মাসফিকুল হাসান,বেরোবি প্রতিনিধি
১০:২০ এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহারের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের রিসার্চ কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জামান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, তিনি নিজেই বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থায় নিবন্ধিত নন এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে হাজিরা দেন না। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি গ্রুপে পাঠানো বার্তায় ড. রোকনুজ্জামান ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহারে সবার জন্য সমতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন অধিকার ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য একটি সভার আহ্বান করেন।
তার বার্তায় তিনি লেখেন, “ফিঙ্গার, কেউ দিবে কেউ দিবে না, তা হবে না। দিলে এ টু জেড সকলেই দিবে, নয়তো কেউ নয়। পদোন্নতি সকলের অধিকার, নিয়মিত পদোন্নতি বোর্ড করতে হবে। রেজিস্ট্রার/সমমান পদে ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেক অফিসারদের মধ্য থেকে ফুলটাইম দায়িত্ব দিতে হবে।”
পরবর্তীতে নির্ধারিত সময় পরিবর্তন করে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রশাসনিক সূত্র জানায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা চালু থাকলেও ড. রোকনুজ্জামান শুরু থেকেই এতে নিবন্ধন করেননি। ফলে তিনি অফিসে উপস্থিত থাকলেও তার কোনো বায়োমেট্রিক হাজিরার রেকর্ড সংরক্ষিত হয় না।
এদিকে, অফিসে উপস্থিত না থেকেও সরকারি সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গত ৯ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে কয়েকজন কর্মকর্তার ২০২৪ ও ২০২৫ সালের বায়োমেট্রিক হাজিরার তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জামান, প্রসন্নজিৎ সরকার, আবু সায়েম মো. আহসান হাবীব, রুমানা ফেরদৌসী জলীল, আবু সাঈদ মো. আহসান সিদ্দিকী এবং মেহজাবীন ইলাহীর হাজিরা-সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়।
প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, ড. রোকনুজ্জামানের বায়োমেট্রিক রেকর্ড না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার কোনো হাজিরা তথ্য দুদকে সরবরাহ করতে পারেনি। সূত্রগুলো আরও দাবি করে, এ বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই তিনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আনছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে ড. মো. রোকনুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ফেরদৌস রহমান বলেন, “কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করেননি। তিনি অফিসে আসলেও ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে হাজিরা দেন না। দুদক আমাদের কাছে যাদের তথ্য চেয়েছে, তাদের মধ্যে যাদের তথ্য আমাদের কাছে ছিল, সেগুলোই আমরা পাঠিয়েছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে থাকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ এবং আতঙ্কের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালকরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার মানুষ।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এমন অবস্থার চিত্র দেখা গেছে।
এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙা ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। ব্রিজের ভাঙা অংশে অস্থায়ীভাবে বাঁশ, কাঠ, ইটের রাবিশ এবং মাটিভরা বস্তা ফেলে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সেটি এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সামান্য অসাবধানতা অথবা ভারী যানবাহনের চাপে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছে তারা।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাথে সীমান্তবর্তী সাতানি, বাঁশদাহা ও কাথন্ডাসহ অন্তত সাত থেকে আটটি গ্রামের মানুষের কলারোয়া উপজেলায় যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো এই কয়রাবিল ব্রিজটি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির এই বেহাল অবস্থা থাকার পরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের প্রতিদিন সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী এবং কর্মজীবীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়ছেন। দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বহু যানবাহন। তাই দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।
এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেছেন, ‘পুরনো এই ব্রিজটি এলজিইডি ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি। তবে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সেখানে নতুনভাবে ব্রিজ নির্মাণের একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ ঘোষণা দিয়েছেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১,০০০ মুসলিমকে নিজের খরচ নিয়ে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হবে। নির্বাচন করা মুসল্লিরা এই বিশেষ আতিথেয়তা লাভ করবেন 'গেস্টস অব দ্য কাস্টডিয়ান অব দ্য টু হোলি মস্কস' কর্মসূচির আওতায়। পুরো কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করবে সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। জানা গেছে সংবাদটি সৌদি গেজেটের মাধ্যমে।
কর্মসূচিটি ১৪৪৮ হিজরি বছরে চারটি ধাপে পরিচালিত হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে এশিয়ার ১৬টি দেশের ২৫০ জন ওমরাহ যাত্রী এতে অংশগ্রহণ করবে। দেশগুলো মধ্যে রয়েছে— ইন্দোনেশিয়া, তিমুর-লেস্তে, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, লাওস, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং, তাইওয়ান এবং মঙ্গোলিয়া।
এ উপলক্ষে সৌদি ইসলামী বিষয়ক মন্ত্রী ও কর্মসূচির তত্ত্বাবধায়ক আব্দুললতিফ আল-শেখ বাদশাহ সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ মুসলিম বিশ্বের মানুষের জন্য ওমরাহ পালন ও পবিত্র স্থানসমূহ জিয়ারত সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য সৌদি নেতৃত্বের অব্যাহত প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
