মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
১২:৩৬ এম
বাংলাদেশের, বিভিন্ন বীমা ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলির দুর্নীতি এক অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। গরিব অসহায় মহিলাদের ভুলিয়ে ফুসিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় বহুদিন ধরে তারা এই দুর্নীতির কাজটি করে আসছে।
মোছাম্মৎ মোরশেদা বেগম, যিনি রংপুরের বাসিন্দা, ১৬ই জুন ২০১১ তারিখে ফা ইস্ট ইসলামী ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের একটি ইন্সুরেন্স খুলেছিলেন। উক্ত ইন্সুরেন্সটির মেয়াদকাল ২০২১ সালে সমাপ্ত হয়েছে। তার ইন্সুরেন্স টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৪ টাকা। তবে দুঃখজনক বিষয় হলো, মোছাম্মৎ মোরশেদা বেগম দীর্ঘ পাঁচ বছর পরেও আজ পর্যন্ত ওই কোম্পানি থেকে টাকা আদায় করতে পারেননি।
এই অপরাধের কারণে রংপুর থেকে ঢাকায় তাদের হেড অফিসে ইন্সুরেন্স টাকার উত্তোলনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। এর পর শুরু হয় দীর্ঘ পাঁচ বছরের সময়সীমার আসা-যাওয়া। এ বিষয়ে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন প্রকারের সভা অনুষ্ঠিত হলেও ভুক্তিগীরা কোনো সমাধান পাননি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের সক্রিয় হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। প্রতিবাদ করার কারণে ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলি কিছুদিন ধরে গ্রাহকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা চলমান থাকার প্রেক্ষাপটে যেকোনো সম্ভাব্য ইরানি আক্রমণ প্রতিরোধের প্রস্তুতিতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে ইসরায়েল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য কঠোর সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েল মনে করে যে, কোনো মার্কিন হামলার পর তেহরান তাদের বিরুদ্ধে ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালাতে পারে। এমনকি ইসরায়েল সরাসরি কোনো অভিযানে অংশ না নিলেও ইরান নিশ্চিণ্ত থাকবে না।
এদিকে সার্বিক পরিস্থিতির উপর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানিয়েছে যে, ইসরায়েল বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। দেশের হোম ফ্রন্ট কমান্ড থেকেও সাধারণ নাগরিকদের জন্য নতুন জরুরি নির্দেশনা এখনও জারি হয়নি। বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত আছে এবং এ পর্যন্ত কোনো ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান ইসরায়েলের দিকে চলাচল করার কারণে ব্যস্ত বিমানবন্দরে কিছুটা লজিস্টিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে চ্যানেল টুয়েলভ জানায়।
অন্যদিকে ইরানও তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান জ্বালানি অবকাঠামোসহ ইসরায়েলের লেভিয়াথান এবং তামার গ্যাস ক্ষেত্রকে সম্ভাব্য লক্ষ্যভূম্বুক হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। একইভাবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র এবং শোধনাগারগুলিও তাদের প্রতিক্রিয়ার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানি পার্লামেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই আমেরিকার চাপের মুখে নতি স্বীকারের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই ধারণা কেবল একটি বিভ্রম। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরান আক্রান্ত হলে পুরো অঞ্চল এবং এর সমস্ত স্থাপনাকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার বিচার এবং জুলাই সনদ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আখাউড়া উপজেলা ও পৌর শাখা একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত পথসভা আয়োজন করে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে আখাউড়া কলেজ গেট এলাকা হতে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। এই মিছিল পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন দাবি স্লোগান দিতে দিতে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আখাউড়া উপজেলা শাখার আমির ইকবাল হোসেন ভূইয়া, উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এবং আখাউড়া পৌর জামায়াতের আমির মোর্শেদ আলম।
বক্তারা বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” তারা সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২ আগস্ট ২০২৬ : ঢাকা থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি-এর প্রকাশিত নিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে মোঃ নিয়াজ মোর্শেদ দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, স্থানীয় পর্যায়ের সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীলভাবে পাঠকদের সামনে উপস্থাপনের লক্ষ্যে এ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নীতিমালা, পেশাগত সততা এবং নিরপেক্ষতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
মোঃ নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, “আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, জনদুর্ভোগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সামাজিক উদ্যোগ এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।”
