ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত হবে ভোটকেন্দ্র


স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত হবে ভোটকেন্দ্র

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ প্রসঙ্গে আগামী ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের কথা বলা হয়েছে।

বুধবার, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়ার সই করা একটি চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসি জানায়, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রণীত ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫’ অনুসারে, ভোটগ্রহণের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করে গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আসন্ন ১০ আগস্টে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই তালিকার ওপর দাবি ও আপত্তি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরপর, প্রাপ্ত আবেদনগুলি যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির কাজ ২৩ আগস্টের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২৭ আগস্ট সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করবে।

চিঠিতে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, স্থায়ী ভবনের ভেতর ভোটকক্ষ স্থাপনের সুযোগ থাকলে অস্থায়ী ভোটকক্ষ নির্মাণের প্রস্তাব থেকে বিরত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া, চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন সহায়তা-৩ শাখায় পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে। তফসিল ঘোষণার সাতদিনের মধ্যে তালিকার হার্ড কপি ও সফট কপিও জমা দিতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফেনীতে সাংবাদিককে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলর আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ঠেকাতে কঠোর অভিযান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ঠেকাতে কঠোর অভিযান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা এবং নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন না করার কারণে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) একটি বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে সরকার বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করছে। তিনি পুনরায় বলেন, এ বিষয়ে অভিযান আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-২ এর সরকারি দলের সদস্য শিরীন সুলতানার বিধি-৭১ এর আওতায় উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

শিরীন সুলতানা আলোচনার শুরুতে বলেন, দেশের অনেক মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে ফার্মেসির বিক্রয়কর্মীর পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন। আবার অধিকাংশ রোগী নির্ধারিত পূর্ণ কোর্স শেষ না করায় জীবাণু পুরোপুরি ধ্বংস হচ্ছে না এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স তৈরি হচ্ছে। এতে প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারাচ্ছে এবং সাধারণ সংক্রমণও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সকে বিশ্বের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাই তিনি জানতে চান, বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে সরকারের পরিকল্পনা কী।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উত্থাপিত প্রতিটি বিষয়ে দেশে বিদ্যমান আইন রয়েছে এবং সময়ে সময়েই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি ওষুধ প্রস্তুতকারী আট থেকে ১০টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে নকল ওষুধ তৈরির কারখানা শনাক্ত করেছে। এ সংক্রান্ত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণও করা হয়েছে এবং জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নকল ওষুধ বিক্রি বন্ধে দেশের প্রতিটি উপজেলা ও শহরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল টিম নিয়মিত ওষুধের দোকানে অভিযান পরিচালনা করছে। নকল ওষুধ পাওয়া গেলে কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং আবার কাউকে জরিমানা করা হচ্ছে। এ ধরনের অপরাধে দেশে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো ডিসপেনসারি বা ফার্মেসি যাতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না করে, সে বিষয়েও আইন আছে। বিষয়টি চলমান তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, জনস্বার্থে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এসব অনিয়ম প্রতিরোধে কাজ শুরু করেছে। ভবিষ্যতে আরও কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নকল ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এবং বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সকলের প্রতি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে দিনটি এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন।’ তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সব বীর শহীদের অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রপতি আন্দোলনে আহত সাহসী তরুণ-তরুণী ও যুবপ্রজন্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এই তরুণ-তরুণীদের অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করে আজও যন্ত্রণাময় জীবন-যাপন করছেন। তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং জুলাইযোদ্ধা ও গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব দেশপ্রেমিক নাগরিকের ত্যাগ ও অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দুর্নীতি, গুম-খুন, ভোটাধিকার হরণ, নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের প্রসারিত হাত ও গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ এবং একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন তরুণের আত্মাহুতি আন্দোলনকে নতুন মোড় ও তীব্রতা দেয়। পরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আটক, জেল-জুলুম এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে গণ-অভ্যুত্থান সূচিত হয়।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই গণ-অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক আন্দোলন বা অর্জন নয়; এটি ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, সাহস ও আত্মত্যাগের ফসল।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই শহীদদের আত্মদান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় রাষ্ট্রের শক্তির উৎস ও সর্বময় ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের মৌলিক অধিকার, স্বার্থ, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব। জুলাইয়ের চেতনা একটি মানবিক, স্বৈরাচারমুক্ত, সমতাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা জোগায়।’

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘শহীদ ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি এ কাজে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও মানবিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মদানকারী সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত ও শাশ্বত শান্তি কামনা করেন এবং ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ ওসি মাহমুদুল হাসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


ফরিদপুরে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ ওসি মাহমুদুল হাসান

ফরিদপুর জেলা পুলিশ লাইনসের শহীদ সালাম সভাকক্ষে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এবং থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মনোযোগ সহকারে সেগুলো শুনে দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। সাহসিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার, পরোয়ানা নিষ্পত্তি, প্রসিকিউশন দাখিল, মামলা নিষ্পত্তি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করায় নির্বাচিত পুলিশ সদস্যদের ক্রেস্ট, সনদপত্র ও নগদ অর্থ পুরস্কার স্বরূপ দেওয়া হয়।

বিদায়ী জুন ২০২৬ মাসে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি মাহমুদুল হাসান। এ সময় তিনি পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীর হাত থেকে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন।

এছাড়া পিআরএল (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি) গমনকারী পুলিশ সদস্যদের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ইউনিট ও থানার কর্মকর্তা এবং সব পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষে পুলিশ সুপার জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমন এবং জনসেবার মান আরও উন্নত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএনসিসির পার্ক ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


ডিএনসিসির পার্ক ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে পার্ক এবং খেলার মাঠগুলোকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। একই সাথে, ভবিষ্যতে খেলার মাঠ ও পার্কগুলোর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদের একটি প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব বক্তব্য প্রদান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মোট ১৮৯টি পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান রয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি হচ্ছে ডিএনসিসির নিজস্ব মালিকানাধীন (২৪টি পার্ক, ৬টি খেলার মাঠ, ৪টি শিশু পার্ক এবং ৪টি ঈদগাহ)। এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, বৈদ্যুতিক বাতি লাগানো এবং নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে ২০টি পার্ক এবং ৪টি খেলার মাঠসহ মোট ২৮টি স্থাপনার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১৫১টি স্থান, যা রাজউক ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে, সেগুলোর উন্নয়ন কাজও পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে।

সংসদে জানানো হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সংস্থাটির নিজস্ব এবং অন্যান্য সংস্থার মালিকানাধীন মোট ২৫৬টি পার্ক ও খেলার মাঠ রয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে ফুটপাত এবং খেলার মাঠ থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদে ডিএসসিসি সর্বদা তৎপর রয়েছে।

বর্তমানে মালিটোলা পার্ক, শহীদ মতিউর রহমান পার্ক (গুলিস্তান), ওসমানী উদ্যান, নবাবগঞ্জ পার্ক এবং বাসাবো খেলার মাঠসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ দ্রুতগতির নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে বর্তমানে মাঠের সংখ্যা কম থাকলেও ৮টি জোনে ৮টি এবং ৫৭টি ওয়ার্ডে ৫৭টি খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ এবং বরিশালসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনেও পার্ক ও মাঠ দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত আছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশে খেলাধুলার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশুরা যেন পর্যাপ্ত খোলা জায়গায় খেলাধুলা করতে পারে, সেজন্য প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত মাঠ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতে চলমান থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%