বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৮ এম
চীন ইরানের ‘বৈধ অধিকার ও স্বার্থ’ রক্ষায় দেশটির সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বুধবার বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই মন্তব্য করেন।
ওয়াং ই বলেন, “চীন ইরানের সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদার করতে এবং ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”
তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে ‘যৌক্তিক ও সংযত’ থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দ্রুত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ওয়াং ই আরও বলেন, চীন চায় আঞ্চলিক উত্তেজনা যেন ইয়েমেন ও লোহিত সাগর পর্যন্ত আরও ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত যে ঐকমত্য হয়েছে, তার ভিত্তিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার প্রক্রিয়া পুনরায় গড়ে তোলা উচিত।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি আবারও দেখিয়ে দিয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান নিরাপত্তাব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এটি সংস্কার ও আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, ন্যায় ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত চীন। ইরানের বিষয়ে চীনের নীতিও ধারাবাহিক ও স্থিতিশীল রয়েছে।
বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে ‘মৌলিক পরিবর্তন’ এসেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী’ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তেহরান আঞ্চলিক আলোচনা শুরু করেছে।
নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে আরাঘচি বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে চাই এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক চাই। এ লক্ষ্যে আমরা অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছি।”
এর আগে চলতি সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এমন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল বেইজিং, যেখানে দাবি করা হয়েছিল চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানের কাছে জর্ডানে মার্কিন সেনাদের অবস্থান করা একটি সামরিক ঘাঁটির স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহ করেছে।
এ ছাড়া গত এপ্রিল মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে একটি চিঠি লিখে ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার অনুরোধ করেছিলেন।
চীন ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার। একই সঙ্গে ইরানের অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অফিসের চার দেয়ালের মাঝে একজন সত্যিকারের ভালো বন্ধু পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। প্রতিদিনের কাজের চাপ, ডেডলাইনের মানসিক ধকল এবং বসের বকুনি সবকিছুই সহজ হয়ে যায় যদি পাশে এমন একজন সহকর্মী থাকে, যিনি একাধারে কাজের সঙ্গী এবং মনের মানুষ। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, অফিস শেষ পর্যন্ত একটি পেশাদার জায়গা এবং সেখানে সবার আগে আপনার ক্যারিয়ার। বন্ধুত্বের গভীরতা যতই হোক, আবেগের বশে এমন কিছু কথা শেয়ার করা উচিত নয় যা পরবর্তীতে আপনার পেশাদার জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই সম্পর্কে স্বচ্ছতা রেখেও কিছু বিষয়ে নীরব থাকাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ—
নতুন চাকরি খোঁজা বা ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
আপনি যদি গোপনে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করেন বা ইন্টারভিউ দিয়ে থাকেন, তা কখনোই সহকর্মীকে জানাবেন না। করপোরেট দুনিয়ায় দেয়ালেরও কান থাকে। কোনোভাবে এই তথ্যটি ম্যানেজমেন্টের কাছে পৌঁছালে আপনার বর্তমান চাকরি যেমন ঝুঁকিতে পড়বে, তেমনি কোনো প্রমোশন বা ইনক্রিমেন্টের সুযোগ থাকলে তাও হাতছাড়া হতে পারে।
আপনার সঠিক বেতন ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা
বেতনের বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত রাখা উচিত। একই সংস্থায় কাজ করার কারণে দুজনের বেতনের পার্থক্য (তা সে যতই কম-বেশি হোক না কেন) আপনাদের সুন্দর বন্ধুত্বের মাঝে অজান্তেই দেয়াল তুলে দিতে পারে। কম বেতন পাওয়া মানুষের মনে ক্ষোভ বা হীনম্মন্যতা তৈরি হওয়া খুব স্বাভাবিক, যা কর্মক্ষেত্রের সম্পর্কে ফাটল ধরায়।
বস বা অন্য সহকর্মীদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য ও সমালোচনা
কাজের সূত্রে কারও ওপর রাগ বা ক্ষোভ জমতেই পারে, কিন্তু তা নিয়ে সহকর্মী-বন্ধুর কাছে অতিরিক্ত খোলামেলা আলোচনা বা পরনিন্দা করবেন না। কর্মক্ষেত্রের সমীকরণ খুব দ্রুত বদলায়। আজকের বন্ধু পরিস্থিতির চাপে কাল আপনার প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারেন। তখন আপনারই বলা কোনো মন্তব্য আপনার পেশাদার সুনামের ক্ষতি করতে পারে।
কোম্পানির পলিসি বা ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা
প্রতিষ্ঠানের কোনো নতুন নিয়ম বা পলিসি আপনার পছন্দ নাও হতে পারে। তবে তা নিয়ে কর্মক্ষেত্রে উচ্চবাচ্য করা বা বন্ধুর কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করা অনুচিত। এই ধরনের আলোচনা আপনাকে কোম্পানির প্রতি অনুগত নয় এমন একজন নেতিবাচক কর্মী হিসেবে প্রমাণ করতে পারে, যা আপনার ক্যারিয়ার গ্রোথের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
অতিরিক্ত ব্যক্তিগত সংকট ও পারিবারিক গোপন তথ্য
আপনার পারিবারিক অশান্তি, আর্থিক ঋণ বা জটিল কোনো ব্যক্তিগত সমস্যার কথা কর্মক্ষেত্রে এড়িয়ে চলাই ভালো। বন্ধু হিসেবে তিনি হয়তো আপনাকে সান্ত্বনা দেবেন, কিন্তু কর্মক্ষেত্রের অন্যান্য মানুষ একে আপনার মনোযোগের অভাব বা দুর্বলতা হিসেবে গণ্য করতে পারে। পেশাদার জায়গায় নিজেকে সবসময় মানসিকভাবে দৃঢ় রাখা জরুরি।
কর্মক্ষেত্রে গভীর বন্ধুত্বের অনুভূতি প্রকাশ করলেও কিছু বিষয়ে দেয়াল তুলে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিজের বেতন, ক্যারিয়ারের গোপন পরিকল্পনা কিংবা কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভ মনের ভেতর চেপে রাখলে আপনার পেশাদার জীবন থাকবে সুরক্ষিত ও ঝুঁকিমুক্ত। বন্ধুত্বের আবেগ এবং অফিসের পেশাদারিত্বের মধ্যে একটি সুস্থ ভারসাম্য বজায় রাখাই আপনার ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক উভয়কেই দীর্ঘস্থায়ী ও সুন্দর করে তুলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের পাঁচটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত হলে এই তাপপ্রবাহ প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি এবং বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়া জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, ফরিদপুর, রংপুর, যশোর এবং খুলনা।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এদিকে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে তাপমাত্রার ওঠানামার বিষয়ে অধিদপ্তর জানিয়েছে। প্রথম দিন সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। দ্বিতীয় দিন তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তৃতীয় দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। চতুর্থ দিন দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। পঞ্চম দিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যশোরে ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে খুলনার কয়রায় ৩৬ দশমিক ২ এবং ঢাকা, রংপুর ও ফরিদপুরে ৩৬ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, ৩৬ দশমিক ০ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ দশমিক ০ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ দশমিক ০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।
অন্যদিকে, ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শুধু পর্যাপ্ত পানি পান করলেই যথেষ্ট নয়, খাদ্যাভ্যাসের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে। তীব্র গরমে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত ও ভারী খাবার গ্রহণ করলে বদহজম, গ্যাস বা অস্বস্তির সৃষ্টি হতে পারে। তাই এই সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন পানি এবং ফাইবারসমৃদ্ধ হালকা কিছু সবজি।
