ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেঘনায় ঘুরতে গিয়ে তিন স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু


মেঘনায় ঘুরতে গিয়ে তিন স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঘুরতে গিয়ে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তিন স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দর এলাকায় মেঘনা নদী ও কাশবন সংলগ্ন স্থানে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া তিন জন হলো- মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বাড়ি মজলিস এলাকার মো. ফারুকের যমজ ছেলে আরিফিন (১৫) ও আশিকিন (১৫) এবং একই এলাকার আব্দুল আলিনের ছেলে আবির হোসেন (১৪)।

 

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোগরাপাড়া এইচজিজিএস স্মৃতি সরকারি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফিন ও আশিকিন। আবির একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র এবং ফারিজ আহমেদ ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। আজ সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে তারা বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরে চার বন্ধু মিলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভাটিবন্দর এলাকায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামে। নদীতে নামার কিছুক্ষণ পর তাদের সঙ্গে থাকা ফারিজ আহমেদ পানি থেকে উঠে এলেও আরিফিন, আশিকিন ও আবির পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল ও পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আরিফিন ও আশিকিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এক ঘণ্টা পর অপরজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে যাওয়া শিক্ষার্থী ফারিজ আহমেদ বলেন, ‘আমরা আজ স্কুলে না গিয়ে ভাটিবন্দর এলাকায় কাশবন দেখতে এসেছিলাম। একপর্যায়ে সবাই মিলে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামি। আমি তীরের কাছাকাছি থাকায় বেঁচে যাই। কিন্তু আমার দুই চাচাতো ভাই ও তাদের এক বন্ধু নদীর পাড়ের একটি বালুর ট্রলারে ওঠে। ট্রলার থেকে নামার সময় তারা হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যায়। পরে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।’

বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নিখোঁজ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গোসল করতে নেমে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। তাদের মধ্যে একজন পানি থেকে উঠে আসতে সক্ষম হয়। অপর তিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, ‘মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা উপকূলে নিরাপদ পানি নিশ্চিতের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


সাতক্ষীরার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা উপকূলে নিরাপদ পানি নিশ্চিতের আহ্বান

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘ন্যাশনাল কনক্লেভ অন ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট ওয়াটার সিকিউরিটি ফর কোস্টাল বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা উপকূলীয় বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল পানি নিরাপত্তা নিয়ে অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা বিনিময় এবং কার্যকর মডেলকে জাতীয় নীতি, পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।

এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে সাতক্ষীরা, নিয়মিতভাবে ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও দীর্ঘস্থায়ী খরার মুখোমুখি হচ্ছে। এসব জলবায়ুজনিত সংকট নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা, জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।

সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনি উপজেলায় ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে সাতক্ষীরা রেজিলিয়েন্ট ওয়াটার সিস্টেমস পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কমিউনিটিভিত্তিক জলবায়ু-সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনার একটি মডেল পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সেভ দ্য চিলড্রেন কোরিয়ার অর্থায়নে এবং সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটির আওতায় পাঁচটি সৌরবিদ্যুৎচালিত রিভার্স অসমোসিস (আরও) প্ল্যান্ট স্থাপন, পাঁচটি পন্ড স্যান্ড ফিল্টার পুনরুদ্ধার, ১০টি গভীর নলকূপ স্থাপন এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি গড়ে তোলা হয়েছে কমিউনিটিভিত্তিক আয় ও ব্যবস্থাপনা কাঠামো। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বর্তমানে ৪১ হাজারের বেশি মানুষ সেবা পাচ্ছেন, যাদের মধ্যে ১৬ হাজারের বেশি শিশু। প্রকল্পটি স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ, নারীর নেতৃত্ব এবং তরুণদের নেতৃত্বে পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগকে উৎসাহিত করছে। ২০২৪ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় রিমালের সময় পাঁচটি আরও প্ল্যান্টই জেনারেটরের মাধ্যমে সচল ছিল এবং ঘূর্ণিঝড়ের পরপরই প্রায় ৩০ হাজার মানুষের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ করেছে।

অনুষ্ঠানে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ পানির টেকসই ব্যবস্থা হিসেবে কমিউনিটিভিত্তিক আয় মডেলের কার্যকারিতাও তুলে ধরা হয়। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচটি আরও প্ল্যান্ট থেকে এই মডেলের মাধ্যমে ১৪ লাখ ৫৯ হাজার ২৪০ টাকা আয় হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে, ফলে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর নির্ভরতাও কমেছে।

