সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৫ পি.এম
সময় গড়িয়ে এক বছর পার হলেও প্রিয় সহকর্মীর আকস্মিক বিদায়ের ক্ষত আজও তাজা বরিশালের গণমাধ্যম কর্মীদের হৃদয়ে। বিপদ-আপদে সহকর্মীদের পাশে ছুটে যাওয়া, তরুণ সাংবাদিকদের হাত ধরে পথ দেখানো আর প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সবাইকে মাতিয়ে রাখা সেই মুখটি আজ শুধুই স্মৃতি। তরুণ সাংবাদিকদের আস্থা ও ভরসার প্রতীক, ‘দৈনিক কালবেলা’র বরিশাল ব্যুরোর সাবেক প্রধান আরিফিন তুষারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর নগরীর সদর রোডস্থ হাবিব ভবনে নিজ কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। মাত্র ৩৮ বছর বয়সে অকালেই থেমে যায় তাঁর কর্মমুখর জীবন। তাঁর এই হঠাৎ বিদায়ে সেদিন গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছিল পুরো বরিশাল অঞ্চলের সাংবাদিক অঙ্গনে।
আরিফিন তুষারের প্রয়াণদিবসে সহকর্মীরা স্মৃতিকাতর হয়ে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন। তাদের মতে, আরিফিন তুষার কেবল একজন সংবাদকর্মীই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন তরুণ লেখকদের অভিভাবকতুল্য। পেশাগত বা ব্যক্তিগত—যেকোনো সংকটে নিজের স্বার্থ ভুলে সহকর্মীদের সহযোগিতায় সবার আগে এগিয়ে আসতেন তিনি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বরিশাল প্রেসক্লাবে নতুন ও সহযোগী সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়াতেও তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনেও ছিল তাঁর বলিষ্ঠ পদচারণা। তিনি বরিশাল প্রেসক্লাবের সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদকের দায়িত্ব দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। এছাড়া ‘বার্তা সম্পাদক ফোরাম, বরিশাল’-এর প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সদস্য হিসেবে সংগঠনটিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
আরিফিন তুষারের পেশাগত জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। ২০০৮ সালে ‘দৈনিক আজকের পরিবর্তন’ পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে তাঁর সাংবাদিকতার যাত্রা শুরু। এরপর ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা ‘বিপ্লবী বাংলাদেশ’-এর চিফ রিপোর্টার, ২০১৪ সালে ‘দৈনিক বরিশালের ভোরের আলো’র যুগ্ম বার্তা সম্পাদক এবং ২০১৮ সালে ‘দৈনিক দখিনের মুখ’-এর বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালে ‘ঢাকা টাইমস’ এবং সর্বশেষ ‘দৈনিক কালবেলা’র বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করে যান তিনি।
প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আরিফিন তুষারের গ্রামের বাড়ি মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নে পরিবার ও ‘বার্তা সম্পাদক ফোরাম, বরিশাল’-এর যৌথ উদ্যোগে স্মারক আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
সহকর্মী, অভিভাবক কিংবা প্রাণের বন্ধু—সব পরিচয়েই আরিফিন তুষার রেখে গেছেন এক অপূরণীয় শূন্যতা। সময়ের নিয়মে দিন গড়ালেও তাঁর কাজ, সহকর্মীদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আন্তরিকতা বরিশালবাসীর স্মৃতিতে তাঁকে চিরকাল জীবিত রাখবে।
তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘খবর বরিশাল’-এর সম্পাদক এইচ আর হীরা বলেন, “কর্মে ও স্মৃতিতে চিরজীবী হয়ে থাকুন আরিফিন তুষার। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর জীবনের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন—আমীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্লাস্টিকজাত পণ্যের ব্যবহার বর্জন করে নিজ হাতে তৈরি বাঁশ, বেত ও প্লুনজাতীয় কুটির শিল্পের পণ্য ব্যবহারে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরী।
তিনি বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে তৈরি কুটির শিল্পের পণ্য শুধু তাদের জীবিকার মাধ্যম নয়, এটি দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশীয় এসব শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
জেলার থানচি উপজেলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানচি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সত্যজিৎ মজুমদার, থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা অনুপম এবং উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সুপারভাইজার মো. আমীর হোসেন।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
নিজেদের তৈরি পণ্য ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করা গেলে একদিকে যেমন দেশীয় কুটির শিল্প রক্ষা পাবে, অন্যদিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে প্রশিক্ষণ সনদ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনার জন্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামী ২৯ অক্টোবর ২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে ঢাকায় শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)-২০২৬’।
রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী এ মেলা চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
আজ রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিটিটিএফ ২০২৬-এর বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন আয়োজকেরা। এতে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।
টোয়াব আয়োজিত এবারের মেলার টাইটেল স্পনসর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করাই মেলার মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানান।