এই সবজি প্রতিদিনের বাজারে সহজেই পাওয়া যায়। রান্নার ক্ষেত্রে ঝামেলা কম হয়। গরমের সময় পেটে অস্বস্তি কমাতে খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে-
লাউ ও পেঁপে
গরমের দিনে লাউ একটি উপকারী সবজি। এতে ৯০ শতাংশের বেশি পানি রয়েছে, যা শরীরে তরলের যোগান দিতে সহায়তা করে। অন্যদিকে, পেঁপেতে থাকা প্যাপাইন নামক এনজাইম হজমে সহায়তা করতে পারে।
লাউ এবং পেঁপে দিয়ে হালকা ঝোল বা তরকারি রান্না করলে খাবারটি সহজপাচ্য হয়ে ওঠে।
ঝিঙে ও চিচিঙ্গা
ঝিঙে এবং চিচিঙ্গাতে পানির পরিমাণ বেশি এবং ক্যালোরি তুলনামূলকভাবে কম। পাশাপাশি এতে ফাইবারও রয়েছে, যা রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। ফলে গরমে হালকা খাবার হিসেবে এসব সবজি বেছে নেওয়া যেতে পারে।
বিশেষ করে তেল-মসলা কম দিয়ে রান্না করলে তা পেটের জন্য তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক হতে পারে।
পটল
গরমের সময় পটল খাদ্য তালিকায় রাখা যেতে পারে। এতে থাকা ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে। পটল হালকা ঝোল বা সেদ্ধ করে খাওয়া ভালো।
উচ্ছে বা করলা
তেঁতো স্বাদের কারণে করলা অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে না। তবে এতে প্রচুর ফাইবার এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। করলা লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং রক্ত পরিষ্কার রাখে। এটি পিত্তরসের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং গরমে ক্লান্তি দূর করে।
গরমে কাঁচা আমও খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ দুটোই বৃদ্ধি করতে পারে। এতে ভিটামিন সি-সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। কাঁচা আম দিয়ে টক ডাল, ভর্তা বা হালকা পানীয় প্রস্তুত করা হয়।
তবে কাঁচা আমের শরবতে অতিরিক্ত চিনি না দেওয়াই ভালো। পাশাপাশি, কোনো একটি খাবার খেলে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমে যাবে বা হিটস্ট্রোক প্রতিরোধ করা যাবে- এমন ধারণা করা ঠিক নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরাইল। আল-কানতারা এবং আল-মানসুরি শহর, যা টায়ার শহরের দক্ষিণে অবস্থিত, সেখানেও হামলা চালানো হয়েছে ইসরাইলি বাহিনীর দ্বারা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে, আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি’-এর (এনএনএ) উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-মানসুরির অঞ্চলে ঘটে যাওয়া শক্তিশালী বিস্ফোরণের তীব্রতা পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতেও অনুভূত হয়েছে। পাশাপাশি, হাদ্দাতা শহরের উপকণ্ঠে ভারি মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণ এবং শহরটিতে তীব্র আর্টিলারি বা কামান দিয়ে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।
বানি হাইয়ান ও কাফার তেবনিত এলাকায়ও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া, বিন্ত জুবাইল জেলার বেইত লিফ সংলগ্ন ওয়াদি মাজলাম এবং নাবতিয়ে এলাকার জাওতার আল-শারকিয়াহ অঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলাগুলোর ফলে লেবাননের দক্ষিণ সীমান্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিগত কয়েক মাস ধরে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে স্থল ও বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। এ সময়, লেবাননের গ্রামগুলোতে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর দমনপীড়ন ও বাড়িঘর থেকে বিতাড়িত করার অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। এর ফলে, লেবাননের কয়েক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং ইয়েমেনের চলমান অস্থিরতার মধ্যে, লেবানন সীমান্তের এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে। মধ্যপ্রাচ্যে বহুমাত্রিক এই সংঘাত পুরো অঞ্চলে এক বিশাল অস্থিতিশীলতা ও বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