মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি,
১২:৫৪ পি.এম
শেরপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি মূলক সভাম শেরপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ২৪ অক্টোবর সন্ধায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা যুবদলের সভাপতি আতাহারুল ইসলাম আতার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন সিনিয়র সহসভাপতি মবিনুজ্জামান মিল্টন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মানিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাশেম আহমেদ সিদ্দিকী বাবুসহ আরো অনেকে।
সভায় আগামী ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির নেতারা সকল উপজেলায় মতবিনিময় সভা, হ্যান্ডবিল বিতরণসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।
এবং যুবদলের সকল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের নিকটবর্তী একটি বক্সিং ইভেন্টের বাইরে গাড়ি থেকে গুলি চালানোর ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীসহ চারজন আহত হয়েছেন। তরুণীটির মাথা ও ঘাড়ে গুলি লেগেছে। অস্ত্রোপচারের পর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িতদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) অস্ট্রেলিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এএপি) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার রাত ৮টা ১৮ মিনিটের দিকে ব্রিসবেনের দক্ষিণে লোগানহোম এলাকায় ফিটজিস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে বক্সিং প্রতিযোগিতা দেখতে আসা লোকজন যাত্রী ওঠানামার নির্ধারিত স্থানে জড়ো হয়েছিলেন। এ সময় একটি মিতসুবিশি গাড়ি সেখানে এসে থামে।
কুইন্সল্যান্ড পুলিশের গোয়েন্দা পরিদর্শক ইয়ান গ্যালপিন জানিয়েছেন, গাড়িটির সামনের জানালা দিয়ে দুই ব্যক্তি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। তাদের মুখে বালাক্লাভা ও হাতে গ্লাভস ছিল বলে পুলিশের ধারণা। গুলির ফলে চারজন আহত হন।
আহত ১৯ বছর বয়সী তরুণী জিমবুম্বার বাসিন্দা। এছাড়া ব্রাউনস প্লেইন্সের ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পেটে ও হাতে, স্যালিসবারির ৩৭ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি পেটে এবং কর্নুবিয়ার ২৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পেটে গুলিবিদ্ধ হন। বাকি তিনজনের অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের দাবি, গুলির ঘটনার পর মিতসুবিশি গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওয়াটারফোর্ড ওয়েস্টের ম্যালোনি রোডে গাড়িটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ওই এলাকাটিকে অপরাধস্থল ঘোষণা করেছে। পরে অন্য একটি গাড়িতে করে মিতসুবিশির আরোহীরা সেখান থেকে চলে যান।
গ্যালপিন বলেন, গাড়িটির আরোহীদের মধ্যে কেউ এ ঘটনায় আহত বা আগুনে পুড়ে গিয়ে থাকতে পারেন। তবে ঘটনার সঙ্গে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা বলার সময় এখনও আসেনি।
তিনি আরও বলেন, এটি একটি জনসমাগমস্থলে ভয়াবহ ঘটনা। সেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুরাও একটি ক্রীড়া অনুষ্ঠান উপভোগ করতে এসেছিল। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
লোগানের মেয়র জন রেভেন এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন। রোববার সকালে টুডে শোকে তিনি বলেন, এমন ঘটনা লোগানে আগে দেখা যায়নি। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, বক্সিং প্রতিযোগিতাটি ছিল পরিবারবান্ধব একটি আয়োজন। সেখানে অনেক শিশুও উপস্থিত ছিল। এ ঘটনার প্রভাব তাদের জীবনে দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে।
কুইন্সল্যান্ড পুলিশের উপপ্রধান ক্রিস স্ট্রিম ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন। আয়োজকরা তরুণদের সহিংসতা থেকে দূরে রাখতে বক্সিংকে ইতিবাচক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছিলেন বলে মেয়র রেভেন জানান।
‘লোগান সিটি টাইটেলস’ নামে আয়োজক সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলেছে, এ ঘটনায় তারা মর্মাহত। স্থানীয় প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম ও ক্রীড়ানৈপুণ্য তুলে ধরার জন্য পারিবারিক পরিবেশে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল। বক্সিং কিংবা বৃহত্তর সমাজে এ ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান নেই।
ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা এখনও পলাতক। তবে এ মুহূর্তে সাধারণ মানুষের জন্য আর কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি রয়েছে বলে মনে করছে না পুলিশ। ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য জানা থাকলে তা পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ভবন নির্মাণ ও ভূমি ব্যবহারের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর আওতাধীন আটটি জোনে প্লানিং পারমিট ও কনস্ট্রাকশন পারমিটের আবেদন এবং অনুমোদন কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে অনলাইনে হওয়ায় সেবাগ্রহীতাদের দাপ্তরিক দৌড়ঝাঁপ অনেকাংশে কমে গেছে।
