ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘হানি ট্র্যাপে’ জড়িয়ে জঙ্গিদের সহায়তা, ঝাড়খণ্ডে নারী আটক


‘হানি ট্র্যাপে’ জড়িয়ে জঙ্গিদের সহায়তা, ঝাড়খণ্ডে নারী আটক

জঙ্গিরা প্রথমে রাজনীতিবিদ, ভিআইপি বা ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে। তারপর তারা টার্গেটের পেছনে সুন্দরী নারীদের লেলিয়ে দেয়। টার্গেট যদি সেই ‘হানি ট্র্যাপে’ পা দেয়, তখন তার কাছ থেকে ব্যক্তিগত বা প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেয়া হয়। এক পর্যায়ে টার্গেটকে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করা হয় অথবা আরও তথ্য দিতে বাধ্য করা হয়।

এবার শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জঙ্গিদের হানি ট্র্যাপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স-এসটিএফ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের একটি আবাসন কমপ্লেক্সে ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকে মোহাম্মদ হামিম মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে।

হামিম মণ্ডলের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মোহাম্মদসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে। হামিম মণ্ডলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসটিএফ শুক্রবার ঝাড়খন্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে তার প্রেমিকা এবং জঙ্গি নেটওয়ার্কের সদস্য অর্পিতা সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

হামিম মণ্ডলকে বর্ধমান আদালত ইতিমধ্যে ১৪ দিনের এসটিএফ হেফাজতে পাঠিয়েছে। তাকে বর্ধমান থেকে কলকাতায় এনে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করার পর অর্পিতা সরকারকেও বর্ধমান থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাকেও হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের আইজি গৌরব শর্মা জানিয়েছেন, অর্পিতা সরকারকে মূলত একজন সিনিয়র রাজনীতিবিদ এবং তার ছেলেকে হানি ট্র্যাপে ফেলে ব্ল্যাকমেইল ও বিপুল টাকা আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। গোয়েন্দাদের দাবি, অর্পিতার আড়ালে একটি বড়সড় সুসংগঠিত জঙ্গি চক্র কাজ করছিল।

অর্পিতা প্রভাবশালীদের প্রলুব্ধ করে সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি, উদ্ধারকৃত ব্যক্তিদের অপহরণ করে জঙ্গি সংগঠনে যুক্ত করার মতো অ্যাসাইনমেন্টও পেত।

বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হামিমের মোবাইল ও ল্যাপটপের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা করে জানা গেছে, তার মূল দায়িত্ব ছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধি অনুসরণ করা। মুখ্যমন্ত্রী যখন নিউটাউনের ফ্ল্যাটে ফিরতেন, সেই যাতায়াতের নির্দিষ্ট রাস্তাগুলোতে সরাসরি গিয়ে রেকি করত হামিম মন্ডল।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

হামিম মূলত পাকিস্তানভিত্তিক হ্যান্ডলার এবং পুলওয়ামা হামলার অন্যতম প্রধান, অভিযুক্ত সাজ্জাদ ভাটের জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পূর্ব ভারতে অনলাইন মাধ্যমে উগ্রপন্থী আদর্শ ছড়ানো এবং আরএসএস ও বিজেপির বড় নেতাদের তথ্য সংগ্রহ করাও ছিল তার মূল দায়িত্ব। আর তথ্য সংগ্রহ করার কাজে হামিম ব্যবহার করত তার প্রেমিকা অর্পিতা সরকারকে। অর্পিতা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মণ্ডলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এবং তদন্তের সময় পুলিশ তাদের দুজনের কথোপকথনের স্ক্রিনশট উদ্ধার করেছে।

তদন্তে জানা গেছে, দিল্লির একটি পূর্ববর্তী আন্দোলনের সময় নাশকতা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে পুলিশের ভুয়া পোশাক বা ইউনিফর্ম জোগাড় করার পরিকল্পনা ছিল এই নেটওয়ার্কটির, যার সঙ্গে অর্পিতা ও হামিমের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

