প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনেজুয়েলার উপর আঘাত হানা ভয়াবহ জোড়া ভূকম্পনের পর দেশটির অবস্থার সংকটাপন্ন অবস্থা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে পৌঁছেছে এবং আহতের সংখ্যা অন্তত ৪,৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে উত্তরের উপকূলীয় রাজ্য লা গুইরা।
এখানকার হাসপাতালগুলো রোগীতে উপচে পড়ায় জরুরি ভিত্তিতে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করার প্রয়োজন পড়েছে। ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা এবং দক্ষ চিকিৎসক ও প্রকৌশলীর অভাবের কারণে উদ্ধারকাজে বিপর্যয় ঘটছে। অনেক এলাকায় ফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। লা গুইরার বাসিন্দা ল্যারি রোজাস জানিয়েছেন, তার পরিবার এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে, কিন্তু তাদের উদ্ধারে কেউ আসেনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্লোস আলভারাডো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ঘোষণা করেছেন, হাসপাতালগুলোতে পৌঁছানোর আগেই অনেকে সুপথের পরিবর্তে মৃত্যুবরণ করছেন। এই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়া সহায়তা বাড়িয়েছে। শুক্রবার ভোরে ৬২ জন উদ্ধারকর্মী এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের একটি দল ভেনেজুয়েলা যাওয়ার জন্য রওনা করেছে। পরবর্তীতে আরেকটি ফ্লাইটে ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম পাঠানো হবে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা সতর্কতা উচ্চারণ করেছে যে, দুর্গম পাহাড়ি ও নৌপথনির্ভর অঞ্চলে উদ্ধারকারীদের পৌঁছাতে না পারা এবং অভ্যন্তরীণ আফটারশকের কারণে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি হতে পারে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া হাজারো মানুষের বাঁচার আকুতির যথাযথ প্রতিধ্বনি এবং স্বজনদের আহাজারিতে পুরো ভেনেজুয়েলা এখন মানবিক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন