ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ আর্কসামিট ২০২৬-এ রুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের দুটি পুরস্কার


বাংলাদেশ আর্কসামিট ২০২৬-এ রুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের দুটি পুরস্কার

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের ২০২১ সিরিজের শিক্ষার্থীরা ‘বাংলাদেশ আর্কসামিট ২০২৬’-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন। ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাটি ৮ থেকে ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। রুয়েটের শিক্ষার্থীদের দুটি টিম দুটি পৃথক ইভেন্টে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে।

'আরবান হ্যাকাথন' ইভেন্টে নগরায়নের জটিল চ্যালেঞ্জের উদ্ভাবনী ও টেকসই সমাধান উপস্থাপন করে রুয়েটের তিন সদস্যের একটি দল সারা দেশের বিভিন্ন স্থাপত্য স্কুলের প্রতিযোগীদের হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন, দেওয়ান শাহরিয়ার পারভেজ সৌমিত, ইশরাক ওয়াসি খান এবং রাহিদ বিন জাফর সামি।

অন্যদিকে, স্থাপত্য, নকশা এবং নির্মিত পরিবেশ (নঁরষঃ বহারৎড়হসবহঃ) বিষয়ে গভীর জ্ঞান ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে রুয়েটের আরেকটি দল 'কুইজ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে। এই দলের সদস্যরা হলেন, তাসমিয়া লাবণ্য, জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী মিম এবং রামিশা মহসিন। একই বর্ষের সোহান ফেরদৌস 'ইম্প্রমটু পলিটিকো' নামক সেগমেন্টে প্রশংসনীয় উপস্থিত বক্তব্য প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা বোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ

স্থাপত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ছাত্র-কল্যাণ দপ্তরের উপ-পরিচালক জেড, এইচ, এম, মঞ্জুর মোর্শেদ বাংলাদেশ আর্কসামিট ২০২৬ এর রুয়েটের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যবিপ্রবির রসায়ন বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ পি.এম


যবিপ্রবির রসায়ন বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রসায়ন বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনের মাধ্যমে নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১২ অক্টোবর সোমবার বিকাল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান উল্লেখ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে নতুন পরিবেশ ও কালচারের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া এবং বিচার-বিবেচনা ও মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হওয়া উচিত, কিন্তু ভয়ের পরিবেশ বা র‌্যাগিং কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হলো সারা বিশ্বের জ্ঞান ও আলোর বাসস্থান। এখান থেকে ইতিবাচক গুণাবলী গ্রহণ করে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জনই মূল লক্ষ্য নয়; প্রকৃত শিক্ষা হলো মানুষের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন। জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক স্নেহ, শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যরে বন্ধন সুদৃঢ় রাখতে হবে।”

অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে. এম. আনিস-উল-হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাফিজ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. কোরবান আলী, ড. সুমন চন্দ্র মোহন্তসহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় বিভাগটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাই-বোনের বিরোধে দিনভর জানাজার অপেক্ষায় বাবার মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


ভাই-বোনের বিরোধে দিনভর জানাজার অপেক্ষায় বাবার মরদেহ

জীবদ্দশায় জমি ছেলে ইদ্রিস আলীর নামে লিখে দেন বাবা। জমির ভাগ বুঝে না পাওয়ার কারণে বাবার জানাজায় বাধা দেন মেয়ে। তার বক্তব্য, "জমির ভাগ বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত বাবার জানাজা হতে দেবেন না।" এতে হতবাক হয়ে পড়েন জানাজায় উপস্থিত আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা। নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেও তারা ব্যর্থ হন।

স্থানীয়দের মতে, সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জানাজার সময় নির্ধারিত থাকলেও আসরের নামাজ পর্যন্ত জানাজা অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া হয়নি।

ঘটনাটি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ঘটেছে। মৃত ব্যক্তির নাম নাজির উদ্দিন, যিনি উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বোয়ালীদহ গ্রামের বাসিন্দা। নাজির উদ্দিন পেশায় কৃষক ছিলেন এবং বার্ধক্যজনিত কারণে রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে মারা যান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নাজির উদ্দিন জীবদ্দশায় তার সম্পত্তি ছেলে ইদ্রিস আলীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। এতে নিজের প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেন মেয়ে হালিমা। তার বক্তব্য, "জমির ভাগ বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত বাবার জানাজা হতে দেবেন না।"

ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য রওশন আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "হালিমা বেওয়ার একই গ্রামে বিয়ে হয়েছিল। বাপের বাড়িতে তার যাতায়াত ছিল বলে শুনেছি। তবে ঠিক কি কারণে নাজির উদ্দিন ছেলেকে সম্পত্তি লিখে দেন তা আমার জানা নেই।"

হালিমা বেওয়া বলেন, "আমার এক বিঘা জমি না পেলে জানাজা হতে দেব না।" তার অভিযোগ, ভাই ইদ্রিস চাতুরি করে সম্পত্তি লিখে নিয়েছেন।

তবে ছেলে ইদ্রিস আলীর দাবি, বাবা স্বেচ্ছায় তাকে জমি লিখে দিয়েছেন। এ নিয়ে বিরোধ মেটাতে হালিমাকে বোঝানো যাচ্ছে না। তিনি জানান, "স্বজন ও স্থানীয়রা চেষ্টা করেও ব্যর্থ। এদিকে বাবার মরদেহ দাফনের অপেক্ষায় পড়ে আছে।"

ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) এস্তেখার হাসান বলেন, "এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। কাজেই বিষয়টি পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়েই মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে শুনেছি। তবে অভিযোগ পেলে পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় মো. আলেক খান হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই মামলা জুলাই আন্দোলনের সময় দায়ের করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহনেওয়াজের আবেদনের ভিত্তিতে সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ-পূর্ব পাশের মোড় এলাকায় শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা চালানো হয়। আসামিদের নির্দেশ ও পরিকল্পনায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাদী মো. আলেক খানসহ অন্যান্যদের গুরুতর জখম করা হয়। হামলার সময় তাদের হত্যার চেষ্টা করা হয় গুলি করে।

পরে আলেক খানকে অন্যদের সহযোগিতায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সুস্থ হওয়ার পর তিনি এ ঘটনার জন্য আদালতে মামলা করেন।

২০২৪ সালের ২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে র‍্যাবের হাতে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪৫৭ পদ শূন্য, চিকিৎসক সংকটে রোগীদের ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


যশোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪৫৭ পদ শূন্য, চিকিৎসক সংকটে রোগীদের ভোগান্তি

গ্রামের অসহায়, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসার শেষ ভরসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যশোরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পেলেও, সেই অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনবল বাড়েনি। ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৯০ থেকে ১০০ রোগী ভর্তি থাকছেন। চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ বিপুলসংখ্যক শূন্য রয়েছে। কোথাও অ্যানাস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞের অভাবে অস্ত্রোপচার বন্ধ, আবার কোথাও প্যাথলজিস্ট নেই। আল্ট্রাসোনোগ্রাম ও এক্স-রে মেশিন থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সেবা মিলছে না। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে জেলা শহরের হাসপাতাল কিংবা বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, অনেককে ধার-দেনা করেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

যশোরের চৌগাছা, ঝিকরগাছা, বাঘারপাড়া, অভয়নগর, শার্শা, মণিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে। শয্যার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি থাকলেও চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান সহ প্রয়োজনীয় জনবলের সংকটে হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে।

যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১,৩৯৮টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৯৪১ জন। ফলে ৪৫৭টি পদ শূন্য রয়েছে, অর্থাৎ মোট অনুমোদিত পদের প্রায় ৩২.৭ শতাংশ পদই খালি। এর মধ্যে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪৩টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত ২৫ জন। মণিরামপুরে ৪৭টির মধ্যে ২৬ জন এবং বাঘারপাড়ায় ৪০টির মধ্যে ২০ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। কেশবপুরে ৪৩টির মধ্যে ২৫ জন, ঝিকরগাছায় ৪৬টির মধ্যে ২৯ জন এবং শার্শায় ৩০টির মধ্যে ১৮ জন চিকিৎসক রয়েছেন। অভয়নগরে ৩৮টি পদের মধ্যে কর্মরত ২৪ জন। সাত উপজেলায় মোট অনুমোদিত চিকিৎসক পদ ২৮৭। এর মধ্যে ১২০টি পদে চিকিৎসক নেই।

চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আহসানুল মিজান রুমী বলেন, "চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি থাকেন ৯০ থেকে ১০০ রোগী। চিকিৎসকের ৪৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২৪ জন। এখানে শুধুমাত্র সিজারিয়ান অপারেশন হয়। তবে অ্যানাস্থেশিয়া পদটি দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। আল্ট্রাসোনোগ্রাম মেশিন থাকলেও তা পরিচালনার জন্য কোনো চিকিৎসক নেই। হাসপাতালের মোট ২২১টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১২৭ জন; শূন্য রয়েছে ৯৪টি পদ।"

ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুর রশিদ বলেন, "জনবল সংকটের মধ্যেই সেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। চিকিৎসকের ৪৬টি পদের মধ্যে কর্মরত ২৯ জন। এখানে শুধুমাত্র সিজারিয়ান অপারেশন হয়, তাও সপ্তাহে শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার। অ্যানাস্থেশিয়া চিকিৎসক থাকলেও তিনি সপ্তাহে তিন দিন ঝিকরগাছায় দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এক্স-রে ও আল্ট্রাসোনোগ্রাম মেশিন থাকলেও আল্ট্রাসোনোগ্রামের জন্য সরকারি চিকিৎসক নেই। হাসপাতালের ২২৮টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৮২ জন; শূন্য ৪৬টি।"

বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অরুপ জ্যোতি ঘোষ জানান, "সীমিত জনবল দিয়ে বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে। চিকিৎসকের ৪০টি পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ২০ জন। অ্যানাস্থেশিয়া চিকিৎসক থাকলেও তিনি বাঘারপাড়ায় সপ্তাহে মাত্র দুই দিন দায়িত্ব পালন করেন; বাকি চার দিন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন সদর হাসপাতালে। মোট ১৫০টি পদের মধ্যে কর্মরত ১০৪ জন, শূন্য ৪৬টি।"

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, "রোগীর চাপ অনুযায়ী জনবল আরও প্রয়োজন। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যার বিপরীতে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসকের ৩৮টি পদের বিপরীতে কর্মরত ২৪ জন। মোট ১৩৮টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছে ১১০।"

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌফিক পারভেজ বলেন, "শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ৩০টি পদের মধ্যে কর্মরত ১৮ জন। অ্যানাস্থেশিয়া চিকিৎসক থাকলেও তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন সদর হাসপাতালে। হাসপাতালের ১৯৪টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১০২ জন; শূন্য ৯২টি পদ।"

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাইয়াজ আহমেদ ফয়সাল জানান, "অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে জনবল সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি থাকেন ৯০ থেকে ১০০ জন রোগী। চিকিৎসকের ৪৭টি পদের মধ্যে কর্মরত ২৬ জন। মোট ২৪৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৬৯ জন, শূন্য ৭৮টি।"

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহেনেওয়াজ বলেন, "প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতার কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। চিকিৎসকের ৪৩টি পদের মধ্যে কর্মরত ২৫ জন। প্যাথলজি বিভাগ চালু থাকলেও প্যাথলজিস্ট নেই। ফলে পরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরের বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হয়। এক্স-রে ও আল্ট্রাসোনোগ্রাম মেশিনও অচল। হাসপাতালের ২২০টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৪৭ জন; শূন্য ৭৩টি পদ।"

এ বিষয়ে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বলেন, "উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীর চাপ দ্রুত বাড়লেও সে অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনবল বাড়েনি। ফলে শয্যার অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে সীমিত জনবলকে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে অচল যন্ত্রপাতি মেরামত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-টেকনিশিয়ান নিয়োগ না হওয়ায় রোগীদের জেলা শহর কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দিকে যেতে হচ্ছে। এ বিষয়ে চাহিদা জানানো হয়েছে। দ্রুত এর সমাধান হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%