ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারি হাসপাতালে জন্মালে সোনার আংটি, ‘মামা’ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের উপহার


সরকারি হাসপাতালে জন্মালে সোনার আংটি, ‘মামা’ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের উপহার

তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতকের জন্য একটি অভিনব উপহারের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ বা ‘মামার সোনার আংটি প্রকল্প’-এর আওতায় এখন থেকে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুকে এক গ্রাম ওজনের একটি করে সোনার আংটি উপহার দেওয়া হবে।

এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তামিলনাড়ু সরকার বার্ষিক ৭৫৫.৮৩ কোটি রুপি বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং মুখ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

তামিল সংস্কৃতির একটি প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে, যেখানে শিশুর জন্মের পর তার মামা (মায়ের ভাই) বিশেষ উপহার ও আশীর্বাদ নিয়ে আসেন, যা ‘থাই মামান সির’ নামে পরিচিত। এই ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্য সরকার প্রতীকীভাবে শিশুর ‘মামা’র ভূমিকা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: সাবেক মেয়র লিটনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ নভেম্বর

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে নবজাতক এবং তাদের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, যত্ন ও আন্তরিক অভ্যর্থনার প্রতীক হিসেবেই এই আংটি উপহার দেওয়া হবে এবং এটি একইসঙ্গে তামিল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও ধারণ করবে।

২০২৬ সালের ২২ জুন—মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্মদিন থেকে যেসব শিশু সরকারি হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছে বা করবে, তারা এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে। তবে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, যা তামিলনাড়ুর কিংবদন্তি নেতা পেরারিজ্নার আন্নার জন্মবার্ষিকী। এটি মূলত মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলগা ভেট্টি কাঝাগমের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং তাদের ভিশন ডকুমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের নেতার জন্মদিনে নবজাতকদের মাঝে ব্যক্তিগতভাবে সোনার আংটি বিতরণ করেছিল, তবে এটি প্রথম কোনো রাজ্যে সরকারি প্রকল্প হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল।

আরও পড়ুন: আখতার দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য বার্তা দিলেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৯ বছর বয়সেও কেন অনন্য মেসি, ব্যাখ্যা করলেন পেদ্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


