ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিরাজগঞ্জে আবাসিক এলাকায় মুরগী খামারের দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ


সিরাজগঞ্জে আবাসিক এলাকায় মুরগী খামারের দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ

সিরাজগঞ্জ পৌরএলাকার মাসুমপুর মহল্লার আবাসিক এলাকায় মুরগীর খামার করে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে খামারী ওয়াদুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। মুরগীর খামারের বর্জ্যের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসি ও পথচারি।

এর প্রতিকার চেয়ে রবিবার (২৬ জুলাই) জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যার (ডকেট নং-১৩ তারিখ ২৬-০৭-২৬)। অপর দিকে (২৯ জুলাই) উপ-পরিচালক, সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তর বরাবর আরো একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় (অভিযোগ নং-০১৪ তারিখ ২৯-০৭-২৬)। স্থানীয় বাসিন্দা শাহাদত হোসেনের দেওয়া লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড মাসুমপুর মৌলভীপাড়া মহল্লায় একটি মুরগীর খামার প্রতিষ্ঠা করেছেন মো. ওয়াদুদুর রহমান (সোহেল)।
ওই খামারের মুরগীর বিষ্টার গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। খামারের বর্জ্যে পরিবেশ দুষিত হয়ে রোগ ছড়াচ্ছে বলেও প্রতিবেশী মিতু আক্তার জানায়, খামারের বর্জ্যের দূর্গন্ধে ঘড়ে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ভারাটিয়া সানজিদা বেগম জানান, এই এলাকায় বসবাসেন অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছোট ছেলে মেয়ের রোগ বালাই লেগেই আছে। তাই বাধ্য হয়ে অন্যত্র বাসা খুঁজছি।
একই এলাকার বাসিন্দা পথচারী শাহিন জানায়, রাস্তায় চলাচল করতে খামারের দূর্গন্ধের কারণে নাকে কাপড় দিয়ে চলতে হয়।
এদিকে বিষয়টি খামার মালিককে জানালেও পরিবেশ বিধি অনুযায়ী খামারটি স্থানান্তর বা দুর্গন্ধ রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবিলম্বে খামারটি স্থানান্তর করে এলাকার পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো. তৌহিদ আলম বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। সরেজমিন পরিদর্শন করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুরুত্বপূর্ণ খনিজে যৌথ অংশীদারত্ব গড়ল আর্জেন্টিনা-দক্ষিণ কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ পি.এম


গুরুত্বপূর্ণ খনিজে যৌথ অংশীদারত্ব গড়ল আর্জেন্টিনা-দক্ষিণ কোরিয়া

 গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শিল্পে সহযোগিতা আরও গভীর করার লক্ষ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা এবং দক্ষিণ কোরিয়া। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং-এর দক্ষিণ আমেরিকা সফরের সময় সিউল চিলির সঙ্গে একই ধরনের একটি অংশীদারত্ব চুক্তি করার এক দিন পর আর্জেন্টিনার সঙ্গে এই চুক্তির ঘোষণা এলো।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলো কুইর্নো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখে জানিয়েছেন, চুক্তির লক্ষ্য হলো গুরুত্বপূর্ণ খনিজের ‘অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পরিশোধন খাতে বিনিয়োগ করা এবং যৌথ প্রকল্পকে উৎসাহিত করা।’

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম লিথিয়াম উৎপাদক হিসেবে বিবেচিত হয়। বৈশ্বিক জ্বালানি রূপান্তরের ক্ষেত্রে লিথিয়ামকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ হিসেবে গণ্য করা হয়।

কুইর্নো জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনোস আইরেসে দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এটি ছিল ২২ বছরের মধ্যে কোনো দক্ষিণ কোরীয় নেতার প্রথম আর্জেন্টিনা সফর।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং কৌশলগত খাতে যৌথ প্রকল্প উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার মিলেই প্রশাসন উত্তর-পশ্চিম আর্জেন্টিনার সালতা প্রদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান পোসকোকে লিথিয়াম উত্তোলন কার্যক্রম বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে।

আর্জেন্টিনার অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৫৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বিনিয়োগে এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি বছর ২৩ হাজার টন লিথিয়াম কার্বোনেট উত্তোলন সম্ভব হবে। এর ফলে বছরে ৩০ কোটি ডলারের বেশি রপ্তানি আয় সৃষ্টি হবে।

এর এক দিন আগে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে দেশটির প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্তের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেও দুই দেশ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ খাতে একই ধরনের অংশীদারিত্বের ঘোষণা দেয়।

চিলি বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ তামা উৎপাদক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম লিথিয়াম উৎপাদক দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজেদের মাঠে অজেয় থাকতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


নিজেদের মাঠে অজেয় থাকতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ

শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্সের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে। তারা এক মাসের মধ্যে দুই জয় ও একটি ড্রর পর এখন ঘরের মাঠকে দুর্গ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে দাপুটে ক্রিকেট খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ 90 রানে জয় পায়। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তারা ইনিংস ও 217 রানের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে। পরে তারা দ্বিতীয় ম্যাচটি ড্র করে।

সাম্প্রতিক এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক রস্টোন চেজ বলেছেন, তারা ঘরের মাঠে অজেয় হতে চান।

“ঘরের মাঠকে আমাদের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই আমরা। অন্যান্য দলগুলোর জন্য ক্যারিবিয়ানে এসে ম্যাচ জিততে যাওয়া অনেক কঠিন করে তুলতে চাই আমরা।”

শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে গত এক মাসে দারুণ খেললেও, এর আগের সময়টা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য একদমই ভালো ছিল না। গত বছর 10 টেস্টে তারা মাত্র একটি জয় নিয়েছিল, যার ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ওঠার দৌড় থেকেও তারা ছিটকে যায়। তবে ওই ব্যর্থতার পর মূলত ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে ক্যারিবিয়রা। এর সুফল এখন তারা পাচ্ছে বলে মনে করেন চেজ।

“গত বছর অমন সময় কাটানোর পর আমরা পরিকল্পনা সাজাতে বসেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমরা নিজেদের এই জায়গায় দেখতে চাই। এখন আমরা সেখানে পৌঁছাতে পেরেছি যেখানে যাওয়ার তাগিদ ছিল। আমরা আমাদের খেলাকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই।”

“আমরা এই দ্বিতীয় টেস্টে নামতে চাই কোনো কিছু হালকাভাবে না নিয়ে, কেবল সেই প্রক্রিয়াগুলোর ওপর বিশ্বাস রেখে, যা নিয়ে আমরা আগে আলোচনা করেছি। মাঠে নেমে আমাদের সাধ্যমতো সেগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব এবং দ্বিতীয় জয় পেতে লক্ষ্য রাখব।”

এসময় ঘরের মাঠকে দুর্গ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

“ঘরের মাঠে এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল নিয়ে আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত। নিজেদের মাঠকে এমন এক দুর্গে পরিণত করতে চাই, যাতে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল এসে আমাদের হারানো যেকোনো দলের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে ওঠে।”

“এটি আমাদের নিজেদের কন্ডিশন, যা প্রতিপক্ষের চেয়ে আমরা ভেতর-বাইরে অনেক ভালোভাবে জানি। তাই ঘরের মাঠের সুবিধাকে পুরোদমে কাজে লাগানো উচিত, এবং এখন পর্যন্ত আমরা সেটা খুব ভালোভাবে করে আসছি। সুতরাং, আগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এই দ্বিতীয় ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে গোসলে নেমে গাজীপুরে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


নদীতে গোসলে নেমে গাজীপুরে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসলে নেমে দুইটি মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার, কালীগঞ্জ উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের চরসিন্দুর ব্রিজের নিকটস্থ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত দুই শিশুর নাম হলো-মোক্তারপুর ইউনিয়নের আতাউর শেখের ছেলে লাবিবুল আল হাসান (১০) এবং কাপাসিয়া উপজেলার দড়িনাসেরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রায়হান ইসলাম রাব্বি (১২)। উভয়ই স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী হিসাবে পরিচিত।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে, ৫ বন্ধু মিলে চরসিন্দুর ব্রিজ সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে নদীর পানিতে তলিয়ে যায় লাবিবুল ও রাব্বি। তাদের অন্য বন্ধু তীরে উঠে যাওয়ার পর তারা দেখতে না পেয়ে চিৎকার শুরু করে। পরে স্থানীয় লোকজন নদীতে নেমে বাড়তি তল্লাশি চালিয়ে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়ে দিয়েছেন বাসস’কে, মৃতদেহ দুটি স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় দু’টি অপমৃত্যু মামলা দায়ের স্বীকার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্মাণে ৮ কোটি টাকা, তবু কাজে লাগছে না পানি শোধনাগার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ পি.এম


নির্মাণে ৮ কোটি টাকা, তবু কাজে লাগছে না পানি শোধনাগার

পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভায় নির্মিত একটি পানি শোধনাগার, যা প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছে, বর্তমানে কোনো কাজে আসছে না। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল পৌরবাসীকে ভূগর্ভস্থ অপরিশোধিত পানি থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ এবং রোগজীবাণু দূর করে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা।

কিন্তু অবস্থা ভিন্ন। ২০২১ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রটি সাঁথিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করার পর, মাত্র কয়েক দিনের জন্য এটি চালু থাকার পর বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পৌর এলাকার কয়েক হাজার মানুষ এখন বিশুদ্ধ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভা ২৫ দশমিক ৫৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি পৌরসভা, যেখানে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষের বসবাস। নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর একটি পানি বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি শোধনাগার নির্মাণ এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল, যাতে ব্যয় হয় ৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

যদিও ২০২১ সালে প্রকল্পটি পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তবে বর্তমানে কেন্দ্রটির অনেক মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে এবং পৌরবাসী এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পানি শোধনাগার বন্ধ থাকার বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ফজলে রাব্বী বলেন, প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরে এটি পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের উপর। তবে আমরা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে থাকি।

একাধিক পানি ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন যে, সরকার যে উদ্দেশ্যে গভীর নলকূপ এবং পানি শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিল, তা পূরণ হচ্ছে না। তাদের আর্সেনিক ও আয়রনযুক্ত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রকল্পটি শুধুমাত্র সরকারি অর্থের অপচয় নয়, বরং পৌরবাসীকে একটি মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ রায়হান জানিয়েছেন, পানি শোধনাগারটি চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পে যে পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে, সেটি তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়ায় পৌরবাসীর চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রাখতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। কেন্দ্রটি দ্রুত চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%