সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৪ পি.এম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু এমপির দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় রাজশাহী শাখার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে একটি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এই মাহফিলটি সোমবার দুপুরে রাজশাহী ১নং বার ভবনে আয়োজন করা হয়।
মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের এমপি ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন।
রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী আবুল কাশেম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জজ কোর্টের জিপি অ্যাডভোকেট মাইনুল আহসান পান্না, রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট পারভেজ তৌফিক জাহেদী, রাজশাহী জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রইসুল ইসলাম এবং রাজশাহী মহানগর জজ আদালতের পিপি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম। এছাড়াও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অন্যান্য সদস্য, রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য আইনজীবীগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বক্তারা মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী মহানগরী এবং রাজশাহীর উন্নয়নের রূপকার। তিনি শুধু রাজশাহীর নেতা নন, বরং তিনি এখন সারাদেশের নেতা। রাজনীতিতে তাঁর মতো দক্ষ ব্যক্তির খুব প্রয়োজন। এ সময় বক্তারা তাঁর দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
বক্তব্য পর্ব শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আরাফাত রহমান কোকোসহ মৃত্যুবরণকারী সকল মুসলিমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একইসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুসহ বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দের দ্রুত রোগমুক্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’, যা টেকসই, স্থিতিশীল ও ন্যায্য জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছে। এই উৎসবের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বিনিয়োগ এবং জ্বালানি খাতের ন্যায্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনা হবে।
দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত এই উৎসবে তরুণ, নারী, শ্রমিক, নাগরিক সংগঠন এবং জলবায়ু নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরেন। ‘একটি ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবুজ জ্বালানি রূপান্তর’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করা হয়েছে।
একশনএইড বাংলাদেশ, বুয়েট, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) এবং বুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের (আইইএসডি) যৌথ উদ্যোগে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের আগে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে শহীদ মিনার থেকে বুয়েটের কেন্দ্রীয় মাঠ পর্যন্ত একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণ করেন। পরে সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে ৩০ জন পারফরমারের অংশগ্রহণে ফ্ল্যাশমব পরিবেশিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সঞ্চালনা করেন একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির। লিখিত বক্তব্যে উৎসবের উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন একশনএইড বাংলাদেশের জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন টিমের ম্যানেজার ও জেটনেট-বিডির সদস্যসচিব মো. আবুল কালাম আজাদ। ফারাহ্ কবির বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে জ্বালানির চাহিদা পূরণে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে উদ্ভাবন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোযোগ দিতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, যেখানে কৃষক, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক জ্বালানি রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, "নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং ন্যায্য রূপান্তর নিশ্চিত করতে আলোচনা, পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নে যথাযথ পদক্ষেপ প্রয়োজন।" এ উৎসবের মাধ্যমে আগামী দুই দিনের কার্যক্রম ও পরিকল্পনা তুলে ধরার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের পরিচালক অধ্যাপক ড. এমএএ শওকত চৌধুরী বলেন, "দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে সভ্যতার উন্নয়ন ও সম্পদের মূল্যায়ন—সব ক্ষেত্রেই জ্বালানি গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি উল্লেখ করেন, যদিও এখনও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা রয়েছে, তবে ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে উৎসবটি সময়োপযোগী ভূমিকা রাখবে।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, "এ আয়োজন থেকে ন্যায়ভিত্তিক নীতি ও বিনিয়োগের কর্মসূচি প্রণয়নের পাশাপাশি উদ্ভাবন থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের সুনির্দিষ্ট পথ তৈরি হবে বলে তারা আশা করছেন।" তার মতে, এটি কেবল একটি প্রদর্শনী নয়; বরং আলোচনা থেকে বাস্তব উদ্যোগে যাওয়ার জাতীয় ও আঞ্চলিক মঞ্চ।
সংবাদ সম্মেলনে হিথিউম এনার্জি স্টোরেজ টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান সৌরশক্তির যন্ত্রাংশের গুণগত মান নিশ্চিত করতে তদারকি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় দ্য আর্থ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন এবং কর্মজীবী নারীর অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ও জেটনেট-বিডির ঢাকা বিভাগীয় সমন্বয়ক সানজিদা সুলতানাও বক্তব্য দেন।
উৎসবে দেশীয় উদ্ভাবক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক প্রযুক্তি ও সেবা তুলে ধরতে দুটি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে উদ্ভাবন মেলায় ২০টি এবং প্রযুক্তি মেলায় ৯টি স্টল থাকছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে সউদী আরবের আকাশে মারাত্মক ফ্লাইট বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। হামলার আতঙ্কের ফলে দেশটির দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর, রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, প্রায় খালি হয়ে পড়েছে।