তিনি আরও জানান, এ কর্মসূচি মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে জোরদার করবে এবং বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম সমাজের আলেম, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সেতুবন্ধ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীরা লুক্সেমবার্গে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক নীতি নিয়ে একটি দীর্ঘ বৈঠকে বসেছিলেন। তবে ওই বৈঠক সবার নজর আকর্ষণ করে একটি অপ্রত্যাশিত অতিথি।
অতিথিটি ছিল মাত্র তিন মাসের একটি শিশু।
সুইডেনের জলবায়ুমন্ত্রী রোমিনা পোরমোখতারি তাঁর তিন মাসের ছেলে আদামকে সঙ্গে নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। ইইউ কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রীদের এমন বৈঠকে কোনো শিশুর উপস্থিতি দেখা গেল এই প্রথমবার।
রোমিনা জানান, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে গিয়েছিলেন।
এটি তাঁর উদ্দেশ্য ছিল দেখানো, ভাল মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা থাকলে নারীদের কাজ ও পরিবারের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হয় না। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাজ এবং পরিবার- দুটিই একসঙ্গে সামলানো সম্ভব। তবে এর জন্য একজন জীবনসঙ্গী প্রয়োজন, যিনি দায়িত্ব ভাগ করে নিতে আগ্রহী এবং আধুনিক মানসিকতার। ২০২২ সালে রোমিনা পোরমোখতারি ৩০ বছর বয়সে সুইডেনের জলবায়ুমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তখন তিনি ছিলেন দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী সরকারি মন্ত্রী। हाल ही में তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ করে কর্মস্থলে ফিরে এসেছেন। এদিকে, তাঁর স্বামী এখনো ছুটিতে আছেন। আগামী সেপ্টেম্বরে সুইডেনের নির্বাচন পর্যন্ত তিনি সন্তান দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করবেন। বৈঠকের সময় আদামের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করার জন্য তিনিও রোমিনার সঙ্গে লুক্সেমবার্গে যান।
বিশ্বের সবচেয়ে উদার মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা সুইডেনে রয়েছে। দেশটিতে বাবা-মা মিলিয়ে প্রায় ১৬ মাসের বেতনসহ ছুটি পান। এর মধ্যে ৯০ দিন নির্ধারিত বাবার জন্য এবং আরো ৯০ দিন রয়েছে মায়ের জন্য। এই সময়ের মধ্যে একজন অন্যজনকে দিতে পারেন না। নির্ধারিত সময় ব্যবহার না করলে সেই ছুটি বাতিল হয়ে যায় এবং এই বিশেষ ছুটিকে অনেকেই 'বাবাদের মাস' নামে ডাকে। বাবাদের সন্তান লালন-পালনে আরো বেশি অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তবে, সুইডেনের এই ছুটির ব্যবস্থা এখন রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। কারণ, এই সুবিধার খরচ বহন করা হয় দেশের উচ্চ করব্যবস্থার মাধ্যমে।
রোমিনা বলেন, তাঁর দলের সমর্থন এবং দেশের পারিবারিক ছুটির নীতির জন্য স্বামী সন্তান দেখাশোনা করায় কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। তিনি মনে করেন, পরিবারবান্ধব নীতি মানেই শুধুই দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা নয়। সরকারগুলোর উচিত বাবা-মায়ের মধ্যে ছুটি আরো নমনীয়ভাবে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা এবং কম খরচে শিশুর দেখাশোনার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, এ ধরনের নীতি পরিবারের সহায়তা করে এবং কর্মক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে বাবা-মায়ের ওপর চাপ কমে যায় এবং অতিরিক্ত কাজের কারণে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়।
পোল্যান্ডের উপ-জলবায়ুমন্ত্রী ক্রিশতোফ বোলেস্তাও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, বৈঠকে একটি শিশু থাকার ফলে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। বরং, এটি জীবনের স্বাভাবিক একটি অংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতকের জন্য একটি অভিনব উপহারের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ বা ‘মামার সোনার আংটি প্রকল্প’-এর আওতায় এখন থেকে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুকে এক গ্রাম ওজনের একটি করে সোনার আংটি উপহার দেওয়া হবে।
এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তামিলনাড়ু সরকার বার্ষিক ৭৫৫.৮৩ কোটি রুপি বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং মুখ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।
তামিল সংস্কৃতির একটি প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে, যেখানে শিশুর জন্মের পর তার মামা (মায়ের ভাই) বিশেষ উপহার ও আশীর্বাদ নিয়ে আসেন, যা ‘থাই মামান সির’ নামে পরিচিত। এই ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্য সরকার প্রতীকীভাবে শিশুর ‘মামা’র ভূমিকা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে নবজাতক এবং তাদের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, যত্ন ও আন্তরিক অভ্যর্থনার প্রতীক হিসেবেই এই আংটি উপহার দেওয়া হবে এবং এটি একইসঙ্গে তামিল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও ধারণ করবে।
২০২৬ সালের ২২ জুন—মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্মদিন থেকে যেসব শিশু সরকারি হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে বা করবে, তারা এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে। তবে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, যা তামিলনাড়ুর কিংবদন্তি নেতা পেরারিজ্নার আন্নার জন্মবার্ষিকী। এটি মূলত মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলগা ভেট্টি কাঝাগমের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং তাদের ভিশন ডকুমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের নেতার জন্মদিনে নবজাতকদের মাঝে ব্যক্তিগতভাবে সোনার আংটি বিতরণ করেছিল, তবে এটি প্রথম কোনো রাজ্যে সরকারি প্রকল্প হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