শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৭ পি.এম
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নর্সে ইরানের বিরুদ্ধে গৃহীত প্রস্তাবকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে তেহরান, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপের ফলস্বরূপ বলে দাবি করেছে। ইরান সতর্ক করে বলেছে যে, সংস্থাটির এই ধরনের ‘রাজনীতিকরণ’ ও ‘বাধাসৃষ্টিকারী’ কর্মকাণ্ড দেশগুলোকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে সরে যেতে উৎসাহিত করতে পারে। খবরটি মেহের নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) সচিব মোহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে এ মন্তব্য করেন। আইএইএ বোর্ড অব গভর্নর্সে ইরানবিরোধী প্রস্তাব পাস হওয়ার পর তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
রেজাই মন্তব্য করেন, ‘বোর্ড অব গভর্নর্সে গৃহীত ইরানবিরোধী প্রস্তাবটি অবৈধ, কারিগরি ভিত্তিহীন, পুরোপুরি রাজনৈতিক এবং অগ্রহণযোগ্য। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী চাপের স্পষ্ট ছাপ রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আইএইএর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বাধাসৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ড দেশগুলোকে এনপিটি থেকে সরে যাওয়ার দিকে ঠেলে দেবে।’
এই ইরানি কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক পরমাণু তদারকি সংস্থার নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে বৈশ্বিক পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ও নজরদারি ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনী সেতুর নিচে জিরানি খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় মো. জজ মিয়া (৪৪) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. আবদুল্লাহ (৩৩) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আবদুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।
নিহত জজ মিয়া নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকার মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে ছিলেন। তিনি রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ১০টার দিকে জিরানি খাল থেকে জজ মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এরপর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে খিলগাঁও থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
প্রাথমিক তদন্তের বরাতে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার জজ মিয়া খিলগাঁওয়ের বাসা থেকে বের হন। ওইদিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মেরুল বাড্ডার মিন্টুর গ্যারেজে যান। সেখানে আগে থেকেই আবদুল্লাহসহ কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে জজ মিয়াকে আঘাত করেন। এতে তার মৃত্যু হলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে লাশ জিরানি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহত জজ মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আবদুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, জজ মিয়ার সঙ্গে তার এক সহযোগীর স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এর জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আবদুল্লাহ। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ যাচাই করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জো রুট নতুন একটি কীর্তি গড়লেন টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিপক্ষে এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টেস্টে তিনি ২২০তম ক্যাচ নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাধিক ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ড স্থাপন করেন।
অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথের ২১৯ ক্যাচের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছেন রুট। গত মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তিনি এই রেকর্ডটি গড়েছিলেন। রুট গতকাল সেটি ভেঙে দিলেন। উইকেটরক্ষক নন, এমন ফিল্ডারদের মধ্যে টেস্টে সর্বাধিক ক্যাচ নেওয়ার তালিকায় এখন শীর্ষে রয়েছেন ইংল্যান্ডের এই ব্যাটার। ম্যাচের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার এই মাইলফলক অর্জিত হয়, যখন স্বাগতিক দল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ছিল।
পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম ওভারে আসে রেকর্ড গড়া এই ক্যাচ। অলি রবিনসনের বল আব্দুল্লাহ শফিকের ব্যাটের কানায় লেগে নিচু হয়ে যায়, স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা রুটের দিকে। দ্রুত নিচু হয়ে অসাধারণ দক্ষতায় সেই ক্যাচটি গ্রহণ করেন রুট। মাত্র তিন বল খেলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন শফিক।
এই রেকর্ডটি আগে রুটের দখলে ছিল। সর্বশেষ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে স্মিথ সেই রেকর্ডটি কেড়ে নিয়েছিলেন। তবে এক সিরিজ বাদ দিয়েই রুট আবারও সেই রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন।
রুটের ২২০ ক্যাচের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়, যার ক্যাচ সংখ্যা ২১০। চতুর্থ স্থানে মাহেলা জয়াবর্ধনের ক্যাচ সংখ্যা ২০৫। পঞ্চম স্থানে আছেন জ্যাক ক্যালিস, যার ক্যাচ সংখ্যা ২০০।
তবে রুটের সামনে আরও বড় একটি রেকর্ডের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে তার রান সংখ্যা ১৪২১৬। আর মাত্র ১৭০৫ রান হলেই তিনি শচীন টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে যাবেন টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে।
শচীন ১৫৯২১ রান নিয়ে এখন পর্যন্ত শীর্ষে অবস্থান করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের বৃদ্ধি লক্ষ্য করার পর, আগামীকাল শনিবার থেকে সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
জনস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করার জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং দেশের সকল বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট সংলগ্ন নাফ নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ হয়ে গেছে। শুক্রবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধার করতে কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জেলেরা নদীতে তল্লাশি শুরু করেছেন।
নিখোঁজ দুই শিশুর নাম হলো মোহাম্মদ নিশান (১২) এবং আরজিন (১০)। মোহাম্মদ নিশান শাহপরীর দ্বীপ উত্তরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে, আর আরজিন একই এলাকার কেফায়েত উল্লাহর ছেলে। উভয়েই সাবরাং ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়দের মতে, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে কয়েকজন শিশু শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট এলাকায় নাফ নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে নিশান ও আরজিন নদীর অপেক্ষাকৃত গভীর পানিতে চলে গেলে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জেটিঘাটে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করা আব্দুল মজু জানান, ‘সকাল ১১টার দিকে শিশুরা জেটি থেকে নদীতে গোসল করতে নামে। শুক্রবার ছুটির দিনে এখানে অনেক শিশু গোসল করে। সাধারণত তারা অল্প পানিতেই থাকে। কিন্তু আজ দুই শিশু গভীর পানিতে চলে যাওয়ায় নিখোঁজ হয়েছে।’
শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে দুই শিশু নিখোঁজের খবর পাই। পরে স্থানীয় জেলেদের নিয়ে তাদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি শুরু করা হয়। কোস্টগার্ড সদস্যরাও অভিযানে যোগ দিয়েছেন।’
শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জনজীব নাথ জানান, ‘শুক্রবার সকালে জেটিঘাটের পাশের নাফ নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় নদীর বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এখনো তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