বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৭ পি.এম
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আল্পস অঞ্চলের দেশ স্লোভেনিয়া জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ইয়ানেজ ইয়ানশার নেতৃত্বে স্লোভেনিয়া ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কের কূটনৈতিক পুনর্বিন্যাস শুরু করেছেন।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের আচরণ নিয়ে সম্প্রতি ইউরোপের বেশিরভাগ দেশের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হলেও স্লোবেনিয়া এই প্রবণতার বিপরীত পথে হাঁটছে।
এর অংশ হিসেবে ইসরাইল বুধবার লুবলিয়ানায় দেশটির প্রথম দূতাবাস উদ্বোধন করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠাচ্ছে।
লুবলিয়ানা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এটি আগের মধ্য-বামপন্থী সরকারের নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত। গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান নিয়ে ওই সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অন্যতম কঠোর সমালোচক ছিল। তারা ওই অভিযানকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে।
এ পদক্ষেপ এমন একদিন পর নেওয়া হলো, যখন অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইসরাইলের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়ে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক নিন্দা বাড়তে থাকায় ইউরোপের সরকারগুলোর নেওয়া সর্বশেষ পদক্ষেপ এটি।
ইয়ানশা চলতি বছরের শুরুতে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে প্রায়ই তার বিরোধ হয়। পশ্চিম তীরের বসতি নিয়ে ইইউর অবস্থানের বিরোধিতা করায় তিনি ইসরাইলের প্রশংসা পেয়েছেন।
ইয়ানশার নেতৃত্বে স্লোভেনিয়া বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিজেদের নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করেছে। ইসরাইলের ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। নেতানিয়াহু ও তার দুই মন্ত্রীর ওপর দেওয়া প্রবেশ নিষেধাজ্ঞাও বাতিল করেছে।
ইসরাইলের শীর্ষ কূটনীতিক গিদিওন সার বুধবার স্লোভেনিয়ায় তার প্রথম সরকারি সফরে দূতাবাসটি উদ্বোধন করবেন। তার মন্ত্রণালয় ইয়ানশাকে ‘ইসরাইলের বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ইয়ানশা বলেছেন, তার সরকার উদারপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলবের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কাটিয়ে ‘শুধু স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্রনীতি স্বাভাবিক করছে।’
দৈনিক দেনেভনিকের কলামিস্ট দারিয়ান কোশির সপ্তাহাহের শেষে এক মন্তব্যে বলেছেন, ইইউতে ইয়ানশা ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ট্রোজান হর্স’ হিসেবে কাজ করছেন। এপ্রিলের নির্বাচনে হেরে যাওয়া হাঙ্গেরির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের জায়গা তিনি নিয়েছেন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট দানিলো তুর্ক এএফপিকে বলেন, স্লোভেনিয়া ‘ইসরাইলি নীতির একটি হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।’
লুবলিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের অধ্যাপক তুর্ক বলেন, ‘এটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রকৃত শিক্ষিত সমাজ গঠনের জন্য শুধুমাত্র সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষা হবে সকলের মৌলিক অধিকার এবং এটি মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে হবে।
এছাড়া, শিক্ষাকে দক্ষতাভিত্তিক, ক্যারিয়ারমুখী এবং সুদৃঢ় নৈতিকতার ভিত্তিতে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভাষা শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ টিএমটিই (ট্রেনিং অব মাস্টার ট্রেনার্স ইন ইংলিশ) সদস্য সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় শুধুমাত্র পড়া ও লেখার প্রথাগত অনুশীলনে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের ভাষা শেখার চারটি মৌলিক দক্ষতার ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামে শ্রবণ (লিসেনিং) ও কথন (স্পিকিং) দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পড়া ও লেখা ছাড়াও, শুনে বোঝা, সঠিকভাবে কথা বলা এবং নিজের ভাব প্রকাশের দক্ষতা গড়ে তোলার জন্য নতুন কারিকুলামে প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিশেষত বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানে শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ভাষাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ভাষা শিক্ষার চারটি মৌলিক স্তম্ভ হলো—শুনে বোঝা, বলে প্রকাশ করা, পড়ে বোঝা এবং লিখে প্রকাশ করা।
এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে শুনে বোঝার দক্ষতা তৈরি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো ভাষা আয়ত্ত করার মূল চাবিকাঠি হলো শ্রবণ ও অনুশীলন।
শ্রেণিকক্ষে শুধুমাত্র পাঠ্যবইনির্ভর পাঠদানের সমালোচনা করে শিক্ষকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভিডিও, ওয়ার্কবুক, ডিজিটাল কনটেন্ট ও খেলার মাধ্যমে পাঠদানকে আরো আনন্দময় করতে আধুনিক শিক্ষণ-উপকরণ ব্যবহারের নতুন প্রস্তাব নিয়ে আসতে হবে। সরকার ফলাফলনির্ভর সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক নীতিগত পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর।
টিএমটিই বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের উপপরিচালক মারিয়া রেহমান।
অনুষ্ঠানে টিএমটিই বাংলাদেশের সদস্যসহ শিক্ষা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এক শিশু শিক্ষার্থী (১১) মারধরের অভিযোগে পুলিশ মাদরাসাশিক্ষককে হেফাজতে নিয়েছে। এলাকাবাসী শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসায় এই ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মাওলানা মুফতি ইব্রাহিম বিন মুজিব। তবে আহত শিক্ষার্থীর পরিবার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তারা থানায় অভিযোগও করেনি বলে জানা গেছে।