মাঠপর্যায়ের এই মডেলের অভিজ্ঞতা ও প্রমাণকে সরকারের কৌশলগত কাঠামো, জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা এবং বৃহত্তর জলবায়ু নীতির সঙ্গে যুক্ত করে সরকারি অংশীদারত্ব, কারিগরি সহযোগিতা এবং জলবায়ু-সহনশীল পানি ব্যবস্থা সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পানি নিরাপত্তা, জলবায়ু অভিযোজন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কমিউনিটিভিত্তিক আয় মডেল, নারীর নেতৃত্ব এবং তরুণদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দেশের অন্যান্য জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের পানি ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু অর্থায়ন ও বিভিন্ন খাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ সাইফুল্লাহ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বে ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি, বন্যা, লবণাক্ততা, তাপপ্রবাহ ও শৈত্যপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা আমরা ক্রমেই বেশি দেখছি। উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ খাবার পানির সংকট নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যসহ মানুষের স্বাস্থ্য ও সহনশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলছে। এখানে উপস্থাপিত আরও মডেলটি স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু অভিযোজনের একটি ভালো উদাহরণ, কারণ স্থানীয় মানুষই তাদের সমস্যা ও সমাধান সবচেয়ে ভালো বোঝেন।

এই উদ্যোগ সরকারের ‘লোকালি লেড অ্যাডাপটেশন ফ্রেমওয়ার্ক’-এর স্থানীয় পর্যায় থেকে সমাধান তৈরির ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যথাযথ পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এ ধরনের মডেল সম্প্রসারণ করা গেলে উপকূলীয় মানুষের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব। সরকার একা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে না; স্থানীয় মানুষকে সমাধানের কেন্দ্রে রাখলেই সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।” সুমন সেনগুপ্ত, কান্ট্রি ডিরেক্টর, সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ, বলেন,“সাতক্ষীরার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা একটি মৌলিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন। সাতক্ষীরা রেজিলিয়েন্ট ওয়াটার সিস্টেমস পাইলট প্রকল্প দেখিয়েছে, কীভাবে স্থানীয় সরকার, কমিউনিটি ও উন্নয়ন সহযোগীরা একসঙ্গে কাজ করে এই সংকট মোকাবিলা করতে পারে। প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো এবং উপকূলীয় এলাকায় সৌরবিদ্যুৎচালিত আরও ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যের সঙ্গেও যুক্ত। এই কনক্লেভ জাতীয় পর্যায়ের লক্ষ্য ও স্থানীয়ভাবে পরিচালিত সমাধানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন তৈরি করেছে, যা নীতিগত অঙ্গীকারকে উপকূলীয় মানুষের বাস্তব প্রয়োজনভিত্তিক সেবায় রূপ দিতে সহায়তা করবে।

সাতক্ষীরা রেজিলিয়েন্ট ওয়াটার সিস্টেমস পাইলট প্রকল্প ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনি উপজেলায় কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি অর্থায়ন করছে সেভ দ্য চিলড্রেন কোরিয়া, কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ এবং বাস্তবায়ন করছে উত্তরণ। জলবায়ু-সহনশীল পানি অবকাঠামোর পাশাপাশি কমিউনিটিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও আয় মডেল, নারীর নেতৃত্ব এবং তরুণদের অংশগ্রহণ এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্টেডফাস্টের নতুন রূপে ডিজিটাল ফাস্ট সেবাদান শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


স্টেডফাস্টের নতুন রূপে ডিজিটাল ফাস্ট সেবাদান শুরু

দেশের অন্যতম কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টেডফাস্ট নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতি উন্মোচন করেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের সেবার মান আরো সমৃদ্ধ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন লোগো উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্টেডফাস্টের নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন। পরে ই-কমার্স উদ্যোক্তা, মার্চেন্ট ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নতুন লোগো উন্মোচন করেন স্টেডফাস্টের চেয়ারম্যান জোয়াইরিয়া মোস্তারি। নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, মার্চেন্ট অ্যাপ ও গ্রাহক অ্যাপের নতুন সংস্করণও উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