তালাশ বিডি কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, স্থানীয় পর্যায়ে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠানটির সংবাদ কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবেন এবং পাঠকের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে এক তীব্র আবেগঘন বার্তা প্রদান করেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত ডোভাল। তিনি বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ কেবল নিজের ইচ্ছেমতো যা খুশি তা করা নয়। তরুণসমাজ অনেক সময়ে এই স্বাধীনতার ভুল ব্যাখ্যা ধারণ করতে পারে।
শনিবার (১ আগস্ট) পুনেতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের ইতিহাস ও রাষ্ট্রগঠনে লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলকের চিন্তাভাবনা ও দূরদর্শিতা থেকে শিক্ষা গ্রহণের জন্য দেশের তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
‘লোকমান্য তিলক জাতীয় পুরস্কার ২০২৬’ গ্রহণের সময় দেওয়া বক্তব্যে, যেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তাকাঠামো সুসংহত করতে ডোভালের অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ডোভাল আধুনিক ভারতের তরুণদের সঙ্গে অতীতের সংঘাতের তুলনা টেনে এনে বলেন, আজকের প্রজন্ম যে স্বাধীনতা ভোগ করছে, তা লোকমান্য তিলকের সময়ের কঠিন পরিস্থিতির চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই সময়ের যন্ত্রণা ও সংগ্রাম আজকের তরুণদের পক্ষে পুরোপুরি কল্পনা করাও কঠিন। তিনি উল্লেখ করেন, লোকমান্য তিলকের জীবন ও চরিত্রের গভীরতা বোঝার জন্য তৎকালীন সময়ের সংকটময় প্রেক্ষাপট, সামাজিক সীমাবদ্ধতা এবং অত্যন্ত শোচনীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে, যা আজকের তরুণ প্রজন্মের পক্ষে বুঝা কিছুটা জটিল। তাই প্রত্যেক ভারতবাসীর, বিশেষ করে যুবসমাজের উচিত তিলকের বাণী, তার দেখা স্বপ্ন ও রাষ্ট্রগঠনে আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে তা নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা।
আজকের তরুণদের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে সতর্কবার্তা সজাগ করে দেন ডোভাল। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্ম মনে করতে পারে ভারত শুরু থেকেই উন্নত ও স্বাধীন ছিল, কিংবা স্বাধীনতার অর্থ কেবল নিজের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো ঘটনার অধিকার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার সংজ্ঞা মোটেই তা নয়।
ডোভালের দেওয়া এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হল, সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলন। বিশেষ করে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ‘জেন-জি’ বা নতুন প্রজন্মের তরুণদের এক বিশাল গণজমায়েত ও বিক্ষোভ ঘটে। জাতীয় পর্যায়ের নিয়োগ ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনিয়ম, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং প্রশাসনিক ত্রুটি-ত্রানির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা সরব হয়ে এই ক্ষোভের আগুন জ্বালে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের চরম রাজনৈতিক চাপের মধ্যে পড়তে হয়েছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগে বাধ্য হন।শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের সময় জাতীয় সংসদ ভবনের দিকে পদযাত্রা করে, যেখানে পুলিশের লাঠিচার্জের মুখোমুখি হয়েও তারা প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশাসনিক জবাবদিহিতার দাবিতে স্লোগান দেয়।
শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়েছেন যে, একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার মূল ভিত্তি হলো কাঠামোগত জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং রাষ্ট্রের ভুল ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার অধিকার; অন্যদিকে অজিত ডোভালের মতো প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, অনিয়ন্ত্রিত প্রতিবাদের চেয়ে সামাজিক স্থিতিশীলতা, রাষ্ট্রগঠন এবং দেশের কাঠামোর প্রতি আনুগত্য প্রকাশই আগে প্রাধান্য পাওয়া উচিত।
তিলকের অবদানের কথা স্মরণ করে ডোভাল বলেছেন, তিলকের জীবন ভয়, যন্ত্রণা ও কষ্টের মধ্য দিয়ে কেটেছে। এতকিছুর পরও তিনি ভারতের জাতীয় চেতনা পুনর্গঠনে এক অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
দেশের উদীয়মান তরুণদের রাষ্ট্রগঠনে নিজেদের উৎসর্গ করার আকুল আবেদন জানিয়ে অজিত ডোভাল বলেন, ভারতের ইতিহাসের মধ্যে বর্তমানে এক বিরল ও অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা হাতছাড়া করা যাবে না। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের যুবসমাজকে দেশের জন্য নিজেদের সম্পূর্ণ বিলিয়ে দিতে হবে। সংকীর্ণ ব্যক্তি স্বার্থ বা সাময়িক লাভ-ক্ষতির চিন্তা পাশে সরিয়ে রেখে জাতীয় স্বার্থে কাজ করার সংকল্প নিতে হবে। ক্ষুদ্র স্বার্থ সামনে আসলেও তা উপেক্ষা করতে হবে, কারণ দেশের অগ্রাধিকার আগে; ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া অপেক্ষা করতে পারে। ভারত আজ ইতিহাসের ঐতিহাসিক সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে আছে, সেই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা একটি নতুন অধ্যায় রচনা করতে সক্ষম হব বলেই আমি বিশ্বাস করি।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