হামিম মণ্ডলের গ্রেপ্তার নিয়ে জানতে চাওয়া হলে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি সংবেদনশীল বিষয়। এসটিএফ এবং সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তারা মামলাটি দেখছেন। তার আন্তর্জাতিক যোগাযোগ থাকতে পারে, পুলিশ তদন্ত করছে।’

আরও পড়ুন: ভারতে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাতে চায় জাপান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটি সেতুর অভাবে ধামরাইয়ের ৩০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ পি.এম


একটি সেতুর অভাবে ধামরাইয়ের ৩০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠ ধামরাই এবং মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার সংযোগস্থলে ধলেশ্বরী শাখা নদীর উপরে স্থায়ী সেতুর অভাবে লক্ষাধিক বাসিন্দা চরম যোগাযোগ সংকটে পড়েছেন। প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষজন যুগের পর যুগ ধরে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জনপদের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি জরাজীর্ণ ও নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো। কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে মুমূর্ষু রোগীর জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি— সবকিছু এখন থমকে আছে এই ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে।

এই অঞ্চলে ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, একপারে ঢাকা জেলার ধামরাই এবং সাভার উপজেলার মূল ভূখণ্ড বিস্তৃত হয়েছে। অপরদিকে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা রয়েছে। কিন্তু মাঝখানে ধলেশ্বরী শাখা নদী দুটি পারকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে প্রায় ৩০টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষকে। প্রতিদিন হাজার হাজার কর্মজীবী ও সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে এই জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোর মাধ্যমে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। বর্তমানে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হালকা যানবাহনও এই নড়বড়ে অবকাঠামোর ওপর দিয়ে চলাচল করছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

নদীবেষ্টিত এলাকায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে গড়ে উঠেছে ৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫টি কিন্ডারগার্টেন এবং ৩টি মাদ্রাসা। কিন্তু এখানে যাতায়াত ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে ফোর্ডনগর উত্তর পাড়াসহ সংলগ্ন এলাকার শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের প্রতিদিন চরম উৎকণ্ঠা মুখোমুখি হতে হয় নদী পারাপারে। এছাড়া, সাভারের বিভিন্ন উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত চার শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য এ ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোই একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম।

যোগাযোগের এই বিপর্যয় মানুষের জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা খাতে সবচেয়ে বড় আঘাত হেনেছে। নদীর ওপারের ১৩টি গ্রামে কোনো হাসপাতাল বা মানসম্মত চিকিৎসা কেন্দ্র না থাকায়, জরুরি সেবার জন্য সাভারের হাসপাতালগুলোই বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু নৌপথ অথবা সাঁকোর সীমাবদ্ধতার কারণে মুমূর্ষু রোগী বা প্রসূতি মায়েদের সময়মতো হাসপাতালে স্থানান্তর অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা রিয়াজ হোসেন জানান, কাগজে-কলমে প্রক্রিয়াকরণের আশ্বাস পেয়েছেন বেশ কয়েকবার। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কবে শেষ হবে এই অন্তহীন অপেক্ষা? রাজধানী ঢাকার এত কাছে থেকেও এই মধ্যযুগীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণই এখন তাদের প্রধান দাবি।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন জানিয়েছেন, জনসাধারণের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ এবং স্থায়ী সেতুর দাবির বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করে পাঠানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, খুব শীঘ্রই এই সেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনারগাঁয়ে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০০ পি.এম


সোনারগাঁয়ে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি অভিযান চালানো হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত উক্ত অভিযানে দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। একই সাথে গুরুতর ত্রুটির কারণে একটি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন কাঁচপুর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত জানায়, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল এবং মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে দেখা যায়, উভয় প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় কিন্তু তা নবায়ন করা হয়নি। এছাড়া মেডিকেল বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ না করে অপরিকল্পিতভাবে ফেলা হচ্ছিল। প্যাথলজি ল্যাবেও প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি, যা রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এসব অনিয়মের দায়ে রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতালকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময়েই জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। এছাড়া মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে গুরুতর অনিয়ম শনাক্ত হওয়ায় সেটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দিচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম বলেন, "জনগণের নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নিয়মিতভাবে চলবে।" অভিযানের সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা বিশেষ নির্দেশনা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা বিশেষ নির্দেশনা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর

রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে পুলিশ ব্যবহৃত যানবাহনগুলোকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য বা দুষ্কৃতকারীরা পুলিশের জিপ, পিকআপ, বাসসমেত নানা ধরনের যানবাহনের ওপর হামলা চালাতে পারে, এই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ের সমস্ত ইউনিটকে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশ সদরদপ্তরের একটি জরুরি বার্তা থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

এই জরুরি বার্তাতে বলা হয়েছে, পুলিশের যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শিথিলতা বা অবহেলা করা যাবে না। বিশেষ করে ডিউটির সময় এবং ডিউটি শেষে পার্ক করা যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এতে সরাসরি ঘোষণা করা হয়েছে, ডিউটি চলাকালীন যদি কোনো যানবাহন সাময়িকভাবে থামাতে হয় তবে সেটি নিরাপদ স্থানে পার্ক করতে হবে এবং পুলিশের সদস্যরা যাতে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই চালক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য ছাড়া যানবাহন ফেলে রাখা যাবে না। এর অর্থ হলো, আনঅ্যাটেনডেড অবস্থায় কোনো পুলিশি যানবাহন রাখা যাবে না এবং এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া, ডিউটি শেষে থানাসমূহ, পুলিশলাইনস, অফিস কম্পাউন্ড বা অন্যান্য নির্ধারিত স্থানে রাখা সব সরকারি যানবাহনের নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব স্থানে নিয়মিত টহল দেওয়া, প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু চিহ্নিত করার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বার্তায় বিষয়টিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে, দেশের সব মহানগর, রেঞ্জ, জেলা এবং ইউনিটের কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে উৎসবের আমেজ: ব্যাচ-৯৬-এর ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রাণের উচ্ছ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


কুড়িগ্রামে উৎসবের আমেজ: ব্যাচ-৯৬-এর ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রাণের উচ্ছ্বাস

"বন্ধুত্ব কোনো দিনের নয়, নয় কোনো ক্ষণ, সুতোর টানে বাঁধা থাকে আজীবনের বন্ধন" এই প্রতিপাদ্যে কুড়িগ্রামে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও দেশীয় সংস্কৃতির আবহে এসএসসি ব্যাচ-৯৬ এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে "ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ২০২৬"।

শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের খলিলগঞ্জ এলাকায় উৎসর্গ নার্সিং সেন্টারের প্রথম তলায় একটি মনোরম মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছিল এই অনুষ্ঠানের। এখানে ব্যাচ-৯৬ এর সদস্যরা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর দেশীয় মৌসুমি নানা ফলের সমাহারে বর্ণিল ফল উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাচ-৯৬ এর ডা: মাঈনুদ্দীন আহমেদ, যিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, মেডিসিন, লিভার ও গ্যাস্ট্রলোজি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড. নজরুল ইসলাম খান এবং হারিছুল বারি রনি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ব্যাচ-৯৬ এর আয়োজক কমিটির আহবায়ক আমিনুুল ইসলাম লিটন, যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন মাস্টার, আইয়ুব আলী, শাহিন আহমেদ আপেল, এড. শাহিনুর রহমান শাহিন, সদস্য সচিব খোরশেদ আলম এবং সদস্য রুহুল আমিন। এ সহযোগিতায় ছিলেন, মামুন মোল্লা।

আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, ব্যাচভিত্তিক এমন আয়োজন শুধু পুরোনো বন্ধুদের মিলনমেলা নয়, বরং এটি সামাজিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করার একটি কার্যকর উদ্যোগও বটে। পারস্পরিক সহযোগিতা, বন্ধুত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও সমৃদ্ধ করতেই এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। এতে ব্যাচ-৯৬ এর সদস্যরা সংগীত পরিবেশন করেন। প্রাণবন্ত পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হন এবং করতালির মাধ্যমে শিল্পীদের উৎসাহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে বন্ধুদের মিলিত হওয়া, স্মৃতিচারণ, মেল বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফল ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যাচ-৯৬ সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আনন্দ-উচ্ছ্বাস, আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%