এছাড়া, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি এবং আবেদনে কোনো ঘাটতি থাকলে মোবাইল ফোন বা ই-মেইলের মাধ্যমে তা জানানো হচ্ছে, যা সেবায় গতি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করছে।
রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের আটটি জোনে প্লানিং পারমিটের জন্য অনলাইনে মোট ৭ হাজার ৫৫টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৩৯৩টি আবেদন অনুমোদন পেয়েছে। একই সময়ে কনস্ট্রাকশন পারমিটের জন্য ৩ হাজার ৯৩০টি আবেদন জমা পড়ে এবং এর মধ্যে ২ হাজার ৬০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সাত মাসে দুই ধরনের পারমিটের জন্য মোট ১০ হাজার ৯৮৫টি আবেদন জমা পড়েছে এবং ৭ হাজার ৯৯৩টি আবেদন অনুমোদন লাভ করেছে।
রাজউক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্লানিং পারমিট নিষ্পত্তির জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে, কনস্ট্রাকশন পারমিটের আবেদন ২৪ দিনের মধ্যে বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটিতে উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আবেদনকারীর দাখিল করা কাগজপত্র ও নকশা সঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কোনো কাগজপত্রে ঘাটতি বা আবেদনে ত্রুটি থাকলে তা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনকারীকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু বলেন, অতীতে প্লানিং পারমিট ও কনস্ট্রাকশন পারমিট নিতে সেবাগ্রহীতাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হতো। এজন্য বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে যেতে হতো এবং এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ঘুরতে হতো। সেবাগ্রহীতাদের এই ভোগান্তি থেকে রক্ষা করতেই প্লানিং পারমিট ও কনস্ট্রাকশন পারমিট অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আগে এসব সেবা পেতে দীর্ঘ সময় লাগত এবং মানুষকে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হতো। সেবাগ্রহীতাদের সুবিধার জন্য সময়সীমা কমিয়ে তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
রাজউক চেয়ারম্যান জানান, নকশা অনুমোদন আগে থেকেই অনলাইনে দেওয়া হতো। তবে আগের সময়ে এর জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ছিল না। বর্তমানে কনস্ট্রাকশন পারমিট ও প্লানিং পারমিট অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৪ দিনের মধ্যে বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটিতে আবেদন উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং বিষয়টি রাজউক মনিটর করছে।
তিনি আরও জানান, সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকেও অনলাইন সেবা নিয়ে ইতিবাচক ফিডব্যাক পাওয়া যাচ্ছে। তারা সেবা পাওয়ার বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন। এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
রাজউক চেয়ারম্যান জানান, রাজউকের সব ধরনের সেবা ডিজিটাইজেশনের আওতায় আনার জন্য কাজ চলছে। দরপত্র, এস্টেট কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রমও পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন) প্রকৌশলী নূর-ই-খোদা জানান, মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্লানিং পারমিটের জন্য জোন-১ এ ১ হাজার ৫৯টি, জোন-২ এ ৭৯৭টি, জোন-৩ এ ১ হাজার ৩০টি, জোন-৪ এ ১ হাজার ৬৬৩টি, জোন-৫ এ ৫০৩টি, জোন-৬ এ ১ হাজার ১৭০টি, জোন-৭ এ ৪৮৩টি এবং জোন-৮ এ ৩৫০টি আবেদন জমা পড়েছে।
এসব আবেদনের মধ্যে জোন-১ এ ৮৭৮টি, জোন-২ এ ৫৮৯টি, জোন-৩ এ ৭৪১টি, জোন-৪ এ ১ হাজার ৬০৯টি, জোন-৫ এ ৩০৫টি, জোন-৬ এ ৭৬৭টি, জোন-৭ এ ২২৮টি এবং জোন-৮ এ ২৭৬টি আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাকি আবেদনগুলো কাগজপত্রের ঘাটতি ও অন্যান্য প্রক্রিয়াগত কারণে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
একই সময়ে কনস্ট্রাকশন পারমিটের জন্য জোন-১ এ ৭০৭টি, জোন-২ এ ৪১৩টি, জোন-৩ এ ৫২৬টি, জোন-৪ এ ১ হাজার ১৮৯টি, জোন-৫ এ ২২৯টি, জোন-৬ এ ৪৬১টি, জোন-৭ এ ১৮৮টি এবং জোন-৮ এ ২১৭টি আবেদন জমা পড়ে।
এর মধ্যে জোন-১ এ ৪০১টি, জোন-২ এ ২২৫টি, জোন-৩ এ ৩৬৫টি, জোন-৪ এ ৭৫৩টি, জোন-৫ এ ৯৭টি, জোন-৬ এ ৪০৫টি, জোন-৭ এ ১৪৮টি এবং জোন-৮ এ ২০৬টি আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১) মো. মনিরুল হক জানান, যেসব আবেদনে ত্রুটি বা কাগজপত্রের ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনকারীর কাছে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আবেদনকারী ঘাটতি পূরণ করে পুনরায় দাখিল করলে তা অনলাইনেই অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না হলে আবেদন বাতিল করা হচ্ছে।
তবে রাজউকের পারমিট ব্যবস্থা অনলাইনে করা হলেও পুরো অনুমোদন প্রক্রিয়া এখনো ডিজিটাল হয়নি। নকশা অনুমোদনের পর ভবন নির্মাণকালীন তদারকির কাজ এখনও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নকশা অনুমোদনের আগে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা থেকে অনাপত্তিপত্র বা এনওসি সংগ্রহ করতে হয়।
ফায়ার সার্ভিস, সিভিল এভিয়েশন এবং কেপিআইডিসিসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় অনাপত্তি নিতে হয়। এসব সংস্থার অনেক ক্ষেত্রেই অনাপত্তিপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনও ম্যানুয়াল। ফলে রাজউকের নিজস্ব অনুমোদন ব্যবস্থা অনলাইন হলেও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার কারণে পুরো অনুমোদন ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত গতি সবসময় পাওয়া যাচ্ছে না।
রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্লানিং পারমিট ও নকশা অনুমোদনের ডিজিটাইজেশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে। বিশ্বব্যাংকের আইএফসি অর্থায়নে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। প্রথমে শুধু জোন-৫, অর্থাৎ ধানমন্ডি এলাকায় ভূমি ব্যবহার সংক্রান্ত কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে শুরু করা হয়। পরবর্তীতে রাজউকের আওতাধীন আটটি জোনে এ কার্যক্রম বিস্তৃত হয়।
তিনি বলেন, ঢাকা আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের আওতায় ইলেকট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিটিং সিস্টেম চালু হয়, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, প্লানিং পারমিট বা নকশা অনুমোদনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে ওয়ান উইন্ডো সেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একই ছাতার নিচে এনে সেবা দিতে পারলে অনুমোদনের সময় আরও কমবে এবং জনভোগান্তিও কমবে।
রাজউকের কর্মকর্তাদের মতে, তাদের আট জোনে পারমিট আবেদন ও অনুমোদন অনলাইনে হওয়ায় সেবাপ্রক্রিয়া আরও সহজ হয়েছে। তবে পুরো ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে ‘ওয়ান-স্টপ’ সেবায় রূপ দিতে হলে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার অনাপত্তি প্রদান, নির্মাণকালীন পরিদর্শন এবং অন্যান্য সহায়ক কার্যক্রমও ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হলে ভবন নির্মাণের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সময় ও জনভোগান্তি আরও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সাথে সমন্বয় করে ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।
বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকা সত্ত্বেও, গত কয়েক দিন ধরে ডলারের মূল্য ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং টাকার মান কমছে। কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে ডলারের দাম ছিল ১২২ টাকা ৭০ পয়সা, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২৫ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা
ইউরো : ১৩৮ টাকা ৫১ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৫ টাকা ৩৪ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ২৮ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৯৬ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৫৪ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ৬৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ৩০ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ২৫ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৯৪ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৯৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৯ টাকা ৩৭ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৬৫ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। এ ছাড়া একজনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৪০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলার বিভিন্ন থানায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল আটটা থেকে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৬ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, সুধারাম মডেল থানায় সাতজন, কোম্পানীগঞ্জ থানায় আটজন, কবিরহাট থানায় চারজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটজন, সোনাইমুড়ী থানায় একজন, চাটখিল থানায় চারজন এবং চরজব্বর থানায় পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাতিয়া থানায় আটক নয়জনের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল, একজনকে পরোয়ানামূলে আদালতে পাঠানো এবং তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে জনসচেতনতামূলক এবং সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম চালানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