ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরায় ভেঙে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ, চরম ঝুঁকিতে যাতায়াত


সাতক্ষীরায় ভেঙে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ, চরম ঝুঁকিতে যাতায়াত

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে থাকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ এবং আতঙ্কের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।

এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালকরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এমন অবস্থার চিত্র দেখা গেছে।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙা ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। ব্রিজের ভাঙা অংশে অস্থায়ীভাবে বাঁশ, কাঠ, ইটের রাবিশ এবং মাটিভরা বস্তা ফেলে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সেটি এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সামান্য অসাবধানতা অথবা ভারী যানবাহনের চাপে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছে তারা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাথে সীমান্তবর্তী সাতানি, বাঁশদাহা ও কাথন্ডাসহ অন্তত সাত থেকে আটটি গ্রামের মানুষের কলারোয়া উপজেলায় যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো এই কয়রাবিল ব্রিজটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির এই বেহাল অবস্থা থাকার পরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের প্রতিদিন সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী এবং কর্মজীবীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়ছেন। দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বহু যানবাহন। তাই দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।

এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেছেন, ‘পুরনো এই ব্রিজটি এলজিইডি ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি। তবে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সেখানে নতুনভাবে ব্রিজ নির্মাণের একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন: শিবচরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি বাদশাহের খরচে ওমরাহ পালনের সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


সৌদি বাদশাহের খরচে ওমরাহ পালনের সুযোগ

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ ঘোষণা দিয়েছেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১,০০০ মুসলিমকে নিজের খরচ নিয়ে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হবে। নির্বাচন করা মুসল্লিরা এই বিশেষ আতিথেয়তা লাভ করবেন 'গেস্টস অব দ্য কাস্টডিয়ান অব দ্য টু হোলি মস্কস' কর্মসূচির আওতায়। পুরো কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করবে সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। জানা গেছে সংবাদটি সৌদি গেজেটের মাধ্যমে।

কর্মসূচিটি ১৪৪৮ হিজরি বছরে চারটি ধাপে পরিচালিত হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে এশিয়ার ১৬টি দেশের ২৫০ জন ওমরাহ যাত্রী এতে অংশগ্রহণ করবে। দেশগুলো মধ্যে রয়েছে— ইন্দোনেশিয়া, তিমুর-লেস্তে, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, লাওস, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং, তাইওয়ান এবং মঙ্গোলিয়া।

এ উপলক্ষে সৌদি ইসলামী বিষয়ক মন্ত্রী ও কর্মসূচির তত্ত্বাবধায়ক আব্দুললতিফ আল-শেখ বাদশাহ সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ মুসলিম বিশ্বের মানুষের জন্য ওমরাহ পালন ও পবিত্র স্থানসমূহ জিয়ারত সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য সৌদি নেতৃত্বের অব্যাহত প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।

তিনি আরও জানান, এ কর্মসূচি মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে জোরদার করবে এবং বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম সমাজের আলেম, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সেতুবন্ধ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্তানকে নিয়ে ইইউ বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী গড়লেন নজির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


সন্তানকে নিয়ে ইইউ বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী গড়লেন নজির

 

বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীরা লুক্সেমবার্গে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক নীতি নিয়ে একটি দীর্ঘ বৈঠকে বসেছিলেন। তবে ওই বৈঠক সবার নজর আকর্ষণ করে একটি অপ্রত্যাশিত অতিথি।

অতিথিটি ছিল মাত্র তিন মাসের একটি শিশু।

সুইডেনের জলবায়ুমন্ত্রী রোমিনা পোরমোখতারি তাঁর তিন মাসের ছেলে আদামকে সঙ্গে নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। ইইউ কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রীদের এমন বৈঠকে কোনো শিশুর উপস্থিতি দেখা গেল এই প্রথমবার।

