ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইউএনজিএ জয়ের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


ইউএনজিএ জয়ের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়াকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য উৎসর্গ করে প্রধানমন্ত্রীর ‘অটল ও নিঃশর্ত’ সমর্থন এই ঐতিহাসিক বিজয়ের কৃতিত্ব।

নিউইয়র্ক থেকে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘এই বিজয় বাংলাদেশের। এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর। যদি তিনি এই সিদ্ধান্ত না নিতেন এবং দৃঢ় সমর্থন না দিতেন, তাহলে ১০ বছর ধরে চলা যাত্রা আমরা ১০ সপ্তাহে সম্পন্ন করতে পারতাম না।’

তিনি আরও জানান, ‘আমরা এই বিজয় বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য উৎসর্গ করছি।’

আরও পড়ুন: তাহসিফের মৃত্যু: দীপের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো

মঙ্গলবার, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত ড. খালিলুর রহমান ইঙ্গিত দেন, তিনি ঐতিহাসিক নজির এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধার কথা চিন্তা করে একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইউএনজিএ সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

তাঁর একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আজ, নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে একই সঙ্গে উভয় দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ সম্ভব। এখন এটি বেশ স্বাভাবিক।’

ড. খালিলুর রহমান বলেন, তিনি তার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ত্যাগ বা স্থগিত করার বিষয়ে এখনও কোনো তাড়াহুড়ার মধ্যে নেই।

‘আমি কি এই কাজ ছেড়ে দেব? এটাই কি প্রশ্ন? এত তাড়াহুড়া করবেন না। নজির আছে,’ তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: সম্পত্তির বিরোধে বাবা-বোনকে গাছে বেঁধে মাকে তুলে নিলেন ছেলে

চার দশক আগে একই গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশের পূর্ববর্তী দায়িত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংসদ স্পিকার হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী ১৯৮৬-৮৭ সালে একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

‘আমি তার ব্যক্তিগত সচিব ছিলাম এবং তার সঙ্গে কাজ করেছি। তিনি দুই দায়িত্বই পূর্ণকালীনভাবে পালন করেছিলেন,’ তিনি উল্লেখ করেন।

কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, তিনি কি তার মন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়ে সম্পূর্ণভাবে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কাজে মন দেবেন কি না, এমন সময়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি সাবেক মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহীদের উদাহরণ দেন, যিনি ২০২১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে একই সঙ্গে তার মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

আরও পড়ুন: হাতিয়ায় ট্রলারডুবিতে নিহত জেলে মিরাজের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন মাহবুবের রহমান শামীম

বর্তমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির সঙ্গে তুলনার বিষয়ে খালিলুর রহমান মন্তব্য করেন, পরিস্থিতি ভিন্ন।

‘তিনি ছিলেন গ্রিন পার্টির নেতা এবং তার দল নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিল। তাই তিনি আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি,’ তিনি ব্যাখ্যা করেন।

ড. খালিলুর রহমান ৯৯ ভোট পেয়ে সাইপ্রাসের আন্দ্রিয়াস এস. কাকোরিসকে পরাজিত করেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত গোপন ভোটে তিনি ৯১ ভোট পান।

এই নির্বাচন চার দশক পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন চিহ্নিত করছে।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎমন্ত্রী: খালেদ মোশাররফ ১৫ আগস্ট ও ৭ নভেম্বরের খলনায়ক

ড. খালিলুর রহমান হলেন দ্বিতীয় বাংলাদেশি, যিনি এই মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হলেন। তিনি আগামী সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এক বছরের মেয়াদে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাণীনগরে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ রিংজাল জব্দ করে ভস্মিভূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


রাণীনগরে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ রিংজাল জব্দ করে ভস্মিভূত

নওগাঁর রাণীনগরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করে মৎস্য অভয়াশ্রম থেকে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিংজাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত জালগুলো আগুনে ভস্মিভূত করার কাজও করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের সময় এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ এ বিষয়ে জানান, উপজেলার কাশিমপুর এলাকার ছোট যমুনা নদীর তারাপালের দহে একটি মৎস্য অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু ওই দহে কিছু অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী রিংজাল দিয়ে মাছ ধরার কার্যকলাপ চালাতে শুরু করেছিল। এই অবৈধ কার্যক্রমের খোঁজে ইউপি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এদিন দুপুর ২টা নাগাদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময়, অভয়াশ্রম থেকে লক্ষাধিক টাকার ২০টি চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো উপজেলা পরিষদ চত্বরে এনে আগুনে ভস্মিভূত করা হয়। এ অভিযানে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান এবং উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা রাসেল আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রাজশাহীতে

৬ কোটি টাকার করোনা ইউনিট তালাবদ্ধ, যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ পি.এম


