প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করার বিষয়ে আলোচনা এখন চলছে।
যদি তিনি রাষ্ট্রপতি হন, তবে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়ে যাবে এবং সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী কে হবেন, সেই বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে মির্জা ফখরুলের বড় মেয়ে ড. শামারুহ মির্জা এবং ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনের নাম।
ড. শামারুহ মির্জা পেশায় চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং গবেষক। তিনি দীর্ঘ সময় অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করলেও বাবার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সংযুক্তি রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের সময়ও তিনি বাবার পক্ষে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
অন্যদিকে, মির্জা ফয়সল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা। তিনি এর আগে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতা থাকার কারণে তার নামও জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক ভিত্তি, জনপ্রিয়তা এবং ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা প্রাধান্য পেতে পারে।
এদিকে, মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়ে বিএনপির সিদ্ধান্তের সঙ্গে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সম্ভবনামূলক প্রার্থী নিয়েও দলের ভেতরে আলোচনা চলমান রয়েছে। আজ রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা মঞ্চস্থ হতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসা না পর্যন্ত আলোচনায় থাকা কোনো নামকেই চূড়ান্ত বলা হবে না।
সবকিছু মিলিয়ে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন শুধু নতুন সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিষয় নয়, বরং এটি ঠাকুরগাঁও বিএনপির পরবর্তী নেতৃত্বের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করে দিতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন