ৩৫ ম্যাচে মোট ৪৮ গোল করেছিলেন। তবে এটি সর্বোচ্চ রেকর্ড নয়। সেই রেকর্ড রিয়াল ওভিয়েদোর এস্তেবান এচেভাররিয়ার দখলে, যিনি ১৯৪৩-৪৪ মৌসুমে ১৪ গোল করেছিলেন।
রোনালদোর তিন বছর পর লিওনেল মেসি বার্সেলোনার হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১১ গোল করেছিলেন। বর্তমানে রাফিনিয়া সেই সংখ্যাও অতিক্রম করেছেন।
গতকাল রাফিনিয়া তার প্রথম গোলটি করেছেন ডান পায়ে। আন্দ্রেস ক্রিশ্চিয়ানসেনের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে তিনি এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জড়ান জালে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লামিন ইয়ামালের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে এগিয়ে দেন বার্সাকে। এরপর ৬৯ মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো বলে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন, বাম পায়ের আলতো চিপে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন রাফিনিয়া।
একটি গোল ডান পায়ে, একটি হেডে, এবং একটি বাম পায়ে— ফুটবলের ভাষায় এর নাম ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিক’; রাফিনিয়া গত রাতে সে কীর্তিটাই গড়েছেন। কাজটি কতটা দুরূহ, তার আন্দাজ মেলে একটি তথ্যে। বার্সেলোনায় ১৭ বছর খেলেও এই কীর্তি নেই লিওনেল মেসির, রাফিনিয়া সে নজিরটাই গড়ে দিলেন!
রাফিনিয়া আরও বহুভাবে মেসিকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এই মৌসুমে কোচ হানসি ফ্লিক তাকে ফলস নাইন ভূমিকায় খেলাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় এই ভূমিকায় খেলে তিনি দারুণ সফল, ৭ ম্যাচে ১২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্টই তার প্রমাণ!
গেল মৌসুমটা চোট ও অসুস্থতার কারণে ভালো কাটেনি তার। বিশ্বকাপ থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন এই কারণে। যে কারণে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকাতেও জায়গা পাননি তিনি।
নিজেকে নতুন করে প্রমাণের তাগিদও হয়তো কাজ করছে রাফিনিয়ার মধ্যে। আর মাঠে ঠিক সেটাই করে দেখাচ্ছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন