মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৬:০৪ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় প্রবাসীর স্ত্রী হিসাবে পরিচিত শামিমা খাতুনসহ একই পরিবারের ৪ জনকে মারধর এবং কুপিয়ে জখম করার একটি অভিযোগ সংবাদে উঠে এসেছে। রবিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মাঝপাড়া গোরস্থান এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। আহতদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছেন সৌদি প্রবাসী আব্দুর রাকিবের স্ত্রী শামিমা খাতুন, তার বাবা আব্দুস সামাদ, মা খাইরুন নেসা এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জলি বেগম।
এই ঘটনার পর আহত জলি বেগম বাদি হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী এবং আহতদের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মাঝপাড়া এলাকায় বাপ্পি নামের এক ব্যক্তি একটি দীর্ঘ সময় ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। রবিবার বিকেলে শামিমা খাতুন তাকে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা করতে নিষেধ করেন এবং প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক ব্যবসায়ী বাপ্পির নেতৃত্বে নুরুজ্জামান, মিম এবং নাসিমা বেগম দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিতভাবে শামিমার ওপর হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে আসে।
হামলার সময় শামিমার চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে তার বাবা, মা ও ভাইয়ের স্ত্রী এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা তাদেরও এলোপাতাড়ি মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা আহত চারজনকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
রাত ৮ টার দিকে আবারও বাপ্পির নেতৃত্বে নুরুজ্জামান, মিম ও নাসিমা বেগমসহ ৮-১০ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রবাসীর স্ত্রী শামিমা খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির দরজা এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়, এমনটাই অভিযোগ করেছে হামলার শিকার পরিবার।
আহত শামিমা খাতুন বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে আসছে। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করায় তারা আমার ওপর হামলা করেছে। এমনকি মারধরের সময়কার ভিডিও ধারণ করে মোবাইল বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখলেও জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় এবং শ্লীলতাহানি করে। মারধরের পর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার সময় লোকজন নিয়ে মারার জন্য জরুরি বিভাগে আসে তারা। পরে পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছালে হামলাকারীরা চলে যায় এবং আমাদের চিকিৎসা হয়। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এনিয়ে কথা বলতে বাপ্পি এবং নুরুজ্জামানের মোবাইল ফোনে কল দিলে তার ব্যবহৃত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন জানান, পূর্ব শত্রুতার কারণে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে হামলা, মারধর এবং ভাঙচুরের ঘটনা কি নিয়ে তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের এক ব্যবসায়ী প্রমাণ করেছেন, প্রতারিত মানুষ কতটা বেপরোয়া হতে পারেন। ভালোবেসে বিয়ে করা স্ত্রী তার নগদ টাকা, সম্পত্তির দলিল এবং মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।
তার আগে বিয়ের পরপরই গাড়ির ব্রেক নষ্ট করে তাকে হত্যারও চেষ্টা চালায় সেই নারী।
বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি লি পিং নামের ওই বিনিয়োগ ব্যবসায়ী। তিনি পালিয়ে যাওয়া স্ত্রীকে খুঁজে পেতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যয়বহুল এক অভিযান শুরু করেন।
৯ বছর ধরে অভিযান চালিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত বের করেন সেই প্রতারককে। এতে তার ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি রুপি।
৫২ বছর বয়সী লি পিং সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। বিষয়টি চীনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। চীনা একটি নিউজ পোর্টাল জানিয়েছে, ১৫ মিনিটের ভিডিওতে ৬৯ হাজারেরও বেশি লাইক পড়েছে এবং মন্তব্য করেছেন ৯ হাজারেরও বেশি মানুষ।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লি জানিয়েছেন যে, ১৯৯৬ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে তিনি ৭০ মিলিয়ন ইউয়ানেরও বেশি আয় উপার্জন করেছিলেন।
২০১৪ সালে একটি ব্যবসায়িক ফোরামে অংশ নেওয়ার সময় তার সঙ্গে ঝাং শুদান নামের এক নারীর পরিচয় ঘটে। তিনি একজন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ছিলেন।
আলাপে জানতে পারেন, তারা দুজনেই চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের হানঝং-এর বাসিন্দা। পরিচয়ের এক পযায়ে ঝাং লির কাছে তার জীবনের বেদনাদায়ক কাহিনী তুলে ধরেন। ঝাং দাবি করেন, তার বাবা-মা তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।
এক দরিদ্র দম্পতির কাছে তিনি বেড়ে উঠেছেন। ঝাং আরো দাবি করেন, নিজের চেষ্টায় পড়াশোনা করে তিনি ব্যাংকার হতে পেরেছেন।
পরে লি বুঝতে পারেন, পরিচয়ের আগেই ঝাং তার আর্থিক সামর্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন। সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হলে লি ঝাং যে ব্যাংকে কাজ করতেন সেখানে ২০ মিলিয়ন ইউয়ান জমা রাখেন।
যে বৃদ্ধ দম্পতি ঝাংকে আশ্রয় দিয়েছেন, তাদের চিকিৎসার কথা বলে ঝাং প্রায়ই লির কাছ থেকে অর্থ ধার নিতেন। ২০১৫ সালের শুরুতে ঝাং জানায়, তিনি লি’কে ভালোবাসেন।
তিনি লির সন্তানের মা হওয়া এবং একসঙ্গে সংসার করার স্বপ্ন দেখান। ঝাং লির আট বছর বয়সী মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নেয়ারও অঙ্গীকার করে। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে ঝাং দাবি করেন যে, তিনি গর্ভবতী।
পরের মাসে লি শেনঝেনে সাড়ে ৭ মিলিয়ন ইউয়ান মূল্যের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনে সেটি ঝাং-এর নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। এর কিছুদিন পরই তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন।
বিয়ের পর দিন লি তার একটি বন্ধুর সঙ্গে গাড়ি চালিয়ে শেনঝেনে ফিরছিলেন। আর ঝাং ফিরছিলেন বিমানে। পথে গাড়ির ব্রেক বিকল হয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। তখনও লি কোনো সন্দেহ করেছিলেন না।
স্ত্রী, সংসার আর অনাগত সন্তানের স্বপ্নে বিভোর ছিলেন তিনি। কয়েক দিন পর, ঝাং লির কাছে অনুরোধ জানান তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যেন ১০ মিলিয়ন ইউয়ান জমা দেওয়া হয়। ঝাং দাবি করে এতে তার পেশাগত উন্নতির পথ সহজ হবে।
সম্পূর্ণ অর্থ না পারলেও লি ২ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন ইউয়ান জমা করেন ঝাং-এর একাউন্টে। তারপরেই হাওয়া হয়ে যান ঝাং।
পরে পুলিশ জানতে পারে, ঝাং হংকং হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে চলে গেছেন। লি দাবি করেন, যাওয়ার সময় ঝাং তার অর্থ, চারটি সম্পত্তির মালিকানার দলিল এবং মূলবান সব কাগজপত্র নিয়ে গেছে।
ভালোবাসার স্ত্রী এভাবে ধোঁকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া লি খুব কষ্ট পেয়েছেন। পরে যখন জানতে পারেন, সমস্ত সম্পত্তি দখল করতে ঝাং এবং তার এক সহযোগী মিলে গাড়ির ব্রেক নষ্ট করে তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, তখন সেই কষ্ট আরো বাড়ে।
লি তার ভিডিওতে বলেছেন, 'তিনি যদি কেবল আমার টাকা আত্মসাৎ করতে চাইতেন, তবে আমি হয়তো এই বিষয়ে আর এগোতাম না। কিন্তু আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে তার আমার গাড়িটি নষ্ট করা উচিত হয়নি। তার পরিকল্পনা স্পষ্টতই ছিল আমার স্ত্রী হিসেবে আমার সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া।'
ঝাংকে খুঁজে বের করতে মরিয়া লি তার হদিস পেতে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কারের ঘোষণা দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চীনা সামাজিক সংস্থা, গির্জা এবং মাতৃত্বকালীন ক্লিনিকে যোগাযোগ করেন।
লি চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রে আইনজীবী ও ব্যক্তিগত গোয়েন্দা নিয়োগ করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ অবশেষে ঝাং এবং তার সন্তানকে খুঁজে পায়। পরে একটি ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়, সন্তানটি লির নয়।
লি জানান, ঝাং আইনগতভাবে তখনও তার স্ত্রী থাকায় প্রাথমিকভাবে তার প্রতারণার মামলাটি থমকে গিয়েছিল। তবে শেনঝেনের একটি আদালত তাদের বিয়ে বাতিল করে এবং ঝাং-এর নামে নিবন্ধিত চারটি সম্পত্তি লির কাছে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
লি আরো দাবি করেন, ২০২৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত ঝাং-কে প্রতারণা, অবৈধ অভিবাসন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা, শিশু অপহরণ এবং মানবপাচারসহ ২৩টি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ৬৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এসব অপরাধে ঝাং-এর বেশ কয়েকজন সহযোগীও ছিল বলে দাবি করেন লি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে না পারা পরীক্ষার্থীরা বিশেষ সুযোগ পাবেন।
মন্ত্রী জানান, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এ সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ পাঁচ জেলাÑচট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরে ঢাকা-সহ দেশের কয়েকটি জেলায়ও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরীক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও অন্যান্য অনিবার্য কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। এসব পরীক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ড. মিলন বলেন, যেসব পরীক্ষার্থী প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা অনিবার্য কারণে কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ত্রুটি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে বলেন, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, সে কারণে কোনো পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। ওই দু’টি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হত্যা মামলায় দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দন্ডিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রত্যেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো: মজিবুর রহমান বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে এই রায় দেন। রায় ঘোষনার সময় দন্ডপ্রাপ্তরা পলাতক ছিলো।
দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো: ইউনুস আকনের ছেলে মো: কামরুল আকন এবং চরকখালী গ্রামের মো: টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো: সোহাগ হাওলাদার রয়েছেন। হালকা আলাপের মাধ্যমে জানা গেছে যে, ওই হত্যার ঘটনায় অন্য আসামী মো: ইউসুফ আকনকে আদালত খালাস দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে আসামী কামরুল, সোহাগ ও ইউসুফসহ আরো ২/৩ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো: হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটির প্রেক্ষিতে নিহতের পিতা বাদী হয়ে কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার এবং ইউসুফ আকনসহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশীট দিলে আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কামরুল আকন এবং সোহাগকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন পিপি আবুল কালাম আকন এবং আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা অব্যাহত রাখা এবং শিক্ষার্থীদের 'ফার্মের মুরগি' বলে কটূক্তি করার কারণে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করে পিরোজপুরের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২ টার সময় পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের সামনে থেকে শিক্ষার্থীরা একটি মিছিল শুরু করে।
শিক্ষার্থীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের সিও অফিস চত্বরে এসে সড়ক অবরোধ করে ফেলে।
এই সময় শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাওয়া সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পরে ৩ টার দিকে পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার সহ পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের একটি দল শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে শান্ত করে।
এবং আন্দোলন থামিয়ে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও স্বল্প সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে।
পরে তারা স্বেচ্ছায় সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পুরো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