ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজহারী তুলে ধরলেন ঐক্যের দৃষ্টান্ত


আজহারী তুলে ধরলেন ঐক্যের দৃষ্টান্ত

ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে সমাজের বিভিন্ন সংঘাত নিরসন এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ নেতৃত্বের উপর একটি সুন্দর বার্তা শেয়ার করেছেন। তার শিক্ষণীয় পোস্টটি নিচে তুলে ধরা হলো—

সব বিরোধের সমাধান শক্তির মাধ্যমে হয় না। কখনো কখনো প্রজ্ঞা, ন্যায়বোধ এবং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার মানসিকতা সংঘাতকে ঐক্যে পরিণত করার সক্ষমতা রাখে। আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এর একটি অনন্য দৃষ্টান্ত রয়েছে।

বাইতুল্লাহ সংস্কারকাজের সময় হাজরে আসওয়াদকে যথাস্থানে স্থাপন করার প্রয়োজন দেখা দিল। কিন্তু প্রশ্ন উঠল— কে এই পবিত্র পাথরটি যথাস্থানে স্থাপনের সম্মানের অধিকারী হবে?

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

সম্মান পাওয়ার এই আকাঙ্ক্ষা দ্রুতই গোত্রগুলোর মধ্যে তীব্র বিরোধে পরিণত হলো। পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যেকোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হতে পারত। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে নবীজি (সা.) একটি প্রজ্ঞাপূর্ণ সমাধান দিলেন।

তিনি একটি চাদর আনিয়ে তার ওপর হাজরে আসওয়াদ রাখলেন। এরপর প্রতিটি গোত্রের নেতাকে চাদরের একেকটি প্রান্ত ধরতে বললেন। সবাই মিলে পাথরটি নির্ধারিত স্থানের কাছে তুলে আনল। পরে নবীজি (সা.) নিজ হাতে তা যথাস্থানে স্থাপন করলেন।

এভাবে সম্মানের অধিকারী হলো সবাই এবং একটি সম্ভাব্য রক্তক্ষয়ী সংঘাত থেমে গেল। কত সহজেই একটি বিরোধ রক্তপাতের কারণ হতে পারত! অথচ প্রজ্ঞাপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত সবাইকে প্রতিপক্ষের বদলে অংশীদারে পরিণত করল।

সত্যিকারের বিজয় সব সময় অন্যকে পরাজিত করার মধ্যে নেই; কখনো বিজয় হলো এমন একটি সমাধান খুঁজে পাওয়া, যেখানে কেউ পরাজিত হয় না। বরং সবাই শান্তি, সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে সহাবস্থান করে।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

হাজরে আসওয়াদের সেই ঘটনা আজও শেখায়— ভাঙনের মুহূর্তে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমাধানের পথ খুঁজে নেওয়াই হতে পারে সবচেয়ে বড় অর্জন।

মহানবী (সা.)-এর জীবনের এই সুমহান ঘটনা আমাদের শেখায় যে, যেকোনো জটিলতা, বিভেদ কিংবা সংকটে শক্তি বা জেদ না দেখিয়ে প্রজ্ঞা, ন্যায়পরায়ণতা এবং দূরদর্শিতার পরিচয় দেওয়া উচিত। যদি সবাইকে আস্থায় নিয়ে এবং অংশীদারত্ব নিশ্চিত করে সংকট মোকাবিলা করা যায়, তবে কেবল রক্তক্ষয়ী সংঘাতই এড়ানো যায় না, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রে স্থায়ী শান্তি, ঐক্য এবং সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের হাইকমিশনারের ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


পাকিস্তানের হাইকমিশনারের ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। এই পরিদর্শনের সময়, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন।

বৈঠকের সময়, হাইকমিশনার উপাচার্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‍্যাঙ্কিংয়ে ধারাবাহিক সাফল্য ও অভূতপূর্ব অর্জনের জন্য।

আলাপচারিতায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবীর তার পূর্ববর্তী পাকিস্তান সফরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং দেশটির উচ্চশিক্ষার গুণগত মান ও বৈচিত্র্যের প্রশংসা করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, "দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময়ের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।"

পাকিস্তানের হাইকমিশনার বাংলাদেশের সঙ্গে শিক্ষাবিষয়ক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে তার দেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি 'পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর'-এর অধীনে বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যক্রম সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন।

দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে উভয় পক্ষ যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হন। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি (IT), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিক্স এবং সোলার টেকনোলজির মতো প্রতিশ্রুতিশীল খাতগুলোতে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

আলোচনা শেষে, হাইকমিশনার ও উপাচার্য যৌথভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, আধুনিক ল্যাবরেটরি এবং একাডেমিক সুবিধাগুলো পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা কমিটির সাথে উপজেলা কমিটির মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা কমিটির সাথে উপজেলা কমিটির মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নেতৃবৃন্দের সাথে উপজেলা কমিটির মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে জেলা ইউনিটের অস্থায়ী কার্যালয়ে এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি এম. মাসুদুর রহমান মিলনের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন জেলা ইউনিটের সহ-সভাপতি বোরহান উদ্দিন তালুকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী,
মোহাম্মদ একদিল হোসেন,
সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম মানিক, প্রচার সম্পাদক শাহ আলম সরকার,
মির্জাপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান,
কালিহাতী উপজেলা কমিটির সভাপতি সৈয়দ মহসিন হাবিব সবুজ, এখন বাড়ি উপজেলা কমিটির ধনবাড়ী উপজেলা কমিটির সভাপতি ইমাম হাসান সোহান, নাগরপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঘাটাইল উপজেলা কমিটির সভাপতি
ইয়ামিন হাসান, ভুয়াপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার,
বাসাইল উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক জিয়ারত হক জুয়েল, দেলদুয়ার
উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান খান, নাগরপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক বাবু, মধুপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, কালিহাতী উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার সরকার, এলেঙ্গা ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আশরাফুল ইসলাম পাপন, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ শিকদার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুথিদের সামরিক অভিযান, ইয়েমেনে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


হুথিদের সামরিক অভিযান, ইয়েমেনে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি

ইয়েমেনে হুথিদের দ্রুত গতির সামরিক অভিযান দেশটির দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলেছে। বৈশ্বিক তেল বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। উত্তর ইয়েমেনের একটি বড় অংশ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সম্প্রতি তারা সরকারপন্থি বাহিনীর কাছ থেকে নতুন এলাকা দখল করেছে।

এছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর হুমকি সৃষ্টি করেছে তারা। এই প্রণালি এডেন উপসাগরকে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো হুথিদের হামলার হুমকিতে রয়েছে।

সামরিক কাঠামোর দিক থেকে হুথিদের এক সময় অনানুষ্ঠানিক ও বিচ্ছিন্ন একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাদের ‘র‍্যাগট্যাগ ফাইটিং ফোর্স’ বা অপরিকল্পিত সশস্ত্র বাহিনী হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। তবে গত দুই দশকে হুথিদের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বর্তমানে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ইয়েমেনের ভেতরে হামলা চালানোর পাশাপাশি দখলদার ইসরাইল, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধেও হামলা চালিয়েছে। হুথিদের হাতে ঠিক কত অস্ত্র রয়েছে, তা জানা যায় না। তবে তাদের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

হুথি গোষ্ঠী কারা

হুথিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসার আল্লাহ, যার অর্থ ‘আল্লাহর সাহায্যকারী’। ধর্মীয় নেতা হুসেইন আল-হুথি ১৯৯৪ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। জাইদি শিয়া মতাদর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই গোষ্ঠী উত্তর ইয়েমেনের জন্য আরও বেশি স্বায়ত্তশাসন চায়।

হুসেইনের ভাই আবদুল-মালিক আল-হুথির নেতৃত্বে ২০০০-এর দশকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহর সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে জড়ায় হুথিরা। তাদের স্লোগান হলো—‘আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আমেরিকার মৃত্যু, ইসরাইলের মৃত্যু, ইহুদিদের ওপর অভিশাপ, ইসলামের বিজয়।’

২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের তীব্র পর্যায়ে রাজধানী সানা–সহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বড় একটি অংশ দখল করে নেয় হুথিরা। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে সরকারপন্থি বাহিনী, যাদের সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক জোট সমর্থন করে।

২০২৩ সাল থেকে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে শতাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে হুথিরা। মূলত দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করা হয়েছে। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইলের ওপর চাপ তৈরির অংশ হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে হুথিরা জানিয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজও তাদের হামলার লক্ষ্য হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক

হুথিরা ইরানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। তবে অন্তত ২০০০-এর দশকের শেষ দিক থেকে ইরান তাদের আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে। ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানি এই সহায়তার একটি বড় অংশ তদারক করতেন বলে ধারণা করা হয়। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তিনি নিহত হন।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, হুথিদের সঙ্গে ইরান-সমর্থিত অন্যান্য সংগঠনেরও যোগাযোগ রয়েছে। এর মধ্যে হিজবুল্লাহ অন্যতম। ইরাক ও সিরিয়ায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের সঙ্গে হুথি নেতাদের বৈঠকের তথ্যও পাওয়া গেছে।

মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র

হুথিদের কাছে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বাইরে তাদের হামলা চালানোর সক্ষমতা সীমিত বলে মনে করা হয়।

তবে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে তাদের সক্ষমতা রয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তারা উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরও রয়েছে, যা সানা থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা জটিল ও ব্যয়বহুল। বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনে হুথিদের নিজেদের পক্ষে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা থাকার সম্ভাবনা কম। বরং এগুলো ইরান থেকে সরবরাহ করা হয়ে থাকতে পারে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধনী হওয়ার আগেই বুড়ো হয়ে যাচ্ছে ভারত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ পি.এম


ধনী হওয়ার আগেই বুড়ো হয়ে যাচ্ছে ভারত?

ভারতের অতিরিক্ত জনসংখ্যা নিয়ে একসময় বিভিন্ন উদ্বেগের মধ্যে থাকা দেশটি এখন বিপরীত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। মুডিস-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতে বর্তমানে পূর্বের তুলনায় অনেক কম শিশু জন্ম নিচ্ছে। এর ফলে দেশের জনসংখ্যার গড় বয়স বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জাপান এবং ইউরোপের দেশগুলো ধনী হওয়ার পর বয়স্ক হয়ে উঠেছিল, কিন্তু ভারত ধনী হওয়ার আগেই বয়স্ক দেশের তালিকায় প্রবেশের ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত ২০২০ সালের দিকে ‘বয়স বাড়ানোর’ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৪৯ সালের মধ্যে দেশটি সম্পূর্ণরূপে ‘বয়স্ক’ রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং ২০৬৫ সালের মধ্যে ‘অতি-বয়স্ক’ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। আশঙ্কার বিষয় হলো, বয়স্ক থেকে অতি-বয়স্ক হতে ভারতের মাত্র ১৬ বছর লাগবে, যেখানে আমেরিকার জন্য এই সময়সীমা ১৯ বছর।

এই পরিস্থিতির পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে জন্মহার হ্রাস। বিহার এবং উত্তর প্রদেশ বাদ দিলে, ভারতের জন্মহার এখন মাত্র ১.৬-এ নেমে এসেছে। যদিও মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে, নতুন জন্মহার অনেক কম। এর ফলে ভবিষ্যতে কাজের জন্য মানুষের সংখ্যা কমে যাবে, যা দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় ধাক্কা দিতে পারে। তাছাড়া, উন্নত দেশগুলো ধনী হওয়ার পর বয়স্কদের পেছনে খরচ করার সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু ভারত তুলনামূলকভাবে কম আয় অবস্থাতেই বয়স্ক মানুষের চিকিৎসা এবং পেনশনের বিশাল খরচ বহন করতে বাধ্য হবে।

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এই চিত্র একরকম নয়। উত্তর ভারতের তুলনায় দক্ষিণ ভারতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। অন্ধ্র প্রদেশের মতো রাজ্যে জন্মহার এত কমে গেছে যে সরকার এখন তৃতীয় বা চতুর্থ সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করছে। অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য স্থানে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পুরোনো নিয়ম এখনও কার্যকর রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত দেশগুলো কোটি কোটি টাকা খরচ করেও জন্মহার বৃদ্ধি করতে পারেনি। তাই নতুন শিশু জন্ম নেওয়ার অপেক্ষায় না থেকে বয়স্ক সমাজের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। তাছাড়া ভারতে কাজের জায়গায় নারীদের অংশগ্রহণ মাত্র ৩২ শতাংশ, যা বাড়ানোর মাধ্যমে একটি বড় কর্মীবাহিনী তৈরি করা সম্ভব। আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে, এই বার্ধক্য ভারতের জন্য একটি বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%