ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় স্ত্রীর গায়ে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার


খুলনায় স্ত্রীর গায়ে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ওই ব্যক্তির নাম জনি গাজী (২৯), যিনি ঘটনার পর প্রায় এক মাস ধরে পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব-৬ এর মিডিয়া সেল জানায়, শনিবার (৬ জুন) রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডুমুরিয়ার কাঁঠালতলা বাজার এলাকায় অবস্থিত একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে জনি গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ডুমুরিয়া থানায় দায়ের হওয়া স্ত্রী হত্যার মামলার প্রধান আসামি।

मামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জেরে তর্ক-বিতর্কের সময় জনি গাজী তার স্ত্রী বিথি আক্তারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে বিথি গুরুতরভাবে দগ্ধ হন।

আরও পড়ুন: মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রাসিক প্রশাসক রিটন

তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং বিথিকে উদ্ধার করে প্রথমে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে বিথিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার পর নিহতের বাবা, অপুর গাজী, ডুমুরিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই জনি গাজী আত্মগোপন করে ছিলেন।

র‌্যাব জানায়, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য জনি গাজীকে ডুমুরিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে সড়ক ও নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র পর্যায়ে তুরস্কের স‌ঙ্গে বাংলাদেশের যৌথ ক‌মি‌টি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ পি.এম


প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র পর্যায়ে তুরস্কের স‌ঙ্গে বাংলাদেশের যৌথ ক‌মি‌টি গঠন

বাংলাদেশ, তুরস্কের সঙ্গে বিদ্যমান সুসম্পর্ককে পরবর্তী ধাপে উন্নীত করার উদ্দেশ্যে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘২+২ বৈঠক’ আয়োজনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এক্ষেত্রে পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বৈঠক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে করার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায়, নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এই গণসংযোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, শনিবার (৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্পর্ককে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দিকেই দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের নিয়ে প্রতিবছর ‘২+২ বৈঠক’ আয়োজন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বৈঠক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে।

এছাড়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুযায়ী বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অধীনে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

বাংলাদেশে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সফরের শেষ দিনের কার্যক্রম ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয়সমূহ পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা, এবং পরস্পর স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়।

এই সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি নিকট ভবিষ্যতে দুই পক্ষের জন্য সুবিধাজনক সময়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

এদিকে, উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, এদিন রাতে ঢাকা ত্যাগ করেন হাকান ফিদান। ঢাকা ছাড়ার পূর্বে তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিদায়ী বার্তায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব হলো এমন দুটি জাতির বন্ধুত্ব, যারা সাধারণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে কঠিন সময়ে সংহতি প্রদর্শন করে। আমরা এই বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে থাকব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকে দফায় দফায় দলবদ্ধ ধর্ষণ, ২ কিশোরকে পুলিশে দিল গ্রামবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


শিশুকে দফায় দফায় দলবদ্ধ ধর্ষণ, ২ কিশোরকে পুলিশে দিল গ্রামবাসী

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এক শিশুকে (৮) দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোরকে আটক করে গ্রামবাসী পুলিশে সোপর্দ করেছে।

ভুক্তভোগী শিশুর নানির অভিযোগ অনুসারে, এর আগে গত অগ্রহায়ণ মাসে একইভাবে ওই দুই কিশোর তার নাতনিকে ধর্ষণ করেছিল।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার সীমান্ত এলাকা শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের লামাকাটা গ্রামের স্থান থেকে তাদের আটক করা হয় এবং পুলিশের কাছে উপস্থাপন করা হয়।

আটক দুই কিশোর তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের কলাগাঁও পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা। শিশুটির বাবা তার মাকে ফেলে চলে গেছে এবং সে তার নানার বাড়িতে বসবাস করে।

গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে কলাগাঁও গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় ওই শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম দুই কিশোরের আটক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বয়সও কম। শিশুর নানি থানায় অভিযোগ করেছেন। ভিকটিম শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং আটক দুই কিশোরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

পুলিশ, এলাকাবাসী এবং ভুক্তভোগী শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিশুটির বাবা কয়েক বছর আগে তার মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তার মা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে গ্রামীণ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। গত ৪ জুন বিকেলে তার নানার বাড়ির প্রতিবেশী দুই কিশোর শিশুটিকে জোর করে ধরে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে শিশুটি রক্তাক্ত হয়ে পড়লে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ওই দুই কিশোর। বিশাল ভোগান্তির পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে এসে ঘটনাটি জানালে অভিযুক্তদের পরিবার বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করে এবং শিশুর চিকিৎসার জন্য কিছু টাকা দেয়। শিশু আক্রান্ত হওয়ার পরে তার নানার পরিবার অত্যন্ত হতদরিদ্র হওয়ায় তারা এলাকার গ্রাম্য চিকিৎসকদের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। কিন্তু গত দুই দিন ধরে শিশুটির রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং বিষয়টি সকলের জানাজানি হয়ে যায়। এরপর গ্রামের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে পাশের লামাকাটা গ্রাম থেকে অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করে কলাগাঁও বাজারে আটকে রাখে এবং পরে পুলিশে কাছে তাদেরকে তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
তেহরানের গবেষক আলি আকবর দারেইনি

ইরান না পারলে এই অঞ্চলের কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


ইরান না পারলে এই অঞ্চলের কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না

তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক এবং লেখক আলি আকবর দারেইনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, অঞ্চলটি একটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, যদি ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারে তাহলে এই অঞ্চলের কেউ তা পারবে না।

আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটি জানান। শনিবার (৬ মে) সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে আলি আকবর দারেইনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপ আমাদের একটি বৃহত্তর যুদ্ধের আরও কাছে নিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমরা একটি স্বল্পমাত্রার যুদ্ধের মধ্যে আছি, ফলে এখন কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।’

তিনি আরও জানান, ইরান তিনটি বিষয় চাইছে। বলেন, ‘প্রথমত, জাহাজগুলোকে পারস্য উপসাগরে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক থেকে প্রবেশ এবং দক্ষিণ দিক থেকে বের হওয়ার জন্য ইরানের নির্ধারিত করিডোর দিয়ে যেতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরান যে পরিষেবা দিচ্ছে তার জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। তৃতীয়ত, জাহাজগুলো এমন কোনো পণ্য বহন করতে পারবে না, যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে অথবা দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।’

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘ইরান এই শর্তে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে প্রণালি দিয়ে যেতে দিচ্ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র চায় না যে ইরান এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিক, আর একারণেই বাড়ছে উত্তেজনা।’

ইরানের সক্ষমতার বিষয়েও মন্তব্য করেছেন এই গবেষক। বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের লঙ্ঘনকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেয়ার চেয়ে ইরান তার প্রতিশোধের পরিধি বাড়াতেই বেশি পছন্দ করছে, এমনকি তা বড় আকারের যুদ্ধের দিকে গড়ালেও ইরান তা করবে। ইরানের রেড লাইন স্পষ্ট, আর তা হলো- ইরান যদি তেল রপ্তানি করতে না পারে, তবে এই অঞ্চলের কেউই তা পারবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৫২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৫২

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে থাকা ৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালানোর মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

ডিএমপির পক্ষ থেকে আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সোনিয়া খাতুন (২৭), আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু, মো. সাগর মিয়া ওরফে সুমন (২৫), মোছা. কল্পনা আক্তার (২৫), পারভীন বেগম (৪১), সৈয়দ ইমাম হোসেন সামি (২১), মো. আমিরুল ইসলাম (২৮), মো. কামরুল হাসান রনি (৪৭), পুন্নি আক্তার (২১), মো. রোহন আলী (২০), মো. জাফরান (২০), মো. যোবায়ের রহমান (২১), মো. সিয়াম আহম্মেদ (১৮), মো. ইয়াসিন সিকদার (২০), মো. মাহমুদুল হাসান (২৬), জুম্মন আলী ওরফে সুমন ওরফে সোহেল (৫১), মো. বাল্লি, ওয়াহিদ মুরাদ (৩৭), মো. জাহিদ হাসান মুন্না (১৯), মো. জালাল (২০), মো. আবিদ হোসেন রিপন (৩৫), মো. আলাউদ্দিন আমিন (২৬), মো. সোয়েব হোসেন (২৬), মো. রুবেল (৩৫), মো. শাহাদাৎ (২২), মো. দিলদার (২৫), মো. বিপ্লব (৩২), মো. আলম সৌকত (৪৫), মো. মাসুম (২৫), মো. আক্কাস আলী (৩৫), মো. রাসেল (৩২), মো. রাজিব (২৭), মো. রায়হান (৩০), মো. রনি আহমেদ (২৮), মো. রাজু (১৮), মোস্তফা কামাল শাওন (২৯), শুভ হোসেন শাওন (২২), ইমন পারভেজ (২৩), আলমগীর আলী (৪০), জাবেদ হোসেন (২৮), মো. তারেক (২৫), মো. মহরম আলী (৪০), মো. রাজা মিয়া (৩৫), মো. সজিব মোল্লা ওরফে ইদ্রিস মোল্লা (২২), ইমন পারভেজ (২৩), মো. সুজন (১৮), মো. আলমগীর হোসেন (৩০), মো. শরিফুল ইসলাম (৩৫), মো. মজিবুর রহমান আকাশ (২৭), তানিম রহমান (২৭), সৈকত (২৪) এবং মো. মেহেদী হাসান সজীব (২৩) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৭ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ৫ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ২০ জন, আদাবর থানায় ৫ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৮ জন এবং হাতিরঝিল থানায় ৭ জন রয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%