ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী


দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রজনন ক্ষেত্রগুলো রক্ষার জন্য বর্তমান সরকার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। হাওড়, বাওড়, নদীনালা এবং সমুদ্রের অভয়াশ্রম তৈরির কাজ চলছে।

আজ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা (২০২৫-২৬) ও পরিকল্পনা প্রণয়ন (২০২৬-২৭)’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, অতীতে সফল গবেষণার ফলস্বরূপ আজ আমরা মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। চাষের মাছের উৎপাদন, গুণগত মান এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানুষের সচেতনতার অভাবে প্রাকৃতিক মাছের প্রজনন ক্ষেত্রগুলো আজ বিপন্ন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে এই সংকট মোকাবেলায় চলতি বছর থেকেই বড় বাজেট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে সরকার।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

মন্ত্রী গবেষক এবং বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশনা ও আহ্বান জানান। গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশি মাছের প্রজনন, জাত উন্নয়ন এবং হারিয়ে যাওয়া প্রজাতির পুনরুদ্ধারে গবেষণা জোরদার করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা, রোগ প্রতিরোধ এবং মানসম্মত পোনা উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। ক্ষতিকর জালের ব্যবহার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য থেকে বিরত থেকে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে জোর দিতে হবে।

রপ্তানির প্রসঙ্গে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, সরকার আগামী দিনে পর্যাপ্ত মাছ বিদেশে রপ্তানি করতে চায়। তবে রপ্তানির ক্ষেত্রে গুণগত মানের কোনো আপস করা হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এর গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা জরুরি। মাছের স্বাদ ও গুণগত মান অনেকাংশে পানির গুণগত মানের ওপর নির্ভরশীল। তাই মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয়ের দূষণ রোধ এবং মাছের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নদী ও খাল খননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা হ্রাস পেলে মাছের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও এগিয়ে নিতে সকলকে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির

বিএফআরআই’র মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএআরসি'র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম। এ সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএফআরআই’র বিজ্ঞানীবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জেলে প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএফআরআই’র পরিচালক ড. মো. আমিরুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক হামিম মল্লিক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক হামিম মল্লিক নিহত

কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় হামিম মল্লিক (২২) নামের এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।

এ দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফুকরা ইউনিয়নের মিল্টন বাজার এলাকায়।

নিহত হামিম মল্লিক গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া এলাকার ইলিয়াস মল্লিকের পুত্র।

ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে থানার এসআই ফজলু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ‘দোলা পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই চালক হামিম মল্লিকের মৃত্যু ঘটে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরার ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরার ব্যবস্থা

মুন্সীগঞ্জ, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, যা রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেখানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, এই উদ্যোগের ফলে ব্যস্ততম সড়কটিতে আইন অমান্যকারী যানবাহন চালকরা এআই নির্ভর স্বয়ংক্রিয় মামলার আওতায় আসবেন।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ৫৫ কিলোমিটার রাস্তায় মুন্সীগঞ্জ জেলায় ৩৫ কিলোমিটার রয়েছে। এই সড়কে ঘটে যাওয়া অধিকাংশ দুর্ঘটনার মূল কারণ হচ্ছে বেপরোয়া গতি এবং ওভারটেকিং।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৫৮৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৯৫০ জন আহত হয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বাসসকে জানিয়েছেন, অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করা।

সম্প্রতি, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মুন্সীগঞ্জে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে বলেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

বর্তমানে জাতীয় মহাসড়কগুলো এআই ক্যামেরার পর্যবেক্ষণের আওতায় এসেছে। ধাপে ধাপে জেলা ও আঞ্চলিক হাইওয়ে সড়কগুলোও এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে এনে সার্বক্ষণিক নজরদারী করা হবে এবং সড়ক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গাজীপুর রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বাসসকে জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে বেপরোয়া গতি। এক্সপ্রেসওয়ের সম্পূর্ণ এলাকা এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে এনে দ্রুতগতি, ওভারটেকিং এবং সড়ক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে এআই নির্ভর স্বয়ংক্রিয় মামলার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আসলে ওভারস্পিডে গাড়ি চালানো এবং ওভারটেকিং বন্ধ হবে। ফলে যানবাহন চালকরা সচেতন হয়ে সড়ক আইন মেনে গাড়ি চালাবেন। এতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম বাসসকে জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের গতিসীমা এবং সাইন মার্কিং করা আছে, এছাড়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরাও রয়েছে।

তবে বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, আকস্মিক ইউটার্ণ, চালকের অসতর্কতা, সড়ক আইন না মানা এবং ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরকে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী শক্তির ষড়যন্ত্রের সূচনা হিসাবে উল্লেখ করে ন্যাপের মহাসচিব এবং ‘ভয়েস অব কনসাস সিটিজেন’ (ভিসিসি)’র চেয়ারম্যান এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেছেন, ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেশবিরোধী ও গণতন্ত্র বিরোধী অপশক্তি দেশের জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘সেই হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে সংগঠিত ১/১১ ছিল সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত খেলা। আর গত ১৭ বছরের সরকার ছিল সেই ষড়যন্ত্রেরই ফল।’

আজ সকালে রাজধানীর পল্টনে ন্যাপের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘২৮ অক্টোবর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও লগি-বৈঠা’ স্মরণে ভয়েস অব কনসাস সিটিজেন আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে রাজনীতিশূন্য করতে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করতেই ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বর্বরোচিত হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিল। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ২৮ অক্টোবরের হত্যাকান্ডের বিচার না হলে মানবতা ও মানবাধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ২৮ অক্টোবর বর্বরোচিত হত্যাকান্ড ঘটিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতাকে গলা টিপে যারা হত্যা করেছিল ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না, ভবিষ্যতেও করবে না। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের কাঁধে এক অশুভ শক্তি ভর করেছিল, যাকে উৎখাত করতে জাতিকে দীর্ঘ আন্দোলন ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, এই দিনটি ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেদিন যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছিল তারা মানবতার শত্রু, সভ্যতার শত্রু।

গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তাদের জায়গা এদেশের মাটিতে আর হবে না। ৫ আগস্টের চেতনাকে কোনোভাবে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।

এ আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন- এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব মিতা রহমান, ভিসিসি ভাইস চেয়ারম্যান আকবর মোহাম্মদ, আলী আজম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন, খাদেমুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এএফইডির আহ্বান: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের নিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


এএফইডির আহ্বান: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের নিশ্চয়তা

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : ফেয়ার ইলেকশনস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি অ্যালায়েন্স (এএফইডি) ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

সংস্থাটির প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষণে ২৭টি নির্বাচনী প্রচার অনুষ্ঠানে সহিংসতার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ বুধবার প্রকাশিত এক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এএফইডি জানায়, আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ভোটারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

এএফইডি ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকার তিনটি উপজেলায় তিনজন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। তারা নির্বাচনী পরিবেশের পাশাপাশি তিনজন প্রার্থীর প্রচার অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করেন এবং ১৯ জন নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রার্থী ও নির্বাচনী প্রচার দলের সদস্যের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পর্যবেক্ষকদের দেখা নির্বাচনী প্রচার অনুষ্ঠানগুলো সাধারণত বাধাহীনভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭টি অনুষ্ঠানের কোনোটিতেই সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের কোনো অভিযোগও পর্যবেক্ষকদের কাছে আসেনি। সরকারি কর্মকর্তাদের নির্বাচনী প্রচার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ কিংবা কোনো প্রার্থীর পক্ষে সমর্থনমূলক মন্তব্য করার ঘটনা তাদের নজরে আসেনি।

নির্বাচন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকার দেওয়া সব প্রার্থী বা তাদের প্রচার প্রতিনিধিরা নির্বাচন প্রশাসনের কাছ থেকে সমান আচরণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তারা নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো প্রার্থীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও তারা করেননি।

নির্বাচনী প্রচারে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়েও পর্যবেক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেখা গেছে, পর্যবেক্ষণ করা দুই-তৃতীয়াংশ প্রচার অনুষ্ঠানে নারীদের দৃশ্যমান উপস্থিতি ছিল। তবে তাদের বক্তা হিসেবে খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা গেছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জনপরিসরের আলোচনায় নারীদের নেতৃত্ব, বক্তব্য প্রদান এবং অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এএফইডি।

এএফইডি বলেছে, ভোটদানের পদ্ধতি, পোস্টাল ভোটিং, ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা ও ভোটারদের অধিকার সম্পর্কে সহজবোধ্য এবং সবার জন্য প্রবেশগম্য তথ্য প্রচার করা জরুরি। বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক নাগরিক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিরাপদে এবং মর্যাদার সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

নির্বাচনের দিন বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৫২ জন ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করবে এএফইডি। তারা নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে ভোটগ্রহণ শুরুর প্রক্রিয়া, ভোটদান, ভোট গণনা এবং ডাকযোগে প্রদত্ত ভোট গণনা পর্যবেক্ষণ করবেন।

তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হলেও প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়।

ভোটগ্রহণ থেকে শুরু করে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত পুরো সময় শান্তি বজায় রাখা এবং নাগরিকদের স্বাধীন ও নিরাপদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছে এএফইডি।

সংস্থাটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি) সহায়তা প্রদান করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%