৩৯ বছর বয়সেও কেন অনন্য মেসি, ব্যাখ্যা করলেন পেদ্রি

বয়স ৩৯ ছুঁইছুঁই, তবে ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসির জাদু যেন এখনো ফুরিয়ে যায়নি। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিশ্বমঞ্চে এই আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকর যে ভাবে আলো ছড়াচ্ছেন, তাতে ফুটবল দুনিয়া বিস্মিত। মেসির এই চিরসবুজ ফর্মের পেছনের আসল রহস্যটি এবার উন্মোচন করেছেন তার সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থ ও স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পেদ্রি। তার মতে, ফুটবলীয় দূরদর্শিতা এবং অবিশ্বাস্য বুদ্ধিমত্তাই মেসিকে এই বয়সেও সবার চেয়ে আলাদা স্তরে ধরে রেখেছে। ২০২০-২১ মৌসুমে লাস পালমাস থেকে বার্সেলোনায় যোগ দিয়ে মেসির সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন পেদ্রি। মাত্র এক মৌসুম পিএসজিতে পাড়ি জমানোর আগে কিংবদন্তি এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে কাটানো সেই সময়টাই স্প্যানিশ তারকার মনে গভীর রেখাপাত করেছে। সম্প্রতি ডি-স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেদ্রি জানান, মেসির সঙ্গে খেলা এবং অনুশীলন করা ছিল তার জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার পর, তাকে একজন ফুটবলপ্রেমী হিসেবে মেসির খেলা দেখতে আরও বেশি উপভোগ করতে হয়। টেলিভিশন পর্দায় খেলা দেখার সময় দর্শকরা প্রায়শই মেসির যে বিশেষ গুণটি খেয়াল করতে পারেন না, সেটিও তুলে ধরেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। পেদ্রি বলেন, যদি কেউ মাঠে শুধুমাত্র মেসির ওপর আলাদা নজর রাখেন, তবে দেখতে পাবেন তিনি সবসময় খুঁজে বেড়ান ঠিক কোন জায়গায় ফাঁকা স্পেস আছে। যেখানে কোনো ডিফেন্ডার নেই, ঠিক সেই পজিশনটি মেসি আগেই অনুমান করে বল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন। এই অনন্য ফুটবল মস্তিষ্ক ও দূরদর্শিতার প্রশংসা করে পেদ্রি আরও যোগ করেন, মাঠে অন্য সবার চেয়ে ফুটবলটাকে একটু আগেভাগে দেখতে পারেন মেসি। কার কোথায় থাকা উচিত অথবা নিজে ঠিক কোথায় থাকলে গোল পাবেন, তা তার চেয়ে ভালো কেউ বোঝে না। আর এই কারণেই ৩৯ বছর বয়সে এসে তিনি যা করে দেখাচ্ছেন, তা কেবল লিওনেল মেসির পক্ষেই সম্ভব। পাঁচ বছর আগে বার্সেলোনায় মেসির সঙ্গে জুটি বেঁধে কোপা দেল রে জিতেছিলেন পেদ্রি। সময়ের ব্যবধানে এখন সেই সাবেক সতীর্থের পারফরম্যান্স দেখে স্রেফ মুগ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছেন না তিনি। চলতি বিশ্বকাপে মাত্র দুই ম্যাচেই ৫ গোল করে ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও তার জোড়া গোল প্রমাণ করে দেয়, কেন তাকে এখনো ফুটবলের অবিসংবাদিত রাজা বলা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটির পর একটি পোশাক কারখানা বন্ধ, বাড়ছে শ্রমিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


একটির পর একটি পোশাক কারখানা বন্ধ, বাড়ছে শ্রমিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা

একটির পর একটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পোশাক কারখানা। শ্রমিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা একদম বাড়ছে। সম্প্রতি গাজীপুর ও সাভার সহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আগামী মাসগুলোতে আরও কারখানা বন্ধ হতে পারে। এটি কর্মসংস্থানের ওপর বড় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

কোরবানির ঈদের পর থেকেই পোশাক শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ছাঁটাই এবং কারখানা বন্ধের ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যেমন, সাভারের আল-মুসলিম গ্রুপের তিনটি কারখানা থেকে প্রায় ১ হাজার ৮৬৮ শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রমিকরা জানতে পারেন, তাদের চাকরি আর নেই।

শ্রমিকদের অভিযোগ, ধারাবাহিকভাবে যথাযথ পূর্বঘোষণা ছাড়াই তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে। অনেক শ্রমিকই বছরের পর বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন কিন্তু হঠাত্ চাকরি হারিয়ে এখন পরিবার-পরিজনের সঙ্গে চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছেন।

অন্যদিকে, গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় অবস্থিত ইউনিক ডিজাইনার্স অ্যান্ড ইউনিক ওয়াশিং লিমিটেড স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যার ফলে প্রায় ১ হাজার ৮০০ শ্রমিক ও কর্মচারী একসঙ্গে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

কারখানা বন্ধ অথবা ছাঁটাইয়ের ফলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা শ্রমিকদের জীবনে লাগছে। মাসিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার পরিবার হঠাৎ করে জীবিকার সংকটে পড়েছে।

ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন, দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পরও তাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। কেউ কেউ বলছেন, কিছু প্রতিষ্ঠান অভিজ্ঞ শ্রমিকদের তুলনায় বেশি বেতন দিতে হয় বলেই অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমানোর জন্য পুরোনো শ্রমিকদের বাদ দিয়ে নতুন শ্রমিক নিয়োগের পথ বেছে নিচ্ছে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পোশাক শিল্পের বর্তমান সংকটের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে।

প্রথমত, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশের প্রবৃদ্ধি আগের মতো নেই। ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে ভোক্তা চাহিদার হ্রাস বাংলাদেশের রফতানিতে প্রভাব ফেলছে।