এভিয়েশন বিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'সিরিয়াম' (Cirium)-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে রিয়াদ বিমানবন্দরে নির্ধারিত ৪,৭৩৬টি ফ্লাইটের মধ্যে ৪,০৭১টি বাতিল করতে হয়েছে। এই বাতিলের সংখ্যা মোট ফ্লাইটের প্রায় ৮৬ শতাংশ।
চলতি মাসের শুরু থেকেই সউদী আরবের বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর এবং তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে হুথিদের। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। বিশেষ করে, ১০ অক্টোবরের প্রাণঘাতী হামলায় ১৩ জন নিহত হন, যা গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটির কোনো বিমানবন্দরে সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ হামলার ঘটনা।
এই ভয়াবহ হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। টানা স্তব্ধ থাকার পর পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি ঘটেছে এবং গত রবিবার থেকে সীমিত পরিসরে বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হয়েছে বলে সউদী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গালফ বিজনেস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যেভাবে অভিভাবকরা শিশু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছে দেন, অনেকটা সেরকমভাবে মন্দির প্রাঙ্গণে একটি মেলা বসেছে। গেটের সামনে পুরুষ সদস্যরা নারী ও শিশুদের নামিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর সুজাপুর সার্বজনীন মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই মেলায় কোনো পুরুষের প্রবেশ নেই। কারণ, এটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য। পুরুষ সদস্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় এর নাম ‘বউমেলা’, যা ৭০ বছর ধরে হয়ে আসছে। প্রতিবছর কালীপূজার পরের দিন এই বউমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এবারও প্রতিবছরের মতো বউমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) মূল মেলা দুপুরের পর শুরু হয়েছে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন বাহনে পুরুষ সদস্যরা নারী ও শিশুদের নিয়ে মেলার সামনে আসছেন। তারা গেটের সামনে নামিয়ে দিয়ে কেউ ফিরে যাচ্ছেন, আবার কেউ মেলা প্রাঙ্গণের বাইরে অপেক্ষা করছেন।
মেলায় শতাধিক দোকানপাট বসেছে। সেখানে কেবল নারীদের প্রসাধন সামগ্রী, তৈজসপত্র, শিশুদের খেলনা, গৃহসজ্জাসহ নানা পণ্য ও বাহারি খাদ্যসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। যদিও পুরুষদের প্রবেশাধিকার নেই, তবুও দোকানিদের মধ্যে কিছু পুরুষ রয়েছেন। তবে পুরুষ দর্শনার্থীদের প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
মেলার বাইরে অনেক উৎসুক পুরুষকে দেখা যায়। তাদের মধ্যে নব বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে মেলায় এসেছেন তমাল দাস। তিনি জানান, “মেলায় স্ত্রীকে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছি।”
সুজাপুর গ্রাম থেকে আসা আশা রানী বলেন, “এই মেলা আমাদের নারীদের জন্য। ফলে একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। এ উপলক্ষে দূর-দূরান্ত থেকে আত্মীয়-স্বজনও আসেন। মেলায় তাদের সঙ্গে দেখা হয়, ভাব বিনিময় হয়।”
বিউটি সরকার বলেন, “আমরা অনেক কিছু কেনাকাটা করলাম। ভালো লাগে এই মেলায়। প্রতিবছর অপেক্ষায় থাকি এই মেলার জন্য। তবে স্বামীকে বাইরে রেখে আসতে হয়।”
বালা রানী দাসের বক্তব্য হলো, “মেলায় এসেছি। এ মেলা শুধু মেয়েদের জন্য।” তিনি বলেন, “আমার দাদার সঙ্গে এসেছি, তবে দাদা বাইরে আছেন; আমাকে আবার বাড়িতে নিয়ে যাবেন।”
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা হরমুজ আলী (৮০) জানান, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে এ মেলায় হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, “মেলায় দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শুধু নারীরা প্রবেশ করতে পারেন। তবে রাতে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।”
মেলার প্রধান ফটকে কয়েকজন পুরুষ দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা হয়। শিবেন সরকার তাদের একজন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে এসেছি। তাদের ভেতর দিয়ে আমি অপেক্ষা করছি। বাইরে থাকলেও আমরা পুরুষরা বেশ উপভোগ করি এই মেলা।”
অরুণ রায় বলেন, “আমরা মেলায় এক প্রকার পাহারা দিই, যাতে বাইরের কোনো পুরুষ ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে।” তিনি বলেন, “এই একটা দিন নারীদের স্বাধীনভাবে মেলায় প্রবেশ করে ইচ্ছেমতো ঘোরার দিন। তাদের প্রাধান্য দিতে পেরে আমাদেরও ভালো লাগে।”
সুজাপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজা ও বউমেলা আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজন সরকার জানান, “প্রায় ৭০ বছর ধরে এই বউমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। জমিদার ক্ষিতীশ সরকার রায়ের সময় চাঁদপাড়ায় এ মেলার আয়োজন করা হতো। তখন দুর্গামন্দিরটিও সেখানে ছিল।”
সুজন সরকার বলেন, “দুর্গাপূজার পাঁচ দিন পর লক্ষ্মীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ্মীপূজার পরদিন বসে ঐতিহ্যবাহী এই বউমেলা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ঐতিহ্য আমরা ধরে রেখেছি।”
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ শহিদুল ইসলাম বলেন, “মেলার নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সব বিষয়ে তদারকি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে খয়ের উদ্দিন মাদ্রাসা থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।পরে সেখানে কেক কেটে দলের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব আমির হোসেন।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিয়ার সুমন। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাদ আহমেদ রাজু।এ ছাড়া ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিশির আহমেদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাহমুদসহ গণঅধিকার পরিষদ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