রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৬ পি.এম
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছেছে ভারত। ১৯৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে নিগার সুলতানার দল মাত্র ৮১ রানে গুটিয়ে যায়। ম্যাচটি বাংলাদেশ ১১৪ রানের ব্যবধানে হারায়।
টস জিতে আগে ব্যাটিং শুরু করে ভারত। শেফালি ভার্মার সেঞ্চুরির সাহায্যে চার উইকেট হারিয়ে তারা ১৯৫ রান তোলে। ৪৯ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ইনিংসের শুরুতেই মেয়েদের টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করেন স্মৃতি মান্ধানা। ৮ রান করেই নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসকে পেছনে ফেলেন তিনি।
বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ শুরুতেই ধসে পড়ে। দ্বিতীয় ওভারে জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ফিরে যান। এরপর একে একে বিদায় নেন সোবহানা মোস্তারি, নিগার সুলতানা এবং স্বর্ণা। বাংলাদেশ মাত্র আট ওভারে চার উইকেট হারায়।
দলীয় ৪৯ রানে বিদায় নেন দিলারা আক্তার, যিনি বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন। এরপর নাহিদা এবং রাবেয়াকে টানা দুই বলে ফেরান পেসার নন্দিনী শর্মা। তার হ্যাটট্রিকের সুযোগও তৈরি হয়েছিল, তবে শেষ মুহূর্তে তা আটকে দেন সুলতানা।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৫.৪ ওভারে অলআউট হয়। ভারতের নন্দিনী শর্মা এবং দিপ্তি শর্মা তিনটি করে উইকেট নেন।
এই জয়ের মাধ্যমে ভারত ফাইনালে পৌঁছেছে। সোনার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের শার্শা উপজেলার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেনকে হাতিরঝিল এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে হাতিরঝিলের ওই স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক সোহরাব হোসেনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৯টার সময় রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সোহরাব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে হাতিরঝিল থানার পুলিশ শার্শা থানার পুলিশকে এই ঘটনার বিষয়ে অবহিত করে। গ্রেপ্তার হওয়া সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঢাকা শাটডাউন কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে উত্তেজনার মধ্যে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একজন কর্মীকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের কারণে তাকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অভি ইসলাম নামের ওই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা আটক করেন। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের কক্ষে নেওয়া হয়।
সেখানে ডিনের নেতৃত্বে একটি শুনানি বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক শাহ আলম চৌধুরী, রিসার্চ সেল পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ ও সহকারী প্রক্টর শামীম হামিদী উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন। তারা আরো জানান, জুলাই আন্দোলনের পক্ষের বিভিন্ন সাংগঠনিক ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যও করতেন।
শুনানিতে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও অভির বক্তব্য শোনার পর তার অভিভাবকদের উপস্থিত হতে বলা হয়। কিন্তু দিনাজপুরের বাসিন্দা হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত হতে পারেননি। পরে আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাদের শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে মুচলেকা নিয়ে অভিকে তার খালার জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মুচলেকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভবিষ্যতে অভি বা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কোনো হামলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্ধারিত শুনানিতে অভি বা তার অভিভাবকেরা উপস্থিত না হলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ও কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এসব পোস্টে হুমকি, উসকানিমূলক বক্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে তারা আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের অবহিত করার চেষ্টা করেছেন। তবে এবার তারা প্রক্টরের কাছে না গিয়ে সরাসরি ডিনের কাছে বিষয়টি জানান। অতীতের কয়েকটি ঘটনায় প্রক্টরের কাছে অভিযোগ জানিয়েও প্রত্যাশিত ব্যবস্থা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় ১৩ বছরের শিশু অপ্রতিমের হত্যার ঘটনা দেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এই লোমহর্ষক ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামী আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীও গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তার ফেসবুক পোস্টে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নৃশংসতা প্রতিরোধে রাষ্ট্র ও সমাজের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। জনপ্রিয় এই ইসলামী আলোচক তার পোস্টে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "এমন এক নির্মমতার মুখে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে শিশুদের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।"
তিনি আরও প্রশ্ন করেন, "এমন বিষাক্ত সমাজে সন্তানদের নিরাপত্তা কে দেবে? মানবিকতা আর বিবেকবোধ কি দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে?"
মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী লিখেন, প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব কোনো অনুগ্রহ নয়; এটি একটি সভ্য রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সমাজ ও রাষ্ট্রের অঙ্গীকার হওয়া উচিত প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূলের সাগরে একটি অজ্ঞাত বস্তু ছুড়ে ফেলেছে। পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক শক্তির মর্যাদা পুনর্ব্যক্ত করার কয়েক দিন পর এই ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘উত্তর কোরিয়া পূর্ব সাগরে একটি অজ্ঞাত বস্তু ছুড়েছে।’
পূর্ব সাগর, যা জাপান সাগর নামেও পরিচিত, সেখানে আট দিন আগে উত্তর কোরিয়া একাধিক স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। পরে পিয়ংইয়ং জানায়, এটি ছিল যৌথ গোলাবর্ষণ মহড়ার অংশ।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। ওই প্রস্তাবে দেশটিকে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছিল।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় রোববারের উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তারা জানিয়েছে, এটি ‘সম্ভাব্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, বস্তুটি ইতিমধ্যে সাগরে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তথ্যসূত্র: আরব নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