এবারের মেলায় পর্যটন খাতের ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল থাকবে। এতে ২২০টির বেশি এক্সিবিটর, ২৫০ জনের বেশি কোয়ালিফায়েড বায়ার এবং আড়াই হাজারের বেশি ট্রেড ভিজিটর অংশ নেবেন।
মেলায় ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী সমাগম হবে বলে আশা করছেন তারা। চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে এয়ারলাইন্স, হোটেল ও ট্যুর অপারেটররা অংশ নেবে।
তারা আরও জানান, এবারের মেলায় নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণ ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। পাশাপাশি তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানসহ আরও বিভিন্ন দেশের পর্যটন প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সি অংশ নেবে বলে জানিয়েছে আয়োজকেরা।
মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
এ ছাড়া প্লাটিনাম হসপিটালিটি পার্টনার হিসেবে রয়েছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট। পিআর পার্টনার ওপাস কমিউনিকেশনস লিমিটেড, টেকনোলজি পার্টনার এম৩৬০ আইসিটি এবং ট্রান্সপোর্ট পার্টনার কনভয় সার্ভিস।
আয়োজকেরা বলছেন, ১৩ বারের বেশি সফল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন বাজার হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ মেলা।
বিটিটিএফ ২০২৬-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর আন্তর্জাতিক প্রচার আরও বাড়বে, নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরি হবে এবং বৈশ্বিক পর্যটন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশে সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ঠাকুরগাঁওয়ে আখচাষের পাশাপাশি ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) উদ্যোগে ‘আখের সঙ্গে সবুজের বন্ধন’ প্রত্যয়ে ঠাকুরগাঁও সুগার মিল গেটসংলগ্ন পাইকপাড়া ও চিলারং এলাকায় আখ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়।
মো. শামছুজ্জামান সুরুজ আজ এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনকালে বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান কৃষকদের নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, জমির আইল ও আশপাশের খালি জায়গায় গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান মো.শামছুজ্জামান বলেন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং কার্বন শোষণ বাড়ানোর পাশাপাশি বায়ুর মান ও পরিবেশের ভারসাম্য উন্নত করা সম্ভব।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শহর, গ্রাম, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উপকূলীয় এলাকা, চর ও সরকারি বনভূমিসহ বিভিন্ন স্থানে সবুজায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বন্যা, খরা ও অন্যান্য পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষ ও জলাধারভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি জনগণকে সম্পৃক্ত করে জাতীয় সবুজ আন্দোলন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, একটি চারা আজ ছোট হলেও সময়ের সঙ্গে সেটিই ছায়া, অক্সিজেন ও জীববৈচিত্র্যের আশ্রয় হয়ে উঠবে। তাই প্রতিটি বাড়ির আঙিনা থেকে কৃষকের জমির আইল—সবখানেই গাছ লাগাতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আখের মাঠে শুরু হওয়া এই সবুজায়ন একদিন পুরো ঠাকুরগাঁওয়ে ছড়িয়ে পড়বে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য আরও সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিএসএফআইসি সূত্র জানায়, কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি চিনিকলে ১ হাজার করে গাছ রোপণ করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের ১৫টি চিনিকলে মোট ১৫ হাজার গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ উদ্যোগ শুধু গাছ লাগানোর কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য, সবুজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়। একই সঙ্গে বিএনপির ইশতেহারে ঘোষিত ২৫ কোটি চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচিতে আখের সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবে তুলা চাষে অংশ নেওয়া চিলারং গ্রামের কৃষক মো. ফয়েজ উদ্দিন বলেন, আখের জমিতে সাথী ফসল চাষ কৃষকের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করে। পাশাপাশি জমির চারপাশে গাছ লাগালে পরিবেশও সুন্দর হয়।
আরাজী পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক মো. আফজাল হোসেন বলেন, কৃষকের মাঠ শুধু ফসল উৎপাদনের জায়গা নয়, দেশের সবুজ ভবিষ্যৎ তৈরিরও অংশ। তাই আখচাষের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নেপালে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ১০ হাজার মার্কিন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকায় নেপাল দূতাবাসে দেশটির রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারীর হাতে সহায়তার চেক তুলে দেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম।
এ সময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান বলেন, নেপালের এই দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশের মানবিক দায়িত্ব। বিপদগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে এ সহায়তা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও মানবিক সংহতির নিদর্শন।
সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. রফিকুল কবির, ট্রেজারার ডা. আবু মো. মোফাখখারুল ইসলাম এবং তহবিল সংগ্রহ বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. এস. এম. হুমায়ুন কবির এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তহবিল সংগ্রহ বিভাগের উদ্যোগে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