দুপুর ২টার দিকে নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব নাথ কালের কণ্ঠকে জানান, এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তিনি বলেন, ‘পরিবারের কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই শিশু চারদিন ধরে মাদরাসায় অনুপস্থিত ছিল। আজ সকালে শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিম বিন মুজিব তাকে বাড়ি থেকে মাদরাসায় নিয়ে আসেন।
পরে তাকে মাদরাসায় না আসার জন্য মারধর করা হয়। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়রা শিশুটিকে উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করে এবং ওই শিক্ষককে মাদরাসায় অবরুদ্ধ করে রাখে। দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে শিক্ষক ইব্রাহিম বিন মুজিবকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শিক্ষার্থীকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম বিন মুজিব। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আসলেই ছাত্রের ওপর মাইরটা মারাত্মক বেশি হয়ে গেছে।
মারার সময় আমার রাগটা ধইরা রাখতে পারিনি। এজন্য আমি অনুতপ্ত, ক্ষমাপ্রার্থী।’
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক এবং মারধরের শিকার শিক্ষার্থী আত্মীয়। এ কারণে ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হচ্ছেন না। একই সঙ্গে তারা বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছেন।
মাদরাসার অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আশরাফী মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। এমন ঘটনা এর আগে কখনো এই মাদরাসায় ঘটেনি। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন নওগাঁর সাপাহার থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদের দায়িত্ব হস্তান্তরের দীর্ঘসূত্রতার কারণে। নতুন ওসি থানায় উপস্থিত থাকলেও বিদায়ী ওসি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ার ফলে থানার প্রশাসনিক ও আইনি কার্যক্রম সাময়িকভাবে থমকে গেছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ের এক আদেশে সাপাহার থানার ওসি মিজানুর রহমানকে জনস্বার্থে জয়পুরহাট জেলায় বদলি করা হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নতুন ওসি শাহীন রেজা সাপাহার থানায় যোগদান করেন। তবে নতুন ওসি থানায় উপস্থিত থাকলেও বিদায়ী ওসি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ার কারণে থানায় প্রশাসনিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
এ পরিস্থিতির কারণে সাধারণ ডায়েরি (জিডি), দাপ্তরিক কাজ এবং বিভিন্ন আইনি সেবা নিতে আসা সেবাপ্রার্থীরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিতে পারেননি। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও সেবা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
উপজেলার গাঞ্জাকুড়ি গ্রামের ষাটোর্ধ্ব মোকসেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি সকাল ৯টায় থানায় গিয়ে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও ওসির অনুপস্থিতির কারণে কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি। পুরাতন মুহুরি পট্টি এলাকার শিক্ষার্থী জারিফ জানান, একটি জিডি করার জন্য সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত থানায় বসে থাকতে হয়েছে। দুই ওসির দায়িত্ব হস্তান্তর না হওয়ার কারণে প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদায়ী ওসি মিজানুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরবর্তীতে থানায় গিয়ে দেখা যায়, তিনি নিজ কক্ষে ব্যস্ত রয়েছেন জানিয়ে ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরা কাউকে ভেতরে যেতে দেননি। প্রায় এক ঘণ্টা পর বিদায়ী ওসি মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই গাড়িতে উঠে থানা ত্যাগ করেন।
নতুন ওসি শাহীন রেজা জানিয়েছেন, তিনি আগের দিন থেকেই থানায় অবস্থান করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ বুঝে পাননি। বিষয়টি তিনি ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জরুরি নাগরিক সেবা নিরবচ্ছিন্ন করার স্বার্থে স্থানীয়রা এই প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিরসনের দাবি করেছেন। সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দক্ষিণ যোগীপাড়া (সরকারপাড়া) গ্রামে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী 'হাঁস খেলা' অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশীয় লোকজ সংস্কৃতি ও প্রাচীন ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
গ্রামের একটি জলাশয়ে আয়োজিত এই খেলায় এলাকার একঝাঁক প্রাণবন্ত তরুণ ও যুবক অংশ নেন। পানির ছপছপ শব্দ আর প্রতিযোগীদের হাঁস ধরার তুমুল লড়াই উপভোগ করতে পুকুরপাড়ে ভিড় জমান শিশু, নারী ও প্রবীণসহ সর্বস্তরের উৎসুক জনতা। করতালিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী মোঃ আকাশ ও মোঃ শাকিলের হাতে পুরস্কারের হাঁস তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথি ও স্থানীয় মুরুব্বি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ মজনু, মোঃ শাওন ইসলাম এবং মোঃ কবির হোসেন।
অনুষ্ঠানে ৩ নং সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, "গ্রাম বাংলার এসব প্রাচীন খেলাধুলা আমাদের নিজস্ব বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। যুবসমাজকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে ও দেশীয় ঐতিহ্যকে ধারণ করতে নিয়মিত এমন আয়োজনের কোনো বিকল্প নেই।"
আয়োজক ও স্থানীয় বক্তারা জানান, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে মোবাইল আসক্তি দূর করতে এবং গ্রামের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে ভবিষ্যতে এ ধরনের গ্রামীণ বিনোদনমূলক আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