ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ জিতলে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাবেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার


বিশ্বকাপ জিতলে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাবেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার

বয়সটা খুব বেশি নয়, ২৮ ছুঁইছুঁই। তবে এই বয়সে মার্ক কুকুরেয়া আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন। তবে শর্ত হলো, যদি আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ জিততে পারে স্পেন; তবেই তিনি ফুটবলকে বিদায় জানাবেন এই ডিফেন্ডার। শুধু তাই নয়, কুকুরেয়া এর আগে মজা করে বলেছিলেন যে, স্পেন বিশ্বকাপ জিতলে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের মুখের ট্যাটু করাবেন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ছন্দে থাকা মার্ক কুকুরেয়া এসব মন্তব্য করেছেন।

ফুটবল নিয়ে পাগলামির একেবারে সীমা নেই। সমর্থকেরা যেমন পাগলামি করেন, মাঝে মাঝে খেলোয়াড়রাও অদ্ভুত কিছু পাগলামি করে বসেন। তবে মার্ক কুকুরেয়ার বিষয়টি ভিন্ন। এটিকে নিছক পাগলামি বলা যায় না, আবার ধরলে পাগলামির চেয়ে কমও নয়। কারণ, বিশ্বকাপ জিতলে ২৭ বছর বয়সেই ফুটবলকে বিদায় জানানোর কথা বলছেন!

মভিস্টারপ্লাসে প্রকাশিত এক ভিডিওতে কুকুরেয়া বলেছেন, ‘স্পেন যদি বিশ্বকাপ জেতে, তাহলে পরদিনই লুইস দে লা ফুয়েন্তেকে ফোন করে জাতীয় দল থেকে অবসরের কথা জানিয়ে দেবো। ইউরো আর বিশ্বকাপ- দুটোই জিতে গেলে আর চাওয়ার কী থাকে!’

আরও পড়ুন: ৩ নভেম্বর ঢাকায় আসছেন সিপিসি আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং

একজন ডিফেন্ডারের জন্য ২৭-২৮ বছরকে সাধারণত ক্যারিয়ারের সেরা সময় হিসাবেই ধরা হয়। এই বয়সে বেশিরভাগ রক্ষণভাগের খেলোয়াড়েরা অভিজ্ঞতা, পরিপক্বতা ও শারীরিক সক্ষমতার নিখুঁত সমন্বয়ে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন।

ইউরো ২০২৪ শিরোপা জয়ের পর থেকেই মার্ক কুকুরেয়া স্পেনের রক্ষণভাগের অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়ে পরিণত হন। ধারাবাহিক পারফরমেন্সে কোচের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন কুকুরেয়া। সাতটি ম্যাচে স্পেনের রক্ষণভাগ মাত্র একটি গোল খেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একদিনে ৩১ হাজারের বেশি স্কাইডাইভ, গড়ল নতুন বিশ্বরেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ এম


একদিনে ৩১ হাজারের বেশি স্কাইডাইভ, গড়ল নতুন বিশ্বরেকর্ড

বিশ্ব স্কাইডাইভিং দিবস উপলক্ষে বিশ্বের ৪৩টি দেশে একদিনে ৩১ হাজারের বেশি সমন্বিত স্কাইডাইভ সম্পন্ন করে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়েছে।

একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক নথিভুক্ত স্কাইডাইভের এ রেকর্ডকে স্কাইডাইভিং ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। শনিবার (১৮ জুলাই) আয়োজিত এ বৈশ্বিক কর্মসূচির আয়োজন করে ইউনাইটেড স্টেটস প্যারাস্যুট অ্যাসোসিয়েশন (ইউএসপিএ), অস্ট্রেলিয়ান প্যারাস্যুট ফেডারেশন, ব্রিটিশ স্কাইডাইভিং এবং কানাডিয়ান স্পোর্ট প্যারাস্যুটিং অ্যাসোসিয়েশন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে মোট ৩১ হাজার ৭৫টি স্কাইডাইভ সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২৪ সালে গড়া ৩০ হাজার ৩৫১টি স্কাইডাইভের আগের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে।

এ আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ স্কাইডাইভারদের পাশাপাশি নতুন অংশগ্রহণকারীরাও অংশ নেন। বিশেষ করে, অনেকেই জীবনে প্রথমবারের মতো প্রশিক্ষকের সঙ্গে ট্যান্ডেম স্কাইডাইভ সম্পন্ন করেন।

ইউনাইটেড স্টেটস প্যারাস্যুট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক অ্যালবার্ট বের্খটোল্ড বলেন, রেকর্ড গড়ার জন্যই তৈরি হয়, আর তা ভাঙার জন্যই নতুন চ্যালেঞ্জ আসে। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ নির্ধারিত ড্রপ জোনে এসে এই ক্রীড়ার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন, যা অত্যন্ত আনন্দের।

তিনি আরও বলেন, নতুন এই বিশ্বরেকর্ড স্কাইডাইভিংয়ের জনপ্রিয়তা ও বিস্তারেরই প্রতিফলন। এটি যেমন নতুন অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করবে, তেমনি দীর্ঘদিন ধরে এই ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত অভিজ্ঞ স্কাইডাইভারদের নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতিরও স্বীকৃতি।