৬ কোটি টাকার করোনা ইউনিট তালাবদ্ধ, যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে

করোনাভাইরাস মহামারির ভয়াবহ সময়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীতে নির্মাণ করা হয়েছিল একটি বিশেষায়িত করোনা ইউনিট।

কিন্তু সংক্রমণ কমে যাওয়ার কারণে ইউনিটটি আর কাজে লাগানো হয়নি।

ফলে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় থেকে নষ্ট হচ্ছে সেখানে স্থাপিত মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অভাবে এ প্রকল্পে ব্যয় হওয়া বিপুল সরকারি অর্থ কার্যত অপচয়ের মুখে পড়েছে।

জানা গেছে, ২০২১ সালে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়।

বিশেষ করে অক্সিজেন সংকট ও বেড স্বল্পতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

এমন অবস্থায় রাজশাহী সদর হাসপাতালে একটি বিশেষায়িত করোনা ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৯ হাজার ৬৩ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় এই ইউনিট।

সেখানে স্থাপন করা হয় সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম।

পাশাপাশি ভবনটিরও সংস্কার করা হয়।

কিন্তু ইউনিটটি প্রস্তুত হওয়ার আগেই করোনা সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

ফলে এটি আর চালু করা হয়নি।

সেই সময় থেকেই পুরো ইউনিটটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে।

দীর্ঘদিন ব্যবহারের না হওয়ায় ইউনিটটির চিকিৎসা সরঞ্জামে ধুলা-ময়লা জমে এখন নষ্ট হওয়ার উপক্রম।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী এম এ জাহিদ বলেন, করোনার পর থেকে এই ইউনিটটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করায় কক্ষের ভেতরে থাকা সরঞ্জামাদি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পথে।

করোনার সময়ে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যায়ে এই ইউনিটটি তৈরি করা হয়।

কিন্তু করোনার পর থেকে অযত্নে-অবহেলায় ভবনসহ যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে।

মেডিকেল কর্তৃপক্ষ থেকে পরিকল্পিতভাবে উদ্যোগ নেওয়া হলে এসব দামি যন্ত্রপাতি এভাবে নষ্ট হতো না।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সামছুল আলম বলেন, এই যন্ত্রপাতি যেহেতু এখন সেখানে কোনো কাজে আসছে না, অনুগ্রহ করে এগুলো অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করতে হবে।

টাকার অপচয় করা যাবে না।

আমাদের দেশে কখন কোন রোগের প্রাদুর্ভাব হবে, তা বলা কঠিন।

এজন্য এমন ইউনিট গড়ে তোলা উচিত, যা যেকোনো প্রাদুর্ভাবে কাজে লাগবে এবং অন্যান্য রোগের চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা যাবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি স্বাস্থ্য খাতের একটি বড় ধরনের অপচয়ের উদাহরণ।

প্রকল্প গ্রহণের আগে বাস্তব চাহিদা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের বিষয়টি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন ছিল।

‘করোনার পর থেকে এই ইউনিটটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করায় কক্ষের ভেতরে থাকা সরঞ্জামাদি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পথে।

করোনার সময়ে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যায়ে এই ইউনিটটি তৈরি করা হয়।

কিন্তু করোনার পর থেকে অযত্নে-অবহেলায় ভবনসহ যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে।

মেডিকেল কর্তৃপক্ষ থেকে পরিকল্পিতভাবে উদ্যোগ নেওয়া হলে এসব দামি যন্ত্রপাতি এভাবে নষ্ট হতো না’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, এটি একটি অপচয়।

আপদকালীন সময়ে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ইউনিটটি তৈরি করা হয়েছিল।

কিন্তু সেই সময়েও আমরা এটি ব্যবহার করতে পারিনি।

এখন এটি অরক্ষিত ও সম্পূর্ণ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এসব যন্ত্রপাতি অন্য খাতে ব্যবহার করা যায়।

বর্তমানে বিশেষায়িত এই ইউনিটটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এখানে থাকা সুবিধাগুলো ব্যবহার করে সংকটাপন্ন বিপুল সংখ্যক রোগীকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।

অথচ এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের তেমন কোনো তৎপরতা নেই।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিট প্রধান ডা. মো. আবুল হোসেন বলেন, করোনা মহামারির সময় রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বিশেষায়িত ইউনিটটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

তবে সংক্রমণ কমে যাওয়ার পর ইউনিটটি আর আগের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এটি ডেন্টাল ইউনিটের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

ভবনের অবকাঠামো ও স্থাপিত যন্ত্রপাতি সংরক্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সে অনুযায়ী ইউনিটটি জনস্বার্থে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম. রাজিউল করিম জানান, বিশেষায়িত এই ইউনিটটি সিভিল সার্জন অফিসের তত্ত্বাবধানেই থাকার কথা।

তবে ২০২৪ সালের আগস্টে সেখানে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

সে সময় ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

বর্তমানে তারাই ইউনিটটি পরিচালনা করছে।

‘বিশেষায়িত এই ইউনিটটি সিভিল সার্জন অফিসের তত্ত্বাবধানেই থাকার কথা।

কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে সেখানে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

সে সময় ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

বর্তমানে তাদেরাই ইউনিটটি পরিচালনা করছে’

তিনি আরও বলেন, ভেতরের যন্ত্রপাতির অবস্থা দেখতে আমরা সেখানে যেতে চাইলেও সহযোগিতা পাইনি।

যেহেতু ইউনিটটি এখন ব্যবহার হচ্ছে না, তাই এটি কীভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস আরব আমিরাতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস আরব আমিরাতের

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এ আশ্বাস প্রদান করেন। এসময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ করেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উৎস। বহুল আলোচিত বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা আকস্মিক ধাক্কা থেকে নিজেদেরকে সামলে নিতে "বাংলাদেশ ফার্স্ট" নীতি কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়টি তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়া এলএনজি বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, স্পট মার্কেটের অস্থিরতা এড়ানো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গ্রিড আধুনিকীকরণ, কার্বন নির্গমন হ্রাস, স্বয়ংক্রিয় সাব-স্টেশন এবং বন্দরের কাছাকাছি জ্বালানি বাঙ্কানিং সুবিধা তৈরিতে সহায়তা করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত যেভাবে সেদেশে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের হাব বা কেন্দ্র তৈরি করছে, তেমনিভাবে বাংলাদেশ সরকার সার কারখানা এবং ভারী ইস্পাত শিল্পকে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে গ্রিন হাইড্রোজেন বা গ্রিন অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করার বিষয়ে বিনিয়োগ এবং কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন। এসময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে তাদের সরকারের আগ্ৰহ এবং সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী দুই দেশের এই ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের কর্মকর্তা আলতাপ হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষেতলাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ড্রেনেজ সংকটে জনদুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


ক্ষেতলাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ড্রেনেজ সংকটে জনদুর্ভোগ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌরসভার একমাত্র বড় হাট ইটাখোলা হাট ও বাজারে চরম অগোছালো পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছে। বেদখল হয়ে গেছে হাটের জায়গা, নেই কোনো নির্দিষ্ট জবায়খানা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব এবং ড্রেনেজ সংকটের কারণে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন।

জানাগেছে, পৌরসভার ০৮ নং ওয়ার্ডের ক্ষেতলাল মৌজায় ইটাখোলা মহল্লায় ১ একর ৯৫ শতক জায়গা জুড়ে সপ্তাহে দুটি দিন (শুক্রবার ও মঙ্গলবার) চলে এই হাটে হাজারো মানুষের সমাগম। পৌর কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর ৩৫ থেকে ৩৬ লাখ টাকায় হাটের ইজারা নেয়। তবুও বড় অংকের রাজস্ব আদায় হলেও বাজার ব্যবস্থাপনায় নেই কোনো শৃঙ্খলা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী পট্টি বসানোর কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। গাদাগাদি করে মাছের পট্টির পাশে মিষ্টির দোকান রয়েছে, যাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার, প্রাণীসম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পে পৌর কাঁচাবাজার যাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তারা নিয়ম না মেনে সেখানে টেইলার্স এবং ভ্যারাইটি স্টোর ও স্টোররুম হিসেবে বসে আছে।

এছাড়া, জবায়খানা না থাকায় খোলা জায়গাতেই গরু ও খাসি জবাই করা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকা। মাছের পট্টি, কসাইখানা ও গণটয়লেটের বর্জ্য একত্রে পড়ে পরিবেশকে দূষিত ও অস্বাস্থ্যকর করছে। প্রতিবছর কুরবানির পশুর হাট রাস্তা দখল করে বসানো হয়।

স্থানীয় মিষ্টি ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, "নিয়মিত টোল দিয়ে ব্যবসা করি। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পণ্য বিক্রি করতে পারি না।" মাছের বাজার পাশে হওয়ায় সবসময় ঝুঁকিতে থাকতে হচ্ছে। বাজারে আসা ক্রেতা জাইদুল বলেন, "হাটের বারোয়ারী ছাড়া অন্য বারোয়ারীগুলো এত নিচু যে অসাবধান হলেই মাথায় আঘাত লাগে।" বয়স্ক মানুষদের জন্য গণটয়লেটের রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই কষ্টকর হয়ে পড়ছে।

হাটের ইজারাদার বাবলু জানান, "ইজারা নেওয়ার পরই বাজারের বেদখল জাগা ও সীমানা নির্ধারণসহ সমস্যাগুলো পৌর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।" এ বিষয়ে পৌর প্রকৌশলী আফতাব হোসেন বলেন, "ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে একটি প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%