ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিজেদের মাঠে অজেয় থাকতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ


নিজেদের মাঠে অজেয় থাকতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ

শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্সের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে। তারা এক মাসের মধ্যে দুই জয় ও একটি ড্রর পর এখন ঘরের মাঠকে দুর্গ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে দাপুটে ক্রিকেট খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ 90 রানে জয় পায়। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তারা ইনিংস ও 217 রানের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে। পরে তারা দ্বিতীয় ম্যাচটি ড্র করে।

সাম্প্রতিক এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক রস্টোন চেজ বলেছেন, তারা ঘরের মাঠে অজেয় হতে চান।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

“ঘরের মাঠকে আমাদের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই আমরা। অন্যান্য দলগুলোর জন্য ক্যারিবিয়ানে এসে ম্যাচ জিততে যাওয়া অনেক কঠিন করে তুলতে চাই আমরা।”

শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে গত এক মাসে দারুণ খেললেও, এর আগের সময়টা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য একদমই ভালো ছিল না। গত বছর 10 টেস্টে তারা মাত্র একটি জয় নিয়েছিল, যার ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ওঠার দৌড় থেকেও তারা ছিটকে যায়। তবে ওই ব্যর্থতার পর মূলত ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে ক্যারিবিয়রা। এর সুফল এখন তারা পাচ্ছে বলে মনে করেন চেজ।

“গত বছর অমন সময় কাটানোর পর আমরা পরিকল্পনা সাজাতে বসেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমরা নিজেদের এই জায়গায় দেখতে চাই। এখন আমরা সেখানে পৌঁছাতে পেরেছি যেখানে যাওয়ার তাগিদ ছিল। আমরা আমাদের খেলাকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই।”

“আমরা এই দ্বিতীয় টেস্টে নামতে চাই কোনো কিছু হালকাভাবে না নিয়ে, কেবল সেই প্রক্রিয়াগুলোর ওপর বিশ্বাস রেখে, যা নিয়ে আমরা আগে আলোচনা করেছি। মাঠে নেমে আমাদের সাধ্যমতো সেগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব এবং দ্বিতীয় জয় পেতে লক্ষ্য রাখব।”

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

এসময় ঘরের মাঠকে দুর্গ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

“ঘরের মাঠে এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল নিয়ে আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত। নিজেদের মাঠকে এমন এক দুর্গে পরিণত করতে চাই, যাতে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল এসে আমাদের হারানো যেকোনো দলের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে ওঠে।”

“এটি আমাদের নিজেদের কন্ডিশন, যা প্রতিপক্ষের চেয়ে আমরা ভেতর-বাইরে অনেক ভালোভাবে জানি। তাই ঘরের মাঠের সুবিধাকে পুরোদমে কাজে লাগানো উচিত, এবং এখন পর্যন্ত আমরা সেটা খুব ভালোভাবে করে আসছি। সুতরাং, আগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এই দ্বিতীয় ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত।”

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে গোসলে নেমে গাজীপুরে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


নদীতে গোসলে নেমে গাজীপুরে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসলে নেমে দুইটি মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার, কালীগঞ্জ উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের চরসিন্দুর ব্রিজের নিকটস্থ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত দুই শিশুর নাম হলো-মোক্তারপুর ইউনিয়নের আতাউর শেখের ছেলে লাবিবুল আল হাসান (১০) এবং কাপাসিয়া উপজেলার দড়িনাসেরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রায়হান ইসলাম রাব্বি (১২)। উভয়ই স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী হিসাবে পরিচিত।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে, ৫ বন্ধু মিলে চরসিন্দুর ব্রিজ সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে নদীর পানিতে তলিয়ে যায় লাবিবুল ও রাব্বি। তাদের অন্য বন্ধু তীরে উঠে যাওয়ার পর তারা দেখতে না পেয়ে চিৎকার শুরু করে। পরে স্থানীয় লোকজন নদীতে নেমে বাড়তি তল্লাশি চালিয়ে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়ে দিয়েছেন বাসস’কে, মৃতদেহ দুটি স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় দু’টি অপমৃত্যু মামলা দায়ের স্বীকার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্মাণে ৮ কোটি টাকা, তবু কাজে লাগছে না পানি শোধনাগার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ পি.এম


নির্মাণে ৮ কোটি টাকা, তবু কাজে লাগছে না পানি শোধনাগার

পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভায় নির্মিত একটি পানি শোধনাগার, যা প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছে, বর্তমানে কোনো কাজে আসছে না। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল পৌরবাসীকে ভূগর্ভস্থ অপরিশোধিত পানি থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ এবং রোগজীবাণু দূর করে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা।

কিন্তু অবস্থা ভিন্ন। ২০২১ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রটি সাঁথিয়া পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করার পর, মাত্র কয়েক দিনের জন্য এটি চালু থাকার পর বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পৌর এলাকার কয়েক হাজার মানুষ এখন বিশুদ্ধ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভা ২৫ দশমিক ৫৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি পৌরসভা, যেখানে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষের বসবাস। নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর একটি পানি বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি শোধনাগার নির্মাণ এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল, যাতে ব্যয় হয় ৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

যদিও ২০২১ সালে প্রকল্পটি পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তবে বর্তমানে কেন্দ্রটির অনেক মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে এবং পৌরবাসী এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

