ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে মাখোঁরের সঙ্গে বৈঠক করবেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলেই


বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে মাখোঁরের সঙ্গে বৈঠক করবেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলেই

ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে চলতি সপ্তাহে প্যারিসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন বলে জানা গেছে।

এই সফরের অংশ হিসেবে আর্জেন্টিনায় বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত একটি ফোরামে তিনি অংশগ্রহণ করবেন, যা রোববার দেশটির সরকার ঘোষণা করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, এই সফর এমন একটি সময়ে হচ্ছে যখন আর্জেন্টিনার অর্থনীতিতে স্থবিরতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের তিন মাসের তুলনায় ০.৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

এক সপ্তাহ আগে, মিলে ইউরোপের সমালোচনা করে বলেছিলেন যে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ, অভিবাসন এবং তথাকথিত ‘ওয়োক’ চিন্তাধারার কারণে ইউরোপ কার্যত এসবের কাছে পরাধীন হয়ে পড়েছে।

ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম এলসিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। মিলে বলেন, ইউরোপীয়রা তার মিত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অপছন্দ করেন, কারণ ট্রাম্প ইউরোপের অবনতির দিকে যাওয়ার বিষয়ে ‘সত্য কথা’ বলেন।

নিজেকে ‘অ্যানার্কো-ক্যাপিটালিস্ট’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া কট্টরপন্থী উদারনৈতিক প্রেসিডেন্ট মিলে বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি)-তে বক্তব্য দেবেন। ওই দিনই পরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে, যা সরকারের প্রকাশিত সফরসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিলে মঙ্গলবার প্যারিসের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং সেখানে সরকারি একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। ‘আর্জেন্টিনা উইক’ নামে এই বিনিয়োগ ফোরাম ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান থাকবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর মিলে সরকারি ব্যয়ে বড় ধরনের কাটছাঁট করেছেন। এর ফলে তার সরকার বাজেট উদ্বৃত্ত অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এবং একসময় তিন অঙ্কে থাকা মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

বর্তমানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

তবে টানা তিন বছরের কৃচ্ছ্রসাধন বা সরকারি ব্যয় কমানোর নীতির কারণে লাতিন আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির শিল্প খাত, কর্মসংস্থান এবং মানুষের ভোগব্যয় দুর্বল হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমাকে ২ কোটি দেন, সব সই করে দেব’ ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪২ পি.এম


‘আমাকে ২ কোটি দেন, সব সই করে দেব’ ভিডিও ভাইরাল

লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনের 'ঘুষ' গ্রহণ ও কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে ওঠে। প্রতিবেদকের হাতে এসেছে প্রায় ৮ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি।

ভিডিওর কিছু অংশে নুরুল আমিনকে বলতে শোনা যায়, ‘এসি স্যার রাজি হয়ে গেছে কোন একটা কারণে, আমি দুই কোটি টাকা থেকে নড়ব না। ৬ কোটি টাকা তিনগুণ না, আমি দুই কোটি টাকার কমে নড়ব না, চেয়ারম্যানের কাছে যেতে হলে যাব। দেখি চেয়ারম্যান কি কয়। একটা বিলের জন্য যদি ২ কোটি টাকা নেই, তাহলে চেয়ারম্যান কি আমার বিরুদ্ধে যাবে? আমাকে জায়গা মতো পোস্টিং দেবে। সোজা হিসেব, ৩ লাখ টাকার ওয়ার্কে মালামাল লাগে ৩০ লাখ টাকা। তাহলে কত কোটি টাকার মাল সে আত্মসাৎ করছে। হিসেব করে দেখা যাবে ৫ কোটি টাকার মাল সে আত্মসাৎ করেছে। ৫ কোটি টাকা থেকে আমাকে ২ কোটি টাকা দেন আমি সব সই করে দেব।

ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা গ্রহণ করছেন। তবে ওইসব ব্যক্তিদের মুখ দেখা যায়নি এবং তাদের পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভিডিওতে তিনি ওইসব ব্যক্তিদের উদ্দেশে বলেন, এখানে কত? একজন ব্যক্তি বলেন, ‘এখানে ৩৫ স্যার।’ নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এক লাখ ৩৫। ওই ব্যক্তি বলেন, আগে দিয়েছি এক লাখ স্যার।’

