ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রামপালে নির্মিত হবে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র


রামপালে নির্মিত হবে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (খুসিক) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকারের আন্তরিকতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে মোংলার নারিকেলতলা মাঠে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ স্লোগানে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার যৌথভাবে এই সমাবেশের আয়োজন করে।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজসহ সব সরকারি ভবনে দেওয়া হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপ কমানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ধরার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়কারী শরীফ জামিল। তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে সারা দেশে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে সকলকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) রামপালে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ায় তারা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

তবে, সুন্দরবন সংরক্ষণে সরকারের সামগ্রিক ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শরীফ জামিল। তিনি রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আকরাম পয়েন্টে প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল ও পাইপলাইন স্থাপন প্রকল্প বাতিলের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সুন্দরবন সংরক্ষণে বিজ্ঞানভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী, রিভার বাংলার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, শ্রমিক নেতা মাহবুবুর রহমান মানিক, কৃষক নেতা বদরুল আলমসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সমাবেশের সঞ্চালক ও সুন্দরবন রক্ষায় আমরা সংগঠনের সমন্বয়কারী এবং পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতির আশঙ্কায় পরিবেশবাদীরা অতীতে রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার সুন্দরবনসহ প্রাণ-প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কোনো প্রকল্প গ্রহণ করবে না। দেশের জ্বালানি রূপান্তর সবুজ, ন্যায্য, জনকেন্দ্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: রংপুরে ডাম্পট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত, ১৮ আহত

সমাবেশ শেষে বাঘের মহড়া, পুতুলখেলা, বাউল গান ও গাজীর গানের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই মুসলিম দেশের সমুদ্রসীমা চুক্তিতে ক্ষুব্ধ মিসর, ইসরাইল ও ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


দুই মুসলিম দেশের সমুদ্রসীমা চুক্তিতে ক্ষুব্ধ মিসর, ইসরাইল ও ইইউ

মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে গৃহযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর আফ্রিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ লিবিয়া মূলত পূর্ব ও পশ্চিম—এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলিতে দুই পক্ষের অবস্থান ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। তবে ভূমধ্যসাগরের সমুদ্রসীমা ইস্যুতে তুরস্কের সঙ্গে এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে লিবিয়ার দুই পক্ষ।

সম্প্রতি ২০ অক্টোবর আঙ্কারার সঙ্গে সম্পাদিত সমুদ্রসীমা চুক্তিটি অনুমোদন করেছে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পার্লামেন্ট। এই ঐতিহাসিক সমঝোতা মেনে নিতে পারছে না মিসর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), গ্রিস ও ইসরাইল। চুক্তিটির ফলে পূর্ব ভূমধ্যসাগরের ভূরাজনীতি ও জ্বালানি কূটনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

চুক্তির পটভূমি ও কৌশলগত গুরুত্ব

২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোয়ান এবং জাতিসংঘ স্বীকৃত ত্রিপোলিভিত্তিক লিবিয়া সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল সাররাজের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পূর্ব ভূমধ্যসাগরে দুই দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) ও সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা।

এই চুক্তির মাধ্যমে আঙ্কারা পূর্ব ভূমধ্যসাগরের বিস্তীর্ণ জলসীমায় নিজেদের অর্থনৈতিক অধিকার ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের আইনি ভিত্তি তৈরি করে। ধারণা করা হয়, এই অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে। তবে ২০২০ সালে চুক্তিটির তীব্র বিরোধিতা করে তা প্রত্যাখ্যান করেছিল লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকার এবং তাদের সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতার। हालाँकि সম্প্রতি হাফতারের ছেলে সাদ্দাম হাফতারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং ক্ষমতার মসনদে বসার সমীকরণে তুরস্কের সঙ্গে কৌশলগত আপস করে পূর্বাঞ্চলীয় পার্লামেন্টও এটি অনুমোদন করে।

যে কারণে ক্ষুব্ধ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো

• মিসরের অসন্তোষ: প্রতিবেশী মিসরের দাবি, এই চুক্তির কারণে ভূমধ্যসাগরে তাদের নিজস্ব সমুদ্রসীমা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে। কায়রোর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র খলিফা হাফতারের সঙ্গে তুরস্কের সামরিক সখ্য এবং পূর্ব লিবিয়ায় তুর্কি বাহিনীর সম্ভাব্য উপস্থিতি মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসির প্রশাসনকে চরম উদ্বেগে ফেলেছে।

• ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আপত্তি: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরোধিতার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাদের সদস্য দেশ গ্রিস ও সাইপ্রাসের স্বার্থ। ব্রাসেলসের অভিযোগ, এই চুক্তি গ্রিস ও সাইপ্রাসের সার্বভৌম জলসীমার অধিকার চরমভাবে লঙ্ঘন করে। ইইউ একে জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের (UNCLOS) পরিপন্থি বলেও দাবি করছে। যদিও তুরস্ক এই সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ না হওয়ায় তারা এটি মানতে বাধ্য নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

• ইসরাইল প্রতিক্রিয়া: চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইসরাইল অভিযোগ করেছে, আঙ্কারা পূর্ব ভূমধ্যসাগরের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। তেল আবিবের ক্ষোভের মূল কারণ হলো জ্বালানি রাজনীতি। গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে ইসরাইল গভীর সামরিক ও জ্বালানি অংশীদারত্ব রয়েছে। ওই অঞ্চলে তেল আবিবের পাইপলাইন ও গ্যাস উত্তোলন প্রকল্পের জন্য তুরস্কের এই সমুদ্রসীমা চুক্তি সরাসরি কৌশলগত হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তুরস্কের শক্ত অবস্থান

