মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
০৬:৩৫ পি.এম
সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের রথযাত্রা উৎসবকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়ের সভাপতিত্বে নওগাঁ জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে পুলিশ সুপার মহোদয় উপস্থিত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তিনি রথযাত্রা উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিতব্য শোভাযাত্রা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানসমূহ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে জেলা পুলিশের গৃহীত সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের মতামত, পরামর্শ ও বিভিন্ন বিষয় মনোযোগসহকারে শ্রবণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা রথযাত্রা উপলক্ষে নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, শোভাযাত্রার রুট এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। রথযাত্রা উৎসব যেন আনন্দ, উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাধার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীর তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে দেড় হাজারের বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বারশ আল জাজিরাকে বলেছেন, ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যে গাজার স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে ‘চরম দুর্বিষহ পরিস্থিতির’ মধ্যে কাজ করছে। তিনি বলেন, প্রতিদিনই আমরা রোগী হারাচ্ছি।
মুনির আল-বারশ আরও উল্লেখ করেছেন যে, দখলদার বাহিনী আজ পর্যন্ত যে চিকিৎসাসামগ্রী গাজায় প্রবেশ করতে দেয়নি, তার কারণে কিডনি রোগীদের ৫০ শতাংশেরও বেশি মারা গেছেন।
তিনি দাবি করেন, চিকিৎসাসামগ্রী গাজায় প্রবেশে ইসরায়েলি বাধা অব্যাহত থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
এর ফলে প্রয়োজনীয় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিশেষায়িত সেবার অভাবে রোগীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় দুই নায়িকা অপু বিশ্বাস এবং শবনম বুবলীর মাঝে সম্পর্কের দ্বন্দ্ব নতুন কোনো বিষয় নয়। দুই নায়িকার এই সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝেই ঘন ঘন আলোচনায় উঠে আসে ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহার নাম। সম্প্রতি তিনি একটি সাক্ষাতকারে অকপটে অপু ও বুবলীকে নিয়ে কথা বলেছেন এবং দুই নায়িকাকে নিয়ে বেশ কিছু অজানা তথ্য জানিয়েছেন। আসলে সন্তানদের বিষয়েও আলোচনা বাদ পড়েনি।
গৌতম সাহার আলোচনা থেকে জানা যায়, সিঙ্গাপুরে অপু বিশ্বাসের বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে তিনি বিভিন্ন তথ্য শোনার চেষ্টা করছেন। সেই সাথে তিনি শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অপুর মানসিক অবস্থারও ধারণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে অপুর বিয়ের বিষয়টি দেখেছেন। গুঞ্জন সত্যি হলে তিনি শুভকামনা জানাবেন, তবে যদি এটি মিথ্যা হয় তবে মোটেও অবাক হবেন না। তিনি মনে করেন, অপু বিশ্বাস নিজের ক্ষমতাতেই এগিয়ে যেতে সক্ষম।
গৌতমের মতে, অর্থ এবং সাফল্য জীবনকে সুখী করতে যথেষ্ট নয়। একজন নারী হিসেবে অপুর একটি সুখী সংসার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তার বাবা-মা নেই, একটি ছোট্ট ছেলে জয় রয়েছে, সব মিলিয়ে তার নতুন করে সুখী হওয়ার সুযোগ পাওয়া উচিত বলে তিনি মনে করছেন।
তথ্য অনুযায়ী, সেই আলোচনায় তিনি অপু ও শাকিব খানের বিচ্ছেদের পর অপুর কঠিন সময়ের কথাও তুলে ধরেন। গৌতম জানান, সেই পরিস্থিতিতে অপুকে মানসিকভাবে শক্ত রাখতে বহু রাত জেগে কথা বলেছেন তিনি। সাহস জুগিয়েছেন এবং নতুন করে ক্যারিয়ারে ফিরতে সহায়তা করেছেন। পরে তৃতীয় কোন ব্যক্তির কারণে তাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
বর্তমানে গৌতম সাহা নিয়মিত শবনম বুবলীর সঙ্গে কাজ করছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অনেক প্রতিষ্ঠিত নায়িকার সাথে কাজ করেছেন, কিন্তু বুবলীর মতো সহযোগিতাপরায়ণ মানুষ খুব কমই দেখেছেন বলে তিনি মনে করেন। বুবলীর কাজের প্রতি আন্তরিকতা ও সহযোগিতার মনোভাব গৌতমকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে।
অপু ও বুবলীর দুই সন্তান জয় এবং বীর সম্পর্কে গৌতম বলেছেন, দুই ভাইয়ের স্বভাব একেবারেই আলাদা। জয় খুব প্রাণবন্ত এবং দুষ্টুমি করতে ভালোবাসে, অন্যদিকে বীর শান্ত স্বভাবের এবং নিজের মতো করে থাকতে পছন্দ করে।
অপুর সঙ্গে আগের মতো যোগাযোগ না থাকলেও, ভাই-বোনের মতো সম্পর্কের হাসি-আড্ডার দিনগুলো এখনও গৌতম সাহার মনে রয়েছে। তিনি একসময় অপুর সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিলেন, কিন্তু এখন তিনি বুবলীর আস্থার নাম হয়ে উঠেছেন। দুই নায়িকাকে ঘিরে গৌতম সাহার এই অকপট স্বীকারোক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ (চাল) প্রদানের লক্ষ্যে জেলে পরিবারের তালিকা হালনাগাদ করণে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ’র সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সহকারী কমিশনার মো. এমাদুল হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপুসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সচিবসহ স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পূর্বের তালিকা থেকে ভূয়া জেলে বাদ দিয়ে হালনাগাদকৃত তালিকায় প্রকৃত জেলেদের নাম অর্ন্তভুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, আদালতের রায় হাতে নিয়েও তিনি মাদরাসায় যোগদান ও দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। অধ্যক্ষ জানান, মাদরাসায় প্রবেশ করার সময় পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
এ ঘটনায় রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ডাকবাংলো মোড় এলাকায় অবস্থিত একটি রিসোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগগুলি তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ তাকে মাদরাসা থেকে বের করে দেন। এর পর তার বিরুদ্ধে অনৈতিক অভিযোগ তুললে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করা হয়, যার ফলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
বলেন, বরখাস্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দাখিল করলে আদালত আদেশ দেন তাকে স্বপদে বহাল রাখতে এবং যোগদান serta বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর প্রতিপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও আপিল খারিজ হয়ে যায় এবং হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।
অধ্যক্ষের দাবী, আদালতের রায়ের কপি নিয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ফের পরিচালনা কমিটির সদস্যরা তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়।
এই ঘটনায় তিনি নওগাঁর আমলি আদালতে দুটি মামলা দায়ের করেছেন। একটি মামলায় কয়েকজন আসামি কারাগারে গেছেন বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অডিট ও আইন শাখা থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয় যে অনৈতিক অভিযোগ ছয় মাসের মধ্যে প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীকে স্বপদে পুনর্বহাল ও বেতন-ভাতা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরও তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি এবং বেতন-ভাতাও পরিশোধ করা হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা দাবি করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
অপর দিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ আমান। তিনি বলেছেন, ‘চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়। বর্তমান কমিটি তার কাছে মাদরাসার আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়েছিল। পরে তিনি আদালতে মামলা করেন। তিনি যদি আজ মাদরাসায় আসেন, তবে আজ থেকেই আমরা তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত।’
এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেছেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কেউ আমার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসেননি। কাগজপত্র পেলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