এদিকে ভিডিওটি ঠিক কতদিন আগের, সে বিষয়েও নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনের দাপ্তরিক মোবাইলফোন নাম্বারে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে বাবুল গাজীর নেতৃত্বে আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদক ও দেহব্যবসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো:রাজিব তালুকদার

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে বাবুল গাজীর নেতৃত্বে আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদক ও দেহব্যবসার

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন পূর্বরার ব্রিজের অপর পাশে আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও দেহব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত বাবুল গাজীর নেতৃত্বে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

স্থানীয় পথচারী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, হোটেলটির আশপাশে চলাচলের সময় বিভিন্ন নারীকে নানা কৌশলে হোটেলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি নারীদের টেনে-হিঁচড়ে হোটেলে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওই এলাকায় চলাচল করতে গিয়ে স্থানীয়দের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, গ্রামের সহজ-সরল নারীদের চাকরি দেওয়ার কথা বলে ওই হোটেলে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে নারীদের সঙ্গে রাতযাপনের পাশাপাশি সেখানে মাদক, বিশেষ করে ইয়াবা, সরবরাহ করা হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন আবাসিক হোটেলে অবস্থান করলেও কথিত এসব কর্মকাণ্ডের কারণে হোটেলটি বর্তমানে অনিরাপদ হয়ে উঠেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

মার্কেটের আশপাশের ব্যবসায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা একাধিকবার কথিত এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

এদিকে বাবুল গাজীর বিরুদ্ধে স্থানীয়দের ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিকদের কাছে তিনি নাকি দাবি করেছেন, কোনো তথ্য জানতে হলে থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কাছ থেকে জানতে হবে। এমনকি তিনি ওসিকে মাসোয়ারা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনার কথাও বলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে উল্লেখ্য বিষয় অফিসার ইনচার্জ এর কাছে মুঠোফোনে তথ্য জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনটি রিসিভ করেননি।


অপরদিকে, স্থানীয় সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি রাতের বেলা ওই হোটেলে আশ্রয় নেন। গ্রামের সহজ সরল মেয়েদেরকে চাকরির প্রবলতা দেখিয়ে এনে দেহ ব্যবসায় পরিণত করেন এই বাবুল।

স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদক ও দেহব্যবসার অভিযোগগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে: আইরিন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে: আইরিন খান

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে তিনি এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন, মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং সংকট নিরসনে সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রোহিঙ্গা বিষয়ক বক্তব্যের প্রসঙ্গে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান মন্তব্য করেন, "প্রকৃত সংকট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অঙ্গীকারে।" তার মতে, ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংকটের স্থায়ী সমাধানেও বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থসহায়তা কমছে, বিশ্বের মনোযোগও অন্যদিকে সরে যাচ্ছে।" এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

আইরিন খান প্রশ্ন করেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সহায়তা ব্যবস্থা কক্সবাজারে থাকা দশ লাখের বেশি রোহিঙ্গার চাহিদা পূরণে কেন ব্যর্থ হচ্ছে? এর জবাবে তিনি বলেন, "প্রকৃত সঙ্কট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অঙ্গীকারে।" প্রথমত, এই ১২ লাখ শরণার্থীকে সহায়তা দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, দেশের একটি কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশে দাঁড়াতে হবে। তৃতীয়ত, রোহিঙ্গা সঙ্কটের একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বর্তমানে অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তারা জনাকীর্ণ আশ্রয় শিবিরে বসবাস করছেন, যেখানে সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় কম এবং মানবিক সহায়তা ক্রমেই কমছে।

আইরিন খান উল্লেখ করেন, "রোহিঙ্গা শিশুরা আশ্রয় শিবিরে কঠিন পরিস্থিতিতে বেড়ে উঠছে।" তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা ৯ বছর ধরে আশ্রয় শিবিরে আছেন। শিশুরা সেখানেই বড় হচ্ছে এবং ১২ লাখ শরণার্থীর সংখ্যা প্রতিবছর আরও বাড়ছে। শিবিরগুলোতে বছরে প্রায় ৩০ হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে। তাদের ভবিষ্যৎ কী? শরণার্থী শিবিরে ৯ বছর কাটানো দীর্ঘ সময়।

আইরিন খান বলেন, "এ কারণেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং অঞ্চলের ভেতরে ও বাইরের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমাধানের লক্ষ্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।" রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে, এবং তিনি বিশ্বাস করেন, এর সমাধানও সেখানেই নিহিত। শরণার্থীরাও নিজ দেশে ফিরতে আগ্রহী, তবে তারা নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে ফিরতে চান। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, বিষয়টির প্রতি মনোযোগ দিক।

আইরিন খান আরও বলেন, "আমরা চাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘ, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনুক।" সেখানে থাকবে আশ্রয়দাতা দেশ বাংলাদেশ, এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ এবং অবশ্যই মিয়ানমার। দূরবর্তী সেই সব দেশও থাকবে, যাদের মিয়ানমারের ওপর প্রভাব রয়েছে কিংবা এই প্রক্রিয়ায় অর্থায়নের সামর্থ্য আছে।

তিনি বলেন, "আমরা এমন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চাই, যার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারকে তার জনগণকে ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পালন করতে হবে।" পাশাপাশি মিয়ানমারের ভেতরেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে, যাতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা নিরাপদে ফিরতে পারে।

জাতিসংঘের ভূমিকা ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান সমালোচনা বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরে আইরিন খান বলেন, "জাতিসংঘের একার পক্ষে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।" সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে নিজেদের দায়িত্ব আরও গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাধারী দেশগুলোকে। তাদের আরও কার্যকরভাবে একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজের কোটা ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে হাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


হজের কোটা ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে হাব

সৌদি সরকারের কাছে ২০ হাজার অতিরিক্ত হজ কোটা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব), কারণ নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি হোটেলে হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই দাবি উত্থাপন করেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারও উপস্থিত ছিলেন।

হাবের মহাসচিব জানান, "চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এই বছর রাজকীয় সৌদি সরকার ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন থাকলেও বিগত কয়েক বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। ফলে রাজকীয় সৌদি সরকার ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের হজ কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে।"

তিনি আরও বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের গৃহীত সঠিক পদক্ষেপের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিবন্ধনের সময়সীমার মধ্যে কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার উল্লেখ করেন, "এই হজযাত্রীরা মানসিক ও আর্থিকভাবে হজ পালনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। কিছু পরিবারের সদস্য নিবন্ধিত হলেও বাকিরা অপেক্ষমাণ রয়েছেন। আল্লাহ পাকের মেহমানদের কথা বিবেচনা করে রাজকীয় সৌদি সরকার থেকে কমপক্ষে আরও ২০ হাজার কোটা বরাদ্দ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।"

তিনি বলেন, "আমাদের মূল কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন, তাই আমরা যৌক্তিকভাবে এই বর্ধিত কোটার দাবিদার।"

হাবের মহাসচিব আরও জানান, গত হজে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে রাজকীয় সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, "রাজকীয় সৌদি সরকারের মন্ত্রী মহোদয় জেদ্দা ও রিয়াদে একাধিকবার আমাদের মন্ত্রী মহোদয়কে সাক্ষাতের সময় ও সুযোগ দিয়েছেন।"

তিনি আরও জানান, তাদের সহযোগিতায় বিগত হজ অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, মন্ত্রী মহোদয় ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করলে দ্রুত অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে, ইনশা-আল্লাহ।

২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরুর দিকে নির্ধারিত কোটা পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। তবে নিবন্ধনের শেষ পর্যায়ে এসে হঠাৎ করে হজে গমনেচ্ছুর সংখ্যা বেড়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার আগেই সৌদি আরবের দেওয়া ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে যায়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও অনেক হজ গমনেচ্ছু টাকা জমা দেন। হজযাত্রীদের টাকা গ্রহণের জন্য গত শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা হলেও কোটা পূর্ণ হওয়ার পর নিবন্ধন সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ফলে টাকা জমা দেওয়ার পরও প্রায় ১৭ হাজার ব্যক্তি হজে যেতে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

এখন পর্যন্ত হাবের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত হজের কোটা বরাদ্দের জন্য ব্যবস্থা নিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটা বাড়ানোর প্রস্তাবের চিঠি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%