পানি শোধনাগার বন্ধ থাকার বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী ফজলে রাব্বী বলেন, প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরে এটি পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের উপর। তবে আমরা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে থাকি।

একাধিক পানি ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন যে, সরকার যে উদ্দেশ্যে গভীর নলকূপ এবং পানি শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছিল, তা পূরণ হচ্ছে না। তাদের আর্সেনিক ও আয়রনযুক্ত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রকল্পটি শুধুমাত্র সরকারি অর্থের অপচয় নয়, বরং পৌরবাসীকে একটি মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ রায়হান জানিয়েছেন, পানি শোধনাগারটি চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পে যে পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে, সেটি তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়ায় পৌরবাসীর চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রাখতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। কেন্দ্রটি দ্রুত চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু আতঙ্ক নয়, মেনে চলুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০০ পি.এম


ডেঙ্গু আতঙ্ক নয়, মেনে চলুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা নেওয়া এবং জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে চিকিৎসকের কাছে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তারা দাবি করেছেন যে, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচার জন্য সচেতনতার কোনও বিকল্প নেই। কারণ ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য কোনো ভ্যাকসিন নেই এবং সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর ওষুধও বাজুতে নেই। তবে এডিস মশার প্রজননের জন্য অনুকূল পরিবেশ আমাদের চারপাশেই রয়েছে। এজন্যই সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি।

দেশব্যাপী ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে বরং সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা। এজন্য প্রথমে দরকার জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। কেননা, এডিস মশার উৎপত্তিস্থল আমাদের বাড়ির ভেতর, বাইরে, ছাদ এবং বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি। সুতরাং, আমাদের প্রত্যেকের উচিত বাড়ির আঙিনা সবসময় পরিষ্কার করে রাখার কাজ করা। বাড়ির আনাচে-কানাচে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় পাত্রগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, ব্যবহারযোগ্য পাত্র, যেমন ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেটরের নিচের ভর্তি পানির পাত্রগুলোর মধ্যে যেন কোনোভাবেই একনাগাড়ে পাঁচদিনের বেশি পানি জমে না থাকে। মূলত, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য সকল নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্ত অপরিহার্য।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুর কারণে ৪৭ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। একই সময়ে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৬ জন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ১৭ হাজার ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন। এর আগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন এবং ডেঙ্গুর কারণে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই কেবল হাসপাতালে শেষ নয়, বরং মানুষের বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মস্থল এবং স্থানীয় জনসমাজ থেকে শুরু হতে হবে। রোগীকে দ্রুত শনাক্তকরণ করা, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে সুরক্ষা প্রদান করা, দরিদ্র রোগীদের সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করলে ডেঙ্গু জনিত মৃত্যু ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বৃষ্টিকে যদি ডেঙ্গুর জন্য শুধুমাত্র একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে মনে করা হয়, তাহলে সংকট আরো গভীর হবে। তবে বৃষ্টির পর যদি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা শক্তিশালী করা যায়, তাহলে ডেঙ্গুর এই বার্ষিক দুর্ভোগ থেকে দেশকে পর্যায়ক্রমে মুক্ত করা সম্ভব।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান জানান, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু থেকে বাঁচার জন্য সচেতনতার কোনও বিকল্প নেই। আমাদের চারপাশে মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। এজন্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সকল মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০২ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বাড়তে পারে। এসময় মাথায় পানি দেওয়া ও শরীর মুছে দেওয়ার মাধ্যমে জ্বর কমানোর প্রয়াস নিতে হবে। পাশাপাশি ছয় থেকে আট ঘণ্টা পরপর জ্বরের তীব্রতা অনুযায়ী প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া প্রয়োজন। ডেঙ্গু জ্বরের মূল চিকিৎসা হলো শরীরে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করা। পানির সঙ্গে ফলের রস, স্যুপ, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি, শরবত ইত্যাদি তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।

ডা. হাসান হাফিজুর রহমান উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূলমন্ত্র হচ্ছে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা এবং এই মশা কামড়াতে না পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এডিস মশা স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে, তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং পাশাপাশি মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংঘর্ষের মধ্যেই শান্তি ও সংযমের আহ্বান নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০২ পি.এম


সংঘর্ষের মধ্যেই শান্তি ও সংযমের আহ্বান নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ অবস্থার কারণে দেশটির সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

এই ঘটনার পর, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার সময়, নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি সকল নাগরিক, রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমকে ধৈর্য ও সংযম বজায় রেখে শান্তি, সম্প্রীতি এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার (২৬ জুলাই) ভারতের সীমান্তবর্তী সুনসারি জেলার একটি গ্রামে হিন্দু ধর্মীয় শোভাযাত্রার সময় উচ্চ শব্দে গান বাজানো এবং ধর্মীয় পতাকা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার কারণে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালালে দুজন নিহত হয়ে যান। পরবর্তীতে কারফিউ চলাকালে পাশের সিরাহা জেলায় বিক্ষোভের সময় আরও একজনের মৃত্যু ঘটে।

নেপালের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন করে সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য সুনসারি ও আশপাশের অন্যান্য জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করা হবে এবং যারা দায়ী, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি সম্পদ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নেপালের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ হিন্দু ধর্মাবলম্বী, তবে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনগোষ্ঠী রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%