দ্বিতীয়ত, উৎপাদন ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বেড়ে গেছে। গ্যাস এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয়সহ ডলার সংকট এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তৃতীয়ত, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির পাশাপাশি বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের কারণে শ্রম ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও এটি শ্রমিকদের জন্য ইতিবাচক, তবে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে না পারলে অনেক দুর্বল কারখানা অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে পারছে না।

চতুর্থত, দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে কার্যক্রম সংকুচিত করছে অথবা পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে বিজিএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, গত তিন বছরে দেশে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরও বহু কারখানা আর্থিক ঝুঁকিতে রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনেক কারখানা বর্তমানে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে স্থায়ী ব্যয়ের চাপ বেড়ে যাচ্ছে। উৎপাদন কমলেও ব্যাংক ঋণের কিস্তি, বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল, ভাড়া এবং প্রশাসনিক ব্যয় নিয়মিত বহন করতে হচ্ছে। এর ফলে ছোট ও মাঝারি অনেক কারখানা টিকে থাকার লড়াইয়ে হেরে যাচ্ছে।

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল মনে করেন, আর্থিক সংকটই বর্তমানে কারখানা বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ। তিনি বলেন, ‘‘রুগ্ন এবং বন্ধপ্রায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার যে সহায়তা তহবিল ঘোষণা করেছে, তা এখনও বাস্তবায়নে পৌঁছায়নি। ফলে সংকটে থাকা কারখানাগুলো কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে না।’’

তিনি বলেন, যেসব কারখানা ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে, অথবা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করে বিশেষ সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় কর্মসংস্থান সংকট আরও প্রকট হতে পারে।

প্রসঙ্গত, কারখানা বন্ধ এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনাগুলো নিয়ে শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিক নেতারা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের সব সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। বিশেষ করে দীর্ঘদিন কর্মরত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ এবং চাকরি-পরবর্তী নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ।

তারা অভিযোগ করছেন, ব্যবসায়িক মন্দাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমানোর জন্য শ্রমিক ছাঁটাই করছে। এর ফলে হাজার হাজার শ্রমিকের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে।

বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মসংস্থান ধরে রাখা এবং ঝুঁকিতে থাকা কারখানাগুলোকে টিকিয়ে রাখা। এজন্য দ্রুত আর্থিক সহায়তা, ব্যাংক ঋণে বিশেষ সুবিধা, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অন্যথায়, একের পর এক কারখানা বন্ধ হওয়ার ধারা অব্যাহত থাকলে বড় মূল্য তাঁরা দিতে হবে, যাঁরা বছরের পর বছর দেশের রফতানি আয় বাড়ানোর জন্য কাজ করেছেন, তাঁরাই আজ চাকরি হারিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, আহত ৪৩০০ ছাড়িয়ে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪০ এম


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, আহত ৪৩০০ ছাড়িয়ে গেছে

ভেনেজুয়েলার উপর আঘাত হানা ভয়াবহ জোড়া ভূকম্পনের পর দেশটির অবস্থার সংকটাপন্ন অবস্থা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে পৌঁছেছে এবং আহতের সংখ্যা অন্তত ৪,৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে উত্তরের উপকূলীয় রাজ্য লা গুইরা।