রোমিনা জানান, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে গিয়েছিলেন।

এটি তাঁর উদ্দেশ্য ছিল দেখানো, ভাল মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা থাকলে নারীদের কাজ ও পরিবারের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হয় না। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাজ এবং পরিবার- দুটিই একসঙ্গে সামলানো সম্ভব। তবে এর জন্য একজন জীবনসঙ্গী প্রয়োজন, যিনি দায়িত্ব ভাগ করে নিতে আগ্রহী এবং আধুনিক মানসিকতার। ২০২২ সালে রোমিনা পোরমোখতারি ৩০ বছর বয়সে সুইডেনের জলবায়ুমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তখন তিনি ছিলেন দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী সরকারি মন্ত্রী। हाल ही में তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ করে কর্মস্থলে ফিরে এসেছেন। এদিকে, তাঁর স্বামী এখনো ছুটিতে আছেন। আগামী সেপ্টেম্বরে সুইডেনের নির্বাচন পর্যন্ত তিনি সন্তান দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করবেন। বৈঠকের সময় আদামের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করার জন্য তিনিও রোমিনার সঙ্গে লুক্সেমবার্গে যান।

বিশ্বের সবচেয়ে উদার মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা সুইডেনে রয়েছে। দেশটিতে বাবা-মা মিলিয়ে প্রায় ১৬ মাসের বেতনসহ ছুটি পান। এর মধ্যে ৯০ দিন নির্ধারিত বাবার জন্য এবং আরো ৯০ দিন রয়েছে মায়ের জন্য। এই সময়ের মধ্যে একজন অন্যজনকে দিতে পারেন না। নির্ধারিত সময় ব্যবহার না করলে সেই ছুটি বাতিল হয়ে যায় এবং এই বিশেষ ছুটিকে অনেকেই 'বাবাদের মাস' নামে ডাকে। বাবাদের সন্তান লালন-পালনে আরো বেশি অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তবে, সুইডেনের এই ছুটির ব্যবস্থা এখন রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। কারণ, এই সুবিধার খরচ বহন করা হয় দেশের উচ্চ করব্যবস্থার মাধ্যমে।

রোমিনা বলেন, তাঁর দলের সমর্থন এবং দেশের পারিবারিক ছুটির নীতির জন্য স্বামী সন্তান দেখাশোনা করায় কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। তিনি মনে করেন, পরিবারবান্ধব নীতি মানেই শুধুই দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা নয়। সরকারগুলোর উচিত বাবা-মায়ের মধ্যে ছুটি আরো নমনীয়ভাবে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা এবং কম খরচে শিশুর দেখাশোনার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, এ ধরনের নীতি পরিবারের সহায়তা করে এবং কর্মক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে বাবা-মায়ের ওপর চাপ কমে যায় এবং অতিরিক্ত কাজের কারণে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

পোল্যান্ডের উপ-জলবায়ুমন্ত্রী ক্রিশতোফ বোলেস্তাও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, বৈঠকে একটি শিশু থাকার ফলে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। বরং, এটি জীবনের স্বাভাবিক একটি অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি হাসপাতালে জন্মালে সোনার আংটি, ‘মামা’ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের উপহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ এম


সরকারি হাসপাতালে জন্মালে সোনার আংটি, ‘মামা’ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের উপহার

তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতকের জন্য একটি অভিনব উপহারের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ বা ‘মামার সোনার আংটি প্রকল্প’-এর আওতায় এখন থেকে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুকে এক গ্রাম ওজনের একটি করে সোনার আংটি উপহার দেওয়া হবে।

এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তামিলনাড়ু সরকার বার্ষিক ৭৫৫.৮৩ কোটি রুপি বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং মুখ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

তামিল সংস্কৃতির একটি প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে, যেখানে শিশুর জন্মের পর তার মামা (মায়ের ভাই) বিশেষ উপহার ও আশীর্বাদ নিয়ে আসেন, যা ‘থাই মামান সির’ নামে পরিচিত। এই ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্য সরকার প্রতীকীভাবে শিশুর ‘মামা’র ভূমিকা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে নবজাতক এবং তাদের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, যত্ন ও আন্তরিক অভ্যর্থনার প্রতীক হিসেবেই এই আংটি উপহার দেওয়া হবে এবং এটি একইসঙ্গে তামিল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও ধারণ করবে।

