ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন বইয়ের মান


মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন বইয়ের মান

মধ্যরাতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানা (প্রেস) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ের গুণগত মান যাচাই করতে তিনি এসব প্রেস পরিদর্শন করেন। রাত ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন বইয়ের গাইড থেকে নমুনা বই বের করে সেগুলোর মান যাচাই করেন। ছাপার কাজ ও বইয়ের গুণগত মানও তিনি সরেজমিনে দেখেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি বই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যা ছাপানোর কাজ পুরোদমে চলছে।

এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি বই ছাপানো হবে। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি বই। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মাধ্যমিক পর্যায়ে নবম শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল বই ছাপানো হবে। 

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ বিষয়ের বই ছাপানো হবে। নতুন বিষয়গুলোর বইসহ সংশোধিত ও পরিমার্জিত অন্যান্য বইও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাপিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার পাঠ্যবই ছাপাতে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন: সালেহউদ্দিন আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ এম


চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন: সালেহউদ্দিন আহমেদ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এজন্য চিকিৎসকদের দর্শন পড়া দরকার, কারণ মানবশরীর শুধু শরীর না। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বারডেম জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্বর্ণপদক (মরণোত্তর) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের যে ডেডিকেশন, উনি ছিলেন মিশনারি এবং ভিশনারি। মানুষের কল্যাণে সর্বত নিয়োজিত ছিলেন। তিনি যা করে গেছেন তা অত্যন্ত মানবিক এবং প্র্যাকটিক্যাল।

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডা. ইব্রাহিমের মতো আরও মানুষের প্রয়োজন আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তার স্মৃতিকে ধরে রাখার অনুরোধও জানান ড. সালেহউদ্দিন।

মেধা, নিষ্ঠা, অবদান এবং মানবকল্যাণের প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্মরূপ ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্বর্ণপদক (মরণোত্তর) পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম এইচ খান (মোশাররফ হোসেন খান)। 

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম এইচ খানের পুত্র প্রকৌশলী মোজাদ্দেদ হোসেন খানের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননাও প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট, বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজরসের চেয়ারম্যান ও ন্যাশনাল কাউন্সিল সদস্য আব্দুল মুয়িদ চৌধুরী এবং বারডেমের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. নাছির উদ্দীন আহমেদ।

বারডেম অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. মোর্শেদ উদ্দীন আকন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। এতে স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক (ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস) অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. এটিএম মাওলাদাদ চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাজেরা মাহতাব।

অনুষ্ঠানে ডা. মো. ইব্রাহিম এবং স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম এইচ খানের জীবন, কর্ম ও অবদানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মাইদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার:

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ এম


ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?

ইবলিশ আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। আল্লাহর সঙ্গে তার কথোপকথনের কথাও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর একটি নির্দেশ অমান্য করে অহংকারের কারণে সে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, তার পতনের মূল কারণ ছিল আল্লাহর আদেশ অমান্য করা ও অহংকার।

 
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের তাঁকে সিজদা করার নির্দেশ দেন। তখন সবাই সিজদা করলেও ইবলিশ সিজদা করতে অস্বীকৃতি জানায়। কোরআনে বলা হয়েছে, “সে অস্বীকার করল এবং অহংকার করল; আর সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।” —সূরা আল-বাকারা: ৩৪।
 
ইবলিশ কেন সিজদা করেনি—এ বিষয়ে আল্লাহ তাকে প্রশ্ন করলে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করে। সে বলে, “আমি তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ১২।
 
অর্থাৎ, ইবলিশ আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছিল। সে মনে করেছিল, আগুনের তৈরি হওয়ার কারণে সে মাটির তৈরি আদম (আ.)-এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এই অহংকারই তার পতনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
 
তবে কোরআনের বর্ণনায় একটি বিষয় স্পষ্ট—ইবলিশ ফেরেশতা ছিল না; সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। সূরা আল-কাহফের ৫০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর সে তার প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল।”
 
ইবলিশের সঙ্গে আল্লাহর কথোপকথনের বর্ণনাও কোরআনে রয়েছে। সিজদার নির্দেশ অমান্য করার পর সে আল্লাহর কাছে কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ প্রার্থনা করে। আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন এবং সে মানুষকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়। —সূরা আল-আ‘রাফ: ১৪-১৭।
 
অন্যদিকে আদম (আ.) ভুল করার পর নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ২৩।
 
ইবলিশের ঘটনা তাই মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। জ্ঞান, মর্যাদা কিংবা ইবাদত থাকলেও অহংকার ও আল্লাহর আদেশের অবাধ্যতা মানুষকে বিপথে নিতে পারে। অন্যদিকে নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা মানুষের জন্য তওবার পথ খুলে দেয়।
 
কোরআনের এসব বর্ণনায় ইবলিশের পতনের মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের অহংকার, যুক্তি ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আ-ক্রা-ন্ত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃ-ত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ এম


ডেঙ্গুতে আ-ক্রা-ন্ত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃ-ত্যু

ইবলিশ আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। আল্লাহর সঙ্গে তার কথোপকথনের কথাও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর একটি নির্দেশ অমান্য করে অহংকারের কারণে সে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, তার পতনের মূল কারণ ছিল আল্লাহর আদেশ অমান্য করা ও অহংকার।

 
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের তাঁকে সিজদা করার নির্দেশ দেন। তখন সবাই সিজদা করলেও ইবলিশ সিজদা করতে অস্বীকৃতি জানায়। কোরআনে বলা হয়েছে, “সে অস্বীকার করল এবং অহংকার করল; আর সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।” —সূরা আল-বাকারা: ৩৪।
 
ইবলিশ কেন সিজদা করেনি—এ বিষয়ে আল্লাহ তাকে প্রশ্ন করলে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করে। সে বলে, “আমি তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ১২।
 
অর্থাৎ, ইবলিশ আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছিল। সে মনে করেছিল, আগুনের তৈরি হওয়ার কারণে সে মাটির তৈরি আদম (আ.)-এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এই অহংকারই তার পতনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
 
তবে কোরআনের বর্ণনায় একটি বিষয় স্পষ্ট—ইবলিশ ফেরেশতা ছিল না; সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। সূরা আল-কাহফের ৫০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর সে তার প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল।”
 
ইবলিশের সঙ্গে আল্লাহর কথোপকথনের বর্ণনাও কোরআনে রয়েছে। সিজদার নির্দেশ অমান্য করার পর সে আল্লাহর কাছে কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ প্রার্থনা করে। আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন এবং সে মানুষকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়। —সূরা আল-আ‘রাফ: ১৪-১৭।
 
অন্যদিকে আদম (আ.) ভুল করার পর নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ২৩।
 
ইবলিশের ঘটনা তাই মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। জ্ঞান, মর্যাদা কিংবা ইবাদত থাকলেও অহংকার ও আল্লাহর আদেশের অবাধ্যতা মানুষকে বিপথে নিতে পারে। অন্যদিকে নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা মানুষের জন্য তওবার পথ খুলে দেয়।
 
কোরআনের এসব বর্ণনায় ইবলিশের পতনের মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের অহংকার, যুক্তি ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ এম


নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতের এমপি মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ।

ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এমপির বাসা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের সময় এমপি আব্দুল গফুর বাসাতে উপস্থিত ছিলেন। তার সামনে থেকেই ডিবি পুলিশ মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

এই মামলাটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%