ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মির্জাপুরে যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে


মির্জাপুরে যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়। এই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীরা হাইওয়ে থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

এ সময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার সেল ও ছররা গুলি ছোঁড়ে, যার ফলে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী হিমেল নামের এক ব্যক্তির দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনার পর হিমেলের মা নাছিমা বেগম বাদী হয়ে পুলিশ, সংবাদকর্মীসহ আওয়ামী লীগের ১০০ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০০ থেকে ৫০০ অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা করেন। উক্ত মামলায় পুলিশ শফিকুল ইসলামকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে।

শফিকুল ইসলাম আজগানা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি। তিনি চিতেশ্বরী শিকদারপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। দুই চোখ অন্ধ হওয়া হিমেল মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের লালবাড়ি গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে।

আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে পুলিশ তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বলে জানা গেছে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দুই চোখ অন্ধ হওয়া হিমেলের মা নাছিমা বেগমের দায়ের করা মামলার তদন্তে শফিকুল ইসলামের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে জিয়াউর রহমানের লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান মোজাফফর হোসেন: প্রসিকিউটর জোহা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ এম


ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে জিয়াউর রহমানের লাশ পাহাড়ে নিয়ে যান মোজাফফর হোসেন: প্রসিকিউটর জোহা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, হত্যার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লাশ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে মোজাফফর হোসেন পাহাড়ে নিয়ে যান।

তিনি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানান, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন নিজেই ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

তানভীর হাসান জোহা বলেন, মোজাফফর জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (সাবেক) মতিউর রহমান তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমানের লাশ পাহাড়ে ফেলে দেওয়ার জন্য। তবে তারা একজন ইমামকে ডেকে এনে জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করেন।

প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় মোজাফফর হোসেন এই তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর তার লাশ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার জন্য মতিউর রহমান তাকে নির্দেশ দেন। তার নির্দেশে সকাল ১০টার দিকে সৈনিকদের নিয়ে সার্কিট হাউসে যান মোজাফফর। জিয়াউর রহমানের লাশ নিয়ে পাহাড়ে যান, কিন্তু তিনি লাশ পাহাড় থেকে ফেলেননি।

মোজাফফর বলেন, একজন ইমামকে ডেকে এনে তারা জিয়াউর রহমানসহ তিনজনের লাশ একটি কবরে দাফন করেন। ইমামকে তারা বলেননি যে, এটি রাষ্ট্রপতির লাশ।

প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জানান, মোজাফফরের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মোজাফফর জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ১৯৯৭ বা ১৯৯৮ সালে দেশে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি আরো জানান, এর আগে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার জন্য মোজাফফর চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু কোনো কারণে পাচ্ছিলেন না। সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাত তার দেখা করার ব্যবস্থা করেন।

মোজাফফরকে মিল্লাত বলেছিলেন, "একটা বিয়ে আছে, সেখানে শেখ হাসিনা আসছেন।" পরে সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন মোজাফফর।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই প্রসিকিউটর বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে মোজাফফর স্যালুট দেন। পরে তিনি জানতে চান, তিনি কী করবেন। তখন শেখ হাসিনা তাকে সেনাবাহিনীতে যোগদান করার জন্য বলেন। শেখ হাসিনা তাকে সেনাবাহিনীতে আত্মসমর্পণ করার পরামর্শও দেন। পরে মোজাফফর আত্মসমর্পণ করেন। সেনা সদর থেকে একটি চিঠিও যায়। তবে যাওয়ার পর কোনো কারণে মোজাফফরের যোগদান গ্রহণ হয়নি কিংবা দেরি হচ্ছিল। তখন মোজাফফর বাংলাদেশে সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে ঢুকে পড়েন।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। এই হত্যাকাণ্ডের ৪৫ বছর পর গত ১৫ জুলাই মেজর মোজাফফর হোসেনকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বসতবাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে বসতবাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্ত শুরু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় একটি বসতবাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে নারায়ানপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ৮নং ওয়ার্ডের জোহরপুর নরশিয়া গ্রামের ইসাহাক আলীর ছেলে মো. এহুর (৪৭) সেমিপাকা বসতবাড়ির একটি ঘরে মজুদ করা একাধিক ককটেল একযোগে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলে ঘরটি বিধস্ত হয়ে যায়। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পদ্মার চরের ওই গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ওই ঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা ককটেলগুলো একযোগে বিস্ফোরিত হলে এলাকায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি এবং কেউ আটক হয়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন জানান, ওই বাড়ির মালিক এহু মাছ ব্যবসায় জড়িত। ওই এলাকায় কয়েকদিন যাবৎ প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের একটি খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রুপের উত্তেজনা চলছিল। আব্দুর রশিদ কালু এবং বাঘা নামে দুই ব্যক্তির নেতৃত্বে দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। এহু (যার বাড়িতে বিস্ফোরণ) বাঘা গ্রুপের সঙ্গে জড়িত।