২০২৬ সালের ২২ জুন—মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্মদিন থেকে যেসব শিশু সরকারি হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে বা করবে, তারা এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে। তবে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, যা তামিলনাড়ুর কিংবদন্তি নেতা পেরারিজ্নার আন্নার জন্মবার্ষিকী। এটি মূলত মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলগা ভেট্টি কাঝাগমের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং তাদের ভিশন ডকুমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের নেতার জন্মদিনে নবজাতকদের মাঝে ব্যক্তিগতভাবে সোনার আংটি বিতরণ করেছিল, তবে এটি প্রথম কোনো রাজ্যে সরকারি প্রকল্প হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৯ বছর বয়সেও কেন অনন্য মেসি, ব্যাখ্যা করলেন পেদ্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


৩৯ বছর বয়সেও কেন অনন্য মেসি, ব্যাখ্যা করলেন পেদ্রি

বয়স ৩৯ ছুঁইছুঁই, তবে ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসির জাদু যেন এখনো ফুরিয়ে যায়নি। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিশ্বমঞ্চে এই আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকর যে ভাবে আলো ছড়াচ্ছেন, তাতে ফুটবল দুনিয়া বিস্মিত। মেসির এই চিরসবুজ ফর্মের পেছনের আসল রহস্যটি এবার উন্মোচন করেছেন তার সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থ ও স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পেদ্রি। তার মতে, ফুটবলীয় দূরদর্শিতা এবং অবিশ্বাস্য বুদ্ধিমত্তাই মেসিকে এই বয়সেও সবার চেয়ে আলাদা স্তরে ধরে রেখেছে। ২০২০-২১ মৌসুমে লাস পালমাস থেকে বার্সেলোনায় যোগ দিয়ে মেসির সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন পেদ্রি। মাত্র এক মৌসুম পিএসজিতে পাড়ি জমানোর আগে কিংবদন্তি এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে কাটানো সেই সময়টাই স্প্যানিশ তারকার মনে গভীর রেখাপাত করেছে। সম্প্রতি ডি-স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেদ্রি জানান, মেসির সঙ্গে খেলা এবং অনুশীলন করা ছিল তার জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার পর, তাকে একজন ফুটবলপ্রেমী হিসেবে মেসির খেলা দেখতে আরও বেশি উপভোগ করতে হয়। টেলিভিশন পর্দায় খেলা দেখার সময় দর্শকরা প্রায়শই মেসির যে বিশেষ গুণটি খেয়াল করতে পারেন না, সেটিও তুলে ধরেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। পেদ্রি বলেন, যদি কেউ মাঠে শুধুমাত্র মেসির ওপর আলাদা নজর রাখেন, তবে দেখতে পাবেন তিনি সবসময় খুঁজে বেড়ান ঠিক কোন জায়গায় ফাঁকা স্পেস আছে। যেখানে কোনো ডিফেন্ডার নেই, ঠিক সেই পজিশনটি মেসি আগেই অনুমান করে বল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন। এই অনন্য ফুটবল মস্তিষ্ক ও দূরদর্শিতার প্রশংসা করে পেদ্রি আরও যোগ করেন, মাঠে অন্য সবার চেয়ে ফুটবলটাকে একটু আগেভাগে দেখতে পারেন মেসি। কার কোথায় থাকা উচিত অথবা নিজে ঠিক কোথায় থাকলে গোল পাবেন, তা তার চেয়ে ভালো কেউ বোঝে না। আর এই কারণেই ৩৯ বছর বয়সে এসে তিনি যা করে দেখাচ্ছেন, তা কেবল লিওনেল মেসির পক্ষেই সম্ভব। পাঁচ বছর আগে বার্সেলোনায় মেসির সঙ্গে জুটি বেঁধে কোপা দেল রে জিতেছিলেন পেদ্রি। সময়ের ব্যবধানে এখন সেই সাবেক সতীর্থের পারফরম্যান্স দেখে স্রেফ মুগ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছেন না তিনি। চলতি বিশ্বকাপে মাত্র দুই ম্যাচেই ৫ গোল করে ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও তার জোড়া গোল প্রমাণ করে দেয়, কেন তাকে এখনো ফুটবলের অবিসংবাদিত রাজা বলা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%