ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৬৯


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৬৯

গত মাসে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৯ জনে পৌঁছেছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছে ১৬ হাজার ৭৪০ জন।

দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এই তথ্য জানিয়েছেন শুক্রবার (১৭ জুলাই)।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২৪টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়ের জন্য ১০৬টি অস্থায়ী শিবির স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ২১ হাজার ২৩৫ জন অবস্থান করছেন। তবে, এখনও ১৭ হাজার ৯০৭ জন স্থায়ী আবাসনের বাইরে রয়েছেন।

রদ্রিগেজ আরও উল্লেখ করেছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৮৫৬টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৯০টি ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, ফলে অনেক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

ভেনেজুয়েলায় গত ২৪ জুন কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে।

ভেনেজুয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। দুর্গত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র নিরূপণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪, জানাজার শোভাযাত্রাতেও ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ এম


গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৪, জানাজার শোভাযাত্রাতেও ড্রোন হামলা

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই নিহতদের মধ্যে আটজন একটি জানাজার শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। এই হামলার ফলে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের আল-বালাতা বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে, যা গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা এবং আল-আওদা হাসপাতালের বরাতে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আহমাদ ইয়াসিন মসজিদের বাইরে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি জানাজার শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন এবং এ সময় একটি ইসরাইলি ড্রোন সেখানে হামলা চালায়। নিহত ব্যক্তিরা এর আগে একই এলাকায় পৃথক এক হামলায় নিহত এক ফিলিস্তিনির জানাজায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, মধ্য গাজায় একটি 'সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে' লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল। তবে তারা জানিয়েছে, হামলায় নিরীহ মানুষ হতাহত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস। তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকার পরও ইসরাইল ধারাবাহিকভাবে তা লঙ্ঘন করছে এবং বেসামরিক মানুষকে হত্যা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এছাড়া, গাজার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়া শহরে একটি স্কুলের কাছে ইসরাইলি ড্রোন থেকে ফেলা বোমায় ৫২ বছর বয়সি এক নারী নিহত হয়েছেন। মধ্য গাজার আজ-জাওয়াইদা এলাকার আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। নুসেইরাতের পশ্চিমে আল-সাওয়ারহা এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থলে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন, যার মধ্যে শিশুও রয়েছে, আহত হয়েছেন। খান ইউনিসের দক্ষিণ-পশ্চিমে ইসরাইলি গুলিতে আহত এক নারীরও মৃত্যু হয়েছে। যদিও গত অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও গাজায় প্রায় প্রতিদিনই ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। গবেষণা সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা জানিয়েছে, মে মাসের পর থেকে হামলার সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে ৪০টির বেশি হামলা ঘটেছে, যা যুদ্ধবিরতি শুরুর পর সর্বোচ্চ। ইসরাইলি দৈনিক হারেটজ দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে গাজায় ২৭৪ শিশু নিহত হয়েছে, অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন একজন শিশুর প্রাণহানি ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়ে গেছে, তবে গাজায় সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দায়ী করলেন ট্রাম্প, শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ এম


দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দায়ী করলেন ট্রাম্প, শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

কানাডার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, এ দূষণ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের যে বিপুল ব্যয় হচ্ছে, তা কানাডার পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্কের (ট্যারিফ) সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কানাডা তাদের বনভূমির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করছে না। ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে দূষিত, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা বাতাসের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা। প্রতিবছর এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে। এই দূষণের হিসাব কানাডার ওপর আরোপিত শুল্কের সঙ্গে যোগ করা উচিত।

কানাডার শত শত দাবানলের ধোঁয়ায় গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। পরিস্থিতির কারণে বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ট্রাম্প জানান, তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে কথা বলবেন এবং এ ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইবেন।

তবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের অভিযোগের সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বনভূমি আরও শুষ্ক হয়ে পড়ছে এবং দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার থম্পসন রিভার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইক ফ্ল্যানিগান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরম, শুষ্ক ও ঝোড়ো আবহাওয়া বাড়ছে, ফলে দাবানলও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে কানাডার অন্টারিও প্রদেশে চলতি বছর প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার একর বনভূমি আগুনে পুড়ে গেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম অন্টারিওর কলিন্স ফার্স্ট নেশন সম্প্রদায়ের পুরো বসতি আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড দাবানল মোকাবিলায় ১১টি নতুন বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রেও গড়ের চেয়ে বেশি দাবানল হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ একর ভূমি পুড়ে গেছে, যা গত ১০ বছরের গড়ের তুলনায় অনেক বেশি।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উগান্ডায় বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ প্রাণ গেল ২১ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ এম


উগান্ডায় বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ প্রাণ গেল ২১ জনের