এদিকে ওই এলাকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতির শঙ্কায় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) প্রতিবেদনও দেওয়া হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই উত্তেজনার কারণেই ককটেলগুলো মজুদ করা হয় যা বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও জানান চেয়ারম্যান।

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মো. রবু বলেন, জোহরপুর মাঠপাড়া এলাকায় ভারতের বিলের পানি একটি খাঁড়ি বেয়ে বাংলাদেশে পদ্মা নদীতে নামে। মৌসুমের এই সময় ওই খাঁড়িতে জাল দিয়ে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। এখন খাঁড়িটি বাঘা-এহুর দখলেই রয়েছে। ওই খাঁড়ি দখলদারিত্বের উত্তেজনা থেকেও ককটেল মজুদের ঘটনা হতে পারে বলে জানান ইউপি সদস্য রবু। বর্তমানে এহুর বাড়ি তালা দেওয়া এবং বাড়িতে কেউ নেই বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক কারণে ওই ঘটনা ঘটেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন বইয়ের মান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ এম


মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন বইয়ের মান

মধ্যরাতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানা (প্রেস) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ের গুণগত মান যাচাই করতে তিনি এসব প্রেস পরিদর্শন করেন। রাত ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন বইয়ের গাইড থেকে নমুনা বই বের করে সেগুলোর মান যাচাই করেন। ছাপার কাজ ও বইয়ের গুণগত মানও তিনি সরেজমিনে দেখেন।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি বই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যা ছাপানোর কাজ পুরোদমে চলছে।

এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি বই ছাপানো হবে। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি বই। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মাধ্যমিক পর্যায়ে নবম শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল বই ছাপানো হবে। 

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ বিষয়ের বই ছাপানো হবে। নতুন বিষয়গুলোর বইসহ সংশোধিত ও পরিমার্জিত অন্যান্য বইও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাপিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার পাঠ্যবই ছাপাতে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন: সালেহউদ্দিন আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ এম


চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন: সালেহউদ্দিন আহমেদ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এজন্য চিকিৎসকদের দর্শন পড়া দরকার, কারণ মানবশরীর শুধু শরীর না। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বারডেম জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্বর্ণপদক (মরণোত্তর) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের যে ডেডিকেশন, উনি ছিলেন মিশনারি এবং ভিশনারি। মানুষের কল্যাণে সর্বত নিয়োজিত ছিলেন। তিনি যা করে গেছেন তা অত্যন্ত মানবিক এবং প্র্যাকটিক্যাল।

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডা. ইব্রাহিমের মতো আরও মানুষের প্রয়োজন আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তার স্মৃতিকে ধরে রাখার অনুরোধও জানান ড. সালেহউদ্দিন।

মেধা, নিষ্ঠা, অবদান এবং মানবকল্যাণের প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্মরূপ ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্বর্ণপদক (মরণোত্তর) পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম এইচ খান (মোশাররফ হোসেন খান)। 

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম এইচ খানের পুত্র প্রকৌশলী মোজাদ্দেদ হোসেন খানের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননাও প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট, বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজরসের চেয়ারম্যান ও ন্যাশনাল কাউন্সিল সদস্য আব্দুল মুয়িদ চৌধুরী এবং বারডেমের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. নাছির উদ্দীন আহমেদ।

বারডেম অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. মোর্শেদ উদ্দীন আকন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। এতে স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক (ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস) অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. এটিএম মাওলাদাদ চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাজেরা মাহতাব।

অনুষ্ঠানে ডা. মো. ইব্রাহিম এবং স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম এইচ খানের জীবন, কর্ম ও অবদানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%