ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে: আইরিন খান


রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে: আইরিন খান

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে তিনি এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন, মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং সংকট নিরসনে সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রোহিঙ্গা বিষয়ক বক্তব্যের প্রসঙ্গে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান মন্তব্য করেন, "প্রকৃত সংকট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অঙ্গীকারে।" তার মতে, ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংকটের স্থায়ী সমাধানেও বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন: মেঘনায় নৌ পুলিশের অভিযানে ৩৩ জেলে আটক, ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

তিনি আরও বলেন, "রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থসহায়তা কমছে, বিশ্বের মনোযোগও অন্যদিকে সরে যাচ্ছে।" এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

আইরিন খান প্রশ্ন করেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সহায়তা ব্যবস্থা কক্সবাজারে থাকা দশ লাখের বেশি রোহিঙ্গার চাহিদা পূরণে কেন ব্যর্থ হচ্ছে? এর জবাবে তিনি বলেন, "প্রকৃত সঙ্কট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অঙ্গীকারে।" প্রথমত, এই ১২ লাখ শরণার্থীকে সহায়তা দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, দেশের একটি কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশে দাঁড়াতে হবে। তৃতীয়ত, রোহিঙ্গা সঙ্কটের একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বর্তমানে অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তারা জনাকীর্ণ আশ্রয় শিবিরে বসবাস করছেন, যেখানে সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় কম এবং মানবিক সহায়তা ক্রমেই কমছে।

আইরিন খান উল্লেখ করেন, "রোহিঙ্গা শিশুরা আশ্রয় শিবিরে কঠিন পরিস্থিতিতে বেড়ে উঠছে।" তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা ৯ বছর ধরে আশ্রয় শিবিরে আছেন। শিশুরা সেখানেই বড় হচ্ছে এবং ১২ লাখ শরণার্থীর সংখ্যা প্রতিবছর আরও বাড়ছে। শিবিরগুলোতে বছরে প্রায় ৩০ হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে। তাদের ভবিষ্যৎ কী? শরণার্থী শিবিরে ৯ বছর কাটানো দীর্ঘ সময়।

আরও পড়ুন: সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ ৪ ও উচ্চকক্ষের ৬ বছর করার প্রস্তাব

আইরিন খান বলেন, "এ কারণেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং অঞ্চলের ভেতরে ও বাইরের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমাধানের লক্ষ্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।" রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে, এবং তিনি বিশ্বাস করেন, এর সমাধানও সেখানেই নিহিত। শরণার্থীরাও নিজ দেশে ফিরতে আগ্রহী, তবে তারা নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে ফিরতে চান। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, বিষয়টির প্রতি মনোযোগ দিক।

আইরিন খান আরও বলেন, "আমরা চাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘ, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনুক।" সেখানে থাকবে আশ্রয়দাতা দেশ বাংলাদেশ, এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ এবং অবশ্যই মিয়ানমার। দূরবর্তী সেই সব দেশও থাকবে, যাদের মিয়ানমারের ওপর প্রভাব রয়েছে কিংবা এই প্রক্রিয়ায় অর্থায়নের সামর্থ্য আছে।

তিনি বলেন, "আমরা এমন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চাই, যার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারকে তার জনগণকে ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পালন করতে হবে।" পাশাপাশি মিয়ানমারের ভেতরেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে, যাতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা নিরাপদে ফিরতে পারে।

জাতিসংঘের ভূমিকা ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান সমালোচনা বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরে আইরিন খান বলেন, "জাতিসংঘের একার পক্ষে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।" সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে নিজেদের দায়িত্ব আরও গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাধারী দেশগুলোকে। তাদের আরও কার্যকরভাবে একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : মীর শাহে আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজের কোটা ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে হাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


হজের কোটা ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে হাব

সৌদি সরকারের কাছে ২০ হাজার অতিরিক্ত হজ কোটা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব), কারণ নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি হোটেলে হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই দাবি উত্থাপন করেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারও উপস্থিত ছিলেন।

হাবের মহাসচিব জানান, "চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এই বছর রাজকীয় সৌদি সরকার ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন থাকলেও বিগত কয়েক বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। ফলে রাজকীয় সৌদি সরকার ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের হজ কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে।"

তিনি আরও বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের গৃহীত সঠিক পদক্ষেপের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিবন্ধনের সময়সীমার মধ্যে কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার উল্লেখ করেন, "এই হজযাত্রীরা মানসিক ও আর্থিকভাবে হজ পালনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। কিছু পরিবারের সদস্য নিবন্ধিত হলেও বাকিরা অপেক্ষমাণ রয়েছেন। আল্লাহ পাকের মেহমানদের কথা বিবেচনা করে রাজকীয় সৌদি সরকার থেকে কমপক্ষে আরও ২০ হাজার কোটা বরাদ্দ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।"

তিনি বলেন, "আমাদের মূল কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন, তাই আমরা যৌক্তিকভাবে এই বর্ধিত কোটার দাবিদার।"

হাবের মহাসচিব আরও জানান, গত হজে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে রাজকীয় সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, "রাজকীয় সৌদি সরকারের মন্ত্রী মহোদয় জেদ্দা ও রিয়াদে একাধিকবার আমাদের মন্ত্রী মহোদয়কে সাক্ষাতের সময় ও সুযোগ দিয়েছেন।"

তিনি আরও জানান, তাদের সহযোগিতায় বিগত হজ অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, মন্ত্রী মহোদয় ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করলে দ্রুত অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে, ইনশা-আল্লাহ।

২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরুর দিকে নির্ধারিত কোটা পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। তবে নিবন্ধনের শেষ পর্যায়ে এসে হঠাৎ করে হজে গমনেচ্ছুর সংখ্যা বেড়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার আগেই সৌদি আরবের দেওয়া ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে যায়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও অনেক হজ গমনেচ্ছু টাকা জমা দেন। হজযাত্রীদের টাকা গ্রহণের জন্য গত শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা হলেও কোটা পূর্ণ হওয়ার পর নিবন্ধন সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ফলে টাকা জমা দেওয়ার পরও প্রায় ১৭ হাজার ব্যক্তি হজে যেতে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

এখন পর্যন্ত হাবের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত হজের কোটা বরাদ্দের জন্য ব্যবস্থা নিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটা বাড়ানোর প্রস্তাবের চিঠি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় দলের দুই অধিনায়ক কেন আইকন নন, ব্যাখ্যা দিলেন তামিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


জাতীয় দলের দুই অধিনায়ক কেন আইকন নন, ব্যাখ্যা দিলেন তামিম

জাতীয় দলের নিয়মিত ক্রিকেটারদের বাদ দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন টুর্নামেন্ট ‘ডমেস্টিক-৩’-এ ছয় আইকন ক্রিকেটার বেছে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তবে তালিকায় জায়গা হয়নি জাতীয় দলের দুই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের।

আইকন হতে পারেননি তাদের সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসান তামিমও। কেন তারকা ক্রিকেটারদের বাদ দিয়ে অন্যদের বেছে নেওয়া হলো, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল।

তামিমের মতে, আইকন ক্রিকেটার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল খেলোয়াড়দের প্রাপ্যতা। পুরো মৌসুমে যাদের পাওয়া যাবে, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে দলগুলো।

তামিম বলেন, "আমার মনে হয় বিষয়টিকে একটু ভিন্নভাবে দেখতে হবে। দিনশেষে এটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট এবং এখানে খেলোয়াড়দের অ্যাভেইলেবিলিটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।"

এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ নাঈম শেখের উদাহরণ টেনে বিসিবি সভাপতি বলেন, "প্রথম পিকে তারা হয়তো এমন কাউকে চেয়েছে, যাকে পুরো মৌসুম পাওয়া যাবে। যেমন নাঈম শেখ এখন জাতীয় দলে খেলছে না, তাই তিন সংস্করণেই তাকে পাওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় বেশি।"

লটারির মাধ্যমে ‘ডমেস্টিক-৩’-এর ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির আইকন ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, মুশফিকুর রহিম, নুরুল হাসান সোহান, তাওহিদ হৃদয়, মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

দলভিত্তিক আইকন ক্রিকেটাররা হলেন, ওয়ালটনের মেহেদী হাসান মিরাজ, ফরচুনের তাওহিদ হৃদয়, এসিএমইর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সেভেন রিংস সিমেন্টের মুশফিকুর রহিম, এসিই ব্লুস্টার্সের নুরুল হাসান সোহান এবং সিটিজেন ব্যাংকের মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

তবে আইকন তালিকায় জায়গা না পেলেও জাতীয় দলের তারকাদের জন্য দল পাওয়ার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। আগামী ২৬ অক্টোবর খেলোয়াড় বাছাইয়ের সময় নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসান তামিমদের দলে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

তামিম জানিয়েছেন, ওই দিন নিলাম অথবা ড্রাফটের মাধ্যমে খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে। নিলাম হলে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে, যা ড্রাফটের ক্ষেত্রে পুরোপুরি সম্ভব নয়।

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ‘ডমেস্টিক-৩’। নতুন এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এনসিএল টি-টোয়েন্টি, বিসিএলের চার দিনের প্রতিযোগিতা ও বিসিএল ওয়ানডের জায়গায় আসবে একটি সমন্বিত ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। একই ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও চার দিনের ক্রিকেটে অংশ নেবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হবে ১৯টি ম্যাচ, ৫০ ওভারের প্রতিযোগিতায় ১৬টি এবং চার দিনের ক্রিকেটে সাতটি ম্যাচ। আগামী ডিসেম্বরে বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হওয়ার কথা টি-টোয়েন্টি পর্ব। জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে চার দিনের প্রতিযোগিতা, আর ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো মাঠে গড়াবে আগামী মে মাসে।

ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি বিসিবির সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে। প্রতিটি দল ২৩ সদস্যের স্কোয়াড গঠন করবে, যা তিন সংস্করণেই তাদের মূল দল হিসেবে থাকবে।

খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের পারিশ্রমিকের পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ব্যয়ের সীমাও নির্ধারণ করবে বিসিবি। বোর্ডের লক্ষ্য, তিন সংস্করণের ক্রিকেটকে একই কাঠামোর আওতায় এনে ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা বাড়ানো, খেলোয়াড়দের আর্থিক সুযোগ সম্প্রসারণ এবং প্রতিযোগিতাটির বাণিজ্যিক আকর্ষণ বৃদ্ধি করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোহলি তার শেষ বিশ্বকাপে স্বপ্ন ও লক্ষ্য প্রকাশ করলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


কোহলি তার শেষ বিশ্বকাপে স্বপ্ন ও লক্ষ্য প্রকাশ করলেন

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে ভারত রান তাড়া করছে। বিরাট কোহলির স্বপ্ন এমন যে, তিনি শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ব্যাট হাতে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়বেন।

কোহলি আগেই জানিয়েছেন যে, ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে ভারতের হয়ে তার শেষ বিশ্বকাপ। এবার তিনি এই শেষ অধ্যায়কে স্মরণীয় করে রাখতে তার স্বপ্নের কথা জানালেন।

জিওস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোহলি বিশ্বকাপে তার লক্ষ্য এবং ব্যাটিংয়ের নতুন ধরন নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি সেখানে ফাইনালে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলার স্বপ্নের কথাও তুলে ধরেন।

কোহলি বলেন, “আমরা যখনই কোনো ম্যাচ খেলি, সব সময় চাই ম্যাচ জেতানো মানুষটি যেন আমি হই। এই ইচ্ছা আমার ভেতর থেকে কখনো চলে যাবে না। আমি এমনই।”

বিশ্বকাপে নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিশ্বকাপে আমার লক্ষ্য থাকবে দলের হয়ে যত বেশি ম্যাচ সম্ভব জেতানো—৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ম্যাচে অবদান রাখতে পারলে সেটা অসাধারণ হবে।”

গতকাল রাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছেন কোহলি। ছবি: বিসিসিআই

তবে কোহলির সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হচ্ছে ফাইনাল নিয়ে, “আমার স্বপ্ন ফাইনালে ম্যাচ জেতানো, খেলা শেষ করে আসা একটি ইনিংস উপহার দেওয়া। যেমন—রান তাড়া করে জেতানো। এটাই আদর্শ পরিস্থিতি। সেটা হলে দারুণ হবে। আর যদি সেটা না-ও হয়, ভারত বিশ্বকাপ জিতলেই আমি খুশি।”

২০২৩ বিশ্বকাপে ৭৬৫ রান করে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছিলেন কোহলি। কিন্তু ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে ভারতকে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল।

এবার কোহলির সামনে রয়েছে আরেকটি বড় অধ্যায়। ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যাটার আরো বলেছেন, “এটা শেষবার যে আমি বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছি। তাই ট্রফি জেতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মাঝখানে থেকে একজন ব্যাটার হিসেবে সেটা করতে পারার চেয়ে তৃপ্তির আর কিছু নেই।”

ওয়ানডেতে এখন আরো আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছেন কোহলি। সম্প্রচারকদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে নিজের ব্যাটিংয়ে নতুন মাত্রা খুঁজে পাওয়াই তাকে রোমাঞ্চিত করছে।

কোহলি বলেন, “ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে আমার চ্যালেঞ্জ হলো এক-দুই ধাপ ওপরে উঠে খেলা। ক্যারিয়ারের এই সময়ে নতুন একটা মাত্রা খুঁজে বের করার সুযোগই আমাকে রোমাঞ্চিত করে। এতে আমি আরো মুক্ত মনে খেলতে পারছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫২ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, মুচলেকায় ছাড়া পেল ২১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫২ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, মুচলেকায় ছাড়া পেল ২১৪

লক্ষ্মীপুরের ছয়টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ২৬৬ জনকে আটক করেছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃত ২৬৬ জনের মধ্যে ২১৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ৫২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই অভিযানে সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার পুলিশ, গোয়েন্দা ও জেলা পুলিশের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। কিশোর অপরাধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে উত্ত্যক্ত করা, মাদক ও মারামারির মতো বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, কিশোর গ্যাং ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন থাকার জন্য আহ্বান জানান। আটককৃত ৫২ জনকে বিভিন্ন মামলার আসামি হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%