আন্তর্জাতিক মহলের এই তীব্র সমালোচনার মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে একচুল নড়তে নারাজ আঙ্কারা। তুরস্কের দাবি, চুক্তিটি আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায্যতার নীতির ভিত্তিতেই কার্যকর হয়েছে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, কারা এই চুক্তির বিরোধিতা করছে তা তাদের জানা রয়েছে এবং বিরোধীদের এসব আপত্তিকে কোনোভাবেই গুরুত্ব দেবে না আঙ্কারা।

বিশ্লেষকদের মতে, দৃশ্যত এটি কেবল সমুদ্রসীমা নির্ধারণের চুক্তি মনে হলেও এর পেছনে জড়িয়ে আছে বিপুল গ্যাস মজুদের নিয়ন্ত্রণ, সামরিক প্রভাব বিস্তার এবং মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার গভীর খেলা। ফলে চুক্তিটি বিরোধ নিষ্পত্তির চেয়ে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে পরাশক্তিগুলোর মুখোমুখি অবস্থানকে আরও তীব্র করে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মসজিদুল হারামে লাখো মুসল্লির জুমা নামাজের সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


মসজিদুল হারামে লাখো মুসল্লির জুমা নামাজের সমাবেশ

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর মসজিদুল হারামে জুমার নামাজ আদায় করতে লাখো মুসল্লির সমাগম ঘটে। পবিত্র কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে অবস্থিত মসজিদুল হারাম ও এর চারপাশে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মসজিদুল হারামে জুমার নামাজে ইমামতি করেন শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। তিনি পবিত্র দুই মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ পরিচালনা করেন।

শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ সৌদি আরবের একজন প্রখ্যাত আলেম এবং মসজিদুল হারামের জ্যেষ্ঠ ইমাম। ১৯৫০ সালে সৌদি আরবের কাসিম প্রদেশের বুরাইদাহ শহরে তার জন্ম হয়। তিনি মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮৪ সালে মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ইমামতি ও খুতবা প্রদানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ইসলামি জ্ঞানচর্চা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে তার অবদানও প্রশংসিত।

পবিত্র মসজিদুল হারামে জুমার নামাজ আদায় করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসল্লিদের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে ওমরাহ পালনকারীদের উপস্থিতিতে মসজিদ প্রাঙ্গণ সব সময়ই প্রাণবন্ত থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতিঝিলে ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামকে ক্লাবে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


মতিঝিলে ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামকে ক্লাবে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন

রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদার দাবিতে হামলা চালিয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় একটি ক্লাবে একজন ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান জাহিদ হাসান ও তার সহযোগিদের দ্বারা। পরে ২০ হাজার টাকা আদায়ের পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ওরফে মুন্না অভিযোগ করেন। এসময় তার স্ত্রী রুপা বেগম, ছোট ভাই মো. শুভ এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে মুন্না জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মতিঝিল ক্লাবপাড়ায় ভাতের হোটেলের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। গত ৭ থেকে ৮ মাস আগে মতিঝিল এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান জাহিদ হাসান, ইমুন, আজমির, রানা, মাজেদ, পানি বাবুসহ পনেরো জনের একটি সন্ত্রাসী দল তার হোটেলে এসে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। একদিন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে দোকানের ক্যাশ ভেঙে বিশ হাজার টাকা লুট করে নেয়।

এ ঘটনার পর মুন্না বাদি হয়ে মতিঝিল থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় পুলিশ জাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ চার মাস জেল খেটে জাহিদ হাসান গত সেপ্টেম্বর মাসে বের হয়ে পুনরায় তার দোকানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নিয়ে এসে ব্যাপক হামলা চালায়, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ ঘটনার পর মুন্না মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তিনি আরও জানান, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে সন্ত্রাসীরা মতিঝিল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে।

এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রতিবাদ করতে পারছে না। সন্ত্রাসীদের ভয়ে ইতিমধ্যেই অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের আইজিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় তথ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ২২ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


ভোলায় তথ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ২২ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা

ভোলায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত দুই মাস ধরে ৫টি ধাপে ভোলার নির্বাচনী এলাকায় এই চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। জেলার সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রায় ২২ হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, অর্থের অভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে না পারা দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের বিভিন্ন ধাপে সকাল ১০টা থেকে ভোলা পৌর এলাকার শান্ত নীড় ও ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন বয়সী শিশু, নারী ও পুরুষরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন। ২২ হাজারেরও বেশি নারী, পুরুষ ও শিশুদের চিকিৎসা এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা জানান, এখানে বিনা মূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধও পাওয়া যাচ্ছে। তারা অর্থ ব্যয় না করে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

রোগী ও তাদের স্বজনেরা তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের মতে, দরিদ্র মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আরও জানান, অর্থাভাবে যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেন না, তাদের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। পাঁচটি ধাপে সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে উপকৃত হয়েছেন প্রায় ২২ হাজার মানুষ।

আয়োজক কমিটির সদস্য ও বিজেপি ভোলা জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন ইনকিলাবকে জানান, অর্থাভাবে যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন না, তাদের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তিনি জানান, পাঁচটি ধাপে ভোলা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ এবং ওষুধ পেয়ে এ পর্যন্ত উপকৃত হয়েছেন প্রায় ২২ হাজার মানুষ। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের দেওয়া এই মানবিক চিকিৎসা সেবা চলমান থাকবে বলেও জানান, জেলা বিজেপির এ শীর্ষ প্রবীণ নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%