এখানকার হাসপাতালগুলো রোগীতে উপচে পড়ায় জরুরি ভিত্তিতে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করার প্রয়োজন পড়েছে। ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা এবং দক্ষ চিকিৎসক ও প্রকৌশলীর অভাবের কারণে উদ্ধারকাজে বিপর্যয় ঘটছে। অনেক এলাকায় ফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। লা গুইরার বাসিন্দা ল্যারি রোজাস জানিয়েছেন, তার পরিবার এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে, কিন্তু তাদের উদ্ধারে কেউ আসেনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্লোস আলভারাডো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ঘোষণা করেছেন, হাসপাতালগুলোতে পৌঁছানোর আগেই অনেকে সুপথের পরিবর্তে মৃত্যুবরণ করছেন। এই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়া সহায়তা বাড়িয়েছে। শুক্রবার ভোরে ৬২ জন উদ্ধারকর্মী এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের একটি দল ভেনেজুয়েলা যাওয়ার জন্য রওনা করেছে। পরবর্তীতে আরেকটি ফ্লাইটে ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম পাঠানো হবে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা সতর্কতা উচ্চারণ করেছে যে, দুর্গম পাহাড়ি ও নৌপথনির্ভর অঞ্চলে উদ্ধারকারীদের পৌঁছাতে না পারা এবং অভ্যন্তরীণ আফটারশকের কারণে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি হতে পারে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া হাজারো মানুষের বাঁচার আকুতির যথাযথ প্রতিধ্বনি এবং স্বজনদের আহাজারিতে পুরো ভেনেজুয়েলা এখন মানবিক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলশূন্য ড্র করেও নকআউটে উঠলো অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ের জন্য অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


গোলশূন্য ড্র করেও নকআউটে উঠলো অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ের জন্য অপেক্ষা

চরম উত্তেজনা ও হিসাব-নিকাশের ম্যাচে প্যারাগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। ৪৮ দলের এই সম্প্রসারিত বিশ্বকাপের গ্রুপ 'ডি'-র শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। এই ড্রয়ের ফলে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর টিকিট কাটলো সকারুজরা। অন্যদিকে, ম্যাচটি ড্র হলেও প্যারাগুয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকার জন্য পরবর্তী পর্বে ওঠার সম্ভাবনা বেড়েছে। তবে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অপেক্ষা করতে হবে অন্য গ্রুপগুলোর বাকি ম্যাচগুলোর ফলাফলের ওপর।

১২টি গ্রুপের মধ্যে সেরা আটটি তৃতীয়-স্থানধারী দলও নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে বিধায় ম্যাচজুড়ে দুই দলের মধ্যে বেশ সতর্ক ভাব লক্ষ্য করা গেছে। এর আগে, নিজেদের ম্যাচে তুরস্ককে হারিয়ে উভয় দলই সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠে নেমেছিল। আজ যারা জিতত, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পর গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সরাসরি নকআউটে যেত। তবে ড্র হওয়ায় সেই সুবিধাটা একাধিকার নিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি সকারুজদের তৃতীয়বারের মত নকআউট পর্বে ওঠার কীর্তি। এর আগে, ২০০৬ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে তারা শেষ ষোলোতে পৌঁছেছিল। আগামী ৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের আর্লিংটনে গ্রুপ 'জি'-এর রানার্সআপ দলের মুখোমুখি হবে তারা।

ম্যাচের প্রথমার্ধে অস্ট্রেলিয়াই তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। তবে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল একটি প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে জ্যাকসন আরভিনের শটকে রুখে দেন এবং প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ক্রিস্টিয়ান ভলপাতোর দারুণ প্রচেষ্টাও নসাৎ করে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে প্যারাগুয়ে বলের দখল বাড়ালেও, দুই দলের কেউ তেমন কোনো পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচের একদম শেষ দিকে, ৯০তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার জর্ডান বসের শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। ফিরতি আক্রমণে যোগ করা সময়ে প্যারাগুয়ের মৌরিসিওর একটি দুর্বল শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ।

এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচ তার শুরুর একাদশে চমক এনে ছয়টি পরিবর্তন করেন। যেখানে ১৮ বছর বয়সী তরুণ ডিফেন্ডার লুকাস হ্যারিংটনকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব কলোরাডো র‌্যাপিডসের এই ফুটবলার মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে একটি নতুন ইতিহাস গড়েন। অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ম্যাচে মাঠে নামার কীর্তি এখন তার দখলে। তবে প্যারাগুয়ের জন্য একটি দুঃসংবাদ রয়েছে; দলটির মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেজ গ্রুপ পর্বে নিজের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায়। যদি দল শেষ পর্যন্ত ‘রাউন্ড অব ৩২’-এ পা রাখে, তবে সেই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি মাঠে নামতে পারবেন না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%