আয়োজকদের মতে, বিশ্ব স্কাইডাইভিং দিবসের এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল আরও বেশি মানুষকে এই রোমাঞ্চকর ক্রীড়ার সঙ্গে পরিচিত করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্কাইডাইভিং সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও অংশগ্রহণ বাড়ানো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৬৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ এম


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৬৯

গত মাসে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৯ জনে পৌঁছেছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছে ১৬ হাজার ৭৪০ জন।

দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এই তথ্য জানিয়েছেন শুক্রবার (১৭ জুলাই)।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২৪টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়ের জন্য ১০৬টি অস্থায়ী শিবির স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ২১ হাজার ২৩৫ জন অবস্থান করছেন। তবে, এখনও ১৭ হাজার ৯০৭ জন স্থায়ী আবাসনের বাইরে রয়েছেন।

রদ্রিগেজ আরও উল্লেখ করেছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৮৫৬টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৯০টি ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, ফলে অনেক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

ভেনেজুয়েলায় গত ২৪ জুন কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে।

ভেনেজুয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। দুর্গত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র নিরূপণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪, জানাজার শোভাযাত্রাতেও ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ এম


গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪, জানাজার শোভাযাত্রাতেও ড্রোন হামলা

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই নিহতদের মধ্যে আটজন একটি জানাজার শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। এই হামলার ফলে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের আল-বালাতা বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে, যা গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা এবং আল-আওদা হাসপাতালের বরাতে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আহমাদ ইয়াসিন মসজিদের বাইরে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি জানাজার শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন এবং এ সময় একটি ইসরাইলি ড্রোন সেখানে হামলা চালায়। নিহত ব্যক্তিরা এর আগে একই এলাকায় পৃথক এক হামলায় নিহত এক ফিলিস্তিনির জানাজায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, মধ্য গাজায় একটি 'সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে' লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল। তবে তারা জানিয়েছে, হামলায় নিরীহ মানুষ হতাহত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস। তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকার পরও ইসরাইল ধারাবাহিকভাবে তা লঙ্ঘন করছে এবং বেসামরিক মানুষকে হত্যা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এছাড়া, গাজার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়া শহরে একটি স্কুলের কাছে ইসরাইলি ড্রোন থেকে ফেলা বোমায় ৫২ বছর বয়সি এক নারী নিহত হয়েছেন। মধ্য গাজার আজ-জাওয়াইদা এলাকার আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। নুসেইরাতের পশ্চিমে আল-সাওয়ারহা এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থলে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন, যার মধ্যে শিশুও রয়েছে, আহত হয়েছেন। খান ইউনিসের দক্ষিণ-পশ্চিমে ইসরাইলি গুলিতে আহত এক নারীরও মৃত্যু হয়েছে। যদিও গত অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও গাজায় প্রায় প্রতিদিনই ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। গবেষণা সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা জানিয়েছে, মে মাসের পর থেকে হামলার সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে ৪০টির বেশি হামলা ঘটেছে, যা যুদ্ধবিরতি শুরুর পর সর্বোচ্চ। ইসরাইলি দৈনিক হারেটজ দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে গাজায় ২৭৪ শিশু নিহত হয়েছে, অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন একজন শিশুর প্রাণহানি ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়ে গেছে, তবে গাজায় সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দায়ী করলেন ট্রাম্প, শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ এম


দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দায়ী করলেন ট্রাম্প, শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

কানাডার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, এ দূষণ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের যে বিপুল ব্যয় হচ্ছে, তা কানাডার পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্কের (ট্যারিফ) সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কানাডা তাদের বনভূমির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করছে না। ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে দূষিত, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা বাতাসের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা। প্রতিবছর এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে। এই দূষণের হিসাব কানাডার ওপর আরোপিত শুল্কের সঙ্গে যোগ করা উচিত।

কানাডার শত শত দাবানলের ধোঁয়ায় গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। পরিস্থিতির কারণে বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ট্রাম্প জানান, তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে কথা বলবেন এবং এ ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইবেন।

তবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের অভিযোগের সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বনভূমি আরও শুষ্ক হয়ে পড়ছে এবং দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার থম্পসন রিভার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইক ফ্ল্যানিগান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরম, শুষ্ক ও ঝোড়ো আবহাওয়া বাড়ছে, ফলে দাবানলও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে কানাডার অন্টারিও প্রদেশে চলতি বছর প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার একর বনভূমি আগুনে পুড়ে গেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম অন্টারিওর কলিন্স ফার্স্ট নেশন সম্প্রদায়ের পুরো বসতি আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড দাবানল মোকাবিলায় ১১টি নতুন বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রেও গড়ের চেয়ে বেশি দাবানল হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ একর ভূমি পুড়ে গেছে, যা গত ১০ বছরের গড়ের তুলনায় অনেক বেশি।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%