বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:২৩ পি.এম
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল ১৪ আগস্ট পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। আগামী ১৫ আগস্ট শনিবার থেকে শুরু হবে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের গণনা।
সেই অনুযায়ী, আগামী ২৬ আগস্ট, বুধবার সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। আজ বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি জানায়, ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক ড. মু. মাহবুবুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম এবং স্পারসোর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. সাহেদুল ইসলাম, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ছাদেক আহমদ, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার প্রভাষক মো. জমির উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করার বিষয়ে আলোচনা এখন চলছে।
যদি তিনি রাষ্ট্রপতি হন, তবে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়ে যাবে এবং সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী কে হবেন, সেই বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে মির্জা ফখরুলের বড় মেয়ে ড. শামারুহ মির্জা এবং ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনের নাম।
ড. শামারুহ মির্জা পেশায় চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং গবেষক। তিনি দীর্ঘ সময় অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করলেও বাবার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সংযুক্তি রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের সময়ও তিনি বাবার পক্ষে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
অন্যদিকে, মির্জা ফয়সল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা। তিনি এর আগে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতা থাকার কারণে তার নামও জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক ভিত্তি, জনপ্রিয়তা এবং ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা প্রাধান্য পেতে পারে।
এদিকে, মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়ে বিএনপির সিদ্ধান্তের সঙ্গে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সম্ভবনামূলক প্রার্থী নিয়েও দলের ভেতরে আলোচনা চলমান রয়েছে। আজ রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা মঞ্চস্থ হতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসা না পর্যন্ত আলোচনায় থাকা কোনো নামকেই চূড়ান্ত বলা হবে না।
সবকিছু মিলিয়ে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন শুধু নতুন সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিষয় নয়, বরং এটি ঠাকুরগাঁও বিএনপির পরবর্তী নেতৃত্বের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করে দিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২৬ : অন্যান্য অনেক প্রতিযোগিতার মতো এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে শুরুতেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত এবং পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। ড্র অনুযায়ী দুই দল শুধুমাত্র পদকের লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে।
পুরুষদের প্রতিযোগিতায় শীর্ষ দুই বাছাই ভারত এবং পাকিস্তান একেবারেই মুখোমুখি হতে নাও পারে। শেষ পর্যন্ত যদি তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়, সেটা কেবল স্বর্ণপদকের ম্যাচ অথবা ব্রোঞ্জপদকের প্লে-অফেই তাদের দেখা হতে পারে।
নারীদের প্রতিযোগিতাতেও একই ড্র পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, সেখানেও ভারত-পাকিস্তান লড়াই শুধুমাত্র ফাইনাল অথবা ব্রোঞ্জপদকের ম্যাচে হতে পারে।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানের আইচিও নাগোয়া শহরে এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হবে। তবে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর। প্রথমে নারীদের ক্রিকেট শুরু হবে। ২২ সেপ্টেম্বর নারীদের ফাইনালের পর পুরুষদের প্রতিযোগিতা শুরু হবে।
পুরুষদের ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করবে ১০টি দল। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা পেয়েছে। বাকি ছয় দল - আফগানিস্তান, নেপাল, হংকং, চীন, জাপান, মালয়েশিয়া এবং ওমান নকআউট পর্বে জায়গা পাওয়ার জন্য লড়বে।
ভারতকে কোয়ার্টার ফাইনাল-২-এ রাখা হয়েছে, আর পাকিস্তান রয়েছে কোয়ার্টার ফাইনাল-১-এ। উভয় ম্যাচই ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে।
সেমিফাইনালের ড্র অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনাল-২-এর বিজয়ী খেলবে কোয়ার্টার ফাইনাল-৩-এর বিজয়ীর বিপক্ষে। অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনাল-১-এর বিজয়ী মুখোমুখি হবে কোয়ার্টার ফাইনাল-৪-এর বিজয়ীর। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১ অক্টোবর।
অতএব, ভারত এবং পাকিস্তান একে অপরের মুখোমুখি হতে পারে কেবল স্বর্ণপদকের ম্যাচ অথবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। এই দুই ম্যাচই ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
নারীদের প্রতিযোগিতায়ও একই চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। নারীদের প্রতিযোগিতায় শীর্ষ বাছাই ভারত। পাকিস্তান চতুর্থ বাছাই, তাদের ওপরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ।
কোয়ার্টার ফাইনালে ভারত খেলবে জাপানের বিপক্ষে। যদি তারা জেতে, তাহলে সেমিফাইনালে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হবে বাংলাদেশ অথবা হংকং, চীন।
অন্যদিকে, পাকিস্তান কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার জন্য থাইল্যান্ডের বিপক্ষে লড়তে যাচ্ছে। যদি তারা জেতে, তাহলে সেমিফাইনালে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে শ্রীলঙ্কা অথবা মালয়েশিয়া।
অর্থাৎ নারীদের প্রতিযোগিতাতেও দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত এবং পাকিস্তানের সম্ভাব্য লড়াই হতে পারে কেবল ফাইনাল অথবা ব্রোঞ্জপদকের প্লে-অফে। এই দুই ম্যাচই ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
ক্রিকেট ইভেন্টের সবগুলো ম্যাচ নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার সব ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে।
ভারত ইতোমধ্যেই পুরুষ এবং নারী দুই দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। পুরুষ দলকে নেতৃত্ব দেবেন শ্রেয়াস আইয়ার, আর নারী দলের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবী কবে উদযাপিত হবে। চাঁদ দেখা না যাইলে, পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের গণনা শুরু হবে ১৫ আগস্ট থেকে। ফলে, ২৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।
গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।
সভায় আলোচনা করা হয় দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে শুক্রবার (১৪ আগস্ট)। তারপর থেকে ১৫ আগস্ট রবিউল আউয়াল মাসের গণনা শুরু হবে। রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ অনুযায়ী ২৬ আগস্ট দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক ড. মু. মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, স্পারসোর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলামসহ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে আরাফাত রহমান কোকোর ছিল গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আমিনুল হক কোকোর নামে বগুড়ায় ২০ একর জমিতে জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশের ক্রিকেট আজ যে অবস্থানে এসেছে, এর পেছনে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান রয়েছে। তিনি ছিলেন খেলোয়াড় এবং ক্রীড়া সংগঠক। নিজে ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাব প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন ক্রিকেটের বিকাশে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোকোর ক্রিকেট উন্নয়নের নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে ‘হোম অব ক্রিকেট’ হিসেবে গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে ক্রিকেটের অবকাঠামো এবং খেলোয়াড় তৈরিতে কোকোর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল। তার উদ্যোগে একাডেমিভিত্তিক ক্রিকেট উন্নয়নের পাশাপাশি তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া থেকে কোচ এনে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে একাডেমিভিত্তিকভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। তার লক্ষ্য ছিল দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রিকেটকে সমন্বিত করে একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করা।’
কোকোর মৃত্যুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'অসুস্থ অবস্থায় বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার সময় পরিবার থেকে দূরে থেকেই পৃথিবী ত্যাগ করতে হয়েছে তাকে।'
আমিনুল হক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে সহমর্মিতার রাজনীতির গুরুত্ব আরোপ করেন এবং বলেন, ‘আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখতে চাই না। সহমর্মিতার রাজনীতির মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।’
এ সময় তিনি আরাফাত রহমান কোকোর নামে বগুড়ায় ২০ একর জমির ওপর একটি জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা দেন এবং বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