স্টেডফাস্টের নতুন লোগোর কেন্দ্রে রয়েছে ‘ঘুড়ি’। প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য, ঘুড়ি আকাশে উড়লেও এর সুতো থাকে হাতে। একইভাবে মার্চেন্টের পণ্য দেশের যে প্রান্তেই পৌঁছাক, এর নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য মার্চেন্টের হাতেই থাকবে— এই ধারণা থেকেই নতুন ব্র্যান্ড ট্যাগলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আস্থার ঘুড়ি, আপনার হাতে’। তবে প্রতিষ্ঠানের পুরোনো স্লোগান ‘সবার আগে, সবখানে’ অপরিবর্তিত থাকছে।

স্টেডফাস্ট জানিয়েছে, নতুন পরিচিতির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজিটাল অটোমেশন বাড়ানো, পার্সেলের ট্রেসেবিলিটি উন্নত করা, দেশজুড়ে কাভারেজ বাড়ানো, দ্রুত ও নিরাপদে পার্সেল পৌঁছে দেওয়া এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও ডিজিটাল করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

বর্তমানে তিন লাখের বেশি ই-কমার্স উদ্যোক্তা ডেলিভারি সেবার জন্য স্টেডফাস্টের ওপর নির্ভর করছেন। কয়েক হাজার ডেলিভারি রাইডার দেশের বিভিন্ন এলাকায় সেবা দিচ্ছেন। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নসহ প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় হোম ডেলিভারি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের উদ্যোক্তারাও সারা দেশে পণ্য পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি ক্রস-বর্ডার ই-কমার্সের ক্ষেত্রেও কাজ করছে, যার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা দেশের বাইরে বিভিন্ন দেশে পণ্য পাঠাতে পারছেন।

ব্র্যান্ড পরিচিতি পরিবর্তন হলেও মার্চেন্টদের জন্য বিদ্যমান সেবার শর্তগুলো অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে স্টেডফাস্ট। এর মধ্যে ডেলিভারি চার্জ, পরের দিনের পেমেন্ট, রাইডার সেবা ও কাভারেজ আগের মতোই থাকবে।

অনুষ্ঠানে স্টেডফাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন বলেন, ‘দশ বছর আগে আমরা কয়েকজন মিলে শুরু করেছিলাম। আজ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের রাইডাররা পৌঁছে যাচ্ছেন। আমাদের কাজটা বদলায়নি, কিন্তু আমাদের সামর্থ্য বদলেছে। আজকের স্টেডফাস্ট শুধু দ্রুত নয়, প্রযুক্তিনির্ভর। নতুন লোগো সেই পরিবর্তনকেই স্বীকৃতি দিল।‘

স্টেডফাস্টের চেয়ারম্যান জোয়াইরিয়া মোস্তারি বলেন, ‘ঘুড়িটা আমাদের, সুতো আর নাটাইটা আমাদের মার্চেন্টদের। আগামী দিনে প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও মানুষে বিনিয়োগ করে আমরা সেই আস্থার জায়গাটা আরও শক্ত করতে চাই।’

অনুষ্ঠানে স্টেডফাস্টের দশ বছরের পথচলা নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেএফসির তরুণীর ভিডিও বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


কেএফসির তরুণীর ভিডিও বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়

যে কাজটিকে আপনি আপনার স্বপ্নের গন্তব্য হিসেবে মনে করেন না, সেখানে হয়তো গ্ল্যামার বা জাঁকজমক নেই। তবে নিজের পথ বেছে নিয়ে যেকোনো কাজ করার মধ্যে একটি শক্তি ও মর্যাদা নিহিত রয়েছে।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একটি ভিডিও ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কেএফসিতে কর্মরত এক তরুণী ভিডিওতে কাজের ফাঁকে বার্গার খাচ্ছেন। সেই ফুটেজের ওপর একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী বার্তা ভেসে উঠছে: ‘স্বপ্নের কাজ না পাওয়া পর্যন্ত যেকোনো কাজই শুরু করে দিন। মনে রাখবেন, অহংকার কখনো আপনার ব্যাংক বিল বা খরচ মেটাবে না।’

নিজের অ্যাকাউন্টে এই বার্তার মাধ্যমে তিনি কম বয়সী তরুণীদের স্বাবলম্বী হতে, নিজের উপার্জনে দাঁড়াতে এবং সৎ কোনো কাজ করতে লজ্জা না পাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। সত্যি বলতে, তার এই একটি বাক্যই অনেক কিছু বোঝাতে সক্ষম।

ভিডিওটি এমন কোনো ভান করছে না যে, প্রতিটি মানুষের স্বপ্নই কোনো ফাস্টফুড কাউন্টারের পেছনে কাজ করা। বরং এটি একটি সহজ সত্যকে সামনে এনেছে—কখনো কখনো আপনার এখনই অর্থের প্রয়োজন হতে পারে, এবং আপনার কাঙ্ক্ষিত ‘স্বপ্নের ক্যারিয়ার’ হয়তো কিছু সময় পরেই শুরু হতে পারে।

নিখুঁত ও সেরা সুযোগের অপেক্ষায় বসে না থেকে, হাতের কাছে থাকা কাজটিতে যোগ দেওয়াটা অনেক বুদ্ধিমানের কাজ। এতে অন্তত দৈনন্দিন খরচ চলে, নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি হয় এবং নিজের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছানোর লড়াইয়ে আপনি এক ধাপ এগিয়ে থাকেন।

তরুণীর এই বার্তাটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের হৃদয়ে গভীরভাবে সাড়া ফেলেছে। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে শুভেচ্ছা ও প্রশংসার জোয়ার ভেসে যাচ্ছে।

একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘একদম ঠিক বলেছ রানি! সবাইকে কথাটা শুনিয়ে দাও।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ইদানিং শোনা সবচেয়ে খাঁটি কথা এটা।’ অনেকেই তাকে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন—তিনি ইতোমধ্যেই একজন সফল নারী হয়ে ওঠার পথ তৈরি করে ফেলেছেন। আরও একজন লিখেছেন, ‘তোমাকে নিয়ে আমরা ভীষণ গর্বিত!’

দর্শকদের এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে, সমাজের চোখ এখন কতটা বদলাচ্ছে। যেসব কাজকে একসময় অস্থায়ী বা কারও মেধার তুলনায় ‘ছোট’ বলে তুচ্ছ করা হতো, সেগুলোকে মানুষ এখন ভিন্ন নজরে দেখতে শুরু করেছে। কারণ, সততার সঙ্গে নিজের রুটি-রুজি উপার্জনের মধ্যে কোনো লজ্জা বা অপমান থাকতে পারে না।

বরং কখনো কখনো...

এটি কেবল সেই সাধারণ একটি কাজ, যা আপনার কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানোর ভ্রমণের খরচ জুগিয়ে যাচ্ছে।

আর ঠিক যেমনটি সেই তরুণীর ভিডিওতে বলা হয়েছে—অহংকার কখনো আপনার ব্যাংক বিল পরিশোধ করবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিগারেট-ওষুধ-মোবাইলসহ ১১ খাতের জন্য এনবিআরের নতুন আদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


সিগারেট-ওষুধ-মোবাইলসহ ১১ খাতের জন্য এনবিআরের নতুন আদেশ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সিগারেট, ওষুধ এবং মোবাইল ফোনসহ ১১টি খাতের জন্য অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার নির্দেশনা জারি করেছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এনবিআরের ভ্যাট অনুবিভাগ শাখা থেকে এই আদেশটি প্রকাশিত হয়েছে।

অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য বাধ্যতামূলক খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিগারেট, মোবাইল ফোন, এমএস পণ্য, ওষুধ, পানীয়, সিমেন্ট, টাইলস, রং ও বার্নিশ, বীমা, ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী খাত এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী খাত।

এ বিষয়ে এনবিআরের জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ এর উপধারা (৫) এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি ১১৮(ক) এর অধীনে উল্লিখিত খাতগুলোর উৎপাদনকারীদের এবং সেবা খাতের সরবরাহকারীদের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-ভ্যাট পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে দাখিলপত্র প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যদি কোনো নিবন্ধিত ব্যক্তি উপরোল্লিখিত পণ্য বা সেবার পাশাপাশি অন্য কোনো পণ্য বা সেবা সরবরাহের কার্যক্রমে জড়িত হন, তবে এই আদেশ তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পূর্বে জারি করা অনলাইনে দাখিলপত্র পেশ বাধ্যতামূলক সংক্রান্ত আদেশগুলো এই নতুন আদেশ জারির পর বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই আদেশে উল্লেখিত খাতগুলোর তালিকায় যেকোনো সময় পরিবর্তন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%