উগান্ডার পূর্বাঞ্চলে শিক্ষাসফর শেষে ফেরার পথে ঘটে যাওয়া একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জনই স্কুলশিক্ষার্থী। দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার উগান্ডা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজধানী কাম্পালার কিং ডেভিড জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীরা কাপচোরওয়া জেলার সিপি ফলস এলাকায় শিক্ষাসফর শেষ করে ফিরছিলেন। পথে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে একটি বড় পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এর ফলে ঘটনাস্থলেই ২০ শিক্ষার্থী ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নিহত হন।

দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং প্রাপ্তবয়স্ককে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তের সময় পুলিশের ধারণা, চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এতে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি উপস্থিত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর বাসটির দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ছবি উগান্ডা পুলিশ প্রকাশ করেছে। এসব ছবি দেশটির সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতির দুর্বল দিকটি আবারও সামনে এনেছে।

পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় সড়ক দুর্ঘটনাবিষয়ক একটি বড় সমস্যা রয়েছে। অপর্যাপ্ত সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং অতিরিক্ত গতির কারণে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।

গত বছরের অক্টোবরে দেশটির একটি মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন। আর ২০২৪ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই বছর উগান্ডায় ৪ হাজার ৪৩৪টি প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা আমাদের‘কোচকে জয়ের মাধ্যমে প্রতিদান দিতে চাই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ এম


আমরা আমাদের‘কোচকে জয়ের মাধ্যমে প্রতিদান দিতে চাই’

গত দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও, এবার সেমি-ফাইনালের বাধা পার করতে পারে না ফ্রান্স। ফলে তাদের পথচলা শেষ চারে থেমে গেছে। তবে দলটি টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি বিদায়ও হয়নি। কারণ তাদের দেশে ফেরার আগে খেলতে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।

মায়ামি স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৩টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ আরেক সেমি-ফাইনালে হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড। ইংলিশরা আগেই জানিয়েছে, অর্থহীন এই ম্যাচ খেলার তাদের কোন ইচ্ছা নেই।

এবার ফ্রান্সের ফুটবলার-কোচেরও একই মূল্যায়ন করেছে। তারাও বলছে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী নামের এই ম্যাচে মাঠে নামার অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, দলের ডিফেন্ডার ইব্রাহিম কোনাতে এই ম্যাচের নাম দিয়েছেন চকলেট মেডেলের ম্যাচ।

অবশ্য খেলার তেমন ইচ্ছা না থাকলেও, কোচ দিদিয়ের দেশমের জন্য এই ম্যাচটি জিততে চায় ফ্রান্স। কারণ, ফ্রান্সের ডাগআউটে দেশমের দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে এই ম্যাচ দিয়েই। এরপর আর জাতীয় দলের সঙ্গে দেখা যাবে এক কিংবদন্তি কোচকে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কোচের জন্য জয়ের লক্ষ্য কোনাতের। তিনি বলেন, “আমরা কেউই তৃতীয় স্থানের জন্য ম্যাচটি খেলতে চাইনি, কিন্তু আমাদের কোনো উপায় নেই। আমরা আমাদের কোচকে প্রতিদান দিতে চাই। তিনি ফ্রান্স দলের জন্য অনেক কিছু করেছেন। আমাদের অবশ্যই তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে হবে এবং এই ম্যাচটি জেতার জন্য আমাদের সবকিছু করতে হবে... এই চকলেট মেডেল, এই ব্রোঞ্জ মেডেলটি পাওয়ার জন্য।”

কোনাতের মতো দেশমও বলেছেন, এই ম্যাচ খেলার কোনো ইচ্ছা নেই তার। তাই মনকে বাধ্য করে আগামী শনিবার দলকে মাঠে নামাবেন তিনি।

“এই ম্যাচটির জন্য আমার একটি দায়িত্ব আছে। এটি কোনো প্রীতি ম্যাচ নয়। এটি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। খেলোয়াড়, স্টাফ ও আমার দায়িত্ব হলো এই শেষ লক্ষ্যটি অর্জন করা। যদিও এটি ফাইনালের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ড এই ম্যাচটি খেলতে চায় না, আমরাও চাই না। তবুও আমরা এখানে।”

নিজের বিদায়ী ম্যাচের আবেগ যেন কাউকে ছুঁয়ে না যায় সে ব্যাপারে দেশম আগেভাগেই সতর্ক করলেন।

“আমাদের লক্ষ্য স্থির করতে হবে যেন তৃতীয় স্থান অর্জন করতে পারি এবং এই শেষ লক্ষ্যটিকে বাস্তবে রূপ দিতে পারি। এই জার্সি গায়ে থাকলে আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতেই হয়। আমার মনে আমি জানি যে, এটি আমার শেষ ম্যাচ। আমি চাই না কেউ কাঁদুক। শেষ ঘনিয়ে এসেছে, কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%