০২:৫৯ পি.এম
দিনাজপুরের হাকিমপুরে (হিলি) পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে একটি বাড়িতে কয়েকদিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। অপর আসামি পলাতক রয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে ভুক্তভোগীর মা হাকিমপুর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাঁর মেয়ে পাওনা টাকা চাইতে গেলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময়ে রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) ওই তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। এ সময় আসামিরা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ছবি দিয়ে রাজনৈতিক চরিত্রহননের চেষ্টা! দীর্ঘ ত্যাগের পরও অপপ্রচারের অভিযোগ বিএনপি নেতা রিপন বল্লভের
পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুই আসামিকে আটক করেন। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের এজাহারের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছে।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: ঈদগাঁওয়ে অবৈধ ক্লিনিক সিলগালা, গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন